অসিতরঞ্জন ঘোষ
গ্রীষ্ম ছুটিতে
বিশ্ববিদ্যালয়ের পথগুলি আজ নীরব, শুনশান।
কোলাহলে পূর্ণ যতি। তারুণ্যের ক্ষণ -অবসান।
শুয়ে আছে পথ, নীরব অভিমানে, গ্রীষ্মের অবকাশে।
বাতাসে আছে ফুলসৌরভ, মেঘদল আকাশে।
গুলঞ্চ, শিমুল, রাধাচূড়ার অবাক রঙের খেলা।
সবুজ ঘাসে প্রাণের বন্যা, কিশলয়ের মেলা।
সব আছে তবু, কারা যেন নেই। নেই সে ব্যস্ততা।
ক্লান্ত বিকেলের রোদ বয়ে আনে মলিন নীরবতা।
দেখা নেই সে অশান্ত ছাত্রের, বন্ধ সান্ধ্যগান।
আঁধারে জ্বলেছে নিওন বাতি,তবুও ম্রিয়মান।
লাইব্রেরী খোলা, ক্লাসরুমে তালা, ল্যাব শান্ত বেশ।
নেই ছোটাছুটি, ছাত্রছাত্রীর ভূমিকা অতীব লেশ।
গ্রীষ্ম ছুটিতে, ক্যাম্পাসটিতে বিরহদহন তীব্র।
ছুটি অবসানে, শিক্ষাঙ্গন খুশিতে ভাসবে শীঘ্র। ।
বদল
উহারা বদলে বদল আনিল।
হইল সামিল সদলে।
রঙের খেলায় সামলে চলে,
রাতারাতি তারা ওদলে।।
তাদের কোঁদল ছিল ভাবও ছিল,
রঙে কেউ বেরঙ ছিল।
হঠাৎ সদলবলে বদলে গিয়ে,
এখন সব একরঙা হল।
সূর্য ওঠে সূর্য ডোবে নিয়ম মেনে,
বসন্তবায় বকুলতলে।
রঙের খেলায় হারমানাহার,
ফাঁসি বেরঙীর গলে।।
🍂
ব্যথার মলম
কেউ শুনেছ কেমন ব্যথায় কম্পমান,
কালপুরুষের ছোট কাকা?
কথা বললেই মুখ বাঁকে, হাতও কাঁপে,
নাচতে থাকে আঁকাবাঁকা!
ডাক্তার বদ্যি হাসপাতাল কম করেনি,
ভেলোরেও তার যাতায়াত।
বাড়ির লোক, শোনায় শ্লোক অনর্গল,
ভিরমি খায়, মাথায় হাত।
সঙ্গীটি তার কুকুরশাবক-! মহৌষধি,
সান্ত্বনার যাদুকাঠি।
বন্ধ কথা, শান্ত মাথা, ছোটকা হাসে,
0 Comments