সোয়াইপস্বাহা
মদের মায়া ম্লান হলে মন হয় মেগা-ক্লিয়ার,
লো কী লজ্জা লাগে, হাই কী হ্যাংওভার ফিয়ার।
তখন আত্মা বলে, “ডিটক্স কর, ডিয়ার,”
দেহ বলে, “ডিএম স্লাইড, কাম হিয়ার।”
স্ক্রল-সংসার সাস্, সবই স্মোক অ্যান্ড মিরর,
রিল-রতি রসিকতা—রিয়ালিটি ইজ রেয়ার।
ওঁ ডোপামিনায় নমঃ, সোয়াইপস্বাহা ধীর,
ওঁ নেটনাড়িনাশায়, ফ্লাইটমোড স্থির।
ফোন ফেলে ফজরের ফুরফুরে ফিল,
ফর রিয়েল শান্তি, নো ভাইরাল থ্রিল।
তবু সেক্সটিং-স্রোত বলে, “ইটস গিভিং ফায়ার,”
ইমোজি-ইন্দ্রিয় জ্বলে, ডিজায়ার গোজ হায়ার।
কিন্তু স্ক্রিনশট-সংসার করে চুপচাপ স্টেয়ার,
লো কী লালসা লিক হলে লেগে যাবে স্কেয়ার।
ওঁ গোপনীয়তায় গুপ্তায়, লজ্জা লেয়ার বাই লেয়ার,
ওঁ লগআউটায় লীনায়, মুক্তির এয়ার।
বেছে নিলে বিরতি, হবে বুদ্ধি ব্রাইটার,
বেছে নেবে বিলাস, ভাইব গোজ লাইটার।
লাইফ ইজ লিমিনাল, কিছুই না ফেয়ার,
তবু সবকিছু স্ক্রিনশটেবল—সো হ্যান্ডল উইথ কেয়ার।
গ্যাসলাইটগাথা
চৌসার চৌবাচ্চায়
চুপচাপ
চৌবের চুবানো চেয়ার।
চেয়ারে বসে
চৌবে ভাবছে—
শেরশাহ কি সত্যিই জিতেছিল,
না কি এটা কেবল
ইতিহাসের
ইনস্ট্যাফিল্টার?
ডেল্যুলু সে—
দূর থেকে দেখছে
দিগন্তে দাউদাউ ধোঁয়া,
কিন্তু মনে মনে
লিখছে প্রেমপত্র,
—প্রিয় ইতিহাস,
তুমি সবসময়ই
আমাকে
গ্যাসলাইট করো।
অস্ত্রের আওয়াজে
অনুপ্রাস
অট্টহাসি—
হাহাকার,
হাহা,
হাহুতাশ—
যুদ্ধ মানেই
জিত
বা
হার নয়,
বরং
মুঠোভর্তি মিম
আর
হারানো মুঘল মোজা।
চৌসার নদীঢেউ ডাকে—
আরে চৌবে!
তুই ডেল্যুলু বটে,
কিন্তু
তোর দিবাস্বপ্নেই
ইতিহাসের
আসল
পাণ্ডুলিপি।
হনুলুলুতে ডেল্যুলু
হনুলুলুর হাহাকারী হাওয়ায় হঠাৎ আমি হেঁটে যাই—
হাওয়াই শার্ট পরে, হাতে নারকেলখোসায় ককটেল,
আর মনে মনে ভাবি—
এই যে সমুদ্র, এই যে সূর্যাস্ত,
এগুলো কি সত্যিই আমার জন্য,
না কি অ্যালগরিদমের আতিশয্য?
নীল নোনাধোয়া নিঃশ্বাসে নরম নাচন তোলে,
হাওয়ার হরেক হালচাল, হৃদয়ের হুলুস্থুল হাহাকার।
ডেল্যুলু—দিগন্তের দোলাচলে ডুবে থাকা দিনের দোলনা,
দৃশ্যের দাহে, দেহের দোলায়, দ্বীপের দিশাহারা দৃষ্টি।
ডেল্যুলু আমি—
ভাবছি ওই সার্ফিং করা ছেলেটা
আসলে সমুদ্রের সুরকার,
আর ওই সানট্যান করা মেয়েটা
শুধু সূর্যকে রোদ-ভাড়া দেয়।
সবকিছু যেন
অবাস্তবের আড়ম্বর—
নীল-নোনা-নিঃসঙ্গতা,
হাসি-হাহা-হাওয়াইয়ান পিজ্জা,
ভালোবাসা—ভাগ্য—ভেলকি।
ওয়াইকিকির ওষ্ঠে ওড়ে অচেনা আলো,
অপরূপ অঙ্গার আঁকড়ে আঁধার অতিক্রম করে।
স্বপ্ন সুদূর সমুদ্রের সমীকরণে
সুদীর্ঘ সমর্পণ—স্রোতসঙ্গীত।
হনুলুলুতে আমি—ডেল্যুলু, দুঃস্বপ্নের দর্পণে দীপ্তিমান দিবাস্বপ্নালু।
পৃথিবীর শেষ উত্তরদক্ষিণপূর্বপশ্চিমঈশাননৈর্ঋতাধুনিক কবিতা
উত্তরাধুনিকতার উত্তর এখন নিঃশেষ—ফিনিশ, বলে ফাঁপা ফোরাম;
দিগ্দিগন্তে দিক্দর্শন দুলছে—দক্ষিণ ধ্বনি, পূর্ব প্রজ্বলন, পশ্চিম প্রসার, ঈশান ইন্দ্রিয়, নৈর্ঋত নাড়ির নকশা।
টাবুলা রাসার রেশ রিলিভ নয়; রক্তমাংসে রুটেড রচনা—সংস্কৃত স্বরে স্বয়ংসম্পূর্ণ স্বরাজ।
উত্তর ছিল ইউটোপিক ইউআই; এখন উপকূল উপত্যকা উপভাষা—ইটস গিভিং গ্রাউন্ডেড গ্রিট।
কার্পে ডিয়েম ক্যানসেল কর, বন্ধু; কেবল দিবস নয়, দিগন্ত দখল—নো ক্যাপ।
আরব আওয়াজে ইকরা—পড়, কিন্তু প্রান্তের প্রার্থনা; উম্মাহ এখন মানচিত্রের বাইরে মাইক্রো-মহাদেশ।
পশ্চিমের পিক্সেল-প্যারাডাইম পুড়ুক; পূর্বের প্রজ্ঞা পপ-আপ; দক্ষিণের দ্রাবিড় ধ্বনি ড্রপ দ্য বিট।
ঈশান কোণে ইন্দ্রের ইন্টারফেস; নৈর্ঋত নীচু নয়, নব্য নেক্সাস—ভক্স পপুলি বনাম ভ্যাকুয়াম।
সত্যম শিবম সুন্দরম স্ক্রলে স্লাইড কোরো না;
সাউথ স্কাল্পট, ইস্ট ইগ্নাইট—সারিয়াল কিন্তু সলিড।
উত্তরাধুনিকতা আপলোডেড আর্কাইভ; এখন বহুদিক-বহুভাষা বহ্নি—এরগো আমরা লিখি ল্যাটিচিউড-লংগিচিউড লিরিক, দিক্চক্রে দিগ্বিজয়।
🍂
5 Comments
কায়দামে ফায়দা শব্দের রায়তা
ReplyDeleteসেটা তো খুব সচেতন মনে হচ্ছে।
DeleteInnovative
ReplyDeleteকী innovation?
ReplyDeleteফিডব্যাকস্বাহা
ReplyDeleteশব্দগুলো স্ক্রলে জ্বলে—নিয়ন নির্বাণ,
মস্তিষ্ক বলে, “মাইন্ড-ব্লোন,” হৃদয় বলে, “কিছুটা আনফাউন্ড।”
অনুপ্রাসের অ্যালগরিদমে aesthetic awake,
কিন্তু ব্যথার ব্যাকআপ ফোল্ডার থাকে হাফ-শেক।
ওঁ বুদ্ধিদীপ্তায় নমঃ—বাক্য বাইট-সাইজ ব্রিলিয়ান্ট,
ওঁ অনুভূতিনাশায় স্বাহা—সোল সামটাইমস সাইলেন্ট।
তবু এই লিরিক-লগইন, লিমিনাল লাইট,
future archive-এ থাকবে—“seen,” maybe “felt,” not fully “lived”—quite.