উত্তীয় ভট্টাচার্য
' বুড়ো' ঘড়িটার ঢং ঢং শব্দের
মাঝে 'খিট খিটে' চৌকিদারটার ' কর্কশ ' গলার আওয়াজ,
'শ্যাওলা ' পড়া শুকনো তেঁতুল গাছের ওপর বসে থাকা 'কাল ' পেঁচার ডাক শুনে বুনো ইঁদুরের ছুটোছুটি,
আর ওই ' বুড়ো ' চৌকিদারটার পোষা কুকুরটার 'খেঁক ', ' খেঁক ' ডাক।
এখন রাত বারোটা।
ফুট ফুটে জোৎস্নার আলোক চন্দ্রিমার মাঝে,
'মেঘে ঢাকা তারা ',
' উষ্ণ ' বাতাসের দখিনা হাওয়া,
' কিছু একটা ' বলে যাচ্ছে।
এটা চৌরঙ্গী স্কোয়ার।
দক্ষিণ শহরতলীর আর পাঁচটা আকাশ চুম্বি অট্টালিকার একটি ছোট্ট মেয়ে তিয়াশা ও তার গল্প।
' কৈশোরের চৌকাট ' ডিঙ্গিয়ে
এখন যৌবনের আঙিনায়।
কোন অজানা শিল্পীর
কলমখচিত শিল্পের ছোয়া,
চোখে বর্ষার জমা কালো গাঢ়
মেঘের থেকে নেওয়া কালো রঙের টান,
আর মনে যেন কোন অজানা
নদির মোহনায় এসে থমকে যাওয়া বিরহের না বলতে পারা কথা।
মনের গভীরে তখন নাড়া
দিয়ে গেছে কোনো
এক ' অজানা রাজকুমারের,
পক্ষীরাজ ঘোড়ার ',
' ঝট পট ' ডানার আওয়াজ।
' অতন্দ্র প্রহরীর ' ফসকে যাওয়া,
নজর এড়িয়ে তিয়াশার নরম,
গোলাপি ভেলভেটে মোড়া পা
এখন শক্ত,শিশির ভেজা সবুজ ঘাসের উপর।
🍂
আলো আঁধারির জ্যোৎস্নায়,
পাইন গাছ বেয়ে ওঠা মাধবী লতার ফাঁক দিয়ে গোলে আসা আলো,
ধোয়াটে কুয়াশার হালকা ঘোলাটে স্তর,
আর দুর থেকে শুনতে পাওয়া,হালকা হয়ে আসা হায়নার ডাক।
' যৌবন চঞ্চলা ' ঈপ্সিতা ' তিয়াশা ' এখন এক অজানা বিন্দুতে।
পাহাড়ের উল্টো দিকথেকে ভেসে আসা ' পৌষালী ' বাঁশির সুর,
তিয়াশার ছোট্ট মনে দাগ কেটে গেলো।
জোনাকির জ্বলা নেভা সবুজ ঝিকিমিকির মাঝে,
শাল গাছের কুঠুরিতে, শকুনের বাচ্চার ডাক,
আর ছোট্ট তিয়াশার সেই,
অজানা পথে এগিয়ে যাওয়া।
এই অজানা বাঁশিওয়ালাই কি
তিয়াশার সেই অজানা রাজকুমার নাকি অন্য কেউ?
' মিষ্টি ' বাঁশির সুর,কেমন যেনো তিয়াশার মনে হালকা ডাক দিয়ে গেলো।
পাহাড়ের শেষ প্রান্তে হঠাৎ
তিয়াশার নজরে পড়ে একটা
' ছোট্ট কুঁড়ে ঘর '।
বিস্তৃত ফাঁকা আকাশের নিচে,
পরমা সুন্দরি ' শাশ্বতী প্রকৃতি '
আনমনা তিয়াশার ' নরম ',
ভেলভেটে মোড়া পা,আবার এখন সেই শক্ত মাটিতে।
এরপর কুঁড়েঘরের ' শক্ত ' দরজায়,
তিয়াশার নরম হাতের হালকা
ছোয়া,
2 Comments
An interpretation of coleridge's poem Christabel
ReplyDeleteVery nice story. It resembles the old goosebumps poems.
ReplyDelete