Posts

Showing posts with the label প্রাসঙ্গিক

চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন পথ দেখাচ্ছে সিমবায়োসিস

Image
চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন পথ দেখাচ্ছে সিমবায়োসিস রুম্পা প্রতিহার কৈশোরে বিজ্ঞান শব্দ ও তার বিষয়ের  সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পর অবশ্য পাঠ্য ছিল 'বিজ্ঞান, অভিশাপ না আশীর্বাদ ' রচনা পাঠ। সেই পাঠ থেকে এই ধারণা জন্মায় যে,  বিজ্ঞান যখন সংকীর্ণ স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে তখন তা অভিশাপ। আর যখন তা মানব কল্যাণে  ব্যবহৃত হয়েছে তখন তা  আশীর্বাদ হয়ে বর্ষিত হয়েছে। বর্তমান পৃথিবীতে সেই আশীর্বাদের এক অনন্য রূপ হল টেস্টটিউব বেবি। মেদিনীপুর শহরে ড.কাঞ্চনকুমার ধাড়া ও ড. সন্ধ্যা মন্ডল- এর নেতৃত্বে সিমবায়োসিস ফার্টিলিটি সেন্টার নিঃসন্তান দম্পতিদের অত্যাধুনিক ও সাধারণ পদ্ধতিতে গর্ভধারণে সহযোগিতা করে  বৃহত্তর মানবকল্যাণে নিয়োজিত ।     বর্তমানে সারা বিশ্বজুড়ে বন্ধ্যাত্বের ( ইনফার্টিলিটি) সমস্যা বেড়েই চলেছে। বন্ধ্যাত্ব  কি? খুব সহজ ভাষায় বলতে গেলে বন্ধ্যাত্ব হল শরীরের একটি প্রজননগত অসুখ। যার ফলে মানুষ তার প্রতিরূপ সৃষ্টিতে (সন্তান)ব্যর্থ হয়। এই প্রতিরূপ সৃষ্টি হল শারীরিক  বহু ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার এক জটিল পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে বহু কার্যকারণের সুস্থ সমন্বয় প্রয়োজন। যার মধ্যে আছে প

রাখীবন্ধন : মিলনের উৎসব /প্রসূন কাঞ্জিলাল

Image
রাখীবন্ধন : মিলনের উৎসব   প্রসূন কাঞ্জিলাল  ভাই-বোনের ভালোবাসা ও অটুট সম্পর্কের উৎসব রাখী বন্ধন। কিন্তু জানেন কী, শিব-সহ অন্যান্য দেবতাদেরও বোন আছে? রাখীবন্ধন উপলক্ষে জানুন তাঁদের অজানা তথ্য। রাখীবন্ধন উপলক্ষে আসুন জেনে নেওয়া যাক দেবতাদের বোনেদের নিয়ে অজানা উপাখ্যান ,যেমন অনেকে বলে থাকেন যমুনা তাঁর ভাই যমের হাতেও রাখি বেঁধেছিলেন এই দিন। আবার অনেকে বলেন দ্রৌপদীও শ্রীকৃষ্ণের হাতে রাখি বেঁধেছিলেন। পুরাণে আছে একবার কৃষ্ণের আঙুল কেটে যায়, দ্রৌপদী তাঁর গায়ের কাপড় ছিঁড়ে তা বেঁধে দিয়েছিলেন কৃষ্ণের আঙুলে। এর বদলে কৃষ্ণ কথা দেন, যে কোনও বিপদেই তিনি দ্রৌপদীকে রক্ষা করবেন। আবার অনেকে বলে থাকেন শ্রাবণ মাসের পূর্ণিমার দিনে হতদরিদ্র নারীর বেশে বালির কাছে আশ্রয় চান লক্ষ্মী। বালি নিজের প্রাসাদের দরজা খুলে দেন তাঁর জন্য। খুশি হয়ে লক্ষ্মী, কাপড়ের টুকরো বেঁধে দেন বালির হাতে।  কথিত আছে গণেশের দুই পুত্র, শুভ ও লাভ বায়না ধরেছিল নিজেদের বোনের হাতে তারা রাখি পরতে চায়। কিন্তু কোনও উপায় নেই। শেষে গণেশের দুই স্ত্রী, ঋদ্ধি ও সিদ্ধির অন্তর থেকে নির্গত অগ্নি সৃষ্টি করা হয় সন্তোষীকে। তার হাত থেকে রাখি

করোনাকালের অর্থ ও নীতি/সন্দীপ দত্ত

Image
করোনাকালের অর্থ ও নীতি সন্দীপ দত্ত লকডাউন দীর্ঘমেয়াদি হলেই কি সংক্রমণ রোধ করা যায়? প্রশ্নটা তোলার সময় এসে গেছে। এসে গেছে, কারণ করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা আর মৃতের সংখ্যার হিসেব ভারতকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে বিশ্বের প্রথম দশটি দেশের মধ্যে। যা লজ্জার। যা আতঙ্কের।      আবার করোনাকে শিখন্ডী করে অর্থনীতির কোমর ভেঙে দেওয়াটাও খুব বেশি বুদ্ধিমানের কাজ নয়। এই কঠিন সময়ে কঠিন কোনও পদক্ষেপ,যা আপামর সমস্ত দেশবাসীকে সুস্থ থাকার রসদ জোগাতে পারে,তা নেওয়াটাও ভীষণভাবে জরুরি। লকডাউন নামক এই গৃহবন্দি প্রক্রিয়াটির বয়স যখন অনেকগুলো মাসের ধারেকাছে গিয়ে দাঁড়ায়,তখন প্রক্রিয়াটির সঙ্গে ঘর করবার মানসিকতা দেশবাসীর হয়ে গিয়েছে,এটা ধরেই নেওয়া হয়। তাই লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধিতে খুব বেশি আপত্তি থাকবার কথাও নয়। এ যেন অনেকটা জলে নেমে কুমিরের সঙ্গে সহবাস করবার অভ্যেসের মতোন। হাতে যখন অস্ত্র আছে,সুতরাং কুমিরকে ভয় কী?      কিন্তু 'অস্ত্র' নামক অর্থ কি দেশের সবার হাতেই থাকে? যাদের থাকে না,তাদের অবস্থাটা কীরকম হয়? আনাড়িভাবে সাঁতার কাটতে কাটতে তারা কতদিন 'কুমির' নামক অভাবের হাত থেকে নিজেদের বাঁচাতে পারবে?  

Views of Sri Aurobindo on Education/Prasun Kanjilal

Image
Views of Sri Aurobindo on Education Prasun Kanjilal Indian thinkers have dwelt on the philosophy of education and all related aspects like knowledge, intelligence, mind and the functions of teaching and learning to which there are ample references in the texts and to the illustrious teachers of yore like Sri Krishna, Vidura, Bhisma, Dronacharya in the Mahabharata and Vashista in the Ramayana. At a much later stage, one encounter teachers like Susruta, teaching Ayurveda to his students, drawing out the characteristics of an ideal teacher and an ideal student. Buddha and Mahavira have been great teachers. It may even be worthwhile to cull out the principles of teaching and learning embodied in their teachings from the available textual evidences. The quality of Indian discourse on Teaching and Learning has been widely acknowledged. There are many more examples during the medieval times of effective teachers, both of the religious and vocational kinds, which may be taken as th

রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি পরিষদ (NAAC) এর মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি: উদ্দেশ্য ও প্রস্তুতি - কলেজ ভিত্তিক অভিজ্ঞতা /সজল কুমার মাইতি

Image
রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি পরিষদ (NAAC) এর মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি: উদ্দেশ্য ও প্রস্তুতি - কলেজ ভিত্তিক অভিজ্ঞতা  সজল কুমার মাইতি ভারতে পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ও বৈচিত্র্যপৃর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থা প্রচলিত আছে। শিক্ষার বেসরকারিকরন, ব্যাপক বিস্তৃতি, বর্ধিত স্বায়ত্বশাসন এবং নতুন নতুন শিক্ষাক্রমের প্রচলন উচ্চ শিক্ষায় নব ও উদীয়মান ক্ষেত্রে প্রবেশদ্বার বহুলাংশে খুলে দিয়েছে। ফলস্বরূপ, উচ্চ শিক্ষার প্রাসঙ্গিকতা ও উৎকর্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। 1986 ও 2020 সালের শিক্ষা নীতি (NPE, 1986 ও 2020) ও 1992 সালের শিক্ষাক্রম (PoA, 1992) এ এই সকল প্রশ্নের উত্তর খোঁজার কর্মকৌশলের ব্যবস্থার কথা কর্মনীতি হিসেবে স্পষ্টরূপে বর্নিত হয়েছে। এবং একটি স্বাধীন জাতীয় স্বীকৃতি সংস্থা প্রতিষ্ঠার কথা ও স্বীকৃত হয়েছে। এর ফলস্বরূপ, 1994 সালে রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি পরিষদ (NAAC) প্রতিষ্ঠিত হয়। এই প্রতিষ্ঠান একটি স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা এবং এটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (UGC) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।  ন্যাক স্বীকৃতির উদ্দেশ্য   ন্যাকের  মূল উদ্দেশ্য হল উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির কার্যব্যবস্থার এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একশো পঞ্চাশতম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে/‘ওবিন ঠাকুর, ছবি লেখে’/মুক্তি দাশ

Image
অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের  একশো পঞ্চাশতম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‘ওবিন ঠাকুর, ছবি লেখে’ মুক্তি দাশ “আমার জীবনের প্রান্তভাগে যখন মনে করি সমস্ত দেশের হয়ে কাকে বিশেষ সম্মান দেওয়া যেতে পারে তখন সর্বাগ্রে মনে পড়ে অবনীন্দ্রনাথের নাম।…আজ সমস্ত ভারতের যুগান্তরের অবতারণা হয়েছে চিত্রকলায় আত্ম উপলদ্ধিতে। সমস্ত ভারতবর্ষ আজ তাঁর কাছ থেকে শিক্ষাদান গ্রহণ করেছে। এঁকে যদি দেশলক্ষ্মী বরণ করে না নেয়, আজও যদি সে উদাসীন থাকে, বিদেশী জয় ঘোষণায় আত্মাবসান স্বীকার করে নেয়, তবে এই যুগের চরম কর্তব্য থেকে বাঙালী ভ্রষ্ট হবে।”  অবনীন্দ্রনাথ সম্পর্কে এমন ঋজু অকপট স্বীকৃতি স্বয়ং রবীন্দ্রনাথের। মৃত্যুর মাত্র মাসখানেক আগে কবিগুরু তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র শিল্পাচার্য অবনীন্দ্রনাথের আলোচনা প্রসংগে এমন উক্তি করেছিলেন। এবং এর কোনও অংশকেই অত্যুক্তি বা অতিরঞ্জিত বলে ভাবার কোনও অবকাশই নেই। অবনীন্দ্রনাথ যথার্থই একজন মহৎ ও মুক্তমনের চিত্রশিল্পী। ভাবের পথে জীবনকে উপলব্ধি অবনীন্দ্র-শিল্পাদর্শের প্রধান ও অন্যতম লক্ষণ। তিনিই সর্বপ্রথম শিল্পকলার জগতে প্রাচ্যরীতির উদ্বোধন করে ভারতীয় চিত্রশিল্পের প্রাণপ্রতিষ্ঠা করেন। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্

কর্মতাপস আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় আদতে এক প্রফুল্ল স্মৃতি/ প্রসূন কাঞ্জিলাল

Image
কর্মতাপস আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় আদতে এক প্রফুল্ল স্মৃতি                         প্রসূন কাঞ্জিলাল ১৮৮৮ সাল।  জাহাজটা এসে কলকাতা বন্দরে থামতেই  নেমেছিলেন এক যুবক যিনি  ছ’বছর ‘এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে’ অধ্যয়ন করে সেখানকার ‘ডি.এস.সি.’ উপাধি লাভ করেছিলেন, আর সেখানে তাঁর প্রবন্ধ সর্বোৎকৃষ্ট বিবেচিত হওয়ার জন্য পঞ্চাশ পাউন্ডের একটা পুরস্কারও পেয়েছিলেন। সেই পুরস্কারের টাকাটা পুরোই লেগে গিয়েছিল জাহাজ ভাড়া ও প্রভৃতি খরচায়। তাই কলকাতায় পৌঁছেছিলেন একেবারে কপর্দকহীন অবস্থায়। জাহাজের কোষাধ্যক্ষের কাছে নিজের জিনিষপত্র জমা রেখে  ধার করে নিয়েছিলেন আটটি টাকা৷ যুবকের  পরণে ছিল সাহেবী পোষাক, কিন্তু  সেই পোষাকে আত্মীয়স্বজনের কাছে যেতে তাঁর দ্বিধাবোধ হচ্ছিল।  তাই জাহাজ থেকে নেমেই  ছুটে গিয়েছিলেন   বন্ধু  ‘জগদীশচন্দ্র বসু’ র বাড়িতে। তাঁর কাছ থেকে ধুতি, পাঞ্জাবি প'রে  তারপরে গিয়েছিলেন নিজের বাড়িতে। যুবকের নাম আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়।    তখনকার দিনে বিলেতে পরীক্ষায় যাঁরা কৃতিত্ব দেখাতেন, তাঁরা সেখান থেকেই একটা চাকরির যোগাড় করে দেশে ফিরতেন। কিন্তু প্রফুল্লচন্দ্র সে রকম কিছু করে আসে