Posts

কাড়ান ছাতুর কাড়াকাড়ি/সূর্যকান্ত মাহাতো

Image
জঙ্গলমহলের জীবন ও প্রকৃতি পর্ব - ৩৬ কাড়ান ছাতুর কাড়াকাড়ি সূর্যকান্ত মাহাতো "যা খুশি বললেই হল! তিথি নক্ষত্র ধরে আবার ছাতু ফুটে উঠে নাকি! ছাতু ফোটার নির্দিষ্ট মরশুম এলেই তবে ছাতু ফুটে উঠবে। তা যে কোনও দিনই হতে পারে।" একটু তর্ক করার ঢঙে কথাগুলো বললেন রমেশ চক্রবর্তী। কলকাতার মানুষ। আত্মীয়তার সূত্রে জঙ্গলমহলে এসেছেন।  চা-এর ঠেকে গ্রামেরই এক বয়স্ক মানুষ কথায় কথায় বলছিলেন, "এবার করমে তেমন একটা "কাড়ান" ছাতুর দেখা মিলল না। কয়েকটা জায়গায় পাওয়া গেছে মাত্র। কিন্তু গত বছর করমের দিন খুব ছাতু উঠেছিল। জিতাষ্টমীতে কেমন উঠে সেটাই এখন দেখার আছে। তবে জিতাষ্টমীতে তেমন একটা না উঠলেও বিশ্বকর্মা পুজোতে উঠবেই।" রমেশবাবু অবাক হয়ে শুনছিলেন। ভাবলেন, ছাতু উঠার নির্দিষ্ট কোনও দিন ক্ষণ আবার হয় নাকি। তাই সে জোরের সঙ্গেই প্রতিবাদ করে উপরের কথাগুলো বলেছিলেন। কিন্তু চায়ের ঠেকে প্রায় সকলেই রমেশবাবুকে থামিয়ে একসঙ্গে বলে উঠলেন, "অন্য ছাতুর কথা বলতে পারছি না, তবে এই "কাড়ান" ছাতু তিথি ও নির্দিষ্ট দিনক্ষণ মেনেই ফুটে ওঠে। নির্দিষ্ট তিথি ও দিনগুলোর থেকে বরং ক

খর্জুর বীথির ধারে-১৩/মলয় সরকার

Image
খর্জুর বীথির ধারে মলয় সরকার (১৩শ পর্ব ) ত্রয়োদশ পর্ব আম্মানের হোটেলে ঢুকেই গেলাম ওদের রিসেপসনে। গিয়ে একটা কমপ্লেন করলাম। বললাম, আগের দিন যখন তোমাদের এই হোটেলে ছিলাম। তোমরা আমার বিল অযথা বাড়িয়েছ কেন? ওরা বলে , আপনার লজিং আমরা আপগ্রেড করেছিলাম, আমাদের ফাঁকা ছিল তাই। আপনাকে স্পেশাল সুবিধা দেওয়া হয়েছে। আমি তো রাগে ফেটে পড়লাম, এ কি তোমাদের খেয়াল খুশি নাকি? তোমরা কি আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলে, আপগ্রেড করবে কি না, বা আমি পছন্দ করছি কি না? তোমাদের ইচ্ছামত, তুমি আমাকে আপগ্রেড করে বেশি চার্জ করতে পারে না।  ওরা তো তখন তর্ক জুড়ে দিল। আমি বললাম, ডাক তোমাদের ম্যানেজারকে, না হলে আমি হায়ার লেভেলে কমপ্লেন করব।  ইতঃমধ্যে, এই সব কথা কাটাকাটি শুনে ভিতরের ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন ম্যানেজার। বেশ সৌম্যদর্শন অল্প বয়সী একটি সুবেশ ভদ্রলোক। উনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, কি হয়েছে। সব শুনে উনি বললেন, আপনি নিশ্চিন্ত হয়ে ঘরে যান। আমি দেখছি , আপনি আমাদের পুরানো কাস্টমার। হয়ত ওরা ভুল করে করেছে। আমি দেখছি ব্যাপারটা। আপনার সমস্ত বাড়তি টাকা আগামী কালেকের মধ্যেই ফেরত দিয়ে  আপনাকে মেসেজে জানিয়ে দেব।ধন্যবাদ দিয়ে রুমে গেলাম।

বিনিময় প্রথা /মিলি ঘোষ

Image
আর কবে ভাবব! (শেষ পর্ব) বিনিময় প্রথা মিলি ঘোষ  জানি, বিনিময় প্রথা কথাটার সঙ্গে ঘুষ খাওয়ার একটা সম্পর্ক আছে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে বিষয়টা ওতেই আটকে নেই। এই যে আমাদের জীবন-যাপন, অর্থাৎ বেঁচে থাকার জন্য যা যা আমাদের দরকার সবই তো পাচ্ছি অর্থের বিনিময়ে। বেঁচে থাকার জন্য ভালোবাসা বা অন্য আরো কিছু অনুভূতিরও দরকার, তবে সেগুলির সঙ্গে বিনিময় প্রথার প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই। প্রাত্যহিক জীবনে যা যা আমাদের লাগে, সবই অর্থের বিনিময়ে বিক্রেতার থেকে কিনে নিই। আবার বিক্রেতাও ওই টাকায় তার সংসার চালায় এবং ব্যবসাকে বাড়িয়ে নেয়। এভাবেই পুরো সিস্টেমটাই একটা সাইকেলের রূপ নেয়। জীবন ধারণের অন্যতম প্রয়োজনীয় বস্তু হলো টাকা। এই টাকা কিন্তু আমরা চিবিয়ে খাই না। টাকা হলো একটা মাধ্যম, যা আসলে ভ্রাম্যমান। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান অবশ্যই আমাদের চাহিদার প্রথম সারিতে থাকে এবং এই চাহিদা মেটাতে টাকাই একমাত্র মাধ্যম। এই তিনটি চাহিদার পর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আর একটি চাহিদা থাকা প্রয়োজন, তা হলো শিক্ষা। শিক্ষা প্রতিটি মানুষের জীবনের অঙ্গ হওয়া উচিত। এখন শিক্ষাকে ঠিক পথে চালনা করতে গেলেও অর্থের দরকার। এও তো বিনিময় প্রথাই। টাক

দূরদেশের লোকগল্প-- নিউজিল্যান্ড/সকালের জলখাবার/চিন্ময় দাশ

Image
দূরদেশের লোকগল্প-- নিউজিল্যান্ড সকালের জলখাবার চিন্ময় দাশ নিউ জীল্যান্ড। চারদিকে সমুদ্র দিয়ে ঘেরা একটা দেশ। মাঝ দরিয়ায় একেবারে ছোট্ট একটা ডিঙ্গি নৌকা যেমন, ঠিক তেমন এইটুকুনই দেশটা। সেখানে কয়েকটা ঘর নিয়ে নিগ্রোদের একটা গ্রাম। বলতে গেলে, তাসমান সাগরের একেবারে গা ঘেঁষে গ্রামটা। তখন গরমকাল শেষ হয়ে আসছে। কারাকা (এক জাতের বাদাম) পাকবার সময়। কমলা রঙের থোকা থোকা ফল ঝুলে আছে গাছে গাছে। তেমনই একটা বাদাম গাছে উঠে পড়েছে ছোট ছোট দুটো ছেলেমেয়ে। ছেলেটার নাম তিকি। আর মেয়েটা হোল সোয়াঙ্কি।  অন্য জাতের বাচ্চারা এই বাদাম খেতে ভয় পায়। কিন্তু নিগ্রো বাচ্চারা একেবারে আলাদা ধাতের। ভয়ডর বলে তেমন কিছু নাই তাদের। পাকা বাদামের শাঁসে এখন হলদে রঙ ধরেছে। কামড়ে খেতে ভারি মজা।  মনের আনন্দে খাচ্ছে দু’জনে। যেমন ঝকঝকে সাদা তাদের দাঁত, তেমনি ধারালোও সেগুলো। শাঁস নরম বটে, ভেতরে কিন্তু শক্ত বীজ। দুজনে খাচ্ছে আর বীজগুলো ফেলে দিচ্ছে নীচে।  এক সময় ছেলেটার নজর পড়ল, একটা কিউয়ি পাখি ঘুরে বেড়াচ্ছে নীচে। কিউয়ি হোল সমুদ্রে ঘেরা এই দ্বীপদেশের এক বিখ্যাত পাখি। বেশ নাদুস-নুদুস আর শক্তপোক্ত চেহারা। ঠোঁট জোড়া অবিকল একেবারে সা

ক্যুইজ-১৬ / সাগর মাহাত

Image
ক্যুইজ-১৬ / সাগর মাহাত ১. 'পঞ্চতন্ত্র' রচনা করেন— কালিদাস শূদ্রক বিষ্ণুশর্মা দণ্ডী ২. মুসলিম লিগ প্রতিষ্ঠিত হয়— ১৯৯০ খ্রিঃ ১৯০৬ খ্রিঃ ১৯১১ খ্রিঃ ১৯০৪ খ্রিঃ ৩. স্বাধীনতার পর প্রথম যে রাজ্যে পঞ্চায়েত রাজ চালু হয়েছিল— কর্ণাটক বিহার রাজস্থান আসাম ৪. ন্যাশনাল লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতা— রামমোহন বিদ্যাসাগর কৃষ্ণনাথ কার্জন ৫. 'নীলদর্পন' নাটকটির ইংরেজি ানুবাদ করেন— মধুসূদন দত্ত বিজন ভট্টাচার্য লর্ড ক্যানিং দীনবন্ধু মিত্র ৬. 'সাত পাহাড়ের শহর' বলা হয়— সিমলা হরিদ্বার রোম পুনে ৭. ভারতের বৃহত্তম শহর— কলকাতা মুম্বাই হরিয়ানা বিশাখাপত্তনম ৮. ভারতের প্রধান বন্দরের সংখ্যা— ৯টি ৮টি ১২টি ১৪টি ৯. 'উদ্যান নগরী' বলা হয়— ব্যাঙ্গালোর কলকাতা চেন্নাই ভোপাল ১০. 'তরাই' শব্দের অর্থ— নদী উপত্যকা স্যাঁতসেঁতে পর্বত ১১. পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতমালা— K2 আন্ড্রিজ হিমালয় ১২. কোক কয়লার সবচেয়ে বড় খনি রয়েছে— ঝরিয়া রাণীগঞ্জ দুর্গাপুর আসানসোল ১৩. ভারতের প্রাচীনতম তৈলখনি— ডিবগয় সুরাট রাণীগঞ্জ ঝরিয়া ১৪. গুজরাটের উল্লেখযোগ্য শিল্প— দুধ মৎস্য বিদ্যুৎ কৃষি ১৫. পশ্চিমবাহিনী নদী হল— কৃষ্ণা

কবিতা অ্যাভিনিউ-২৩/ বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায়

Image
কবিতা অ্যাভিনিউ  বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায়  পর্ব ২৩  পবিত্র মুখোপাধ্যায়ের কবিতায় প্রকাশিত হয়েছে যুগবোধ।তিনি যুগকে আত্মস্থ করেছেন গভীরভাবে।সমকালীনতার অন্তর্লোকে পৌঁছানোর জন্য তিনি জীবনব্যাপী অনুসন্ধান চালিয়েছেন।  নিরন্তর মানুষের ক্ষোভময় বেঁচে-থাকার মধ্যে বাঁচতে চেয়েছেন নিজস্ব আত্মগ্রন্থি মোচনের মধ্য দিয়ে-  ‘সুবাতাস ভারী করে কেউ কেউ দারুণ আহ্লাদে- পৃথিবীর রাজপথ গলিপথ জুড়ে  রাজকীয় আলোর প্লাবন দেখে যায়, পায় চরিতার্থ মানুষের সুখ।‘   মানুষের জন্য তিনি যথার্থ বেদনা অনুভব করেছেন। রাজকীয় আলোর প্লাবন দেখে সুখী হওয়ার মানুষ তিনি নন। তাই সময়ের মানচিত্রে মানুষের অস্তিত্ব-অনস্তিত্বের কথা তুলে ধরেছেন কবিতায়, তারই তত্ত্বায়ন ঘটেছে কবিতা বিষয়ক তাঁর অজস্র প্রবন্ধে। শুধু কবিতা নয় মহাকবিতার রচয়িতা তিনি। । পরিব্যাপ্ত মানব-সংস্কৃতিকে ধরতে চেয়েছেন বলেই বারবার তাঁর কাব্যে এসেছে পর্বান্তর।অখণ্ড জীবনের কথা তিনি তুলে এনেছেন নিভৃত উচ্চারণে- ‘যতই বয়স বাড়ে  আসক্তি জীবন ঘিরে  বেড়ে যায় তত। অথচ সন্তের বাণী, নিরাসক্ত হও, এই  জীবন তো ক্ষণিকের। বয়সের কথা শুধু ভাবো। দেরি নেই জীবনের শেষের সে দিন।’  এই কবিতা কি বয়

শ্রীরামকৃষ্ণের সন্ন্যাসী সন্তানেরা -৪২ /প্রীতম সেনগুপ্ত

Image
শ্রীরামকৃষ্ণের সন্ন্যাসী সন্তানেরা -৪২ প্রীতম সেনগুপ্ত  রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ষষ্ঠ সঙ্ঘাধ্যক্ষ পরম পূজ্যপাদ শ্রীমৎ স্বামী বিরজানন্দ মহারাজের বর্ণনা থেকে শশী মহারাজের বিষয়ে একটি চমৎকার ধারণা পাওয়া যায়। বর্ণনাটি এইরকম --“...ছুটি পেলেই আমরা মাঝে মাঝে বরাহনগর যেতে লাগলুম। শশী মহারাজকে দেখলেই ভয় হতো। সর্বদা যেন ভাবে গরগর থাকতেন। খুব কড়া লোক ছিলেন। আমাদের পাঠ্যবিষয়েও নানা জিজ্ঞাসাবাদ করতেন। পড়াশুনা এড়াতে আমরা মঠে আসছি কিনা দেখতেন। আমরা যদি ঠিকমতো তাঁর প্রশ্নের উত্তর দিতে পারতাম না, তিনি আমাদের বকতেন। বলতেন পড়াশুনায় অবহেলা করা উচিত নয়। আমি গোড়া থেকেই তাঁকে বলে রাখলুম, অন্য সব বিষয়ে আমাকে জিজ্ঞাসা করুন, কেবল অঙ্কের প্রশ্ন করবেন না, ওতে আমি বড় কাঁচা। শশী মহারাজ বললেন, তুমি গ্রীষ্মের বন্ধে এখানে এসে থাক। আমি এমন অঙ্ক শিখিয়ে দেব যে ফেল করার ভয় থাকবে না। আমি বললুম -- বাবাকে জিজ্ঞেস করে দেখি। বাবাকে সব বলতে তিনি রাজি হলেন। বললেন, বেশ তো যাও না। গ্রীষ্মের ছুটি হলে বইটই দপ্তরে বেঁধে মঠে হাজির হলুম। সকলে ভারী খুশি। মঠে গিয়ে বইটই পড়াশুনা সব কিন্তু ভুল হয়ে গেল। ঠাকুরের কাজ এবং ওঁদের সেবা করতে

ছাতাপরব /ভাস্করব্রত পতি

Image
পশ্চিমবঙ্গের লৌকিক উৎসব, পর্ব -- ৩৭ ছাতাপরব ভাস্করব্রত পতি "জয়পুরের রাসপূর্ণিমা, বরাবাজারের ইঁদ রে কাশীপুরের দূর্গাপূজা, চাকলতোড়ের ছাতা রে" ছাতা টাঁড়ে 'ছাতাপরব'। পুরুলিয়ার চাকলতোড়ের ছাতাপরব। আসলে ছোটনাগপুর মালভূমি এলাকার প্রচলিত বিশ্বাস যে, বৃষ্টি কামনার অনুষ্ঠানই 'ছাতাপরব'। শুধু মানভূম নয়, বরাভূম, ধলভূম, সিংভুম, ভঞ্জভুম, মল্লভূম এলাকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর লৌকিক উৎসব এই ছাতাপরব। মল্লরাজ্যে ইঁদকে বলে 'সনপেটা'। আর বড়াবাজারে বলে 'সুনিয়া'। ভাদ্রের শুক্লা একাদশীতে জাওয়া করম পরব, শুক্লা দ্বাদশীতে ইঁদপরব আর সংক্রান্তিতে 'ছাতাপরব' আয়োজিত হয়। এই ছাতাপরব আসলে স্বর্গের ইন্দ্র দেবতার কাছে মর্তের রাজাদের আনুগত্য প্রদর্শন।  "রাজার বিটির ইঁদ আর হামদের জাওয়া গো ডেগে ডেগে পঞ্চডেগে উঠে রাজার ইঁদ গো কে কে যাবে ইঁদ দেখতে হামরা দিব কড়ি গো ভেগে ডেগে পঞ্চডেগে উঠে রাজার ইঁদ গো"! 'ইন্দ্র' থেকে এসেছে 'ইঁদ' কথাটি। ইন্দ্র হলেন বৃষ্টির দেবতা। 'ইঁদ টাঁড়ে' ইন্দ্র দেবতার নামে ছাতা উত্তোলন করা হয় বলে এই লৌকিক

ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা ১০০

Image
ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা ১০০ সম্পাদকীয়,  ছোটো বন্ধুরা মজার ব্যাপার কি জানো? ছোটোবেলার বাগানে যেসব ছোটো বন্ধুরা এতদিন গল্প কবিতা ছড়া কাহিনি লিখেছিল, সেগুলো ফিরে দেখতে গিয়ে দেখি, সব সব গুলোই ফুল হয়ে ফুটে আছে আমার বাগান আলো করে। আমি জানতাম, তোমরা আমার কথা কিছুতেই বিশ্বাস করবে না। তাই ঠিক করেছিলাম, দু'একটা গোলাপ, একটা দুটো চাঁপা, কয়েকটা জুঁই তুলে এনে তোড়া বেঁধে একশো তম ছোটোবেলা সংখ্যার উদযাপন করব। কিন্তু তোড়া বেঁধে চিত্রগ্রাহক অমিয় দাদাকে দিয়ে বললাম, ছবি তুলে পাঠিয়ে দিও কিন্তু। ওমা, অমিয়দাদা যে ছবি পাঠালো সেটা তো তোমরা প্রচ্ছদেই দেখছো। তোড়ার সব ফুলই হয়ে গেছে কদম। সেই তোড়া থেকে আমি তো কিছুতেই গোলাপ, জুঁই, চন্দ্রমল্লিকাদের আলাদা করতে পারলাম না। ঋত্বিক আঙ্কেল আমার কথা শুনে হেসে বললেন, ছোটোবেলার বাগানে ছোটোদের আলাদা করবেন না। ওদের সকলকে একসঙ্গে প্রস্ফুটিত হতে দিন। আজ তো ফুল ফোটার উৎসব। ঠিকই তো, উৎসব মানেই আনন্দ, এসো ফুল ফোটার উৎসবে আমরা আনন্দে মেতে উঠি। এই আনন্দ উৎসবে তাই তোমরাই শততম সংখ্যা পড়ে খুঁজে নাও গোলাপ, গন্ধরাজ, রজনীগন্ধাদের। আর হ্যাঁ, অবশ্যই তাদের সৌরভের কথা জানিও কিন্তু