দূরদেশের লোকগল্প-- উত্তর আমেরিকা /আয় বৃষ্টি, আয় /চিন্ময় দাশ

দূরদেশের লোকগল্প-- উত্তর আমেরিকা 

আয় বৃষ্টি, আয়  
চিন্ময় দাশ 

সাত সমুদ্দূরে ঘেরা দেশ আমেরিকা। সে দেশের আবার দুটো ভাগ-- উত্তর আমেরিকা আর দক্ষিণ আমেরিকা। উত্তরের দেশটার দু'দিকে দুটো মহাসমুদ্র-- বাঁয়ে, মানে পশ্চিমে প্রশান্ত, আর ডাইনে, মানে পূর্বে আটলান্টিক।
তো, সেই আটলান্টিকের একেবারে কিনারা ঘেঁষা এক গ্রাম। সেখানে বাস করত এক বুড়ো নাবিক। সাত সাগর আর সত্তর দেশ ঘোরা লোক সে। এখানে এসে থিতু হয়েছে ঘর বেঁধে।  

একটি মেয়ে ছিল নাবিকের। সেই মেয়ে দেখতে যেমন সুন্দর, ব্যবহারটিও তেমনি মিষ্টি তার। ও হ্যাঁ, তেমনি বুদ্ধিমতীও সেই মেয়ে। গাঁয়ের সকলে তাকে ভালোবাসে খুব। নাবিক ভাবে, এমন গুণের মেয়ে, নিশ্চয় ভালো বর হবে তার। সুখে থাকবে মেয়ে।

মেয়ে রূপবতী আর গুনবতী হলে, তার কথা তো চারদিকে ছড়াবেই। কাছে-দূরের যত গাঁ-গঞ্জ সবাই শুনল মেয়েটির কথা। কত যুবক আসতে লাগল নাবিকের কাছে। ঘটকদের আনাগোনা শুরু হল। নাবিকের একটাই কথা-- মেয়ে যাকে পছন্দ করবে, বিয়ে হবে সেখানেই। আমার কথায় বিয়ে হবে কেন? 
সেই মেয়েরও একই কথা-- ভালো ছেলে পাবো যেদিন, সেদিনই বিয়ে করে নেব। আগে তো আসুক তেমন কেউ। 

রাগে গজগজ করতে করতে ফিরে যায় যুবকেরা। ঘটকেরা ফেরে বাপ-মেয়ের মুন্ডুপাত করতে করতে। ভালো বর আর জোটে না মেয়েটির। 
হোল কী, একদিন এক পানকৌড়ি এসে বলল-- শোন গো, মেয়ে! আমাকে বিয়ে করবে তুমি?

পানকৌড়ি দেখতে বেশ সুন্দর। মাথায় অনেকটা লম্বা। ছিপছিপে চেহারা। গায়ের রংটিও বেশ উজ্বল। বেশ আশা নিয়েই এসেছে সে। মেয়েটা এক ঝলক মাত্র দেখল কেবল। বলল-- দেখতে তুমি সুন্দরই। কিন্তু, তোমাকে কী করে বয়ে করি? তোমার তো মুখে কথা নাই। 

কথাটা সত্যি। এই এক পাখি, যার মুখে রা নাই। মন ভারী করে ফিরে গেল পাখিটা। 
তারপর এল এক শেয়াল। পন্ডিত বলে খ্যাতি আছে তার। শেয়াল অনেক কসরত করতে লাগল মেয়ের মন ভোলাতে। নাচ দেখাল তিড়িংবিড়িং করে। ফুলকো লেজখানাকে ঘোরাতে লাগল, ঠিক যেন চরকিবাজী। কিন্তু তারও কপাল মন্দ। একবার তাকালোও না মেয়েটি। 

এভাবেই কতজন এল, গেল। কপাল খুলল না কারোই।
এদিকে তার নিজের গাঁয়ের যুবকেরা রেগে কাঁই। তাদেরও ফিরিয়ে দিয়েছে সেই মেয়ে। কাউকে বলেছে-- মাথামোটা। কাউকে-- মন ছোট। তারা উঠে পড়ে লাগল, মেয়েটাকে শিক্ষা দিতে হবে। অত দেমাক ভালো নয়।
সমুদ্রের গায়ে গ্রাম। সেখানে বাস করত এক ঘূর্ণিঝড়। যেমন কুটিল স্বভাব, তেমনি বহু কুকীর্তিও আছে তার। বাড়তি ব্যাপার হল, অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে সে। হঠাৎ উদয় হয়ে. সবকিছু তছনছ করে, কোথায় যে উধাও হয়ে যায়, ঠাহর করতে পারে না কেউ। 

যুবকরা সবাই তাকে গিয়ে ধরে পড়ল-- এই হেনস্থা আর হয় হয় না। কিছু একটা বিহিত করো তুমি।
কথায় বলে না-- তালের পড়ন, কাকের মরণ। ঠিক তেমনটাই ঘটে গেল। যুবকরা কথা বলছে ঘূর্ণির সাথে, তখনই সামনের রাস্তা দিয়ে কোথায় যেন যাচ্ছে মেয়েটি। রাস্তার এক পাশে ছিল থকথকে কাদা। কিছু বুঝে উঠবার সময়ই পেল না মেয়েটা, হঠাৎ বাতাসের এক গোঁত্তা।  সেই কাদায় গিয়ে পড়ল মেয়েটি। জামাকাপড় কাদায় মাখামাখি। মাথার টুপিটা উড়তে উড়তে গিয়ে পড়ল সোজা সমুদ্রে। ভারী নাস্তানাবুদ অবস্থা। হো-হো করে হাসতে লাগল ছেলের দল। 

কিছু বুঝতে বাকি রইল না মেয়ের। মাথা নিচু করে বাড়ি ফিরে চলল। গোটা গাঁয়ের লোক তাকিয়ে দেখতে লাগল এই দৃশ্য।

মেয়ের মুখে সব শুনে, বুড়ো নাবিক তো রেগে কাঁই। আগুন জ্বলতে লাগল তার মাথায়-- এর দাম দিতে হবে ঘূর্ণিকে। ওকে গ্রামছাড়া করে ছাড়ব।  সাত সমুদ্রের জল খাওয়া মানুষ আমি। ছাড়ব না আমি হতভাগাকে।
সেই অবস্থায় মেয়েকে নিয়ে সোজা মোড়লের ঘরে এসে হাজির হল নাবিক। গাঁয়ের অনেকেও এসেছে তার সাথে। 

মোড়লও নিজের চোখে দেখল সব। শুনল নিজের কানে। হুকুম করে দিল-- এই মুহূর্তে গ্রাম ছেড়ে যেতে হবে ঘূর্ণিকে। মেয়েদের উপর এমন অনাচার গ্রামে বরদাস্ত করা হবে না। মান যাবে তাতে গ্রামের। এখানে ওর থাকা চলবে না।

বিচারটা খুব ভুল হয়নি। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে ফেলেছে মোড়ল। আগুপিছু ভেবে দেখেনি, ঘূর্ণি চলে গেলে, কী হতে পারে। 

যাই হোক, গাঁয়ে বাস করলে, মোড়লের বিচারও মানতে হয়। ঘূর্ণি তৈরী হল চলে যাওয়ার জন্য। এদিকে হল কী, বৃষ্টিও ছিল সেই গাঁয়ে। ঘূর্ণি চলল দেখে, সে বলল-- আমাকে ফেলে যাচ্ছ কোথায় তুমি? আমি তো অন্ধ! দেখতে পাই কি কিছু? তুমিই তো পথ দেখিয়ে নিয়ে যাও আমাকে। তুমি চলে গেলে, আমার কী হবে?

সত্যি সত্যি গলায় গলায় বন্ধুত্ব দুটিতে। কেউ কাউকে ছেড়ে থাকে না কখনও। বৃষ্টিও চলে গেল ঘূর্ণির সাথে। কখন গেল, কোন দূরদেশে রওনা হয়ে গেল, কেউ জানতেও পারল না।

দুজনের চলে যাওয়ার পর, যখন কয়েক মাস কেটে গেল, মালুম হল অবস্থাটা। সমুদ্রের পাড়ে গ্রাম। কিন্তু ঝড়ের দেখা নাই সেই থেকে। ঝড় নাই, তাই বৃষ্টিও নাই একফোঁটা। শুকনো খটখটে হয়ে উঠেছে চারদিক। একেবারে পরিত্রাহি অবস্থা। 

বুঝতে বাকি রইল না কিছু। গাঁয়ের সবাইকে ডেকে সভা করল মোড়ল। ঠিক হল-- ফরমান তুলে নেওয়া হল। ঝড় আর বৃষ্টিকে ফিরিয়ে আনা হবে।

শেয়াল হল পন্ডিত লোক. দায়িত্বটা তাকে দেওয়া হল। গ্রামের পর গ্রাম, বন-জঙ্গল, পাহাড়-টিলা, ঝরণা-নদী-- খুঁজতে কিছুই বাকি রাখল না শেয়াল। যতদূর চোখে পড়ল, কোথাও পাতা নাই গাছে, ঘাসের ডগা পুড়ে খাক। জল শুকিয়ে আসছে নদী-নালার। কিন্তু দুজনের দেখা নাই কোথাও। 

শেয়াল ফিরে এলে, ডাক পড়ল ভালুকের। ভালুকের শক্ত ঘাড়। কাঠের গুঁড়ি বা বড় বড় পাথর ঠেলে সরিয়ে, বাতাসে গন্ধ শুঁকে সে খুঁজতে লাগল দুজনকে। ম্যাপল গাছ বিখ্যাত তার পাতার রঙের জন্য। বড় একটা ম্যাপলের দিকে চেয়ে দেখল, তারও সব পাতা ঝরে গিয়েছে, বৃষ্টি নাই বলে। সেও বলল-- নাগো, অনেক দিন ঝড় বা বৃষ্টি কারও দেখা মেলেনি এই এলাকায়।
আবার জমায়েত ডাকল মোড়ল। দুর্দশার শেষ নাই। বাতাস নাই, নৌকা ভাসানো যাচ্ছে না সমুদ্রে। বৃষ্টি নাই, একটা দানাও গজাচ্ছে না খেতখামারে। জলের বিন্দুটাও যেন নাই কোথাও। নাজেহাল অবস্থা একেবারে। 

এবার ঠিক হল, পাখিদের পাঠানো হোক। তারা উড়ে উড়ে ভালো পারবে সন্ধানের কাজটা করতে। ডাক পেয়ে সারস পাখি চলল যত জলাভূমি নলখাগড়ার বন খুঁজে দেখতে। পাহাড়ে পাহাড়ে ঢুঁ মারতে গেল দাঁড়কাক। মাছরাঙাকে পাঠানো হল সমুদ্রে ডুবসাঁতার দিতে। যদি সেখানে গিয়ে বসে থাকে ঘূর্ণি আর বৃষ্টি।
কিন্তু ঐ পর্যন্তই। তিনজনেই ফিরে এল শুকনো মুখে-- নাগো, মোড়ল! পাত্তাই পেলাম না কোথাও। 
একটা ঘুঘু পাখি ছিল সেই জমায়েতে। সে এগিয়ে এল কুরুর-কুরুর শব্দ করে-- আমি যাবো একবার?  
খড়কুটোকেও ভরসা করে ডুবন্ত লোকে। মোড়ল সায় দিয়ে দিল তার কথায়-- যাও।
পাখি একটা পালক ছিঁড়ে নিল নিজের পেট থেকে। তার পর এক টুকরো খড়ে আটকে দিল পালকটাকে। সবাই হাঁ করে দেখছে, করে কী পুঁচকেটা! কোন দিকে মন নাই ঘুঘুর। খড়টা ঠোঁটে কামড়ে, ফুড়ুৎ করে উড়ে গেল আকাশে।

দক্ষিণমুখে উড়ে চলেছে পাখি। নজর কিন্তু ঠোঁটের দিকে। পালক নড়ছে কি না। কয়েক দিন উড়বার পর, কি আনন্দ কী আনন্দ। পালক নড়ছে। তার মানে, ঝড় দূরে নাই।

আরও খানিক উজানে উড়ে, নিচের দিকে চোখ গেল ঘুঘুর। আরে, কী সবুজ ওখানে। সবুজ মখমলের মত মাঠ। রঙ-বেরঙের ফুল গাছে গাছে। কুলকুল জল বয়ে যাচ্ছে নদী-নালায়। মনপ্রাণ জুড়িয়ে যায় দেখলে। 
আনন্দে বুক ভরে গেল পাখির। এতক্ষণে খোঁজ মিলেছে দুই পলাতকের।

ঝুপ করে নিচে নেমে পড়ল সে। একটা স্রোতের উজান ধরে এগিয়ে চলল। একটা গুহার ভিতর থেকে বেরুচ্ছে স্রোতটা। বুঝতে পারল, এখানেই পাওয়া যাবে দুজনকে। সুড়ুৎ করে ভেতরে ঢুকে পড়ল ঘুঘু। 

ভারি ঠান্ডা ভেতরে। তাই ভেতরে একটা আগুনের কুন্ডলী। সেটার পাশেই ঘুমিয়ে কাদা হয়ে আছে দুটিতে। অনেকবার ডেকেও যখন সাড়া মিলল না, তখন একটা জ্বলন্ত কাঠি তুলে ছুঁড়ে দিল মেঘের গায়ে। অমনি ধড়মড় করে উঠে বসল দুজনে।

গ্রামে এখন কী অবস্থা সব বুঝিয়ে বলল ঘুঘু-- বাতাস নাই একটুও। বৃষ্টি নাই একফোঁটা। চার দিক ফুটিফাটা। ভারী কাহিল অবস্থা উত্তরের দেশে। ফিরে চলো, তোমরা। মোড়ল তার ফরমান তুলে নিয়েছে। 

ঘূর্ণি আর বৃষ্টির ভারী আনন্দ একথা শুনে। কতদিন হয়ে গেল গ্রাম ছাড়া। এখানে একটা খোঁদলের মত গুহায় লুকিয়ে বসে আছে। দম আটকে আসবার জোগাড়! ফেরার কথায় দুজনেই ভারী খুশি। ঘূর্ণি বলল-- ঠিক আছে, তুমি রওণা দাও। আমরা কাল পৌঁছে যাব।
সুখবর নিয়ে ফিরেছে ঘুঘু। সারা গ্রাম ভেঙে পড়ল মোড়লের ঘরের সামনে। পশু-পাখি, কীট-পতঙ্গ সবাই এসে জুটেছে আজ। আনন্দ ধরে না যেন কারুরই। ঘুঘু বলল-- অনেক দূরের দেশ গো। সেখানে একটা গুহার ভিতর লুকিয়ে ছিল দুজনে। খুব একটা মন্দ নয় কিন্তু ওরা দুটিতে। আসলে, তোমাদের ওই দুস্টু ছেলেগুলোর কথায় নেচে, মেয়েটার সাথে বদমায়েশি করেছিল। এখন দেখলাম, মরমে মরে আছে খুব। গাঁয়ের দুর্দশার কথা ভালো করে বলেছি আমি। তখন এক কথায় রাজি। 
ঘুঘু বলেই চলেছে-- কালই এসে যাবে দুজনে। আবার বাতাস বইবে ঝড়ের মত। বৃষ্টি নামবে মূষল ধারায়। নদী মাঠ খাল বিল সব ভরে উঠবে আবার। ফসল ফলবে মাঠে। ফুল ফুটবে গাছে গাছে। প্রজাপতি উড়বে আগের মত। কোন কষ্টই থাকবে না আর আমাদের।

হইহই করে উঠল সকলে। তাদের থামিয়ে মোড়ল বলল-- ঘুঘু, পুরস্কার পাওয়ার মত কাজ করেছ তুমি। আমি ফরমান দিলাম-- আজ থেকে আর কোনও শিকারী মারবে না ঘুঘুদের। খেলাচ্ছলেও না, মাংসের জন্যও না। খাবারের অভাবও হবে না তোমাদের কোন দিনও। 
যেমনটি কথা ছিল। পরের দিন ভালো করে আলো ফোটেনি তখনও। বাতাস বইতে লাগল ধুলো উড়িয়ে। তার পেছন পেছন এল কালো মেঘের দল। সমুদ্রের জল নেচে উঠল বাতাসের ঝাপটায়। বড় বড় সব গাছের মাথা নুয়ে পড়তে লাগল। যেন আনন্দে মেতে উঠেছে তারাও। সারা সকাল চারদিক কাঁপিয়ে সমুদ্রের দিকে চলে গেল ঘূর্ণি বাতাস।
 
মেঘ ছিল ঠিক তার পিছনে। কিন্তু সে তো চোখে দেখে না। ঘূর্ণি যাওয়ার সময় তাকে বলেও যায়নি, কোন দিকে গেল। কয়েক দিন গাঁয়ের মাথার উপরেই ঘুরে বেড়াতে লাগল মেঘ। বৃষ্টিও ঝরতে থাকল অঝোরে। 
নদী-নালা খাল-বিল সব ভরে উঠল। আবার ঘাস গজাল। পাতায় ফুলে ভরে উঠল গাছের ডালপালা। 
সেদিন থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের তীরের এলাকাগুলি থেকে ঝড়-বৃষ্টি কখনও দূরে থাকে না। আজও সেখানকার ঘুঘুরা জানে, কখন বৃষ্টি আসবে।  তখন একজোটে দল বেঁধে ডাকাডাকি শুরু করে পাখিগুলো। মানুষজন জেনে যায়-- ঘুঘু ডাকছে, এবার বৃষ্টি নামবে। 

সেদিন থেকে সমুদ্রতীরের লোকেরা ঘুঘু শিকার করে না। তারা জানে, বৃষ্টি এনেছিল ঘুঘু পাখিই। আর কেউ না।

জ্বলদর্চি পেজে লাইক দিন👇
আরও পড়ুন 

Comments

Trending Posts

‘পথের পাঁচালী’ এবং সত্যজিৎ রায় : একটি আলোচনা/কোয়েলিয়া বিশ্বাস

সনাতন দাস (চিত্রশিল্পী, তমলুক) /ভাস্করব্রত পতি

ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা ১১০

সর্বকালের প্রবাদপ্রতিম কবিসত্তা শক্তি চট্টোপাধ্যায় /প্রসূন কাঞ্জিলাল

শঙ্কুর ‘মিরাকিউরল’ বড়িই কি তবে করোনার ওষুধ!/মৌসুমী ঘোষ

প্রাচীন বাংলার জনপদ /প্রসূন কাঞ্জিলাল

বাংলা ব্যাকরণ ও বিতর্কপর্ব ১৮/অসীম ভুঁইয়া

রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি পরিষদ (NAAC) এর মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি: উদ্দেশ্য ও প্রস্তুতি - কলেজ ভিত্তিক অভিজ্ঞতা /সজল কুমার মাইতি