Posts

Showing posts with the label গদ্য

জঙ্গলমহলের খাবার: কুরকুট থেকে বিরিয়ানি সবকিছুই/সূর্যকান্ত মাহাতো

Image
জঙ্গলমহলের জীবন ও প্রকৃতি পর্ব - ৩৮ জঙ্গলমহলের খাবার: কুরকুট থেকে বিরিয়ানি সবকিছুই সূর্যকান্ত মাহাতো "জঙ্গলমহলের মানুষ 'পিঁপড়ের ডিম' খেয়ে বেঁচে থাকত--- একথা এখন নাকি কিছুটা প্রবাদে পরিণত হয়েছে। সত্যিই কি জঙ্গলমহলের মানুষ একটা সময় 'পিঁপড়ের ডিম' খেয়ে বেঁচে ছিল?" জঙ্গলমহল বেড়াতে এসে বেলপাহাড়ীর এক প্রবীণ হোটেল মালিককে কথাগুলো বলছিলেন সুধাংশু দাস। দুপুর অনেকটাই গড়িয়ে গেছে বলে হোটেলের চাপ এখন অনেকটাই কম। তাই বেশ একটু গুছিয়ে নিয়ে প্রবীণ মানুষটি বললেন, "আপনার কি মনে হয়, পিঁপড়ের ডিম খেয়ে বেঁচে থাকা সম্ভব?" সুধাংশু বাবু বললেন, "না। সেটা একরকম অসম্ভব। কিন্তু আমার প্রশ্ন হল এরকম একটা কথা তাহলে কীভাবেই বা হঠাৎ এত প্রচারের আলোতে এসেছিল? এখানকার মানুষ পিঁপড়ের ডিম নিশ্চয়ই খায়, না হলে কথাটা কি এমনি এমনি উঠে এসেছিল?" হোটেলের মালিক কিছুটা যেন বিরক্ত হলেন। "আরে মশাই পিঁপড়ের ডিম তো একটা খাবার! এখানকার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সুস্বাদু খাবার। তো এমন একটা স্বাদের আহার লোকে খাবে না! শুধু মানুষের কেন, এই খাবার মাছেরও অত্যন্ত জনপ্রিয়

খর্জুর বীথির ধারে -১৫/মলয় সরকার

Image
খর্জুর বীথির ধারে মলয় সরকার (১৫শ পর্ব ) পঞ্চদশ পর্ব (শেষ পর্ব) রোদে শরীর যেন ঝলসে যাচ্ছে। তার উপরে এখানে তো অন্য কোন রঙ নেই, সবটাই সাদাটে হলুদ রঙের বেলে পাথরের। ফলে এত পাথরের মাঝে রোদটা আরও বেশি করে যেন লাগছে। বড় বড় থাম, দেওয়াল আর ভাঙ্গা ইতস্ততঃ ছড়ানো বিভিন্ন ইমারতের  অংশ। এর মাঝে ঘুরে বেড়াচ্ছি প্রেতের মত, কেমন যেন একটা মন্ত্রমুগ্ধের মত বেশ আচ্ছন্ন হয়ে।ছায়া নেই কোথাও। মনে হল, মাঝে মাঝে কিছু ছায়া বা বসার জায়গা থাকলে বেশ হত। কিন্তু, কি থাকলে কি হত, ভেবে লাভ নেই।দুঃখ না করে যা পারছি ,দেখে নেওয়াই লাভের। আর জীবনে কি কোন দিনও আসব এখানে! হয়ত কোন দিনই নয়। আবার হয়ত ছুটে যাব অন্য কোথাও অন্য কোন টানে। এর পর গেলাম পাশেই একটি জায়গায় যেখানে অনেকগুলো থাম কাছাকাছি দাঁড়িয়ে রয়েছে। গাইড বললেন, এটি আসলে সাধারণ মানুষের দৈনিক বাজারের জায়গা ছিল। এর নাম  Marcellum। এতে , বোঝাই যায়, হাত পড়েছে মুসলিম ও বাইজান্টাইন স্থাপত্য রীতির।এরও মাঝে একটি ফোয়ারার মত জায়গা রয়েছে। এর স্তম্ভের নীচের দিকে পাশে একটা ফুটো আছে, সেটি নাকি সীসার পাইপ দিয়ে জল আসার কাজে ব্যবহার হত সেই ফোয়ারার জন্য।   এর পর দেখল

দূরদেশের লোকগল্প—চেকোশ্লোভাকিয়া /চিন্ময় দাশ

Image
দূরদেশের লোকগল্প—চেকোশ্লোভাকিয়া  চিন্ময় দাশ চতুর মোরগ সরল মুরগি একটা হৃষ্টপুষ্ট মোরগ আর সুন্দর ছিপছিপে একটা মুরগি। কাছাকাছিই থাকে দুটিতে। ভারি ভাব দুজনের।  একদিন মোরগ বলল—চলো, খেতের দিকে যাই। খাবার দাবার নিশ্চয় কিছু না কিছু পাওয়া যাবে। মুরগি বলল—চলো তাহলে, যাওয়া যাক। পথে যেতে যেতে মোরগ বলল— তবে আমার একটা প্রস্তাব আছে। খোঁটাখুঁটি করে তুমি যা পাবে, আমার সাথে ভাগ করে খাবে। আর, আমি যা পাবো, তোমার সাথে ভাগ করে খাবো। মুরগি বলল— এ তো ভালো কথা। অসুবিধার কী আছে? আমি রাজি।  মোরগ-মুরগিদের খাবার খোঁজা মানে, দুটো পা দিয়ে আঁচড়ানো, নয়তো বা, ঠোঁট দিয়ে ঠোকরানো। তাতে যখন যা উঠে আসে।  দুজনেই খোঁজাখুঁজি করছে। খানিক বাদে একটা কেন্নো পেয়ে গেল মুরগি। ভারি আনন্দ তার মনে। মোরগকে ডেকে বলল— এসো, ভাগ করে খাই দুজনে। আরও দু’বার এটা ওটা পেল মুরগিটাই। প্রত্যেক বারেই মোরগকে ভাগ দিয়ে, খেলো সে।  খানিক বাদে চিনে বাদামের বড়সড় একটা দানা পেয়ে গেল মোরগ। দানাটা চোখে পড়ামাত্রই, মুখে লালা এসে গেল তার। স্বভাবেও ভারি চতুর সে। মনে ভাবল, এত বড় দানাটার ভাগ দিয়ে দিতে হবে মুরগিকে? আড় চোখে একবার চেয়ে দেখল মুরগির দিকে। না, স

নূতন শিক্ষা নীতি ২০২০ (NEP- 2020) - কিছু প্রশ্ন /পর্ব - ১/অধ্যাপক সজল কুমার মাইতি

Image
নূতন শিক্ষা নীতি ২০২০ (NEP- 2020)  - কিছু প্রশ্ন  পর্ব - ১ সজল কুমার মাইতি আমাদের দেশে এর বেশ কয়েকটি শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়েছিল। তাঁদের পরামর্শ মতো আমাদের দেশের শিক্ষা নীতিতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পরিবর্তন এসেছে। বতর্মান শিক্ষা নীতি অর্থাৎ নূতন শিক্ষা নীতি ২০২০ (NEP) চালু হল প্রায় ৩৪ বছর পর। এর আগে ১৯৮৬ (NPE) তে আমাদের দেশে নূতন শিক্ষা নীতি চালু হয়েছিল। ১৯৯২ সালে এই নীতিতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছিল। সেই হিসেবে বতর্মান শিক্ষা নীতি আমাদের দেশে প্রায় চৌঁত্রিশ বছর পর নূতন শিক্ষা নীতি।  প্রথমে দেখা যাক নূতন শিক্ষা নীতির ভূমিকায় কি বলা হয়েছে। " মানবিক শক্তির পূর্ণ বিকাশ ও একটি ন্যায়সঙ্গত ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য ও রাষ্ট্রের সর্বাঙ্গীন উন্নতি সাধনের জন্য শিক্ষাই হল মূল ভিত্তি।" এ এমন এক সমাজ যেখানে সবাই অংশগ্রহণ করতে পারে। এমন এক সমাজ যেখানে সবার আর্থিক, সামাজিক, রাজনৈতিক সুস্থিতি নিশ্চিত করা সম্ভব। এই নীতির বিরুদ্ধে কোনো বড় নিন্দুক ও সমালোচকের বলার কিছু থাকে না। এই ভূমিকায় আরও অনেক কিছু বলা আছে যার বিরুদ্ধে বলার মতো তেমন কিছু নেই। কেই বা না চায় শিক্ষা নীতির লক্ষ্য হোক

শ্রীরামকৃষ্ণের সন্ন্যাসী সন্তানেরা-৪৪/প্রীতম সেনগুপ্ত

Image
পর্ব ৪৪ শ্রীরামকৃষ্ণের সন্ন্যাসী সন্তানেরা প্রীতম সেনগুপ্ত  ১৮৯৭ সালে মার্চ মাসের শেষ দিকে স্বামী সদানন্দের সঙ্গে মাদ্রাজে পৌঁছলেন রামকৃষ্ণানন্দজী। প্রথমদিকে আইস হাউস রোডের একটি ভাড়া বাড়িতে উঠলেন। পরবর্তী সময়ে স্বামীজীর একান্ত অনুগত ভক্ত এস বিলগিরি আয়েঙ্গারের আইস হাউস নামের তিনতলা বাড়ির একতলার ঘরগুলি বিনা ভাড়ায় পেয়ে সেখানেই স্থানান্তরিত হলেন। স্বামীজীর পাদস্পর্শপূত এই বাড়িটি। ‘ক্যাসল কার্নন’ ছিল বাড়িটির প্রকৃত নাম। মাদ্রাজে আসার সঙ্গে সঙ্গে শ্রীশ্রীঠাকুরের পট স্থাপনপূর্বক পূজাকার্য আরম্ভ করে দিলেন শশী মহারাজ। ১৮৯৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে বিভিন্ন স্থানে রামকৃষ্ণ মিশন দুর্ভিক্ষে সেবাকাজ আরম্ভ করলে ওই কাজে সাহায্যের জন্য পত্রিকায় আবেদন প্রকাশ করলেন এবং অন্যান্যভাবে অর্থসংগ্রহের কাজে মন দিলেন। এইভাবে তাঁর কর্মক্ষেত্রের প্রসার হতে থাকল। আবার বিদ্বৎসমাজেও পরিচিত হতে থাকলেন। কারণ, মাদ্রাজের ইয়ং মেনস অ্যাসোসিয়েশনে ধারাবাহিক যে সব বক্তৃতা দিয়েছিলেন সেগুলি ‘ব্রহ্মবাদিন’ ও ‘প্রবুদ্ধ ভারত’ পত্রিকা দুটিতে প্রকাশিত হয়। এছাড়া মাদ্রাজের বিভিন্ন স্থানে শাস্ত্রালোচনাও করতেন নিয়মিতভাবে। ত্রিপ্লিক

দুয়ারবন্দনা ও গিরিবন্দনা /ভাস্করব্রত পতি

Image
পশ্চিমবঙ্গের লৌকিক উৎসব, পর্ব - ৩৯ দুয়ারবন্দনা ও গিরিবন্দনা ভাস্করব্রত পতি "এবার আমার উমা এলে আর উমা পাঠাবো না / মায়ে ঝিয়ে করব ঝগড়া জামাই বলে মানবোনা" -- আগমনী গানে এভাবেই মা মেনকার সুরে সুর মিলিয়ে যেন বাংলার প্রতিটি মা গেয়ে ওঠেন। আর দুর্গার আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রবেশদ্বারে মাঙ্গলিক ফোঁটাদান চিরায়ত ঐতিহ্য। একে বলে "গিরিবন্দনা"। গিরিরাজ কন্যার বন্দনা। একদিকে দুর্গার আগমণ আর অন্যদিকে বাড়ির মেয়ের বাপের বাড়িতে আগমণ যেন মিলেমিশে একাকার। তার আগে ঘরদোর গোবর দিয়ে নিকোনো একটা প্রথা। ঘরদোর সাফ সুতরো করে রেখে দেবীকে নিজের মেয়ের আসনে বসানোর রীতি বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি। এই ঘরদোর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে দেবীকে আবাহন করার রীতি হলো "দুয়ারবন্দনা"। বিল্ববৃক্ষমূলে দেবীর বোধন শুরুর আগেই মহাষষ্ঠীর বিকেলে টিকিফলের ফোঁটায় দুর্গাকে আবাহন আসলে স্বর্গের দেবীকে মর্তের আপন মেয়ে বলে বাঙালির কোমল ভাবনাই জারিত। আসলে বাঙালির মান্যতা যেন 'দেবতারে প্রিয় করি, প্রিয়েরে দেবতা'। এ আসলে সকলকে আপন করে নেওয়ার ভঙ্গীমা। আর তাতেই নিতান্ত অবহেলিত পেটারি গাছ

চিকিৎসক বিদ্যাসাগর /প্রসূন কাঞ্জিলাল

Image
চিকিৎসক বিদ্যাসাগর প্রসূন  কাঞ্জিলাল সংস্কৃতজ্ঞ পণ্ডিত, সমাজসেবী, সমাজ সংস্কারক, এক বিশাল জ্ঞানের অধিকারী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়কে সারা বিশ্বের মানুষ চেনেন। কিন্তু চিকিৎসক রূপে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ব্যাপ্তি সমন্ধে খুব কম সংখ্যক মানুষই জ্ঞাত। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিদ্যাসাগর মহাশয় এর আগ্রহ ও অবদান ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য। কিন্তু তার চিকিৎসা পদ্ধতির মূল অস্ত্র ছিল তার নিঃস্বার্থ সেবাপরায়ণতা এবং দরিদ্র মানুষের প্রতি তার অন্তরের ভালোবাসা। বিদ্যাসাগরের হোমিওপ্যাথি চর্চার অত্যন্ত মানবিক নাকি ঐশ্বরিক বিবরণ পাওয়া যায় তার কারমাটার বাস কালে দরিদ্র শিক্ষাহীন সাঁওতালদের সান্নিধ্যে। বিহারীলাল সরকার লিখছেন "সাঁওতাল প্রবল পীড়ায় প্রায় শয্যাগত বিদ্যাসাগর তাহার শিয়রে বসিয়া, মুখে ঔষধ ঢালিয়া দিতেন, হা করাইয়া পথ্য দিতেন উঠাইয়া বসাইয়া মলমূত্র ত্যাগ করাইতেন সর্বাঙ্গে হাত বুলাইয়া দিতেন।" এ আন্তরিকতার হদিশ পেয়েছে শুধু সাঁওতালরা নয় সমাজের বিভিন্ন বৃত্তের মানুষ আর এই প্রয়াসের বলিষ্ঠতা তার আকৈশোরের অভ্যাস অথবা বলা ভালো জীবনধর্ম। এই মরমী মনটি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার বহ

রমানাথ রায় /বিশ্বজিৎ পাণ্ডা

Image
বাংলা গল্পের পালাবদল— ১৩   রমানাথ রায়  বিশ্বজিৎ পাণ্ডা বিশ শতকের ষাটের বছরগুলির অন্যতম প্রধান গল্পকার রমানাথ রায় (১৯৪০-২০২১)। জন্ম যশোর জেলার গোগা গ্রামে। উল্লেখ করা যেতে পারে ইছামতী নদীর তীরের এই গ্রামের শৈশবস্মৃতি ধরা আছে তাঁর ‘গোগা’ নামের একটি গল্পে। বছর দশেক বয়স থেকে কলকাতায়। সিটি কলেজিয়েট স্কুল, সিটি কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনো। ক্লাস এইটে পড়ার সময় অঙ্কের শিক্ষকের নির্দেশে প্রথম গল্প। তারপর মনের আনন্দে একটার পর একটা গল্প। কিন্তু সে সব গল্প তিনি জমিয়ে রাখতেন না। কলেজে পড়ার সময় গোগ্রাসে গিলেছেন বিশ্ব সাহিত্য। দস্তইয়েভ্‌স্কি, চেখভ, মোপাসাঁ, ফ্লোব্যের, ডিকেন্স, মার্ক টোয়েন, এডগার অ্যালান পো-এ আচ্ছন্ন হয়ে বুঝেছিলেন এতদিন যা লিখেছেন সব অর্থহীন।  এম-এ পড়তে পড়তে নতুন করে লেখার কথা ভাবলেন। “গল্প মানে তো শুধু একটা গল্প নয়। গল্পের ভাবনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে তার ভাষা, জড়িয়ে আছে তার রচনারীতি।” তিনিও নিজস্ব ভাষা, নিজস্ব রচনারীতি খুঁজে বেড়ালেন। দ্রুত খুঁজে পেলেন সেই ভাষা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ডাকঘর’ এবং ফ্রানৎস কাফকার ‘দ্য মেটামরফসিস’ পড়ে চমকে উঠেছিলেন। তাঁর লেখক-জীবনের প্রেরণা

ভান করে বাঁচা..../নিশান চ্যাটার্জী

Image
জীবনের গভীরে বিজ্ঞান-১৯ ভান করে বাঁচা.... নিশান চ্যাটার্জী নিজেকে সুন্দর দেখানোর জন্য সাজগোজ পছন্দ করেন না এরকম মানুষের সংখ্যা নেহাতই নগন্য। মানুষ সর্বদাই সুন্দরের পূজারী। তবে সাজ যে কেবলমাত্র সুন্দর দেখানোর তাগিদেই ঘটে তা কিন্তু নয়। মানুষ অনেক সময় নিজেকে লুকিয়ে রাখতেও সেজে থাকাকেই শ্রেয় মনে করেন। অবশ্য সেই সাজকে আমরা "ভান" বলে কটাক্ষ করে থাকি। যেমন ধরুন কেউ নেহাতই কৃপণ হয়েও দানী সাজার ভান করে। আবার কেউ কেউ অযোগ্যতা ঢাকতে অন্যকে বিদ্রুপ করে যোগ্য সাজার ভান করে, আবার কেউ কেউ নিজে চুরি করে অন্যকে চোর বলে গালিগালাজ করে নিজে সাধুর ভান করে। আসলে মানুষ এসব কিছুই করে তার নিজের কার্যসিদ্ধির জন্য। আজকাল রাজনীতির ময়দানেও এই "ভানের" বেশ চল রয়েছে। তবে শুধু রাজনৈতিক নয় সামাজিক জীবনযাত্রাতেও " ভানের" প্রচলন অনেক আগে থেকেই রয়েছে। পাঠককূলের মনে হতেই পারে কথাগুলো অপ্রাসঙ্গিক। কিন্তু এর পেছনেও রয়েছে বিজ্ঞানের হাতছানি। মানুষের মতো আমাদের রহস্যময় জীবজগতের জীবকূলও এই "ভান" করে থাকাকে হাতিয়ার করেই তাদের জীবনসংগ্রাম চালিয়ে যায়। বিজ্ঞানের ভাষায