জ্বলদর্চি

তিনটি কবিতা। অনিক রায়

তিনটি কবিতা। অনিক রায় 

রাখাল বন্ধুর মতো

আবারও বিজোড় বিগড়ে, রাখালটি হয়ে গেছে যাদের সঙ্গে
তাদের তদবিরে মাঠে, অন্ধকার চর্কার মাদকে সখ্যতা করে
পরপর মেয়াদের রাতে পুষ্পবৃষ্টির উচ্চাকাঙ্খা আনতে পারি
ফার্স্ট ফার্স্ট মৃদুস্বরে, বৃত্ত সৎকারের অনুমোদিত তালিকায়।
সব বয়স পতনের আগে লতা ঝুলন জানা কতটা যৌক্তিক?

রাস ভবিষ্যৎ আট মুখ গুণ করে, ঘরণীর সঞ্চয় নখের মধ্যে
শেষ চাররকম স্তর বিরাগ মণ্ডল, বসলে আলতার বাক্যলাপ
জোড় আধিক্যে কাম্য অধিকার। রাতবিরেতের সংখ্যা চমক
মৃদু প্রেমিক আনতে কলঙ্কের কোনখানে পাতালে মেরু দেখে
সাব্যস্ত সম্মান? হাপিত্যেশ হাতবন্ধনের মধ্যে আসে মধ্যমণি।

মধ্যমাঠে যার বিপরীত যে সাতাশ, ওই যে বাসি বাক্যালাপের
ঐক্য হয়ে গেছে, চলো এবার সরু ঘর বানাই করারোপ হলেই
জানলা খুলে দেবো একটিপে দুটিপে আটতলা মাদক খুলতে
দুর্দান্ত তিনে শেষ অব্ধি যেই মাতাল তমালকে হুমকি দিচ্ছিল
নিশ্চিত বলবে কেন?
কেন বলবে না এখন!
এখন রাখালের সাদৃশ্য বয়স, আমারও খুব মাতলামি আসে..

🍂

সারমেয় জন্মের পরে

তল যোগাযোগে রাখি, মৈথুনের অনুপাতে সঙ্গমরত পল্লীর টুপি
বাঘের সুতোয় অবয়বগত তাড়নার বাড়তি উল্লেখ থাকে সনদে
যেমন প্রাক্ বৃষ্টিতে লাফাতেই জানেনি, সংকোচের সমকামিতা
জলক্রীড়ার রেখা যে জলাতঙ্কে ভুগে, ভেতরে জলাত্যয়ে খাবে—

পতনের মধ্যে পার্থক্য রেখে, বোনপো তাড়া খাবে আঁচড় বিন্দুতে
বাক্যের অনুভবশক্তি, শরতের নিরাপদে পোষ্যপুত্র দেখা দেবেনা
বন্ধুত্বে ফাল দেওয়ার ফাটলে,ক্ষ্যাপাটে আগাম বৃদ্ধির দিক পেত
ভবিষ্যতে কঞ্চির যেখানে দাঁত তিনফর্মা লালার জামা পাল্টাবে

সমস্ত তিনসত্যের বাসনার বিহিত, নৈতিকতার যুক্তিগত চোয়ালে..
উৎসর্গ উৎসব চলুক; সবসময় তিনটির দুর্গের দশগুণ জন্মান্তর 
গোলাঘরের তলায় আঁচি, অনর্গল বমিতেই কৃতকার্য..সবল হলে
কখনো সাদা ভূতের মুখ দেখতে দেখতে এঁটো রাস্তা উল্টে যাবে।


ফুলে ভন্ডুল শবসৎকার 

ভন্ডুল বন্ধুর সঙ্গেই আনন্দে থাকার রঙ চেনা অস্থানিক উপমান
যার উপর সমস্ত বৈদ্যুতিন অঙ্ক; প্রেম দেবেই স্বাভাবিক ধনাত্মক
জারবেরার যত দোষী দিন সংখ্যা জন্মে প্রীতি, প্রতি নিয়ে নামল
ঠিকঠাক শোনা রাস্তা তাদের জন্যই চাইবে দাস-সূত্রে সদ্য ডাক।

সাদা চাওয়া আছে অতিরঞ্জিত মেশামেশি; উষ্ণতার লোকরঞ্জন
দ্রুতই নিয়ে যাচ্ছে সারমেয় লালার সততা, গ্রহ হতে দুই দরকার
পোষমানাতে ব্যঞ্জনবর্ণের আটাশ পর্যন্ত গেলে প্রত্যন্ত ক্ষোভ ঘর
মেলাতে পারো নিজস্ব পছন্দ তালিকা, চার দুই চাপানোর মতো।

দোলনচাঁপাকেই দাসপ্রথার ভেতরে এনেছি তোমারই মৌলিকতা
ঘরোয়া অপঘাতে পরিচয়ের আইন, নিচে ভুল পায়ে বয়স অঙ্কন
বোতলে অনুমতি অনিশ্চিত; সবকিছু ফেরাবে এক লাল মাতাল,
তখন অতিরিক্ত লগ্ন শাসনে কলসি পলাতক হাতের শবসৎকার 
—ভন্ডুল করে..

Post a Comment

0 Comments