Posts

Showing posts from April, 2020

সূচিপত্র / এই সময় ও রবীন্দ্রনাথ ১৪২৭

Image
সূচিপত্র ---------------- অমিত্রসূদন ভট্টাচার্য      https://jaladarchi.blogspot.com/2020/04/blog-post_18.html  অনুত্তম ভট্টাচার্য          https://jaladarchi.blogspot.com/2020/04/blog-post_96.html শংকর চক্রবর্তী            https://jaladarchi.blogspot.com/2020/04/blog-post_24.html  অচিন্ত মারিক             https://jaladarchi.blogspot.com/2020/04/blog-post_9.html        সুদর্শন নন্দী              https://jaladarchi.blogspot.com/2020/04/blog-post_52.html                                            মানব প্রামাণিক            https://jaladarchi.blogspot.com/2020/04/blog-post_79.html  রাখহরি পাল               https://jaladarchi.blogspot.com/2020/04/blog-post_94.html সন্দীপ কাঞ্জিলাল           https://jaladarchi.blogspot.com/2020/04/blog-post_53.html তুলসীদাস মাইতি           https://jaladarchi.blogspot.com/2020/04/blog-post_68.html  আশিস দণ্ডপাট             https://jaladarchi.blogspot.com/2020/04/blog-post_14.html আশিস মিশ্র                  https://jaladarchi.blogspot

অমিত্রসূদন ভট্টাচার্য

Image
অ মি ত্র সূ দ ন  ভ ট্টা চা র্য রবীন্দ্রনাথ এক আশ্চর্য আশ্রয়  আমি এই সময়ে আরও বেশি করে রবীন্দ্রনাথ পড়ছি। পড়েই চলেছি। বস্তুতপক্ষে আমার সৌভাগ্য হয়েছে এই সময় রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে একটি প্রবন্ধ-উপন্যাস লেখার। শব্দটি প্রবন্ধোপন‍্যাস। যদি কাব‍্যোপন‍্যাস থাকে, যদি তথ‍্যোপন‍্যাস থাকে, যদি ডকুমেন্টারি নভেল থাকে তাহলে প্রবন্ধোপন‍্যাস নয় কেন!  এটা মূলত ডকুমেন্টারি নভেল। আমি যার বাংলা দিতে চাইছি প্রবন্ধোপন‍্যাস। এটা মিত্র ঘোষ থেকে প্রকাশিত সেই সত্তর বছরের পুরোনো পত্রিকা 'কথাসাহিত্য মাসিক পত্রিকা' --তাতে ধারাবাহিক বেরুবে, এই বিজ্ঞাপন চৈত্র সংখ্যাতে ছাপা হয়েছে। তারাই এটাকে প্রবন্ধ-উপন‍্যাস বলে উল্লেখ করেছেন। এটা মূলত রবীন্দ্রনাথ ও রাণুর যে আট বছরের সম্পর্ক তার-ই ভিত্তিতে রবীন্দ্রনাথকে খোঁজা। দীর্ঘদিন ধরেই রবীন্দ্রচর্চা করে এসেছি। রবীন্দ্রনাথ একজায়গায় লিখে গেছেন যে  সত্যিকারের জীবনী যদি লিখতে হয় তাহলে সেটা গদ‍্যে লেখা যায় না। সেটা কাব‍্যে লিখতে হয়। কাব্য অর্থাৎ শুধু যে ছন্দোবদ্ধ রচনায় কাব্য তা নয় গদ‍্যও কাব্য হয়। উপন্যাসও কাব্য। সেই জন্য আমি এই উপন্যাস লেখার চেষ্টা করতে গিয়ে রবীন্দ্রন

অনুত্তম ভট্টাচার্য

Image
অ নু ত্ত ম  ভ ট্টা চা র্য  এই সময় ও রবীন্দ্রনাথ  গত ২০১৯ এর নভেম্বরে চীনের ইউহান শহর থেকে মারণ রোগ করোনা ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে। সেই থেকে এই ভাইরাল মহামারিতে সারা বিশ্ব আজ বিপর্যস্ত। লক্ষ লক্ষ মানুষ এই মারণ রোগের শিকার হয়ে ইহলীলা সাঙ্গ করেছেন। এই ঘোর সংকটের সংবাদ প্রতিনিয়ত সংবাদমাধ্যমগুলির মাধ্যমে পেয়ে বিশ্ববাসী আজ আতঙ্কিত, সন্ত্রস্ত। মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা প্রতিকূল পরিবেশের শিকার হয়ে বিপর্যস্ত। মাঝে মাঝে মনে হয় সৃষ্টিকর্তার এই সৃষ্টি বুঝি যায় যায়। কিন্তু পরক্ষণেই কবির বাণীই অন্তরে জেগে উঠে সাহস জোগায় --- "বিপদে মোরে রক্ষা কর এ নহে মোর প্রার্থনা বিপদে আমি না যেন করি ভয়।" এই মারণ রোগের প্রতিষেধক এখনো আবিষ্কার হয়নি। মানুষকে গৃহবন্দি করে রেখে 'লক ডাউনে'র মাধ্যমে সুস্থ রাখার ব্যবস্থা করে চলেছে সারা বিশ্বের প্রতিটি দেশ। বলতে গেলে প্রতিটি মানুষ আজ গৃহবন্দি। যানবাহন চলাচল বন্ধ। শত অসুবিধার সম্মুখীন হয়ে যে যেখানে আছেন সেইখানেই বন্দিজীবন যাপন করছেন। এ যেন এক অকল্পনীয় অবস্থা। মনে হয় যেন কোন অদৃশ্য যাদুকর যাদুম

শংকর চক্রবর্তী

Image
শং ক র  চ ক্র ব র্তী  ' শোকতাপ গেল দূরে' এভাবে ঘরবন্দির অভিজ্ঞতা জীবনে আসেনি কখনও আগে। এভাবে অনেককিছুর অভিজ্ঞতাই এ জীবনে প্রত্যক্ষ করতে হচ্ছে এখন। যদিও তা আমার একার অভিজ্ঞতার ব্যাপার নয় জানি। আর জানি বলেই অনেককিছু নতুনভাবে ভেবে নেওয়ার অফুরন্ত সময় জুটে যাচ্ছে। দিনরাত ঘোর এক আতঙ্কের ঘেরাটোপ থেকে বেরিয়ে নিজেকে সঁপে দেওয়ার একান্ত আপন সময়। 'আমি চাহিতে এসেছি শুধু একখানি মালা'। তাঁর অসংখ্য গান যেন এই দুঃসময়ে আরোগ্যের হাতে স্পর্শ করে যায়। রোজ ভোরে যখন একবার নীচে নেমে ছুঁয়ে দেখতে যাই প্রিয় গাছ, ফুলগুলো, তখন তিনতলা সমান উচ্চতায় ভোরের আলোয় উজ্জ্বল হতে দেখি 'শেষের কবিতা'। আসলে আমাদের আবাসনের নাম যে 'শেষের কবিতা' রেখেছিলাম তাও দৈনন্দিন ব্যস্ততায় সর্বদা মনে পড়ত না। অথচ এই 'শেষের কবিতা'র পটভূমিতেই তো প্রায় ত্রিশটি বছর কাটিয়ে এসেছি। সেই পাইন গাছ ঘেরা ঝকঝকে পিচের রাস্তা। ওয়ার্ড লেকের পাশে ক্যামেল-ব্যাক রোডের নেমে-যাওয়া পোলো গ্রাউন্ডের দিকে।  অমিত-লাবণ্যের শহরে আমিও তো ত্রিশ বছর ! আবাসনের প্রাঙ্গণ থেকে উঠে ঘরবন্দি হয়ে যাই ফের। আর তখনই স্মৃত

অচিন্ত মারিক

Image
অ চি ন্ত  মা রি ক  সংশয়ের ব্রাহ্মমুহূর্তেও আছি রবীন্দ্রনাথে আজকের এই সংকট-দিনে মৃত্যু সম্ভাবনা নাকি 'ঢাই পার্সেন্ট'। অথচ মৃত্যু ভয় 'শত্ প্রতিশত্'। মরে গেলে এখন কত শত কারণের সার্টিফিকেট পাওয়া যেতে পারে তা আগে জানা ছিল না -- এখন জানা যাচ্ছে। তবে মৃত্যুর ব্রাহ্মমুহূর্তে যে রোগেরই প্রকটতা ধরা পড়ুক না কেন, তার নাম আর যাই হোক রবীন্দ্র-রোগ হবে না।          জীবনের অনেক সংশয়ের মাঝে সাম্প্রতিক সংশয়ে গৃহকোণে অবরুদ্ধ থেকে আমরা কেউই বিচিত্র জীবনযাপন করছি না। টাইটানিক ডুবে যাওয়ার পর একখণ্ড কাঠ আঁকড়ে ধরে ভাসতে ভাসতে আশ্রয়ের অপেক্ষায় ছিলেন অভিনেত্রী ডরোথি গিবসন। সেই চরম অপেক্ষার সময়ে তিনি ডুবে যাননি, তিনি জীবনস্রোতে ফিরে এসেছিলেন। তুলনায় আমাদের এই সংশয় জীবনে যে অপেক্ষা, স্বাভাবিক জীবনে ভেসে ওঠার যে আকুলতা তা আকালের সিনেমার মতো। আমরা এখন অপেক্ষায় আছি -- অপেক্ষায় ঘুমোচ্ছি, অপেক্ষায় ভাবছি আরও কতদিনের অপেক্ষা!      রবীন্দ্রনাথ বললেন, "টাইটানিক জাহাজ ডোবার ঘটনায় আমরা এক মুহূর্তে অনেকগুলি মানুষকে মৃত্যুর সম্মুখে উজ্জ্বল আলোকে দেখিতে পাইয়াছি। ইহাতে কোনো একজন মাত্র মানুষের অসা

সুদর্শন নন্দী

Image
সু দ র্শ ন  ন ন্দী                        এই সংশয়-জীবনে তিনিই আশ্রয় মূল ও মূল্যবান কথাটি প্রথমেই বলে নিই। তা হল  বর্তমানের এই সংশয়-জীবনে নিশ্ছিদ্র ও নিশ্চিন্ত আশ্রয় দিতে পারে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ। শুধু আশ্রয়ই নয়, সংশয়ের দিনগুলির মধ্যেই কবিগুরুকে আশ্রয় করে আমরা অপেক্ষা করতে পারি নব রবিকিরণে শুভ্র সুন্দর প্রীতি-উজ্জ্বল নির্মল জীবনে নব আনন্দে জাগার দিনগুলির জন্য। যা আসবেই আসবে।   আকাশ ভরা সূর্য তারা এই প্রাণের আধার পৃথিবীতে জীবনের ছন্দ যে এভাবে কেটে গিয়ে আতঙ্কই মানবজীবনের শয্যাসঙ্গী হবে তা কদিন আগেও  ভাবতে পারেনি কেউ।   ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এই সংশয় জীবনে রবীন্দ্রনাথই ভরসা। সেজন্য তাঁর  সাহিত্য দর্শনের সাথে আপন মনটিকে টিউনড করে নিতে হবে। তাঁর সৃষ্টির তরঙ্গে মেলাতে হবে আপন অনুভূতির তরঙ্গকে।    পজিশন ও পজেশন অর্থাৎ পদ  ও পদার্থসর্বস্ব (ধনদৌলত, সম্পত্তি ) এই মনুষ্যকুল যদি রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টির আলোয় জীবনের প্রকৃত সত্তা খুঁজে পান তবে এই জীবন কোন আতঙ্কেরই জন্ম দেবে না বলেই বিশ্বাস করি। মহামারির এই যে আতঙ্ক তার মূল চিন্তা তো একটাই-- মৃত্যুভয়।   মৃত্যুর সাথে রবীন্দ্রনাথের পরিচয় আকৈশোর।

মানবকুমার প্রামাণিক

Image
মা ন ব কু মা র  প্রা মা ণি ক বর্তমান সংশয়-জীবনে অখণ্ড রবীন্দ্রনাথ ঠিক এই সময় অর্থাৎ বৈশাখ মাস, খর উত্তাপ দিয়ে সৃষ্টির আলোকে দারুণ অগ্নিবাণ নিক্ষেপে ব্যস্ত থাকতো, সে কারণে কবি রবীন্দ্রনাথ হয়ে উঠতেন বাঙালি  জীবনের প্রাত্যহিক রোজনামচা। শুরু সেই পয়লা বৈশাখ-নববর্ষ। এ বছর এই নববর্ষ পালিত হয়েছে একলা বৈশাখে।তাই বার বার গেয়ে উঠতে ইচ্ছে করছে  "যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে।" 'করোনা' ভাইরাস একলা করে দিয়েছে। তপ্ত দহন দিনের গম্ভীরের গুরু আওয়াজ 'করোনা' কেড়ে নিয়েছে । সাহিত্য মানুষকে মন্ত্র যোগায়- 'জীবন যখন শুকায়ে যায় করুণা ধারায় এসো।' করোনা কবে করুণা করবে? পঁচিশে বৈশাখ এখনো বাকি যে !              'করোনা' ভাইরাস বিশ্ববাসীকে অবনত করে দিয়েছে মৃত্যু মিছিলে। ভারত-পশ্চিমবঙ্গ মস্তক নত করতে চলেছে।সুতরাং গেয়ে উঠতে ইচ্ছা করছে "আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে। সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে"। দাম্ভিক আমেরিকার মৃত্যু মিছিল সকল অহংকার ছাপিয়ে গেছে।               নত মস্তকে আমরা আরও এগিয়ে যাই কবির দিকে--লকডাউন অর্থাৎ "এ

রাখহরি পাল

Image
রা খ হ রি  পা ল  এসময় ও রবীন্দ্রনাথ রবীন্দ্রনাথের প্রভাব বাঙালি জীবনকে গভীরভাবে আচ্ছন্ন করে আছে, দিনের কর্ম থেকে পরমার্থ পর্যন্ত। প্রতি মুহূর্তে   বেদ উপনিষদ গীতা'র মতোই রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতি। বরং সংস্কৃত ভাষা অধিকাংশ মানুষের কাছে অগম্য। সে ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের ভাষা নিজস্ব মাতৃভাষা,তার সংগীত মর্মস্থলে গিয়ে একজন নিরক্ষর মানুষকেও জ্ঞানী করে তুলতে পারে। এই কারণে রবীন্দ্রনাথ বাঙালিদের খুব প্রিয়। স্বাভাবিক কারণে রবীন্দ্রসম্বন্ধীয় যাবতীয় তথ্য অনেকাংশই বাঙালিদের জানা,যা কিছু বলতে যাওয়া মানে বাতুলতা। এক্ষেত্রে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আশ্রয় নিলে প্রতিপাদ্যটি পাঠকদের কাছে নতুন লাগলেও লাগতে পারে ।  'এই সময় ও রবীন্দ্রনাথ', এই সময়ের ব্যাপ্তি কতটা? শুধু কি ২০২০ এর জানুয়ারি থেকে ধরে নেব ? ভাবনাটা অমূলক না। এই সময়টি বেশ ক্রুশিয়াল, সভ্যতা পুনর্জন্ম নিতে চলেছে। এতদিনকার প্রোষিত ধ্যানধারণার মূলে করোনা নামক ভাইরাসটি চরম আঘাত হেনেছে। ক্ষমতার চরমে আসীন মানুষ,অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত থেকেও অদৃশ্য শত্রুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কৌটিল্য নীতি অনুসরণ করে আত্মগোপন করছে। লকডাউন,তার চলতি রূপ।

সন্দীপ কাঞ্জিলাল

Image
স ন্দী প  কা ঞ্জি লা ল  সংকটকাল ও রবীন্দ্রনাথ বর্তমান বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের দাপট। চলছে মৃত্যুর মিছিল। ভারত তার ব্যতিক্রম নয়। এই সংকটকালকে  মোকাবিলা করতে ভরসা জোগায় রবীন্দ্রনাথ। এই যে দুঃখ কষ্ট,সে তো হেলাফেলার বস্তু নয়। এই দুঃখ কষ্ট আছে বলেই আমরা আমাদের স্বরূপ জানতে পারি। রবীন্দ্রনাথ বলেন,"অপূর্ণতার গৌরবই দুঃখ,দুঃখই এই অপূর্ণতার সম্পদ"। দুঃখই আমাদের ক্ষমতার মাপকাঠি। 'আপন শক্তিকে যত কম করিয়া জানি আত্মার গৌরবও তত কম করিয়া বুঝি '। সুখের দ্বারা বা আনন্দের দ্বারা তা বোঝা যায় না। তিনিই আমাদের শিখিয়েছেন দুঃখ যখন উপস্থিত হয়,তাকে যেন আনন্দ মনে গ্রহণ করি।' সেদিন যেন দুঃখ দ্বার ভাঙ্গিয়া ফেলিয়া ঘরে প্রবেশ না করে,....সম্পূর্ণ জাগ্রত হইয়া সিংহদ্বার খুলিয়া বলিতে পারি,হে দারুণ তুমি আমার প্রিয়, একাধারে তুমিই আকাশ তুমিই নীড়'। তিনি তো দিয়েছেন স্বর্গের ঠিকানা -যেখানে -"চিত্ত যেথা ভয় শূন্য, উচ্চ যেথা শির,জ্ঞান যেথা মুক্ত "। প্লেগ মহামারির দিনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে বলেন," ম্যালেরিয়া প্লেগ দুর্ভিক্ষ কেবল উপলক্ষ মাত্র, তাহারা বাহ্য লক্ষ্মণ মাত্র, মূলব্

তুলসীদাস মাইতি

Image
তু ল সী দা স   মা ই তি তবু অনন্ত জাগে  এই সময় ও রবীন্দ্রনাথ। প্রসঙ্গটি  এক গভীর তাৎপর্য বহন করে।  মহা দুঃসময় এখন । পৃথিবী যেন একটা যুদ্ধের ছাউনি। রণাঙ্গনে সময় যখন  সংশয়তিমিরে হোঁচট খাচ্ছে তখন একটা গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যেই আমরা এগোতে চাইছি। শোক- দুঃখ- যন্ত্রণাকে অতিক্রম করে শান্তির খোঁজে আমরা রবীন্দ্রনাথ-এ এসে পড়েছি। তাঁরই  আনন্দময় আশ্রয়ে। রবীন্দ্রনাথ অনেক বড় আধার। যদি সেই আধারে আমাদের বোধকে সমর্পণ করতে না পারি তাহলে এ আলোচনার কোনো অর্থ থাকে না। আর যদি পারি তাহলে আমরা এই ক্ষয়জর্জর অভিঘাতেও একটা উৎসাহী শক্তি হতে পারি। প্রকৃত অর্থে ,এ যাবৎ রবীন্দ্রনাথের দুঃখ ও মৃত্যুদর্শন নিয়ে অনেক অনেক কথা হয়েছে। তাতে আমরা জেনেছি বিশ্বকবি দর্শনশাস্ত্রের চোখ দিয়ে দুঃখ কে দেখেননি। দেখেছেন উপনিষদের ঋষির দৃষ্টিতে। তাই জীবনভর তিনি দুঃখনাশের তপস্যায় ডুবে না থেকে দুঃখকেই জীবনের সাধনা করেছেন। তাতে দুঃখভোগ হয়ে উঠেছে আনন্দের এক অগাধ সুখভূমি। এই বোধ থেকেই কবি মানুষকে এক নিবিড় প্রেমে উত্তীর্ণ করে তুলেছেন।   'পৃথিবীতে ভয়কে যদি কেহ সম্পূর্ণ অতিক্রম করিতে পারে, বিপদকে তুচ্ছ করিতে পারে, ক্ষতিকে অগ্রাহ্য কর

আশিস দণ্ডপাট

Image
আ শি স  দ ণ্ড পা ট  বর্তমান সংকট ও  রবীন্দ্রনাথ  পৃথিবীর গভীর, গভীরতম অসুখের দিনে আরোগ্যলাভ দূরে থাক রোগমুক্তির একটুখানি আশ্বাসের জন্য আমরা বর্তমান অথবা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে নয় বরং অতীতের মনীষার কাছে প্রসারিত-হস্ত হয়ে আছি। শিল্প আমাদের তাপদগ্ধ জীবনে মরুদ্যান-বিশেষ।     রবীন্দ্রনাথ মনের আনন্দ, প্রাণের আরাম আর আত্মার শান্তি। ঔপনিষদিক ঋষির ধ্যানের ভারতাত্মাকে যথার্থ চিনেছিলেন তিনি। আর তাই একটি বিশ্বযুদ্ধের ভয়ঙ্করতাকে প্রত্যক্ষ করেও আপন বিশ্বাসের ভূমিতে স্থিতধী হতে পেরেছিলেন। বুঝেছিলেন ইতিহাসের নানা ঘাত-প্রতিঘাত ও বিবিধ জটিল সংকটের আবর্তেও জীবনপ্রবাহের আদিম ও চিরায়ত ধারাটি অনিঃশেষ। যদিও বিশ্ব এ-যাবৎকাল যে সংকটগুলির সম্মুখীন হয়েছে তার থেকে বর্তমানের সংকটটির শুধু কালগত নয় বরং চরিত্রগত ও পরিস্থিতিগত প্রভেদও রয়েছে যথেষ্ট। স্প্যানিশ ফ্লু, প্লেগের মতো মহামারীর স্মৃতি রবীন্দ্র-মানস-পটে থাকলেও বিজ্ঞানের যাবতীয় জয়ধ্বজাকে গুঁড়িয়ে দিয়ে সমগ্র বিশ্বজুড়ে যে করোনা-ত্রাস গ্রাস করেছে তা অভূতপূর্ব। এর ভয়ংকরতা আরো প্রবল এইজন্য যে বিশ্বায়ন-পরবর্তী সময়ে পারস্পরিক সংযোগ ও সহায়তায় পৃথিবীর প্রতিটি

আশিস মিশ্র

Image
আ শি স  মি শ্র ওরে বিহঙ্গ, এখনি তোমার   ডানা বন্ধ করো না এই সংকট আমাদের জীবন কি সত্যিই বিপন্ন করে তুলেছে? পৃথিবীর বিপন্নতার কতটুকু জানি।পৃথিবীতে কতো ঘটনাই ঘটে। ঘটে চলেছে কোটি কোটি বছর ধরে। মানুষ আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মানুষ বলেই তো সে এতো পারে। যখন রবীন্দ্রনাথ তাঁর জীবনের চারপাশে নিকট জনদের একের পর এক মৃত্যু দেখছেন, চরম মৃত্যু যন্ত্রণা তাঁকেও বিদ্ধ করছে..তাঁরও  আত্মহত্যা করার প্রবণতা মনে জাগে। কিন্তু না। তিনি ফিরে এসেছিলেন। নিজের সৃষ্টির কাছে। তাঁর জীবনের যেটুকু জানি আমরা, সেটুকুই একজন ডুবন্ত মানুষের কাছে প্রেরণা হয়। যে প্রেরণার পরম প্রসাদ গ্রহণ করে আমরা আনন্দ পাই, তেমনই এই সংকট কালে রবীন্দ্র -গানের নৈবেদ্য আমাকে বাঁচার প্রেরণা দিচ্ছে। আমি গেয়ে উঠি---শুধু তোমার বাণী নয় গো হে বন্ধু  হে প্রিয়...  তাঁর গানের পরশে, তাঁর  জীবন চর্যার অনুভূতি নিয়ে যে কোনো সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব বলেই আমার বিশ্বাস। জীবনকে তিনি তো অবিশ্বাসী হতে বলেননি।  মণিহারকে যিনি তুচ্ছ ভেবেছেন, একের পর এক প্রিয় মানুষ তাঁকে সমালোচনায় বিদ্ধ করছেন, কী অসীম স্বপ্ন নিয়ে  গড়ে তুলছেন শান্তিনিকেতন, নিজ স্বদে

নীলোৎপল জানা

Image
নী লোৎ প ল জা না এই সময় ও রবীন্দ্রনাথ 'আজি মোর দ্বারে  কাহার মুখ হেরেছি। জাগি উঠে প্রাণে গান কত যে। গাহিবারে সুর ভুলে গেছি রে।’ সত্যই আজ আর কথা বলার অবস্থায়  নেই মানুষ।বিশ্ব আজ বিপর্যয়ের মুখে। করোনা ভাইরাস জন-জীবনকে  স্তব্ধ করেছে। চলছে লকডাউন। কাজ নেই, নেই ব্যস্ততা। এই অবস্থা প্রথম এক সপ্তাহ  ভালো লেগেছিল। তারপর থেকেই অলস সময় যেন কাটতেই চায় না। যখন সকল মানুষ দিশেহারা, আর তখনই মনে আসে কবিগুরু।  ‘বিপদে মোরে রক্ষা কর এ নহে মোর প্রার্থনা/  বিপদে আমি না যেন করি ভয়’। আবার কখনো উদাত্ত কন্ঠে গেয়ে উঠি---                                    ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে /      একলা চলো রে।' রবীন্দ্রনাথ  শুধু কবিগুরু নয়, হৃদয়ের আরাম; প্রাণের শান্তি। আমি যখনই  দুঃখ পাই কবিগুরুর কাছে আসি।যখনই আনন্দে ভাসি তখনও কবিগুরু।এই লকডাউনে হাতে তুলে নিই ‘শেষের কবিতা’।   ‘পথ বেঁধে দিল বন্ধন হীন গ্রন্থী    আমরা দুজন চলতি হাওয়ার পন্থী।’ সমস্ত অলসতা ভুলে ফিরে পাই জীবনের  রোমান্টিক  মুহূর্তগুলো। কখনো খুলে ফেলি ‘গীতবিতান’এর পাতা।কখনো ‘বলাকা’র চরণ উচ্চারণ করি--     ‘তোমার শঙ্খ ধুলায় পড়ে,      কে

প্রতাপ সিংহ

Image
প্র তা প সিং হ  তোমার গান তো  ঘুমের ওষুধ  অভূতপূর্ব মহামারির(করোনা ভাইরাস) দাপটে পৃথিবী জুড়ে এখন অবিরাম মৃত্যুর মিছিল চলছে। এই মহাসংকট পর্বে ভারতেও কেটে গেল লকডাউনের একমাস। আশাহীন, দিশাহারা মানুষ অনিশ্চয়তার আতঙ্কে শুধু ভাবছে এভাবে আর কতদিন যে  ঘরের মধ্যে আটকে থাকতে হবে! উদ্বেগে,উৎকণ্ঠায় এখন আমরা সবাই যেন এক দুশ্চিন্তাপুরের বাসিন্দা। এরকম ছন্নছাড়া জীবন কোনোদিন তো দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি। থমকে যাওয়া সভ্যতায় বাস-ট্রেন স্তব্ধ, রাস্তা -ঘাট নির্জন, স্কুল -কলেজ বন্ধ। দোকান -বাজারের হতশ্রী চেহারা, অফিস বন্ধ বা ওয়ার্ক ফ্রম হোম... আড্ডাহীন, উৎসববিহীন এই চারপাশের ছবি যে মানুষ বিশ্বযুদ্ধেও দেখেনি!এমন ভূতুড়ে শত্রু বা জীবাণুর সঙ্গে যুদ্ধ কি আদৌ করা যায়? অস্ত্র তো শুধু সাবান-জল,স্যানিটাইজার আর মাস্ক এবং রণকৌশল কেবল শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা।                  এই অভিনব লড়াই আমরা কেউ  জানতাম না, শিখলাম। প্রতিদিনের এই যুদ্ধে আর একজন বড় সঙ্গী আমার প্রাণের রবীন্দ্রনাথ, আরও প্রবলভাবে কবির গানগুলি।উপন্যাস, প্রবন্ধ, নাটক, ছোটগল্প, চিঠিপত্র, কবিতার চেয়েও গীতবিতানের পাতায় পাতায় আরো বেশি করেই যেন খুঁজে পাই

মঙ্গলপ্রসাদ মাইতি

Image
ম ঙ্গ ল প্র সা দ  মা ই তি  এইসময় ও রবীন্দ্রনাথ বিশ্বসংসারে রবীন্দ্রনাথ হলেন এক অত্যাশ্চর্য প্রতিভাধর মানুষ। যে প্রতিভার জোরে তিনি সমগ্র জগতবাসীর  হৃদয়ে একটি স্থায়ী আসন লাভ করে নিয়েছেন। বেঁচে আছেন আমাদের অন্তরে। বেঁচে থাকবেন আগামীদিনেও। তাঁর অতুলনীয় সাহিত্যপ্রতিভা আমাদের কাছে আজও বাঁচার মন্ত্র। হ্যাঁ, আজকের এই দুঃসময়ে দাঁড়িয়েও যে কথা নির্দ্ধিধায় স্বীকার করে নেওয়া যায়। আসলে তিনি তো শুধু কবি ছিলেন না, কেবলমাত্র একজন সাহিত্যিক ছিলেন না – তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই মানবপ্রেমিক, অন্যতম শ্রেষ্ঠ দার্শনিক, অন্যতম সেরা চিন্তাবিদ। আনন্দ-খুশির পাশাপাশি রোগে-শোকে-তাপে-দুঃখে আর ব্যথায় আর্তিতেও হয়ে উঠেছেন আমাদের একমাত্র আশ্রয়দাতা, পথ-প্রদর্শক। না, রবীন্দ্রনাথকে বাদ দিয়ে আমাদের একমুহূর্তও চলে না। বড়ো মাপের একজন শিক্ষক হয়ে তিনি প্রতিমুহূর্তে আমাদের পথ দেখিয়ে চলেছেন। তিনি যখন আমাদের বলেন – “বিপদে মোরে রক্ষা করো এ নহে মোর প্রার্থনা-বিপদে আমি না যেন করি ভয়।” এই অভয় মন্ত্র উচ্চারণ করে আমরা কিছুটা হলেও তো সাহস পাই। আবার অন্যত্র তিনি বলছেন – “জীবন যখন শুকায়ে যায় করুণাধারায় এসো।/সকল মাধুরী লুকায়ে যা

সঞ্জীব ভট্টাচার্য

Image
স ঞ্জী ব  ভ ট্টা চা র্য রক্ষাকর্তা !  কোনোক্রমে টিকে থাকা। তাবড় তাবড় মানুষকে কেমন সিঁটিয়ে দিয়েছে গো !  নিজের হাত আর নিজের মুখের মধ্যেও সহজ সম্পর্ক নেই। নিজেকে নিজে বাঁচাও, অন্যকে বাঁচতে দাও। ঘরে থাকো,আগল লাগিয়ে রাখো। কেউ রক্ষা করার নেই। ভরসার জায়গা টলোমলো, ভয়ে মেজাজ হারানো। বিপক্ষকে ঘায়েল করতে যাদের এক ইশারাই কাফি ছিল তারাই কেমন হাপর টানছে। কোথায় যাবে বাপ। এ আমার এ তোমার পাপ। আচ্ছা এসময় তো রবীন্দ্রনাথের মতো মানুষ রক্ষাকর্তা হতে পারেন ! তারপরেই মনে হল, কে রবীন্দ্রনাথ? আমিই তো সেই। একগাদা প্রতিভা নিয়ে বসে আছি। বেশ তো আঙের পর বাঙ লিখতে পারি। ভালোই তো জ্ঞানী জ্ঞানী মুখ আমার। সুললিত ভাবনা থেকে শিল্প সুষমা,কোনটাতে কম! সুতরাং  দম মারো দম। তাছাড়া রবিঠাকুরের হাতে তাঁকে আর করোনাগ্রস্ত করে কী লাভ ! আর আমরা তো অনেক দিন থেকেই করোনা-মান্য কার্যক্রম ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে মেনে আসছি। মুখোশপরা মুখ আমাদের, মাস্ক কোন ছার!  প্রতিবেশী ছাড়ুন, পরিবারগুলোকেই ভেঙে টুকরো টুকরো করে দিয়েছি। আত্মীয়দের নাম মনে করতে কালঘাম   বেরিয়ে যায়। ঘরের বাইরে যাওয়া মানে খাওয়া দাওয়া মৌজ মস্তি, হাম দোনো হ

সুকান্ত সিংহ

Image
সু কা ন্ত  সিং হ  তবু অনন্ত জাগে কোন্ সময়ের নন তিনি, অন্তত আমার কাছে? যখন আনন্দধ্বনি বিপুল তরঙ্গে ভরিয়ে তোলে চতুর্দিক, তখনও তিনি। যখন ব্যাক্তিগত শোকের দিনগুলি একে একে আছড়ে পড়ে দোরগোড়ায়, যখন সমষ্টির বুকে আছড়ে পড়ে ঝঞ্ঝার দাপট, তখনও তিনি। এভাবেও বলতে মন চায়-- তখনই তিনি। না, রবীন্দ্রনাথ আমাকে কাছে কোনো প্রফেটের নাম নন। একই ভাবে বিদেশি সিনেমার কোনো সুপার হিরোও নন। মুশকিল আসান করো দোহাই মানিক পীর নন। তিনি শুধুই রবীন্দ্রনাথ, যিনি পথ এবং পাথেয় দুটোর সন্ধানই করেছেন জীবনের কাছে। যে-জীবন রঞ্জনের, যে-জীবন নন্দিনীর, সে-জীবন রাজারও। যে-জীবনের একদিকে আছে অচলায়তন, অন্যদিকে আছে আবার ডাকঘর। দেওয়াল ভেঙে ফেলা যেমন আছে, তেমনি আছে চিঠি আসার অপেক্ষাও। শুধুই বেঁচেবর্তে থাকা নয়, চৈতন্যের ঐশ্বর্য চিনতে পারাও যে জরুরি, এইটি তাঁর মতো কেউ এত সহজ করে দেখিয়ে দেননি।  অনেক কিছু ভয়ঙ্করের চেয়েও বেশি ভয়ঙ্কর মনের দরোজাটাকে বন্ধ করে দেওয়া। শুধু দরোজা খোলা রাখলেই বোঝা যায় জীবনের চেয়ে কখনো কোনো পরিস্থিতি বড় নয়। যেকোনো পরিস্থিতি জীবনের একটা অংশমাত্র। সম্পূর্ণ জীবন নয়। পরিস্থিতি যদি সত্যিই সম্পূর্ণ জীবন হত, তাহলে ম

অরুণ পাঠক

Image
অ রু ণ  পা ঠ ক সংশয়তিমির মাঝে জীবনের যে কোনও পর্যায়ে যে কোনও সংশয়ে যত রকমের পরিত্রাণ প্রত্যাশা করেছি তার সবটাই ওই এক তরীতেই গিয়ে ঠেকেছে—তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। নাস্তিক, সেকুলার, অথবা শুধুমাত্র বিজ্ঞান-আদর্শ যাঁরা, তাঁরা একমত নাও হতে পারেন। রবীন্দ্রনাথে আস্থা রাখতে গেলে বিশ্বাস একটা বড় ভূমিকা নিয়ে দাঁড়ায়। হ্যাঁ, বিশ্বাস। বর্তমান বিশ্বের এই সংকট কালে আমি তো বলব— ‘বিপদে মোরে রক্ষা কর এ নহে মোর প্রার্থনা— বিপদে আমি না যেন করি ভয়।’ এই নির্ভয়চিত্ত, কর্মপ্রবণ, আশাবাদী, মৃত্যুভয়রহিত সত্তাকেই আমাদের মধ্যে জাগিয়ে তুলতে হবে। ‘বিশ্ব যখন নিদ্রামগন, গগন অন্ধকার’—তখন আমি বলব—‘এ অন্ধকার ডুবাও তোমার অতল অন্ধকারে।’ আমরা যতবার অস্তিত্বকে নিজের করে অহং দিয়ে ধরতে চাই, ততবারই তা হারাই। তাঁর ওপর যখনই তা ছেড়ে দিই, তখনই অনুভব করি—‘অন্ধকারের মাঝে আমায় ধরেছ দুই হাতে।’ রবীন্দ্রনাথ এ ভাবেই আমাদের তন্ময় হতে শিখিয়েছেন। শিখিয়েছেন বাস্তব পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে তাকে যথার্থভাবে অতিক্রম করতে। তিনি লিখেছেন—‘আমি মারের সাগর পাড়ি দেব বিষম ঝড়ের বায়ে/ আমার ভয়ভাঙা এই নায়ে’।‘ সংশয়তিমির মাঝে’ যখন কোনও গতি খুঁজে না পা