পর্ব ২২
প্রীতম সেনগুপ্ত
‘অথাতো ব্রহ্মজিজ্ঞাসা’র ব্যাখ্যায় পূজ্যপাদ স্বামী গম্ভীরানন্দজী লিখেছেন ---Hence ( is to be undertaken) thereafter a deliberation on Brahman.
The word atha ( thereafter) is used in the sense of “sequence”, and not “commencememt“; for brahma-jijnasa is not a thing that can be commenced. And the meaning “auspiciousness” cannot enter syntactically into the purport of a sentence. Besides, the word atha, even when used in some other sense, serves the purpose of auspiciousness from the very fact of its being heard. If it implies the anticipation of something coming later by something broached earlier, then this does not differ in effect from casuality. ( i.e. sequence)
The meaning of “sequence“ being taken for granted, one has to mention that earlier thing which is a prerequisite for a deliberation on Brahman, just as much as a deliberation on Brahman, just as much as a deliberation on religious rites ( or deeds ) depends invariably on an earlier study of the Vedas. The mere fact of the study of the Vedas cannot be prerequisite sought for here, since this is a common factor ( in both cases of deliberation on Brahman and religious rites ).
পরম পূজ্যপাদ স্বামী বীরেশ্বরানন্দজীকৃত ব্যাখ্যা অনুসারে , দুটি ভাগ আছে এর --- আপত্তি ও আপত্তির খণ্ডন। আপত্তি পর্বটি এইরকম --- ‘ব্রহ্ম সম্পর্কে এইরূপ জিজ্ঞাসার কোন সার্থকতা নাই। কারণ কোন বুদ্ধিমান ব্যক্তিই সাধারণত যে বস্তুটি সুবিদিত, অথবা যাহার জ্ঞানের দ্বারা কোন প্রয়োজন সিদ্ধ হয় না, এমন কোন বিষয়ে জানিবার আগ্রহও প্রকাশ করে না।’ অন্যদিকে আপত্তির খণ্ডন পর্বটি এইরকম ---‘ব্রহ্ম সম্পর্কে আমাদের জিজ্ঞাসার প্রয়োজন আছে, কারণ এ সম্পর্কে আমাদের বহু অনিশ্চয়তা বর্তমান, কারণ ব্রহ্মের স্বরূপ সম্পর্কেও বিভিন্ন দার্শনিক মতবাদের পরস্পরবিরোধী ধারণা দেখিতে পাই। নানা দার্শনিক সম্প্রদায় ব্রহ্ম সম্পর্কে নানা মত পোষণ করেন। জীব যদি যথার্থ আত্মা হইত তাহা হইলে অধ্যাস অসম্ভব হইত এবং ব্রহ্ম সম্পর্কে কোন অনিশ্চয়তাই থাকিত না।
... সূত্রে ‘অথ’ এই শব্দটি একটি নূতন বিষয়ক প্রস্তাব আরম্ভ করার জন্য প্রযুক্ত হয় নাই। অবশ্য এই অর্থেই অন্যত্র ‘অথ’ শব্দটি সাধারণভাবে ব্যবহার করা হইয়া থাকে, যেমন --- যোগসূত্র এবং পূর্ব মীমাংসা -সূত্র প্রভৃতি গ্রন্থে এইরূপ অর্থেই ‘অথ’ শব্দের ব্যবহার করা হইয়াছে। ‘অথ’- অতঃপর, এই শব্দটি একটি বিষয়ের পূর্বানুবৃত্তি বুঝায়। অব্যবহিত পূর্বের কোন একটি বিষয়ের অনুসরণ করার অর্থেই ইহা ব্যবহৃত হইয়াছে, অন্য কোন অর্থে নহে। ব্রহ্ম-জিজ্ঞাসার অব্যবহিত পূর্বে কতকগুলি সর্ত আছে --যাহা পূর্ণ হইলেই ব্রহ্মজিজ্ঞাসার অধিকার জন্মে এবং এই সর্ত পূর্ণ না হইলে ব্রহ্মজিজ্ঞাসা সম্ভব নহে। ...এই ‘অথ’ শব্দটি কিছু অত্যাবশ্যক আধ্যাত্মিক প্রস্তুতিকেই বুঝাইয়াছে। এই অত্যাবশ্যক আধ্যাত্মিক বিষয়গুলি হইল:-- (১) নিত্যানিত্য বস্তুবিচার,( ২) ইহলোকের বা পরলোকের সকল প্রকার কর্মফল ভোগ ত্যাগ, (৩) ছয়টি সাধন-সম্পদ যথা -- শণ এবং দম -- বহিরিন্দ্রিয় এবং অন্তরেন্দ্রিয়ের সংযম, উপরতি --- ইন্দ্রিয়ের দ্বারা বিষয়-চিন্তা হইতে বিরতি -- তিতিক্ষা -- সর্বপ্রকার সহনশীলতা, (৪) সমাধান --- ঈশ্বরের নিয়ত ধ্যান ও চেষ্টা,( ৫) শ্রদ্ধা এবং( ৬) মুমুক্ষত্ব -- মুক্ত হইবার প্রবল ইচ্ছা।’
(ক্রমশ )
0 Comments