পুলক কান্তি কর
জ্বর
একটু খোঁজও তো নিতে পারো মাঝে মাঝে
এই কেমন আছি
ঠিকমতো ঘুমিয়েছি কিনা কাল রাতে
দুপুরের হঠাৎ বর্ষা
বোঝাতে পেরেছে কিনা তোমার অভাব...
কিছুই তো খোঁজ নাও না
তাহলে মিছিমিছি এতখানি জ্বরে পুড়ে
কী লাভ ...
কুঁড়ি
কতদিন এমন করে হাসো না
শুধু হাসি, হাসি আর হাসি
পাহাড়ী নদীর মতো তারা উচ্ছ্বল
চলার স্রোতে যেতে যেতে ভেঙে দেয় শব্দ
ডাঙা, খড়কুটো
এমন কী কবির মন খারাপ
ভুলিয়ে দেয় চুপিসারে, গভীর সময়
সময়ের নীচে জমে থাকা বড় ছোট নুড়ি...
মধ্য চল্লিশে এসে হঠাৎ কেন মনে হয়
সময় তো নয়, হাসির পরত দিয়ে বয়ে যায় জল
আর জলের ভেতর সাত সতেরো কুঁড়ি
চারা
যদি ভাবো আসবে না আজ বিকেলে
বেশ তো
স্নান করে বসো তোমার বারান্দায়
চা -এর কাপে চুমুক দিতে দিতে ভাবো
বেল ফুলের কুঁড়িটা আজ ফুটেছে বেশ ভালো
তোমার টবে।
কদিন ধরেই ভাবছি
খুব শিগগিরি তোমায় একটা
ফুলগাছের চারা
উপহার দিতে
0 Comments