গুচ্ছ কবিতা
শিবালোক দাস
ক্ষুধা
ক্ষুদ্র হতে হতে সমস্ত
কুপিত অতল মুছে গেছে।
যে প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে
গুল্মপ্রবণতা, তার গোপনে
কেউ একবার মনে করেনা
তোমায়, ছিন্ন হবার আগে…
তোমার অবশেষে দেখো দুর্বার
মতো লেগে আছে ক্ষুধা,
অসম করবে বলে একাধিক
নাভির অন্তরে সে ক্ষীণ করে
দিল তারা-প্রবর জন্ম !
একটি কবিতা
তুমি আঁচড়ে আঁচড়ে
ফোটাতে পারো ফুল।
তবুও যদি অপেক্ষায়
তোমার শেষ স্পর্শ মুছে
যায়,
বন্ধ কোরো না দুহাত।
এই আঘাতের চিহ্ন বুকে
নিয়ে রোজ মৃদু শব্দে আমি
তুলে নিই রুদ্ধ দল—
ক্ষত পেরিয়ে।
কালো
গভীর হও—
ছুঁতে ছুঁতে যে মুহূর্তে
মিশে যাও,
দু চোখে ছুঁড়ে দাও
শেষ ফোঁটা;
তার অল্প নীচে তোমার
সমস্ত কালো খেলা করে।
তারপর আর কোনো প্রশ্ন
থাকে না রাতের ওপারে।
তবুও তুমি মুছে দিতে
পারো না অক্ষরে অক্ষরে…
কলহাস্য
তরঙ্গে তরঙ্গে তুমি
কেবলই অভিভূত হও,
ভেসে যাও—
এভাবেই দেখি রোজ।
যদি পাপে-পূণ্যে ঝরে
যায় শেষ ঔরস,
বেঁধে রেখো শেষ কলহাস্যে…
তুলে নেব তোমায়
রাঙা হয়ে ওঠার আগে।
নীরবতা
তুমি চেনোনি অবশেষ,
শুধু এক টুকরো মেঘ
ছিঁড়ে গিয়েছিল নীরবে।
ফিরে যাওয়ার আগে তাকাও,
এই পড়ন্ত নিঃস্তব্ধতায় সে
খুলে রেখেছিল নিজেকে…
তুমি চেনোনি তাকে
অঝোরে।
মলিন হওয়া যে আজও
বড় মিথ্যে!
2 Comments
খুব ভালো লেখা
ReplyDeleteখুব ভালো লেখা
ReplyDelete