পশ্চিম আফ্রিকা (নাইজেরিয়া)-র লোকগল্প /চিন্ময় দাশ

দূরদেশের লোকগল্প
পশ্চিম আফ্রিকা (নাইজেরিয়া)

চিন্ময় দাশ 

কার দৌড় কত দূর 

(৬১টি দেশ বা রাষ্ট্র নিয়ে আফ্রিকা মহাদেশ। তার ভিতর পশ্চিমাঞ্চলের ছোট-বড় ১৮টি দেশ নিয়ে পশ্চিম আফ্রিকা। নাইজেরিয়া কেবল তারই একটি নয়, সমগ্র আফ্রিকার মধ্যে সবচেয়ে জনবহুল দেশ। নাইজেরিয়ার উত্তর এলাকাটি মালভুমি অঞ্চল। নাইজার আর বেনুয়ে-- এই দুটি নদী প্রবাহিত হয়েছে তার ভিতর দিয়ে। তাতেই গড়ে উঠেছে বিখ্যাত সাভানা তৃণভূমি এলাকা। 'হাউসা' জনজাতির বাস সেখানে। অতি প্রাচীন কাল থেকে এঁদের মধ্যে 'ডাম্বে' নামের একটি খেলা প্রচলিত আছে। যে খেলার মধ্যে মিলেমিশে আছে কুস্তি আর মুষ্টিযুদ্ধ। প্রত্যেক যুবকই ভাবে,  কারোও চেয়ে কম নয় সে। সে-ই সবচেয়ে বড় পালোয়ান।
তেমনই তিন পালোয়ানের কাহিনী নিয়ে আজকের এই গল্প।)

একটা লোক বাস করত এক গ্রামে। পালোয়ানের মত যেমন বিশাল চেহারা লোকটার, তেমনি তার গায়ের জোর। ধরো, কখনো বনে গেছে কাঠ কাটতে। অন্যরা যতটা কাঠ কেটে আনে, সে আনে তার দ্বিগুন। শিকার করে যখন ফিরবে, দেখা যাবে, দু'-দুটো আন্টিলোপ হরিণ তার ঘাড়ে। নিজের এই ক্ষমতা নিয়ে ভারী দেমাক লোকটার। 
একদিন লোকটা তার বউকে বলল-- হাতের পেশীগুলো দেখেছো আমার? দুনিয়ায় আমার চেয়ে বেশি বলবান লোক আর দুটি নাই। আজ থেকে আমাকে 'পালোয়ান' বলেই ডাকবে তুমি। 
বউ বলল-- রাখো তো তোমার বকবকানি। যত্তোসব বোকার মত কথা। তুমি কত বড় পালোয়ান, সেটা তো আর শেষ কথা নয়। তোমার চেয়ে আরও বড় কেউ থাকতেই পারে কোথাও না কোথাও। হয়তো একদিন তার সাথে মোলাকাতও হয়ে যেতে পারে তোমার।
সেদিনের মত চুপ করে গেল লোকটা।
একদিন বউটি গিয়েছিল পাশের গ্রামে। ফেরার পথে ভারি তেষ্টা পেল তার। রাস্তার পাশেই একটা কুয়া দেখতে পেয়ে, দাঁড়িয়ে পড়ল সে। বালতি রাখাই ছিল কুয়ার পাড়ে। মজার ব্যাপার হোল একটা। ঝপাৎ করে বালতিটা কুয়ায় ফেলল বটে, জল তোলা তার ক্ষমতায় কুলোচ্ছে না। যতই দড়ি ধরে টান দেয়, বালতি আর ওঠে না। 
এমন সময় গ্রামের একটি বউ এসে গেল জল নিতে। পিঠে বেঁধে রেখেছে তার ছেলেটিকে। মাথায় লাউ আর চালকুমড়োর ইয়াব্বড় দুটো খোল। জল ভরে নিয়ে যাবে বলে। সে হাসিমুখে বউটিকে বলল-- তুমি কি আর বালতি তুলতে পারবে, বাছা? অসম্ভব। 
বউটি বলল-- কেন বলো তো? পারব না কেন?
-- অত জোর কোথায় তোমার? বলে, সেও হাত লাগলো দড়িতে। কিন্তু অবাক ঘটনা। দু'জনে মিলেও বালতি তোলা সম্ভব হল না।
--একটু দাঁড়াও তো। বলে, ছেলেকে পিঠ থেকে নামাল মেয়েটি। ছেলেকে বলল-- মাকে জল তুলে দেবে না, বেটা? 
ছেলেটা দড়ি ধরে জল তুলে, মায়ের খোল দুটো ভরে দিতে লাগল। শেষে বালতি নামিয়ে জল তুলে দিল বৌটির জন্যও। এমন অবলীলায় কাজটা করল বাচ্চা ছেলেটা, বিশ্বাসই হচ্ছিল না বউটির। 
সে বলল-- অবাক ব্যাপার তো! আমার তো বিশ্বাসই হচ্ছে না। 
-- কেন গো, অবাক হওয়ার কী আছে এতে? এর বাবা তো পালোয়ান। এইটুকু কাজ করতে পারবে না পালোয়ানের ছেলে হয়ে? 
সে কথার কোনও উত্তর না দিয়ে, ঘরে ফিরে এল বউটি। সব কথা খুলে বলল স্বামীকে। 
শুনেই ফোঁস করে উঠল লোকটা-- পালোয়ান? ও আবার পালোয়ান কীসের? নিজেকে পালোয়ান বলবার কোন অধিকারই নাই কারও। পালোয়ান হলাম আমি। দাঁড়াও, উচিত শিক্ষা দিতে হবে হতভাগাকে। দেখাচ্ছি মজা।
-- নাগো, দোহাই তোমার। ভুলেও ও কাজটি করতে যেও না। একটা বাচ্চা যদি এমন শক্তিমান হয়, তার বাবা কী হবে, বুঝতে পারছো না? বউটি বলল-- বেঘোরে মারা পড়বে শেষকালে । 
লোকটা বলল-- কে মারা পড়বে, সে তো তখন বোঝা যাবে। 
পরদিন। সোজা সেই গ্রামে গিয়ে হাজির হল পালোয়ান। কুয়াটা চোখে পড়তে, বালতি ফেলে জল তুলতে গেল হাসতে হাসতে। কিন্তু ওই হাসিটুকুই সার হল তার। গায়ের যত জোর, সব খাটিয়েও, বালতি তোলা তার ক্ষমতায় কুলোল না। 
সেসময়ই গাঁয়ের সেই বউটি এসে হাজির। কুয়ার দিকে এগোতেই, পালোয়ান বলল-- একটু দাঁড়াও। কী কাজে এসেছ এখানে? 
-- কেন, কুয়ায় লোকে কী কাজে আসে? জল তুলবো।
-- তুমি ভেবেছ, জল তুলতে পারবে?
বউটি হেসে বলল-- আমি কেন তুলতে যাবো? আমার ছেলে তো আছে সঙ্গে। সেই তো জল তুলি দেয় সবদিন। 
পিঠ থেকে ছেলেটাকে নামিয়ে দিতে, ছেলেটা গিয়ে বালতি তুলে মায়ের খোলগুলি ভরে ফেলতে লাগল অবলীলায়। ঠিক গত দিনের মতোই। 
ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে, ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইল পালোয়ান। তোতলাতে লাগল-- আশ্চর্য ব্যাপার? পারল কী করে? 
বউটি হাসতে হাসতে বলল-- আশ্চর্যের কী আছে এতে? তোমার বাবা পালোয়ান হলে, তুমিও পারতে।
পালোয়ান ঢোঁক গিলে, একবার ভাবল সরে পড়বে এখন থেকে। তারপর কী হল, বলল-- একবার দেখতে চাই লোকটাকে। তখন বুঝিয়ে দেব কে বড়, কে আসল পালোয়ান।
-- তাতে কিন্তু তোমার মঙ্গল হবে না, বাপু। তোমার মত লোককে তো সে গিলেই খেয়ে ফেলবে। তবুও যদি মনে সাধ হয়, আমার সাথে আসতে পারো। 
বউটির পিছন পিছন তার ঘরে এসে হাজির হল পালোয়ান। বেড়া দিয়ে ঘেরা উঠোন। সেই উঠোনে বিশাল আকারের চুল্লি একটা। তার পাশেই ডাঁই হয়ে আছে হাড়গোড়ের একটা স্তুপ। পালোয়ান জানতে চাইল-- এগুলো কী? 
বউটি বলল-- আমার স্বামীর তো হাতি ছাড়া অন্য কিছুতে পেট ভরে না। এগুলো হাতিদেরই হাড়গোড়। 
তখনই একটা বিরাট গর্জন শোনা গেল। এতটাই শব্দের জোর, দু'হাতে কান ঢেকে ফেলতে হল পালোয়ানকে। মাটি কাঁপতে লাগল থথর করে। যেন ভূমিকম্প শুরু হয়েছে। কোন রকমে টাল সামলে, পড়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচাল নিজেকে। আতঙ্কে বলে উঠল-- কী হচ্ছে?
-- পালোয়ান আসছে।
-- কী সর্বনাশ। পালাই আমি।
-- কী করে পালাবে? অনেক দেরি হয়ে গেছে। এখন বেরুতে গেলে, একেবারে মুখোমুখি পড়ে যাবে। বরং এস, তোমাকে আড়ালে কোথাও লুকিয়ে রাখি।
বেড়ার গায়ে একগাদা বড় বড় হাঁড়িকুড়ি রাখা ছিল। এক এক হাঁড়ি জল খায় লোকটা। মানুষের মাথা ছাড়িয়ে যায়, এতটাই বড় সেগুলো।  ঠেলাঠেলি করে তারই একটাতে পালোয়ানকে ঢুকিয়ে দিল বউটি। ছাতার মত বড় একখানা সরা ঢেকে দিল হাঁড়ির মুখে।
যেমন ভয়, তেমনই কৌতূহল পালোয়ানের। সরার ঢাকনা সামান্য তুলে বাইরে তাকিয়ে দেখল, আগড় ঠেলে ভিতরে আসছে লোকটা। সে কী চেহারা! আস্ত একটা হাতি তার দু'কাঁধে চাপানো। 
তার বউ বলল-- কিগো, সব ভালো তো? 
হ্যাঁ, ভালোই। লোকটা বলল-- তবে তীর-ধনুক নিয়ে যেতে ভুলে গেছিলাম। অগত্যা খালি হাতেই মারতে হল হাতিটাকে। 
হাঁড়ির ভেতর থেকে পালোয়ান তো সব দেখছে। উনুনে আগুন জ্বালিয়ে হাতিটাকে সেঁকতে লাগল লোকটা। খাওয়া-দাওয়া শেষ হল যখন, হাড়গুলোই পড়ে রইল শুধু। 
হঠাৎই লোকটা বলল-- বউ, মানুষের গন্ধ পাচ্ছি যেন? 
বউ বলল-- এখানে আবার মানুষ কোথায়? তবে হ্যাঁ, তুমি যখন এলে, তার একটু আগে, একজন লোক গেল এদিক দিয়ে। বোধহয় তার গন্ধই পেয়েছ তুমি।
-- পোড়া কপাল আমার। আক্ষেপ করতে লাগল লোকটা। মানুষের মাংস বেশ সুস্বাদু হোত। বলতে বলতে মাটিতেই গড়িয়ে পড়ল সে। আর,  গাছের পাতা কাঁপতে লাগল তার নিঃশ্বাসের তোড়ে।
বউটি দৌড়ে এল হাঁড়ির কাছে। ফিসফিস করে বলল--  চটচট করো, যত ততাড়াতাড়ি পারো পালাও। 
পালোয়ানও তখন পালাতে পারলে বাঁচে। রাস্তায় নেমে পায়ে যত জোর আছে দৌড়তে লাগল। কিন্তু কপাল মন্দ হলে যা হয়। খানিক দূর গিয়েছে, কানে এল সেই ভয়ঙ্কর শব্দ। মাটি কাঁপতে লাগল থরথর করে। তাকিয়ে দেখল, পিছনে তাড়া করে আসছে লোকটা। 
দৌড়তে দৌড়তে একটা মাঠে এসে পড়েছে। পাঁচ জন লোক লাঙল দিচ্ছিল সেখানে। তারা পালোয়ানকে দাঁড় করিয়ে বলল-- হোলটা কী? অমন প্রাণ হাতে নিয়ে দৌড়োচ্ছ কেন? 
পিছনের লোকটা যে তার চেয়েও বড়, পালোয়ান মেনে নিল সে কথা। হাঁফাতে হাঁফাতে বলল-- প্রাণটা বাঁচাবো বলেই পালাচ্ছি। বিপদ তাড়া করে আসছে পিছনে। 
-- অত ভয় পেতে হবে না। আমরা থাকতে, কেউ প্রাণ নিতে পারবে না তোমার। বলা শেষ হয়েছে কি হয়নি, গর্জন ভেসে এল একটা। কানে হাত চেপে, লোকগুলো জানতে চাইল-- ব্যাপারটা কী? কিসের শব্দ এটা? 
-- বলছি কী তবে। বড় পালোয়ান আসছে তাড়া করে।
ততক্ষনে মাটি কাঁপতে শুরু করেছে। লাঙল ফেলে যে যেদিকে পারল, দৌড় লাগল লোকগুলো। বলে গেল-- তুমিও পালাও বাপু।
দৌড়তে দৌড়তে এবার দেখা হল দশ জন মজুরের সাথে। মাথায় মোট নিয়ে যাচ্ছিল তারা। তারা বলল--অমন করে দৌড়োচ্ছ কেন?  তাড়া কিসের? 
পালোয়ান বলল-- আমার তাড়া কী হে? আমাকেই বড় পালোয়ান তাড়া করে আসছে পিছনে।
-- রাখো তো তোমার বড় পালোয়ান। আমরা এখানে দশ জন আছি। কিছুই করতে পারবে না সে। কথা শেষ হয়েছে কি হয়নি, আবারও সেই শব্দ। আবারও মটিতে ভয়ানক কাঁপুনি।
লোকগুলো ঘাবড়ে গিয়ে বলল-- ব্যাপারটা কী? 
-- বললাম না, ওই তো বড় পালোয়ান। 
-- তাহলে বাপু, পালাও তুমি। আমরাও পালাচ্ছি। চটপট করে সরে পড়ল লোকগুলো।
কিছুটা দৌড়ে একটা বাঁকের মুখে এসে পড়ল পালোয়ান। বাঁকটা পেরিয়েছে, দেখল, একটা লোক বসে আছে রাস্তার ধরে। পাশেই একগাদা হাড়গোড় ডাঁই করা। ঠিক যেমনটি দেখেছিল বড় পালোয়ানের উঠোনে।
লোকটা গম্ভীর গলায় বলল-- দৌড়োচ্ছ কেন? 
দম নিতে নিতে পালোয়ান জবাব দিল-- বড় পালোয়ান তাড়া করে আসছে।
অমনি বাজখাঁই গলায় এক ধমক-- চুপ কর হতভাগা। আমার চেয়ে বড় পালোয়ান কে আছে এই দেশে? 
বলতে বলতে সেই ভীষণ গর্জন। সেই থরথর করে মাটি কাঁপা। পালোয়ান পালাবার জন্য দৌড়োতে গেছে, অমনি খপ করে তাকে ধরে ফেলল লোকটা।
ততক্ষনে বড় পালোয়ান এসে পড়েছে সেখানে। বলল-- ওকে আমার হাতে দাও। ছাড়ো ওকে। 
-- তাই নাকি? এসো, পারলে ছাড়িয়ে নাও।
যেই বড় পালোয়ান দু'পা এগিয়েছে, এক হাতে ধরা ছিল পালোয়ানকে, অমনি বুড়ো আঙুলের ডগায় একটা টোকা মারল লোকটা। বাতাসে ঘুরপাক খেতে খেতে বড় একটা গাছের উপর গিয়ে পড়ল পালোয়ান। ঘোর কাটতে দেখল, নিচে ভয়ানক লড়াই চলছে দুজনের। লড়ছে একেবারে পাগলা হাতির মত।
এক সময় দেখল, দু'হাতে দুজন দুজনকে ধরে আছে শক্ত করে। লড়াই চলছে পা দিয়ে। হঠাৎই সেই অবস্থায় শূন্যে লাফিয়ে উঠল দুজনে। বাপরে,  সে কী লাফ! পালোয়ান তো আটকে ছিল গাছটার উপর। সেখান থেকেই দেখল, উপরে উঠে যাচ্ছে লোক দুটো। যাচ্ছে তো যাচ্ছেই। থামবার বা নামবার কোনও লক্ষণ নাই। তারপর এক সময় সেই যে চোখের আড়াল হয়ে গেল, আর দেখাই গেল না দুটিকে। 
তাকিয়ে থাকতে থাকতে যখন ঘাড় ব্যথা হয়ে গেল পালোয়ানের, ভারী আহ্লাদ হল তার মনে। যাক বাবা, বরাত জোরে বড্ড বাঁচা গেছে। এক বিপদ থেকে বাচঁতে, আরও বড় একজনের খপ্পরে পড়ে গিয়েছিল। এখন দুজনের হাত থেকেই রেহাই। নিশ্চয়ই এক্ষুনি ফিরে আসবে না পালোয়ান দুটো। ধীরে সুস্থে গাছ থেকে নেমে, সেই যে দৌড় লাগাল, থামল একেবারে বাড়ি পৌঁছে। 
সেদিন থেকে একটা পরিবর্তন হয়েছে তার। ভুলেও নিজেকে পালোয়ান বলে না আর। এমনকি, নিজের বউয়ের কাছেও না।
এদিকে হয়েছে কী, লোক দুটো কিন্তু সত্যিই আর মাটিতে নেমে আসেনি। তাছাড়া, নামবেই বা কী কর? উপরে উঠতে উঠতে উঠতে উঠতে, দুটিতে গিয়ে পড়েছিল ঘন কালো বড়সড় একটা মেঘের উপর। আজও তারা সেখানেই আছে। সেখানেই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে দুজনে। এখনও সেইরকম ভয়ানক গর্জন করে তারা। এখনও বাতাস কাঁপে তাদের ভারী নিঃশ্বাসের বেগে। পৃথিবীর লোকেরা তো জানে না আসল ঘটনাটা। তাই, শব্দটা যখন শোনা যায়, সবাই তাকে 'বজ্রপাত' বলে। আর, গাছপাতা কেঁপে উঠলেই বলে 'ঝড়' বইছে।
কিন্তু আমরা তো জানি, লড়াই এখনো থামেনি দুই পালোয়ানের। কখনও লড়াই করে, কখনও জিরিয়ে নেয় কিছুকাল। তারাই ভয়ানক গর্জন করে। তারাই ফোঁস ফোঁস করে নিঃশ্বাস ছাড়ে জোরে জোরে। আজও লড়াই জারি আছে দুজনের, কে বড় পালোয়ান, সেই ফয়সালা না হচ্ছে যতদিন।

জ্বলদর্চি পেজে লাইক দিন👇
আরও পড়ুন 

Comments

Trending Posts

ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা -১০৯

‘পথের পাঁচালী’ এবং সত্যজিৎ রায় : একটি আলোচনা/কোয়েলিয়া বিশ্বাস

প্রাচীন বাংলার জনপদ /প্রসূন কাঞ্জিলাল

সনাতন দাস (চিত্রশিল্পী, তমলুক) /ভাস্করব্রত পতি

পুঁড়া পরব /ভাস্করব্রত পতি

পতনমনের ছবি /শতাব্দী দাশ

সর্বকালের প্রবাদপ্রতিম কবিসত্তা শক্তি চট্টোপাধ্যায় /প্রসূন কাঞ্জিলাল

বাংলা ব্যাকরণ ও বিতর্কপর্ব ১৮/অসীম ভুঁইয়া