(অন্তিম পর্ব /৩৮ কবি নজরুলের বুলবুল )
চিত্রা ভট্টাচার্য্য
'' জীবন আমার যত দুঃখময়ই হোক, আনন্দের গান- বেদনার গান গেয়ে যাব আমি। দিয়ে যাব নিজেকে নিঃশেষ করে সকলের মাঝে বিলিয়ে। সকলের বাঁচার মাঝে থাকবো আমি বেঁচে। এই আমার ব্রত, এই আমার সাধনা, এই আমার তপস্যা। রবীন্দ্রনাথ আমায় প্রায়ই বলতেন,"দ্যাখ উন্মাদ, তোর জীবনে শেলীর মত, কীটসের মত খুব বড় একটা ট্র্যাজেডি আছে, তুই প্রস্তুত হ'।" জীবনে সেই ট্র্যাজেডি দেখবার জন্য আমি কতদিন অকারণে অন্যের জীবনকে অশ্রুর বর্ষায় আচ্ছন্ন করে দিয়েছি। কিন্তু, আমারই জীবন রয়ে গেল বিশুষ্ক মরুভূমির মত দগ্ধ। মেঘের উর্ধ্বে শূণ্যের মত কেবল হাসি, কেবল গান, কেবল বিদ্রোহ। আমার বেশ মনে পড়ছে। একদিন আমার জীবনের মহা অনুভূতির কথা। আমার ছেলে মারা গেছে। আমার মন তীব্র পুত্রশোকে যখন ভেঙে পড়ছে ঠিক সেই দিনই সেই সময় আমার বাড়িতে হাস্নাহেনা ফুটেছে। আমি প্রানভরে সেই হাস্নাহেনার গন্ধ উপভোগ করেছিলাম। ''
শুধুই কবি বা সংগীতজ্ঞ নন কাজী নজরুল ছিলেন স্বয়ং সম্পূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান। তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে বাল্যকাল থেকে শুরু করে মৃত্যুর দিন পর্যন্ত প্রতিটি বাঁকে পরতে পরতে লুকিয়ে আছে তাঁর জীবনের সীমাহীন দুঃখ আর বঞ্চনার মর্মান্তিক ইতিহাস--যেন ট্র্যাজেডির এক একটি অংক। দৃশ্যান্তর ঘটেছে বাল্যকাল থেকে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে।
এক সুরেলা মিষ্টি পাখি বুলবুলের নামে কবি তার চার বছরের প্ৰিয় পুত্রকে বুলবুল বলে ডাকতেন। সে যে জন্ম থেকেই ছিল এক বিস্ময়কর প্রতিভার ধারক ,কবির শেখানো গজল গানটি কচি কণ্ঠে অত্যন্ত সুমিষ্টি সুরে অবিকল গাইতে পারতো। অসামান্য মেধাবী শিশু বুলবুল যে কবির যোগ্য উত্তরসূরি সবাই দৃঢ় বিশ্বাস করতেন । পুত্রের সুমধুর কণ্ঠে সঙ্গীত শুনে মুগ্ধ হতেন কবি । কিন্তু মাত্র সাড়েচার বছর বয়সে দূরারোগ্য বসন্ত রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ প্ৰিয় পুত্র টি মারা গেলে মরমী কবি তখন শোকে পাথর।🍂
সারা জীবন ধরে অজস্র অসহনীয় দুঃখ জ্বালায় কবি দগ্ধ হলেও শিশু পুত্রের অসময়ে এমন ফাঁকি দিয়ে চলে যাওয়া তাঁর কাছে অকল্পনীয় আঘাতসম লেগেছিল। পুত্রশোকের এমন হৃদয়স্পর্শী ঘট্নায় তাঁর পিতৃহৃদয় দুমড়ে মুচড়ে শেষ হয়েগেলো। এ বিয়োগ ব্যথা যেন কবি জীবনে এক প্রলয়ঙ্কর ঝড়ের তান্ডব। নিমেষে ধ্বংস হলো শিল্পী কবির আগামী সুখের সোনালী স্বপ্ন।
দিনটি ছিল ১৯৩০ সালের ৭ মে। নজরুলের ত্রুটিহীন যত্ন, সেবা ও চিকিৎসাকে ব্যর্থ করে বসন্ত রোগের অসহনীয় জ্বালা যন্ত্রনা সহ্য করে ও অবশেষে বুলবুল পাড়ি দিলো অনন্ত লোকে। প্রবল পুত্রশোকে বিহ্বল কবি গভীরভাবে আধ্যাত্মিক সাধনায় মনোনিবেশ করলেন এবং দীক্ষা ও নিলেন।পুত্রের রোগশয্যার পাশে বসেই কবি মূল ফারসি থেকে রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন এবং এই কাব্যগ্রন্থ টি আদরের বুলবুলের নামে উৎসর্গ করেছিলেন।
ভালোবাসায় পরিপূর্ণ, সঙ্গীত-সাহিত্যের আবেশে মোড়ানো ঘরে বুলবুলের জন্ম । কবির প্রথম পুত্র কৃষ্ণমোহম্মদের জন্মের অল্পকাল পরেই মৃত্যু ঘটলে নজরুল ও প্রমিলা দেবীর কোলআলো করে এসেছিল তাঁদের দ্বিতীয় সন্তান বুলবুল, বাৎসল্য রসে ভরা ভালোবাসার ধন ও স্বপ্নের কেন্দ্রবিন্দু ঐ সন্তান । কিন্তু কবির জীবনে সে সুখ বেশীদিন স্থায়ী হলোনা। কঠিন বসন্ত রোগ মাত্র সাড়েচার বছর বয়সেই বুলবুল কে কেড়ে নিলে মাতৃক্রোড় শূণ্য করে সে পৃথিবী থেকে বিদায় নিলো। তবে তার মৃত্যুর সময় নজরুলের তৃতীয় পুত্র সাব্যসাচীর তখন মাত্র পাঁচ মাস বয়স। পুত্রের এই মৃত্যুতে গভীর শোকাহত হলেন কবি। এক অপ্রত্যাশিত ঝড়ের তান্ডবের মত আঘাতে প্রত্যাঘাতে তাঁর জীবন যৌবন লন্ডভন্ড হয়ে গেল।
নজরুল গবেষক দের আলোচনা থেকে জানা যায় ,' প্রচন্ড আর্থিক অস্বচ্ছলতা সত্ত্বেও কবি যথাসাধ্য চেষ্টায় ওষুধ-পথ্যের জোগারে কোনো ত্রুটি করেন নি। কিন্তু তবুও কোনো লাভ হলো না। বসন্ত রোগের দাপটে বুলবুলকে আর চেনা যায় না। তার একটি চোখও আক্রান্ত , প্রায় অন্ধ বুলবুলের পাশেই সারাদিন বসে থাকেন কবি, যদি অলৌকিক কিছু ঘটে এই আশায়।
কবি খবর পেলেন কোথায় এক সাধুর কাছে নাকি সব রোগের ওষুধ আছে। সহচর মঈনুদ্দিনকে পাঠালেন ঐ সাধুকে নিয়ে আসার জন্য।কিন্তু দুর্ভাগ্য, ঐ সাধুকে পাওয়া গেলো না। বিফল মঈনউদ্দিন ভারী পায়ে এসে দাঁড়ালেন নজরুলের বাড়ির উঠানে। তাঁকে দেখে ছুটে আসলেন কবি। জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে বলতে লাগলেন, ‘আচ্ছা, বলতে পারিস, সাধু মরা দেহে প্রাণ ফিরিয়ে আনতে পারেন কি না? বল্–বল্, তিনি কি মরা দেহে প্রাণ দিতে পারেন ?’মঈনউদ্দিন যা বুঝার বুঝে গেলেন। বুলবুল আর নেই!''
শিশু পুত্র বুলবুলকে বাঁচানোর জন্য কবি পাগল প্রায় ,মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। তৎকালীন বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সেখবর না না ভাবে প্রকাশিত হয়েছিল।
''এই মৃত্যু নজরুলকে ভীষণভাবে ভেঙে দিয়েছিল। পিতা হিসেবে যে সন্তানের মধ্যে তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন, তাকে এত তাড়াতাড়ি হারানো ছিল এক গভীর মানসিক আঘাত। দাফনের খরচ ব্যয় জন্য ততক্ষণাৎ লেখা : এই বেদনাদায়ক ঘটনার সময় নজরুল চরম আর্থিক সংকটে ছিলেন। স্বনামধন্য কবি হয়েও তাঁর জীবন ছিল আর্থিক দিক থেকে অনিশ্চয়তায় পরিপূর্ণ। সন্তানের শেষকৃত্যের খরচ জোগাড় করতেও তিনি হিমশিম খাচ্ছিলেন। এই চরম দুঃসময়ে, পিতৃত্বের যন্ত্রণাকে কলমে ঢেলে দিয়ে, নজরুল একটি শোকগাথা লিখেছিলেন — সঙ্গে সঙ্গে, শুধুমাত্র একটি সংবাদপত্রের সম্পাদকের অনুরোধে — যেন সেই অর্থ দিয়ে বুলবুলের দাফন কার্য সম্পন্ন করা যায়। এটি ছিল এমন এক মুহূর্ত, যেখানে অসহায় একজন পিতা তাঁর সন্তানের মৃত্যুশোককে বিক্রি করতে বাধ্য হন, শুধুমাত্র তার অন্তিম সৎকারের ব্যবস্থা করতে। ''
''ছোট্ট বুলবুল মোটরগাড়ি খুব পছন্দ করতো। গাড়ির আওয়াজ শুনলেই সে ঘর থেকে বাইরে দৌড় দিতো।পুত্রশোকে কাতর পিতা পুত্র বুলবুলকে শেষবারের মতো গাড়িতে চড়ালেন। একটা গাড়িতে করে তাঁকে দফন করতে নিয়ে গেলেন কবরে।''
বুলবুলের মৃত্যুর পর নজরুলের কবিতায় এক নতুন আবেগের প্রবাহ শুরু হয়। যাঁর কলম এতদিন ছিল প্রতিবাদ মুখর ,অন্যায় ভ্রষ্টাচারের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণায় সোচ্চার , বিদ্রোহের অগ্নিশিখা ঝরে পড়ে যাঁর প্রতিটি বক্তব্যে , বিষাদের করুণ সুর বাজতে থাকে তাঁর ভাষায় কাব্যে লেখনীতে । বহু কবিতায় দেখা যায় জীবনের অনিত্যতা, স্মৃতির ব্যথা, আর সব হারানোর গহীন আর্তি।শোকের প্রতিধ্বনির কান্নাভেজা প্রকাশ পেলাম ,যখন তিনি লিখলেন:
“বুলবুল আমার, চির নেই তুমি,
সে যে আলো ছিল, ছিল ভোরের ঝিলমিল
— সে তো গেল মিটিয়ে, বিদায় হলো নির্ঝর…”
এই পংক্তিগুলো যেন একজন শোকাহত পিতার হাহাকার — শিশুর সেই হাসি, সেই কণ্ঠস্বর, সেই স্পন্দন আজ নেই, আর কখনও তো সে ফিরে আসবে না।প্রাণাধিক প্রিয় পুত্রকে হারিয়ে কবির বাকি জীবন হয়ে উঠে দুর্বিষহ বেদনার অশ্রুগাথা ।
'' প্রিয় বুলবুলের সাথে আর কখনও তাঁর দেখা হবে না, এই সত্য তিনি মেনে নিতে পারেননি। কবি আধ্যাত্মিকতার দিকে ঝুঁকে পড়েন। কথিত আছে, কবি প্ল্যানচেটেরও আশ্রয়ও নিয়েছিলেন। একটাবার যদি প্রিয় বুলবুলের দেখা পাওয়া যায়। একটা বার... একটা বার."..
সন্তান হারা পিতার প্রবল আকুতি নিয়ে কবি লিখলেন --
'তুই ফিরে এলে, ওরে চঞ্চল
আবার ফুটিবে বন ফুল–দল
ধূসর আকাশ হইবে সুনীল তোর চোখের চাওয়ায়।''
"বুলবুল আর ফেরেনি। তার চোখের চাওয়ায় ধূসর আকাশ ও আর সুনীল হয়নি কখনো ।''
অনায়াসে যে কবি নিজেকে 'দাবানল-দাহ' দাবী করে অন্যায় মিথ্যাচারে ভরা পুরো বিশ্বকে দাহন করতে চাইলেন ,সেই অকুতোভয়ী সাহসী বীর সত্যের ধারক কবি নজরুল বাকী জীবন পুত্রশোকেই দগ্ধ হয়ে গেছেন। চির-দুরন্ত দুর্মদ কবি কাছের মানুষজন পেলেই জড়িয়ে ধরে কেঁদে বলতেন, 'আমার বুলবুলি উড়ে গেছে রে...'
কবির জীবনের এই চরম বেদনা দায়ক ঘটনা শুধু তাঁর পিতৃসত্ত্বাকেই নাড়িয়ে দেয় নি , বরং তাঁর সাহিত্যকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল।
আজ নজরুলের বুলবুল প্রসঙ্গে লিখতে বসে মনে পড়ছে ' নজরুল জীবনী'তে পড়া দুইটি বেদনাময় করুণ কাহিনি ...'' বুলবুলের অকাল প্রয়াণের পর থেকেই কবি শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল হতে শুরু করেন। যে মানুষটি বন্ধুদের আড্ডা মাতিয়ে রাখতো, সদা চঞ্চল সেই মানুষটি একদম বিমর্ষ হয়ে নির্জীব হয়ে গেলেন। পুত্রশোকাতুর হয়ে ক্রমশ নিজেই দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়া পর্যন্ত তার বিমর্ষতা কিছুতেই কাটলোনা।
বুলবুল যে রাতে মারা গিয়েছিল, সে রাতে কবি ছিলেন কপর্দক শূণ্য। অথচ কাফন,দাফন,গাড়িতে করে দেহ নেওয়া ও গোরস্থানে জমি কেনার জন্য দরকার লাগবে ১৫০ টাকা । কিন্তু সে সময়ের ১৫০ টাকা এত বেশী ! এই বিশাল অংকের টাকা তিনি কোথায় পাবেন ? বিভিন্ন লাইব্রেরীতে লোক পাঠানো হলো । শুধুমাত্র ডি. এম লাইব্রেরি থেকে ৩৫ টাকা ছাড়া আর কোথাও থেকে পাওনা টাকার যোগার হলোনা। ঘরে দেহ রেখে কবি গেলেন এক প্রকাশকের কাছে। প্রকাশক শর্ত দিল। 'এই মুহূর্তে কবিতা লিখে দিতে হবে। তারপর মিলবে টাকা। ' কবি মনের নীরব ব্যথা -সহস্র কান্না-যন্ত্রনারা ভাষা পেল , লিখে দিলেন কবিতায়... "ঘুমিয়ে গেছে শান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলি করুন চোখে চেয়ে আছে সাঁঝের ঝরা ফুলগুলি"।
পুত্র শোকে মুহ্যমান কবির কষ্টের দিনগুলো চলছে নিজের নিয়মে। এইসময় স্বদেশী বিপ্লবী দলের সাথে বিদ্রোহী কবি যুক্ত সন্দেহেশাসক দলের নির্দেশে তাঁর বাসায় "খানা তল্লাশীর " হুকুম এলো। সে তল্লাশী দলে "পঞ্চানন ঘোষাল ছিলেন কলকাতার তরুণ পুলিশ অফিসার যিনি কবি কে খুব ভালোবাসেন শ্রদ্ধা করতেন এবং তার সাথে নানা গল্প ও করেন। তিনি দায়িত্ব পেলেন গোয়েন্দা দলে এবং গোয়েন্দা দফতর পঞ্চানন ঘোষাল সহ কড়া নাড়ল কবির দরজায়।
কাজী নজরুল দরজা খুলেদিলেন এবং সঙ্গত কারণে এই তরুণ অফিসার এবং কবি দুজনই পরস্পরকে না চেনার ভান করে রইলেন। গোয়েন্দার দল কবির ঘরে সবকিছু তছনছ করে তল্লাশী চালাচ্ছে, কবিও তাদেরকে যথাসম্ভব সাহায্য করছেন । হঠাৎ ঘরের কোনে পরম যত্ন উঠিয়ে রাখা একটি বাক্সে নজর পড়ল তাদের। তারা সেটি খুলে দেখতে চাইল। ''কবি অসহায়ের মত দাঁড়িয়ে হাত বাড়িয়ে বলে উঠলেন, না না, ওটাতে হাত দিবেন না যেন।' কবির বিচলিত মুখভঙ্গি দেখে পুলিশদের সন্দেহ আরো তীব্র হল। তাদের একজন সজোরে সেটি খুলতেই বাক্সটি থেকে ঝরে পড়ল কিছূ খেলনা আর ছোট ছোট জামা কাপড় সহ বাচ্চাদের অন্যান্য সামগ্রী। এভাবে সেগুলো আছড়ে মাটিতে পড়তে দেখে কবির দু চোখ ভরে জলের ধারা ঝরঝর করে ঝরতে থাকে। তিনি কেঁদে ফেললেন সবার সামনে। এমন সুকঠিন মুখখানা তার ব্যথায় ও দুঃখে কালো হয়ে এল। এ খেলনা ও ব্যবহার্য সামগ্রীগুলো ছিল কবির আদরের সন্তান সেই ছোট্ট বুলবুলের। তার মৃত্যুর পর এসব বুকে জড়িয়ে কবি স্বান্ত্বণা খুঁজে পেতেন, কল্পনায় আদর আর চুমো পৌঁছে দিতেন যে চিরনিদ্রিত বুলবুলের নরম গাল টিতে ।''
সেই বাঙালী পুলিশ অফিসার পঞ্চানন ঘোষাল তার এক লেখায় অত্যন্ত দুঃখের সাথে স্বীয় জবানিতে নিজেকে অত্যন্ত ব্যর্থ ও লজ্জিত উল্লেখ করে লিখেছেন, 'এরপর কত মানুষের কত ঘর সার্চ করেছি, কিন্তু সেদিনের মতো এমন কষ্ট আর কোথাও পাইনি।'
ক্রমশঃ
তথ্য সূত্র :---১)নজরুল জীবনী / করুণা ময় গোস্বামী
২)নজরুল গবেষক ও অনুবাদক / পীযুষ ভট্টাচাৰ্য
৩)নজরুল-সঙ্গীত সংগ্রহ মালা
৪) নজরুল রচনাবলী, বাংলা একাডেমি।
৫) নজরুল / রফিকুল ইসলাম
৬)- নজরুল জীবনী, /অরুণকুমার বসু,( আনন্দ পাবলিশার্স)
৭)রবীন্দ্র নজরুল সঙ্গীত স্বরলিপি / (বিপ্রদাস ভট্টাচার্য্য)
0 Comments