Posts

Showing posts from July, 2022

ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা ৯৪

Image
  ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা ৯৪ সম্পাদকীয়, করোনার জন্য ছুটির পর গ্রীষ্মের ছুটি, তারপর তো স্কুল খুলে গেছে।  আর স্কুল মানেই হল পড়া আর খেলা দুই। সেদিন রাজদীপ হাসতে হাসতে এসে ওর স্যারকে দেখালো রাজদীপের বন্ধু তাকে কিভাবে চকের গুড়ো মাখিয়েছে গোটা মুখে। সেই দেখে স্যারও খুব হাসতে লাগলেন আর আমি রাজদীপের সেই ছবি দেখে নীল আকাশের বুকে সাদা মেঘের উয়ারে বেড়ানো দেখছিলাম। কি তোমরা কি দেখছো? জানিও কিন্তু। সোমরাজ জানিয়েছে সে পড়ার ঘরের জানলায় বসে কি কি দেখে। তোমরাও জানিও। অন্যদিকে রূপা আন্টি আবার সাদা নয় কালো মেঘের ছড়া বলেছে। স্বপ্ননীল, মেঘের বুকে গণেশের মুখ এঁকে পাঠিয়েছে। মেঘের কথা শুনে মেঘের মতো ভেসে ভেসে বেড়াতে মন চাইছে তো? জয়দীপ আঙ্কেল তাইতো বহরমপুর যাবার গল্প বলেছেন। আর মলয় জেঠু যেখানে বেড়াতে গেছেন সেখানে আবার মুজেরা থাকে। মুজ কি? বলব না। জানতে পড়তে হবে হিমবাহের ঘাড়ের উপর। যাক অনেক বেড়ানোর গল্প হলেও এটা তো ঠিক পুজো এসে গেল। পুজো মানেই উমা তার মা বাবার কাছে ফিরবে। এদিকে জয়াবতীরাও পুজোয় বাড়ি ফিরবে। কিন্তু পেরজাপতি? উমাশশী? তারা? তারাও কি বাড়ি ফিরবে? এসব নানা প্রশ্ন নিয়ে এবার হাজির তৃষ্ণা আন্টির

মনসার ঝাঁপান /ভাস্করব্রত পতি

Image
পশ্চিমবঙ্গের লৌকিক উৎসব, পর্ব -৩১ মনসার ঝাঁপান ভাস্করব্রত পতি “আরে গুণী ভাই, গুণ করো সাপ ধরে খেলো। সাপের বিত্তান্ত কথা কিছু সভার মধ্যে বলো।।  কোথায় জন্মিল সাপ, কেবা বাপ মা,  কয়টি দশন সাপের কয়টি আছে পা।।  এক চক্ষু কানা সাপের হইল কি কারণ? কহ দেখি গুণী ভাই তাহার বিবরণ।।  কোন দাঁড়ে বাঁচে জীব কোন দাঁড়ে মরে  যদি না বলিতে পার ফিরে যাও ঘরে।।  পথ না ছাড়িব মোরা দেবী পূজিবারে।।” মনসার ঝাঁপানে গুণীন তথা ওঝাদের চাপান উতোর পর্ব চলে এভাবেই। ঝাঁপানের এক অন্যতম অঙ্গ এটি। ঝাঁপানের সময় মনুষ্যবাহিত যানে (ঝাপান / ঝাঁপান) গুরুকে নিয়ে শিষ্যরা শোভাযাত্রা করেন। আর নানা প্রজাতির সাপ গলায় জড়িয়ে তাঁদের নাচাতেন ঐ গুরু। আর নানাবিধ কৃৎকৌশল এবং স্টান্টবাজি দেখিয়ে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার চেষ্টা করতেন তিনি। সঙ্গে বাজে ঢাক, বাজনা, বাঁশি ইত্যাদি। কোথাও কোথাও দুই গুরুর মধ্যে চলে প্রশ্নোত্তর পর্ব। দুজনের গানে গানে চলে চাপানউতোর। এই গানকে বলে 'জাঁতগান'। একে 'মনসার জাঁত'ও বলে। চাঁদ সওদাগরের কাহিনী ও মর্ত্যে মনসা পূজার প্রচলনের কাহিনীই এই জাঁতগানের মূল উপজীব্য বিষয়। প্রতি পদের শেষ

পদ্মপাতায় শিমুল-৩৩ /সীমা ব্যানার্জ্জী-রায়

Image
পদ্মপাতায় শিমুল-৩৩ সীমা ব্যানার্জ্জী-রায় নিরাসক্ত ভালবাসা আপন দাক্ষিণ্য হতে শেষ মূল্য পায় যেন তাই !! কি পেলাম আর কি পেলাম না হিসাব করতে বসলে-কিছু হবে না। শুধু সব অংকের খাতায় লিখেই যাওয়া হবে। সমাধান আর হবে না। তাই তোমার কথায় লিখতে চেষ্টা করি। কিন্তু লেখার টেবিলময় অগণিত অক্ষর হেলাফেলা হয়ে ছড়িয়ে থাকে। ব্যক্তিগত বিষাদ ও ভালোলাগাগুলো যে শব্দবন্ধন ঘিরে অপ্রাসঙ্গিকতার একটা প্রাচীর তুলে রেখেছে, সেগুলোকে এক তারে বাঁধা খুব মুশকিল। তাও ভাবি লিখব...লিখি...লিখতে চাই। সব...উজাড় করে দিতে চাই। মাথাটা দপদপ করে... চিন্তারা কুণ্ডলী পাকিয়ে ছুটে যায় বাঁ দিকের বুকে... একটা তীব্র বেদনা, একটা অসহনীয় উসখুস দাপাদাপি করে। অবচেতনা স্বাভাবিক পরিসর ছাপিয়ে কখনও পাড়ি দেয় মিসিসিপি নদের পার বরাবর। উথালপাথাল করে নদীর জল কখনও কখনও। কখনও বা অ্যারিজোনার ঘন জঙ্গলে রোদ পোহানোর ব্যর্থ প্রচেষ্টায় ডানা মেলে। আবার কখনও ওকলাহোমার অচেনা সবুজাভ পাহাড়ের বুকে ঝর্ণা হয়ে নিরন্তর বয়ে চলতে চায়। প্রসূত কল্পনাতে সোহাগী জল রং ঢেলে ব্যতিক্রমী আমি লিখতে বসেছি বহুবার, গোপনে, অন্তরালে। বিশ্বাস করো... কিন্তু, উপেক্ষিত কিছু নাছোড়বান্দ

বিমল কর, ‘বসন্ত বিলাপ’ ও মেদিনীপুর/ অর্ণব মিত্র

Image
বিমল কর, ‘বসন্ত বিলাপ’ ও মেদিনীপুর   অর্ণব মিত্র    ‘খড়গপুরে গেছিলাম,পিসিমা খুব অসুস্থ’।  কথাটি বলেছিলেন নবনিতা।কিন্তু কথাটি ছিল মিথ্যা। আর কথাটি ছিল ‘বসন্ত বিলাপ’ সিনেমার একটি দৃশ্যে।  ‘বসন্ত বিলাপ’হল একটি মেয়েদের মেসের নাম ও একই সাথে কথাসাহিত্যিক বিমল কর লিখিত একটি গল্প ও সত্তরের দশকের একটি সিনেমার নাম।সিনেমাতে এই মিথ্যা কথাটি যিনি বলেছিলেন সেই নবনিতার ভুমিকায় অভিনয় করেছিলেন সুমিত্রা মুখাজী।তিনি ‘বসন্ত বিলাপ’-এর কাউকে না জানিয়ে সেই পাড়ার ছেলে ‘ললিত’ বা লালুর সাথে সন্ধ্যেবেলা গেছিলেন মেদিনীপুরের সিনেমাহল ‘মহুয়া’তে সিনেমা দেখতে। এই ব্যাপারটি ঘটবে সন্দেহ করেছিল ‘বসন্ত বিলাপ’-মেয়েদের মেসের নেত্রী অনুরাধা ও অন্যান্য মেয়েরা।সিনেমায় অনুরাধা-র ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন অপর্ণা সেন।সিনেমায় দেখা যায় মেসের নেত্রী অনুরাধা ও আরও কয়েকজন ‘মহুয়া’ সিনেমাহলের কাছে গিয়ে লুকিয়ে লক্ষ্য করে নবনিতা ললিত এর সাথে ‘ইভিনিং-শো’ দেখতে এসেছে।নবনিতা যখন মেসে ফিরে আসে অনুরাধা ও বাকি মেয়েরা জিজ্ঞ্যেস করে ‘কোথায় গেছিলি’। উত্তরে ললিতের সাথে সিনেমা দেখার ব্যেপারটি লুকানোর জন্য নবনিতা এই প্রবন্ধে লিখিত প্রথম বাক

শেখর বসু /বিশ্বজিৎ পাণ্ডা

Image
বাংলা গল্পের পালাবদল— ৫ শেখর বসু  বিশ্বজিৎ পাণ্ডা প্রায় ছ-দশকেরও বেশি সময় ধরে সাহিত্যচর্চা করে চলেছেন শেখর বসু (জন্ম-১৯৪০)। তাঁর ছোটোবেলায় বাড়িতে সাহিত্যের আবহ ছিল। ‘প্রবাসী’, ‘ভারতবর্ষ’, ‘মাসিক বসুমতী’, ‘মডার্ন রিভিউ’ ইত্যাদি পত্রপত্রিকা নিয়মিত বাড়িতে আসত। ছোটোবেলা থেকেই সিরিয়াস পাঠক ছিলেন। হাতের কাছে যে বই পেতেন, তাই পড়ে ফেলতেন। ‘আরব্য রজনী’ তাঁর কিশোর-মনে মস্ত একটা কল্পনার জগৎ তৈরি করে দিয়েছিল। সেই কল্প-জগতের প্রভাব থেকে গিয়েছে তাঁর সাহিত্য জীবনে।   স্কুল জীবনে গল্পলেখা শুরু করলেও নিয়মিত সাহিত্যচর্চা শুরু করেন সিটি কলেজে পড়ার সময়ে— ষাটের বছরগুলিতে। সাহিত্যিক রমানাথ রায়ও তখন সিটি কলেজের ছাত্র। ১৯৬৬ সালে রমানাথ রায়, আশিস ঘোষ, কল্যাণ সেন, সুব্রত সেনগুপ্ত এবং শেখর বসু— এই পাঁচজন মিলে ‘এই দশক’ পত্রিকাকে কেন্দ্র করে শুরু করেন শাস্ত্রবিরোধী ছোটোগল্প আন্দোলন। পরে তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন গল্পকার বলরাম বসাক, অমল চন্দ এবং সুনীল জানা। বছর দশেক ধরে চলছিল এই আন্দোলন। বাংলা ছোটোগল্পে একটা নতুন ধারা, নতুন হাওয়া এনেছিলেন শেখর বসুরা।  ১৯৬৫ সালে শেখর বসু সাংবাদিক হিসেবে যোগদান করেন আনন্দবাজার

জল যখন গরল../নিশান চ্যাটার্জী

Image
জীবনের গভীরে বিজ্ঞান- ১১ জল যখন গরল.. নিশান চ্যাটার্জী গত পর্বে গ্রিনহাউস এফেক্ট নিয়ে আলোচনার সময় উল্লেখ করেছিলাম দূষণ শুধু বায়ুমণ্ডলে সীমাবদ্ধ নেই তার লেলিহান শিখা জলভাগেও সমান ভাবে বিস্তৃত। আজ সেই দিকেই আলোকপাত করা যাক। বর্তমানে পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে একফোঁটা বৃষ্টির জলও বিশেষত প্রথম বর্ষণের সময়, বিশুদ্ধ নয়,তার মধ্যে বহু ধূলিকণিকা জমে রয়েছে। ১৯৮৫ সালে গঙ্গার দূষণ রোধ করার জন্য সৃষ্টি হয় সেন্ট্রাল গঙ্গা অথারিটি (C.G.A)।   শুধু দূষণ নয়, তার সাথে বাড়তি সমস্যা হল পলি পড়া।  আর এই জলদূষণের প্রত্যক্ষ প্রভাব যেমন জলজ প্রাণীর ওপরে পড়ছে তেমনি মানুষেরও রেহাই নেই। গঙ্গার এক একটি জায়গায় গভীরতা এতোটাই কমে গেছে যে সমুদ্র থেকে যেসব মাছ নদীতে ডিম পাড়তে আসে তারা আসতে পারছে না। আবার গঙ্গার কোনো কোনো জায়গার জলে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ প্রতি মিলিলিটারে কমে  হয়েছে ৪ মিলিগ্রাম এর কাছাকাছি, যা কিন্তু ৬ মিলিগ্রামের কম হওয়া কখনোই উচিত নয়। দেশের প্রধান প্রধান নদী গুলির গুনগত মান কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ ১৯৯০ সালে পরিমাপ করে , সেই রিপোর্ট অনুযায়ী গঙ্গা, বৈতরণী, গোদাব

আষাঢ়ে গল্পের আলধরে - চার /তন্দ্রা ভট্টাচার্য্য

Image
আষাঢ়ে গল্পের আলধরে - চার তন্দ্রা ভট্টাচার্য্য  চল্লিশে চালশে                      চল্লিশে নারী পারাপার যেন এক ন‍্যাতানো বিস্কুটিয় উপাখ‍্যান। আমি যেন কেমন একটি ছায়া হয়ে গেছি।সবাই এখানে এসে জুড়োবে।মাসীমা ,কাকীমা নামক কাকতালীয় জোন।বুড়োরা ফস্টি নস্টি করতে এলেই সেসব ষষ্ঠীপুজোতে আমার ভালোই এলেম আছে। যদি জ‍্যৈষ্ঠ মাস হয় তেষ্টা পেলেই পেতে পারে।শরীর না হয় বড়াই বুড়ীর খুড়তুতো বোন, মন তো রাধার চেয়েও আরও যাদা।কিন্তু লজ্জা ভয় হয় চল্লিশ পেরিয়ে গেছে কিনা! রাস্তা ঘাটে আই কনট‍্যাক্ট হলে ...কত বসন্ত যেন আছড়ে পড়লো! লাথি মারি ঐ বসন্ত বেটাকে। অকারণে আমার উঠোনে দাপিয়ে মরে!সেই সক্কালে ...মাজার ব‍্যথায় ঝাঁটা হাতে ঝুঁকি নিয়ে বসন্ত বিদায় করি! বুঝলেন না তো? আরে শিমুল ফুল পড়ে থাকে উঠোন জুড়ে ...পিছলে পড়ে মরবো যে!বলি ও কত্তা দাও দিখিনি ভলিনি মলমটা লাগিয়ে বেশ করে।কিন্তু বিশ্বাস করুন ঐ হাত কেমন ম‍্যাদা মারা হয়েগেছে।তবে একখ‍্যান কথা বলি বাইরে বেরুলে বেশ মাঞ্জা দিয়েই যাই...ভয় করে জানেন ....আমার বয়স কি ওরা ধরতে পারে? আজ কজন তিরছি নজরে দেখে এসব হিসেব রাখি।বুঝলেন। মুখে যতই রাগ দেখাইনা কেন মনে মনে হাওয়া দেয় ...প

মারণবীজের আজব ধাঁধা /শেষ পর্ব ১১/ বাসুদেব গুপ্ত

Image
মারণবীজের আজব ধাঁধা  শেষ পর্ব ১১  বাসুদেব গুপ্ত দশজন স্পট ডেড। চারজনের হাত পা বাঁধা। বাকীরা পালিয়েছে জংগলের আড়ালে। একে ১০৩ সাবমেশিন গান আর ইন্স্যাস এসল্ট রাইফেলের সঙ্গে ৩০৩ আর তীর ধনুক আর কতক্ষণ পারে।  গাড়ী চালাচ্ছে গয়াল নিজে। এত সহজে হাল ছেড়ে দিলে সে এত বড় একটা দেশের সিকিউরিটির প্রধান হতে পারত না। তার এক হাত সবসময় যে পকেটে থাকে সেই পকেটে জেগে বসে থাকে ৯ এম এম ওয়ালথার রিভলভার, যা কোনদিন লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় না।  গাড়ীর মেঝেতে অনেকখানি ফাঁকা জায়গা। সেখানে ডাম্প করা অর্চি নভীন, নিশা, উরবী।  রামালু কোথায় অদৃশ্য হয়ে গেছে। ৪ বন্দী। নড়া চড়ার কোন উপায় নেই। মুখে টেপ, হাতেও মোটা টেপ দিয়ে জড়িয়ে বাঁধা, খোলার কোন উপায় নেই। পিছনে আরো দুটো জীপ। চার নম্বর গাড়ীটি আগুন লেগে জ্বলছে জংগলের ভেতর, নেভানোর জন্য কেউ আসছে না এক্ষুণি। কোথায় গাড়ী যাচ্ছে, কি তাঁদের ভাগ্যে লেখা আছে চারজনের কেউ জানে না। যে যার পুরনো জীবনের কথা ভাবছে। শুধু নভীন আর উর্বী পাশাপাশি। ওরা দুজনে একই কথা ভাবছে। যদি মরতেই হয়, একা জীবন কাটানোর থেকে একসাথেই মরা ভালো।  অন্ধকার একটু একটু মুছতে শুরু হল। চার দিকের মাঠ, ছায়া ছায়া গ্রাম। মাথ

যেতে যেতে পথে- ৩০/রোশেনারা খান

Image
যেতে যেতে পথে রোশেনারা খান পর্ব ৩o ২০০৪ এ বাবলি পার্মানেন্ট চাকরি পেয়ে গেল। পোস্টিং বরাকরে। কিন্তু তখনো ওর কন্ট্রাক্ট পিরিয়ড শেষ হয়নি।  তাই এখানে কাজ করলেও মাইনে নিতে যেতে হত বরাকর। এই ২০০৪ সালে কোনো একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘অভিন্ন দেওয়ানি বিধি’ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে পক্ষে বিপক্ষে জোর তর্ক বিতর্ক চলছিল। সেইসময় একটা মজার ব্যপার লক্ষ্য করতাম, বিরোধীরা সবসময় অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষে কথা বলতেন। ক্ষমতায় থাকত যে দল, তারা বিরধিতা করত। তো এই বিষয়ে আলোচনার জন্য ‘অঙ্গনা লাইভ’ থেকে আমাকে আবার ডাকা হল। আমি আগের দিন মেয়ের কাছে সিঙ্গুর চলে গেলাম। ছুটি নেওয়া যাবে না, তাই ও  এবার আমার সঙ্গে যেতে পারবে না। ওদের সঙ্গে কথা হল হাওড়া স্টেশনে প্ল্যাকার্ড নিয়ে বড় ঘড়ির নিচে একজন দাঁড়িয়ে থাকবে। যদিও সে আমাকে চেনে, তবুও বলল, যদিন আপনার সাড়ির কালারটা বলেন। বললাম আমি হলুদরঙের সাড়ি পরে যাব। পরদিন একাই সিঙ্গুর থেকে ট্রেনে হাওড়া স্টেশনে এসে বড় ঘড়ির নিচে দাঁড়ালাম। মিনিট দশ পরে সেই ছেলেটি এল এবং আমাকে চিনেও নিল।             গাড়িতে ওঠার পর ছেলেটি বলল, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকেও তুলতে হবে। তার বাড়ির সামনে এসে গাড়