আত্মজ /শ্রীজিৎ জানা


আত্মজ

শ্রীজিৎ জানা


রাগ যে হয় না তেমন নয়। তবে বসি তার মায়ের কথাটা কিছুতেই ভুলতে পারে না। মা তাকে প্রায়ই বোঝাতো,
---দ্যাক্ বসি তাত-বাত লিয়েই সংসার। মাথা গরম কোরবিনি কুনুদিন।কথায় আছে সইবি তো রইবি।
নিজের উপর রাগটাগ করে না সে আজকাল। জীবনের মাঝ বয়স পেরিয়ে বসনবালা জেনে গ্যাছে তার ভাগ্যফল। মুখ দিয়ে রক্ত তোলা খাটুনি ছাড়া  দু'মুঠো অন্ন তার জুটবেনা সহজে। অন্যদের মতো সুখের ঘরকন্না করতে জন্ম হয় নি তার। বসি নিজেই হাসতে হাসতে বলে,
---ঢ্যামনা ভগমান মোর কপালে সুখ লিখতে জিয়ে দ্যাখে  পেনে কালি নাই। তাই লিখেনি। বুজলু জবা মাসী!
জবা হাটে হাটে বসির সঙ্গে খুদ ব্যাবসা করে। বাবুরহাট, কাজীরহাট,দাদপুরহাট,লঙ্কাগড়হাট,মলিঘাটিহাট সবেতেই বসি খুদ কেনাবেচা করে। হাটের লোকজন বসিকে খুদিবসি বলে ডাকে।

 সেই কবে থেকে হাটে হাটে খুদ ব্যাবসা করছে বসি। অভাবের সংসারে বাপ তার বিয়ে দিয়ে দেয় ছোট বেলায়। বছর কয়েক যাওয়ার পর থেকেই বসি বুঝতে পারে স্বামী তার নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। পরে জানতে পারে অন্য জায়গায় সে নতুন করে সংসার করেছে। রাগে দুঃখে স্বামীর ঘর ছেড়ে তিনটে ছেলেমেয়ে নিয়ে চলে আসে মায়ের কাছে। মায়ের সঙ্গেই হাট- ব্যাবসা শুরু করে। তারপর মা তার গত হয় হঠাৎ তিনদিনের জ্বরে। তখন তার বড় মেয়ের বিয়ে হয়ে গ্যাছে। ছোট মেয়েরও সম্বন্ধ একপ্রকার পাকা। মায়ের মৃত্যুর পর ভাইরা তার বেঁকে বসে। বাপের ভিটেতে তাকে জায়গা দিতে চায় না। বাধ্য হয়ে নদী বাঁধের খাস জমিতে পঞ্চায়েতকে ধরে একটা ঘর লাগা দেয় বসি।
ধার দেনা করে ছোট মেয়ের বিয়ে দ্যায় পাশের গ্রামের। কিন্তু ওই কথায় বলে বিধাতার জুলুম গরীবের উপরেই বেশি। বসি রাগে গালিগালাজ করে,
---বেদা ভগমান একচোখা। মোকেও খেল আর মেইছ্যানাটাকেও খেতে ছাড়ল নি।
শ্বাশুড়ি-বরের অত্যাচারে বিয়ের একবছর না গলতেই মেয়ে সোজা হাজির বসির ঘরে। দু'একজনকে বলে মেয়েকে শ্বশুরবাড়ি পাঠাতে চাইলেও তারা আর নিতে চায়না মেয়েকে। থানা- পুলিশে যেতে চায়না বসি। একা মেয়েমানুষ অত ঝক্কি কত সামলাবে! বাঁধ পাড়ার মেয়েমদ্দরা হাজার কথা ঠেস মেরে বলে। গায়ে মাখে না বসি। মেয়েটাও তার সাথে হাটে যায়।
আজকাল খুদ কেনার টান আগের মতো নেই। আগে প্রতি হাটে আধমণ-একমণ করে খুদ বেচত বসি। চাল ব্যাবসায়ীরা তো নিতোই। একমণ ভালো চালের সাথে কেজি দুই খুদ ঠিক মিশিয়ে দিত তারা। তার উপর আদিবাসীদের  কয়েকজন ছিল বসির বাঁধা খদ্দের। খুদ পচিয়ে হাড়িয়া তৈরী করে তারা। হালে চোলাই আর বিদেশি মদের বাড়বাড়ন্ত হাড়িয়ার জামবাটিতে টান ফেলেছে। ছেলে ছোকরারা হাড়িয়া ছুঁতে চায় না। কত ধরণের নেশার জিনিস আজকাল হাতের নাগালে। আদিবাসী বাড়ায় জামবাটিতে মুখ ডুবিয়ে খুদ পচানো হাড়িয়া তারা খাবে কেন! হোক না নেশাড়ু তা বলেএকটা প্রেস্টিজ নেই।

বসি তবু খুদ বেচেই সংসারে তিনজনের পেট চালায়। ছেলে সবেমাত্র জরির কাজে গ্যাছে ভিন রাজ্যে। বসির আশা-ভরসা তার ওই একমাত্র ছেলে কানু।মনে মনে তার কত আশা। কিছু না হোক একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই আগে করবে। তারপর বৌমা আনবে ঘরে। ছোট মেয়ে পারুলের জন্য মাঝে দু'একজন ঘটককে বলে রাখে বসি। বরে খেদানো মেয়েকে কী সহজে বিয়ে করতে চায় কেউ। লোকে তো হাজার কথা শোনায়,
---মা-ঝিয়ে দুজনেই ত হাটে হাটে ঘুরে। অদের কম লোক ধরা আছে। এম্নি সংসার চলে যাচ্ছে! উ সব শুয়ে রোজগার বুজলি।
পারুল মাকে এসে সব শোনায়। রাতে রাতে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠে পারুল। বসি বিছানায় ছটপট করে সারারাত। আপন মনে বিড়বিড় করে বলে,
---ম্যাঁয়া জন্ম কী অলক্ষণা জন্ম ভগমান। বদনাম সইতেই যেন  জন্মেছি জগতে।
কত রকম কথা বলে পারুলকে স্বান্ত্বনা দ্যায়। কখনো বিরক্তিতে গালিগালাও করে,
---মরতে পারুনু তরা। আমাকে কী জ্বালিপুড়ি খাবি। কত ঘরের ত কত মেইছ্যানা মোরচে তুই মরুনু।
পরক্ষণেই কাজ ফেলে খুঁজতে ছুটে মেয়েকে। যত হোক তার পেটের সন্তান। মায়ের মনের কথা আর মুখের কথা যে এক নয় সেইকথা মা-ই একমাত্র জানে।

বড় মেয়ের শ্বশুরবাড়ির অবস্থা তেমন নয়। পর পর দুটো মেয়ের পর ছেলে হতে নিস্তার পেয়েছে অসীমা।কিন্তু দুটি নাতনিকে রাখতে হয়েছে বসির কাছে।একে টানাটানির সংসার। তার উপরে এতজনের পেট! হাট থেকে ফেরার পথে জবা মাসীর সাথে কত কথা বলে বসি।
---তুই কী করে এতগুলার পেট টানবি বসি?
---কী কোরবো মাসী ফেলাতে ত পারবোনি। কথায় বলে আসলের চে সুদের দাম বেশি। ছোট ছোট লাতনি গুলার মুখ দেখলে বড্ড মায়া হয়। থাউ খুদকুঁড়া খেয়ে বসির দয়রে।
--বয়েস কী মোদের কমচে? আর কদ্দিন খুদের বস্তা বইতে পারব ভগমানই জানে!
--সব শক-আহ্লাদ মুছে দিছি।ওই কানুর মুখের দিকে চেয়ে বেঁচে আছি মাসী,যেদি কিছু করে।
সেই কানু হঠাৎ একদিন তল্পিতল্পা নিয়ে ঘরে হাজির। জরির কাজে  পুঁতি বসাতে গিয়ে অনেকটা শাড়ী ছিঁড়ে ফেলে কানু। অবাঙালি মালিক বেদম মারধোর করে। সেই রাগে কানু কাজ ছেড়ে দ্যায়। ছেলেকে এতদিন পরে দেখে খুশি হবে কী চিন্তায় থম্ মেরে বসে পড়ে বসি। কানু জেদ ধরে বসে আর সে জরির কাজে বাইরে যাবে না। দেশেই কিছু কাজ করবে।

মাস দুয়েক ঘুরে কাটানোর পর কানু স্থির করে সে টোটোগাড়ি চালাবে। ইতিমধ্যে বাজারে ভজার টোটো চালিয়ে হাত পাকিয়েছে সে। বসি ছেলের কথা শুনে ঝাঁঝিয়ে উঠে,
---কেঁড়ায় তেল নাই বাজনায় কিড়িকিড়ি। টোটো কিনতে টাকা কুথায় পাবি? তোর কুন বাপ দিবে শুনি?
---লোন লুব সমিতি থিকে।
---লোন শুদবে কে?
---ক্যানে গাড়ি কী ফিরিতে চালাবো! ভাড়া পাবনি!
ভজাকে ধরে বসির কথা না শুনেই একটা পুরানো টোটো কিনে বসে কানু। ক'মাস চালাতে না চালাতেই কানু বিয়ে করে বউ ঘরে নিয়ে আসে। আগুনে ঘি ঢালার মতো বসির মেজাজ জ্বলে উঠে দপ্ করে। এক ঘর এক দুয়ার। কোথায় কে থাকবে? সংসার চলবে কেমন করে? এসবের কোন চিন্তা না করে ছেলের বউ ঘরে আনাকে নিয়ে বসি চিলচিৎকার ফেলে দ্যায়। পারুল মাকে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে শান্ত করে। মাথা ঠান্ডা হলে বসি খোঁজ নিয়ে জানতে পারে মেয়েটি তাদের জাতের নয়। বাপ-মা কেউ নেই। মামা বাড়িতে মানুষ। তাদেরও অবস্থা নুন আনতে পান্তা ফুরানোর মতো। বসির সব আশায় জল ঢালা হয়ে যায়। লোকে পাছে তাকে দোষ দেয়,তার উপর বাপ-মা মরা মেয়ে ভেবে সব মেনে নেয়। সেই সঙ্গে নতুন করে আশা করে বৌমার দৌলতে যদি তার ছেলেটার সুমতি হয়।

কিন্তু বসির কপালে সুদিন ফিরবে কেন! বসি ভেবেছিল গরীব ঘরের মেয়ে তাদের দুঃখ বুঝবে। সবকিছু মানিয়ে গুছিয়ে চলবে। তার বদলে নতুন বৌযের আড়ি-আবদার দেখে তো বসি অবাক। কোন মতেই সহ্য করতে পারে না সে।নতুন বউকে সহজে ছাড়ে না বসি,
---পতিদিন এটা উটা আবদার যে কচ্ছ ছ্যানা কথা থিকে দিবে বল দিখি। তমার কী দেখার চোখ নাই।
--বিয়া করার আগে ত ভাবেনি।
---তুমিই কেনে না জেনেশুনে চলে এলে?
--আমি এসতে চাইনি।তমার ছ্যানাই লিয়ে এসছে।
এবার বসির রাগ পড়ে ছেলের উপর,
---খুব ত বিয়া করার শক।ইবার বৌয়ের হাঁ বুজা। ঘুঁটা গুড়ানির ঝি চাকরি পেইছে,চলতে পারেনি পালকি চেইছে।
কানু চুপ করে থাকে। বৌয়ের আবদার মোবাইল কিনে দিতে হবে তাকে। অত দামের মোবাইল কিনে দেওয়ার সামর্থ্য কানুর কিছুতেই নেই। সেইদিকে তিন মাসের লোনের কিস্তি বাকি। সমিতির লোক এসে ঘরে নোটিশ দিয়ে গ্যাছে। বাধ্য হয়ে কানু টোটো গাড়ি বিক্রি করে দ্যায়।বসি মাথার ঠিক রাখতে পারে না। রাগে ছেলে-বৌমাকে আলাদা করে দ্যায়। আর তারা মা-মেয়ে-লাতনিরা আলাদা হাঁড়ি চড়ায়। 
জবার কাছে দুঃখ করে বসি,
---জানু মাসী কী ভেবেছিলম আর কী হোলো।থাউ কদিন আলাদা খাউ। বুজুক কত ধানে কত চাল। এদ্দিন বসির ঘাড়ে বসে সবাই লেচেছে। 
---তোর মন ত -এই আঙরা,এই জল। তুই থাকতে পারবিনি। ঠিক এক হবি।
হোলোও তাই। একটা মাস না পেরোতেই বসিই তার নাতনিকে দিয়ে বলায়,
---চোল যা মামীকে বলবি কাল থিকে যেন একসঙে রাঁধে।
এই কদিনে কানু বুঝে গ্যাছে সংসার চালানোর ঝক্কিঝামেলা।  মায়ের মন নরম হওয়াতে তার চেয়ে বেশি খুশি আর কেউ হয় না। কিন্তু এবার সে কী করবে ভেবে কুল কিনারা পায় না। ভজা তাকে যুক্তি দ্যায় বাজারে একটা পানবিড়ির গুমটি করার। কিন্তু বাজার কমিটিকে না জানিয়ে গুমটি বসানো কোনমতেই যাবে না। ভজা তাকে উপায় বাতলে দ্যায়।
---আরে তোর মা'কে  নরেন দাসকে বোলতে বল। নরেন দাস বল্লেই আর কেউ বাধা দিবে নি।
কানু সন্ধ্যাবেলা মিনমিনে গলা করে বসিকে পানগুমটির কথাটা বলে। শোনা মাত্রই বসি ঝনকে উঠে।
---তোর কুনু বিষয়ে আমি আর মাথা গলাব নি। পেটে ধরেচি,যদ্দিন পারব টানব। তারপরে কী কোরবি তুই জানু।
--ইবার দকানটা মন দিয়ে চালাবো। তুই একবার নরেন দাসকে বলে দেক্ না।
---তোকে বসতে দিলেও দোকান দিবার টাকা পাবি কুথা থিকে। আমি একটাকাও দুবনি।
মাথা নীচু করে মুখ কালো করে দাঁড়িয়ে থাকে কানু।

সারারাত কতরকম ভাবনা বসির মাথায় ঘুরপাক খায়। পরের দিন হাট থেকে ফিরে বাজারে নরেন দাসের কাছে যায় বসি। নরেন দাস পার্টির নেতা। তার উপর বাজারে তার আলু-পেঁয়াজের আড়ত। বসি অনেক আগে থেকেই  তার চেনাজানা। নরেন দাস বসিকে দেখে গদগদ গলায বলে উঠে,
--আরে বসি যে কী মনে করে এলি?
বসি হাড়েহাড়ে চেনে নরেন দাসকে। বযেস হলেও এখনো ছোঁকছোঁক স্বভাব যাইনি। কিন্তু সেইসব ভুলে হাসিমুখে বলে,
--তমার কাছেই এসছি একটা দরকারে।
--বোস ওখিনে। বল্ কী দরকার?
--ছ্যানাটাকে ত জান। একটা পানগুমটি করবে বোলছে বাজারে। একটু বসার জায়গা তমাকে করে দিতে হবে।
-- সে ত ভাল কথা। কিন্তু জায়গা কী মাগনার। তার উপর বাজারের মতো জায়গা! আজকাল এক পোদকা জায়গার দাম জানু কত?
---সেটা ত জানি। কিন্তু তুমি বল্লে সব হবে। গরীবের মুখের দিকে তমরা না চাইলে কে চাইবে বল।
---সে না হলে চাইব। কিন্তু আমাকে কমিটির অন্যরা জিগ্যেস করলে কী বোলবো? তার জন্যে কিছু ত করতে হবে তোকে। বুঝতে পারলু।
বসি বুঝতে পারে নরেন দাসের ইঙ্গিত। গরীবকে অর্থ না দিক ভগবান,লোকের চোখে পড়ার মতো একটা গতর ঠিক দ্যায়। বসির চেহারা দেখে বয়েস আন্দাজ করা কঠিন। পান্তা-মুড়ি আর শাকসেদ্ধ খাওয়া গতরের প্রতি নরেন দাসের মতো অনেকেরই লোভ হয বৈকি! কিন্তু স্বামীকে ছেড়ে আসার পর থেকে বসি আজ অব্দি কোন কুপথে যায়নি। পারুলকেও আগলে রেখেছে। চোখ বুজলে তার সংসারের দশা কী হবে ভেবে শিউরে উঠে। মেয়েটার জন্যে যদিও একটা সম্বন্ধ এসেছে ইতিমধ্যে। ছেলেটার জন্য তার চিন্তা হয়।
মাথার উপর দুপুরের তেজালো রোদ যেন ছিঁড়ে খেতে মরিয়া। হাট থেকে ফিরেই ঘর হয়ে সোজা চলে এসেছিল সে। পেটে খিদেটা ছটপটিয়ে উঠেছে। ঘরে ছেলে তার অপেক্ষায় আছে নিশ্চিত। নরেন দাসের কথায় রাজি হলে ছেলেটার  হয়তো একটা গতি হবে। টাকায় দম নরেন দাসের পেট ভরলেও মন ভরবে না। বসি সেকথা জানে ভালোরকম। কিন্তু এই বয়সে সে তার ইজ্জত বেচতে পারবে না কিছুতেই। 
ঘরে এসে অরুচির মতো করে দু'মুঠো মুখে দেয় বসি। কানু জিগ্যেস করতে ছাড়ে না,
--কি গো মা কী বল্লে নরেন দাস? বোসতে দিবে?
--পানগুমটি ছাড়া কী আর কিছু কাজ নাই তোর? মোর সঙে হাট ব্যাবসা কর দিখি
---তোর ওই পাঁজারি ব্যবসা মোর পোষাবে নি।
---তবে নিজের মুরাদ থাকে কিছু করনা দিখি!
কথা শুনে রাগে গরগর করে ঘর থেকে বেরিয়ে যায় কানু। অনেক রাত করে বাড়ি ফেরে মদ গিলে। চিন্তায চোখের পাতা এক করতে পারে না বসি। মনে মনে বলে,
---গরীবের আবার গতর লিয়ে ছুঁচিবাই!  পেটের ছ্যানার জন্যে কত মেইয়া ত কত কিছু করে।
ভাবতে ভাবতে কখন ঘুমিয়ে পড়েছে বসি জানে না। পারুলের হাঁকে ঘুম ভাঙে তার। উঠে শুনে ছেলে- বৌমা চলে গ্যাছে বৌয়ের মামাবাড়ি।  পারুলকে বলে গ্যাছে সেখানেই থাকবে তারা। বৌয়ের মামা একটা কাজ দেখে দিয়েছে। বুক ঠেলে কান্না উঠে এলেও কাঁদতে পারে না বসি। হাটে যেতে মন চাইছে না তার আজ। এতদিন বেচাকেনার হিসাব ঠিকঠাক করলেও,সংসারের হিসাবে কোথায় যেন গরমিল থেকে গ্যাছে তার।


 জ্বলদর্চি পেজে লাইক দিন👇

Comments

Trending Posts

‘পথের পাঁচালী’ এবং সত্যজিৎ রায় : একটি আলোচনা/কোয়েলিয়া বিশ্বাস

সনাতন দাস (চিত্রশিল্পী, তমলুক) /ভাস্করব্রত পতি

সর্বকালের প্রবাদপ্রতিম কবিসত্তা শক্তি চট্টোপাধ্যায় /প্রসূন কাঞ্জিলাল

ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা ১১০

শঙ্কুর ‘মিরাকিউরল’ বড়িই কি তবে করোনার ওষুধ!/মৌসুমী ঘোষ

বাংলা ব্যাকরণ ও বিতর্কপর্ব ১৮/অসীম ভুঁইয়া

প্রাচীন বাংলার জনপদ /প্রসূন কাঞ্জিলাল

রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি পরিষদ (NAAC) এর মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি: উদ্দেশ্য ও প্রস্তুতি - কলেজ ভিত্তিক অভিজ্ঞতা /সজল কুমার মাইতি