পুঁড়া পরব /ভাস্করব্রত পতি

পশ্চিমবঙ্গের লৌকিক উৎসব, পর্ব -- ৪৭

পুঁড়া পরব 

ভাস্করব্রত পতি 

"ওই ছেনাটা সউ ছেনাটা ওই ছেনাটা সউ ছেনাটা / জলদি করি গাধুই আয় / কলঘাটে আছে হলদি বাটা / তেল মাখিলে আজকে গায়। / তুলসী মঞ্চে হয়টে পূজা, / বৈঠা ধূপে হলদি পতর / ধুবলা ঘাসে ফুল চন্দন, / শীত-আঘ্রাণে পড়নে কাকর। / লুয়া জামা লুয়া পেন্ট / আনা হিচে তোর পিনে, / ফোঁটা গটায় লিয়ার পরে, / পরবু সব অষ্টমীর দিনে / যারনে যারনে পড়ুয়ান আছো / জলদি জলদি আইস, / পিঠা পায়েশ লুচি পুরি / দুপুর হিনে মাংস। / ধানের কেরা গুহাল ঘেরা, / মার্কা কালীর ঝি, / বাছুর গাধায় কই গাড়িয়ায়, / আজ অষ্টমী তারনেকার বি। / পূজা হিলা, সকাল সকাল / গড় করিলে বাবু, / মামাঘরনু আইসচে সবলোক / ভালামন্দ কত খাবু। / ওউ ছেনাটা সউ ছেনাটা / কত অষ্টমী পাবু / সকললোকের আশীর্বাদে / মঙ্গলে তুই রইবু। / অনেক ভালায় রইবু"।

সুবর্ণরৈখিক ভাষায় 'পুঁড়া পরব' বা 'পৌড়াষ্টমী' নিয়ে আঞ্চলিক কবিতায় কবি পবিত্র পাত্র তুলে ধরেছেন এক অনন্য লোকাচারের বিবরণ। একে কেউ বলেন 'পৌড়া অষ্টমী' বা 'পৌড়াষ্টমী' বা 'পোড়াষ্টমী' বা 'প্রৌড়াষ্টমী' বা 'পৌরাষ্টমী'। আবার কেউ বলেন 'পড়ুয়ান অষ্টমী' বা 'পোড়া অষ্টমী' বা 'পড়ুয়া অষ্টমী' বা 'প্রথমা অষ্টমী' বা 'পুঁড়া পরব'। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুর সহ সুবর্ণরেখা অববাহিকার দক্ষিণ পশ্চিম সীমান্তবর্তী উৎকল সংস্কৃতির এক অনন্য লৌকিক উৎসব এই 'পৌড়াষ্টমী'। মূলতঃ ওড়িয়া সংস্কৃতির এই লৌকিক উৎসবটি আজ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়।
সম্পূর্ণভাবে পারিবারিক এই উৎসব উৎকল ব্রাম্ভণদের নিজস্ব উৎসব হলেও মাহিষ্য সম্প্রদায়ের মধ্যেও পরিলক্ষিত হয়। মূলতঃ জগন্নাথ মন্দিরের সেবাইতদের মন্দিরে পালিত যেসব লোকাচার এবং উৎসব ধীরে ধীরে ব্রাম্ভণদের মধ্যে সম্প্রসারিত হয়েছিল, সেইসব লোকাচারের একটি এই 'পড়ুয়া অষ্টমী' বা 'পুঁড়া পরব'। রাসোৎসবের ঠিক পরেই কৃষ্ণা অষ্টমী তিথিতে পালিত হয় এই সামাজিক লৌকিক উৎসবটি। 

ওড়িয়া শব্দ 'পঁঢ়ুয়া' বা 'পঁঢ়ুহা'র অর্থ 'প্রথম'। অর্থাৎ জীবিত জ্যেষ্ঠ সন্তানের পূজা। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে, যদি কোনো দম্পতির প্রথম সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগেই ভ্রুণ অবস্থায় নষ্ট হয়ে যায় কিংবা ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরে মারা যায় তবে সেক্ষেত্রে তাঁর পরবর্তী জীবিত সন্তান কিন্তু 'পঁঢ়ুয়া'' তকমার অধিকারী নয়‌। তাঁর জন্য পুঁড়া পরব হয়না। একমাত্র গর্ভের প্রথম সন্তানই হয় 'পঁঢ়ুয়া' বা 'পুঁড়া'। কোথাও কোথাও গর্ভের অষ্টম সন্তানেরও 'পৌড়াষ্টমী' পালন করা হয়। কেননা, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ছিলেন দৈবকীর অষ্টম গর্ভের সন্তান। ফলে জগন্নাথ তথা বিষ্ণু তথা কৃষ্ণের উপাসক এইসব পরিবারের লোকজন অষ্টম সন্তানকে কৃষ্ণের সাথে তুলনা করেন। এঁদের আরাধ্য দেবতা দামোদর বা মদনমোহন। যা আসলে বিষ্ণুর ভিন্নতর নাম। শুধু পুরুষ নয়, প্রথম সন্তান যদি কন্যাও হয়, সেক্ষেত্রেও তাঁর জন্য পুঁড়া পরব হয়। এমনকি গোয়ালঘরের প্রথম হওয়া গরুকেও পঁঢ়ুয়া পূজা করা হয় স্নান করিয়ে এবং গলায় শালুকের মালা পরিয়ে। এ এক অসাধারণ লোকাচার। সেই প্রাচীন কাল থেকেই যে এক শ্রেণীর মানুষের চোখে নারী পুরুষের সমানাধিকারের রেওয়াজ ছিল তার পৌড়াষ্টমীই প্রমান দেয়।

প্রথম সন্তান এবং অষ্টম সন্তানকে 'প্রৌঢ়' বা 'পুঁড়া' বলে ভাবা হয়। তাই একে 'প্রৌঢ়াষ্টমী'ও বলে। প্রথম সন্তানের জন্মের পাঁচবছর পূরণ হলে তাঁকে 'পুঁড়া বসানোর' আওতায় আনা হয়। প্রধানত বিজোড় সংখ্যক ৫, ৭, ৯, ১১ তম বছরে পুঁড়া বসানো হয়ে থাকে। বাড়ির উঠোনে তুলসীমঞ্চের কাছকাছি জায়গায় মায়েরা কলাপাতার উপর বিরি কলাই বেটে বড়ি দেন সন্তানের মঙ্গলকামনায়। যাঁদের অষ্টমী পালিত হয়, তাঁরা এদিন সকালে ঘি, কাঁচা হলুদ বাটা ও গঁধাউলার (আবাটা) মিশ্রণ মেখে স্নান করেন। এরপর নতুন পোশাক, নতুন রেশম বা ঘুনসী পরে কোমরে। একে বলা হয় পোঁনচি বা পৌঁচি।

কোথাও কোথাও পুঁড়া বসানোর কাজ করেন দাদু বা দিদিমা। এনাদের অবর্তমানে বাবা, মা কিংবা পরিবারের পূজক তা করেন। পঁঢ়ুয়ার কপালে চন্দনের ফোঁটা দেন মা সহ বড়রা। বেনে দোকান থেকে আনা চন্দনের মতো বিশেষ 'চুয়া' টিকা হিসেবে পরানো হয়। মাথায় ধান, দুর্বা ছড়িয়ে আশীর্বাদ করেন। সেসময় শাঁখ বাজাতে হয়। উলুধ্বনিও দেওয়া হয়। মাথায় এবং গলায় পরানো হয় গাঁদা ফুলের মালা। আর 'আউলা' নামে এক ধরনের তরল পদার্থ ছড়ানো হয় পঁঢ়ুয়া সহ ঠাকুরের গায়ে।

পঁঢ়ুয়া অষ্টমীতে মামাবাড়ি থেকে আসে নতুন পোশাক। সেইসাথে ধান, দুর্বা, ফুল, চন্দন, মিষ্টিও আসে। নিজের বাড়িতেও কেনা হয় নতুন জামাকাপড়। বাড়ির বিবাহিত পঁঢ়ুয়া ছেলে বা বাড়ির বৌদের মধ্যে কেউ পঁঢ়ু়য়া থাকলে তাঁরও পঁঢ়ুয়া অষ্টমী পালিত হয়। তবে বিয়ের পর মামাবাড়ি থেকে নতুন জামাকাপড় আসাটা বাধ‍্যতামূলক থাকেনা। এক্ষেত্রে বিবাহিত ছেলেদের শ্বশুরবাড়ি আর বিবাহিত মহিলাদের বাপের বাড়ি থেকে নতুন জামাকাপড় আসে। তবে কারো কারো তখনও মামাবাড়ি থেকে আসে। সেইসাথে নিজের বাড়িতে কেনা পোশাকও থাকে। এদিন বাড়িতে বানানো হয় আরসা পিঠা, ক্ষীর, মিষ্টি, পায়েস, গুড় পিঠা, এরসা পিঠা, গড়গড়্যা পিঠা, পোলাও সহ নানা ধরনের আমিষ নিরামিষ পদ। এছাড়াও পুনকা শাক পোড়া, বেগুনপোড়া দেওয়া হয় সন্তানের মঙ্গলের জন্য। পাকা কলা, নারকেল, চিনি, আটা এবং ঘি দিয়ে তৈরি আরসা পিঠে তুলসি মন্দিরে দেওয়ার চল আছে।

যাঁদের পঁঢ়ুয়া অষ্টমী পালিত হয়, তাঁদের এদিন গরম ভাত, পানতা ভাত, ভুজা বা মুড়ি খাওয়া চলেনা। তবে চিঁড়ে কিংবা দুধ খাওয়া যায়। পুঁড়া বসার আগে পর্যন্ত তাঁদের না খেয়েই থাকতে হয়। এছাড়া কেউ কেউ সরাসরি মামাবাড়িতে গিয়েও পোড়া অষ্টমী পালন করে থাকে। একসময় এইদিন সন্তানের হাত ধোয়ার জন্য জলের পরিবর্তে দুধ দেওয়া হতো। এখন অবশ্য দুধ এভাবে দেওয়া হয়না হাত ধোওয়ার জন্য। বরং এই রীতিটি টিকিয়ে রাখতে হাত ধোওয়ার জলের সঙ্গে কিছুটা দুধ মেশানো হয়।

পোড়া অষ্টমী'র পূজার জন্য দুখানা পিঁড়ি নিতে হয়। আল্পনা দেওয়া একটি পিঁড়িতে হলুদ গাছের পাতা বিছিয়ে তার উপর এঁড়ে গরুর গোবর দিয়ে তৈরি ছোট ছোট লেছির মতো (নাড়ু) 'উখুল' দেওয়া হয়। এগুলি আসলে গোবর্ধন ঠাকুর। সেখানে ঠাকুরের ৭ টি এবং ঠাকুরাণীর ৯ টি 'উখুল' রাখা হয় পিঁড়িতে। এবার অন্য একটি পিঁড়িতে পুঁড়া বা পঁঢ়ুয়াদের জন্য 'উখুল' দিতে হবে। এক্ষেত্রে ছেলেদের জন্য ৯ টি এবং মেয়েদের জন্য ৭ টি 'উখুল' দিতে হয়। যদি ঐ পরিবারে একের অধিক পঁঢ়ুয়া থাকে, তবে সেই গুণিতকে 'উখুল' দিতে হবে। গোবরের উখুলের উপর রোপণ করা হয় ধানের শিষ এবং দূর্বা। আর ছড়ানো হয় কুলের পাতা এবং মুলোর চারা।

পিঁড়িগুলিতে সুন্দর করে সাজানো হয় নতুন ধানের শিষ, কাঁচা হলুদ, সিঁদুর, দূর্বা, গাঁদাফুল, কুলপাতা এবং চালবাটা দিয়ে। একটি ঘট বসানো হয়। পাশে থাকে কূলদেবতা। এই উপলক্ষে পুজো করা হয় পঞ্চ দেবদেবী গণেশ, সূর্য, শিব, বিষ্ণু এবং দেবী দুর্গার। সবশেষে সন্তানের মঙ্গল কামনায় পুজিত হন ষষ্ঠীদেবী। এবার নতুন জামা কাপড় ও ঘটে ছুঁইয়ে তা পরানো হয় পঁঢ়ুয়াদের। এবার পরিবারের বড়রা ধান দূর্বা মাথায় দিয়ে আশীর্বাদ করেন। একটা বরণডালা সাজিয়ে তা দিয়ে বরণ করা হয়। অনেকটা ঠিক ভাইফোঁটা বা জামাইষষ্ঠীর মতো। ঝাড়গ্রামের গবেষক ড. মধুপ দে জানান, বাড়িতে তাঁর জন্মদিন পালন হয়না কখনো। বরং এই পঁঢ়ুয়া অষ্টমীই সেই খেদ মিটিয়ে দিত!

গবেষক এবং লেখক রামামৃত সিংহ মহাপাত্র বাঁকুড়ার উৎকলদের নিজস্ব এই উৎসবের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন, "সমীক্ষায় উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী বাঁকুড়া জেলার প্রায় ৩০৫ টি গ্রামে, পুরুলিয়া জেলার প্রায় ৭৪ টি গ্রামে এই উৎকল ব্রাহ্মণ শ্রেণীর বাস রয়েছে। সিমলাপাল এঁদের মূল পদবিগুলি হলো - সৎপথী, মিশ্র, পণ্ডা, পতি, সিংহ মহাপাত্র, সিংহ বাবু, ষন্নিগ্রাহী, মোহান্তী,‌ পাঠক, হোতা, নায়ক, নাথ, দন্ডপাট, পাইন, পাত্র, সুবুদ্ধি, প্রহরাজ, কর, ত্রিপাঠী প্রমুখ। এই শ্রেণীর ব্রাহ্মণেরা মূলতঃ যজুর্বেদীয়। উৎকল ব্রাহ্মণ প্রধান গ্রামগুলিতে পুঁড়া পরব সাড়ম্বরে পালিত হয়"। যদিও অন্যান্য জেলায় এটি আর কেবল ব্রাম্ভণদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।

পশ্চিম মেদিনীপুরের শিক্ষক এবং লোকসংস্কৃতির রক্ষক সুদীপ কুমার খাঁড়ার পৌড়াষ্টমীর স্মৃতি এখনও উজ্জল। তিনি বর্ণনা দিয়েছেন, "আমাদের তিন ভাইবোনের মধ্যে দিদি বড়। নিজের অষ্টমী না থাকলেও​ ছোট বেলায় এদিন সকাল থেকে রাস্তার ধারে 'দাঁড়দুয়ারে' (সদর দরজা) অপেক্ষা করতাম মামা কখন আসবেন। সেই সময়ের সহজলভ্য সবচেয়ে দ্রুততম যান সাইকেলে​ অন‍্য কারো মামা রাস্তা দিয়ে পেরোলেই, মোবাইলহীন সেই যুগে, রান্নাঘরে মায়ের কাছে ছুটে গিয়ে অনুযোগ করতাম 'মোর মামা কতবা আসবেন'? বড়দি নতুন জামাকাপড় পরতেন, আর আমি ও ছোটদি ভাগ বসাতাম মামাঘর থেকে আসা মন্ডামিঠাইতে। এখন আমাদের পরিবারে আমার স্ত্রী ও আমার কন‍্যার অষ্টমী হয়"। তেমনি আরেক শিক্ষক এবং লেখক মনিকাঞ্চন রায়ের আবেগঘন বক্তব্য, "এই দিনটি আমার কাছে সত্যি স্পেশাল। এমনকি জন্মদিনের চেয়েও। সবার তো জন্মদিন হয়, কিন্তু 'পড়ুয়াঅষ্টমী' হয় কতজনের? আজকে আমি শহরের বাসিন্দা হয়ে অনেকটাই আপ্লুত। এখনো আমাদের ঘরে সকাল সকাল এই আয়োজনে হয়তো সেই রীতি নেই। কিছুটা পরিবর্ত হয়েছে। কিন্তু সকাল সকাল এভাবে মিসেস এর আয়োজন, মায়ের আনন্দঘেরা অশ্রু আমাকেও কাঁদিয়ে দিল। ফিরে গেলাম পুরোনো দিনগুলোতে। নতুন প্রজন্মকে এই সংস্কৃতিতে আবদ্ধ করলাম। মেয়ের পড়ুয়া অষ্টমী সেরে এ যেন এক অনন্য  স্মৃতি। জানি না আগামীদিনে আর এই দিন আবার আসবে কিনা। জানিনা মায়ের মুখের 'বাবু' ডাক আর কোনদিন শুনতে পাবো কিনা। সবকিছু চাওয়া পাওয়ার মাঝে থাকলো আজকের এই পড়ুয়া অষ্টমীপুজো"।

পেজে লাইক দিন👇

Comments

  1. চমৎকার। ঝরঝরে গদ্যে একটি লৌকিক আচার অনুষ্ঠান সম্পর্কে জানতে পারলাম।এ অনুষ্ঠান আমাদের বর্ধমানে হয় না। অবশ্য উৎকল প্রদেশীয় মানুষজন আছেন। হয়তো তাঁদের পরিবারের অভ্যন্তরে এই সুন্দর অনুষ্ঠান হয়ে থাকে।

    ReplyDelete

Post a Comment

Trending Posts

ড. সুকুমার মাইতি (গবেষক, শিক্ষক, প্রত্ন সংগ্রাহক, খড়গপুর)/ভাস্করব্রত পতি

‘পথের পাঁচালী’ এবং সত্যজিৎ রায় : একটি আলোচনা/কোয়েলিয়া বিশ্বাস

রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি পরিষদ (NAAC) এর মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি: উদ্দেশ্য ও প্রস্তুতি - কলেজ ভিত্তিক অভিজ্ঞতা /সজল কুমার মাইতি

প্রাচীন বাংলার জনপদ /প্রসূন কাঞ্জিলাল

খাঁদারাণী, তালবেড়িয়া, মুকুটমণিপুর ড্যামের নির্জনতা ও 'পোড়া' পাহাড়ের গা ছমছমে গুহা /সূর্যকান্ত মাহাতো

বাংলা ব্যাকরণ ও বিতর্কপর্ব ১৮/অসীম ভুঁইয়া

ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা ১১০

সুন্দরবনের উপর গুচ্ছ কবিতা/ওয়াহিদা খাতুন