পূজা মানে
বাপন মান্না
পূজা মানে শরৎ মেঘের
মেঘ-রৌদ্রের খেলা,
পূজা মানে দীঘির ধারে
কাশ ফুলেদের মেলা।
পূজা মানে শিউলি, টগর
খালে পদ্ম ফোটা,
পূজা মানে ফুল কুড়োতে
ভোরের বেলা ওঠা।
পূজা মানে প্রভাতকালে
শিশির ঝরা ঘাস
পূজা মানে দীন-দুঃখীদের
আনন্দেরই মাস।
পূজা মানে ওই কটা দিন
বিরিয়ানি, এগ রোল,
পূজা মানে ঢাকের কাঠি
বাজিয়ে তোলে বোল।
পূজা মানে দুঃখ ভুলে
আনন্দেতে মাতি,
পূজার ক'দিন প্যান্ডেল গুলো
হয় আমাদের সাথি।
পূজা মানে দূর হয়ে যায়
সকল আর্তনাদ,
পূজা মানে দশভূজার
পরম আশীর্বাদ।
শরৎ এলে
শরৎ এলে সবাই খুশি,
সবার হাসি মুখ,
আকাশ, বাতাস হাসতে থাকে
ঝরতে থাকে সুখ।
মেঘ, রৌদ্র করতে থাকে
লুকোচুরি খেলা,
শিউলি ফুলের গন্ধ ভাসে
হলে সকালবেলা।
ভোরের বেলা পা ভিজে যায়
শিশির ঝরা ঘাসে,
পুকুর থেকে পদ্ম দেখি
মিষ্টি করে হাসে।
মধুর হাওয়ায় দুলতে থাকে
সাদা কাশের বন,
আগমনীর ঢাকের বোলে
মাতাল করে মন।
সকল মানুষ সেজে ওঠে
পুজো পুজো গন্ধে
দুঃখী মনে স্রোত বয়ে যায়
খুশিরই আনন্দে।
পরের বছর বাঁচব কিনা
জানি না তো হায়,
মা দুর্গার দর্শনে যে
প্রাণটা ভরে যায়।
মেঘের ভেলায়
শরৎ আসে মেঘের ভেলায়
সূর্য দেয় যে উঁকি ,
সাদা সাদা মেঘ দেখে যে
খুশি খোকা-খুকি।
কেউ বা দেখে মেঘের মাঝে
শিব ঠাকুরের মূর্তি
হিমালয়ে ধ্যানরত
দেখে জাগে ফূর্তি।
রবি ঠাকুর দেখতে পেয়ে
খুশিতে মন ভরে,
মেঘগুলি সব মাঝে মাঝে
ঘোড়ার আকার ধরে।
ছোট্ট পরি খেলা করে
মেঘের ভাঁজে ভাঁজে,
কোথাও আবার রাক্ষসেরা
ব্যস্ত আছে কাজে।
সবার চেয়ে মিষ্টি ছবি
মমতাময়ী মা,
জনম দুঃখী, স্নেহময়ী
কেউ তো হবে না।
1 Comments
ভারী ভারী কবিতা পড়ে ক্লান্ত যখন মাথা
ReplyDeleteসরল এই কবিতাগুলো আনলো খুশির বার্তা।
খুব ভালো লাগলো।