শৈবাল কর্মকার
মূর্তি
রাস্তার মোড়ে মোড়ে
অনেক মূর্তি...
কারও নাক ভাঙ্গা কারও বা হাত
নগ্ন সবগুলো !
কারুকার্যে কাপড় পরানো
সমাজের চোখে সব লোক দেখানো-
বিশেষ দিনে তাজা ফুলের মালা,পুষ্পস্তবক
আরও কত কি !
ফুলগুলি একসময় সব শুকিয়ে যায়
গন্ধ যায় মরে,
মৃত দেহ, অদৃশ্য কাপড়, আবছা স্মৃতি
রয়ে যায় শুধু শুকনো ফুলের মরা গন্ধ আর
পাখির বিষ্ঠার সাদা ছাপ।
সেতু
বটের ঝুরি
রাস্তা ছুঁয়েছে...
ভালোবাসার অতীত উজ্জ্বল স্মৃতিগুলি
স্ট্যালাকটাইটের মতো আর
অভিমানগুলি স্ট্যালাগমাইট হয়ে
স্তম্ভ গড়েছে চুনাপাথরের গুহায়,
মৃত্যু আসবে...
অভিমান চাপা পড়বে
মৃতদেহের অস্থিমজ্জায়
নির্দোষ স্মৃতি থাকবে আজীবন
বটবৃক্ষের কোটরে ভালোবাসার ছায়ায়,
যোগাযোগ
তোমার আমার
জেগে ওঠা
সামুদ্রিক খিলান।
অবরুদ্ধ শৈশব
শৈশব থেকে কৈশোর
কিশোর থেকে বেড়ে উঠা পরিণত শহর
চেয়েছিল বাড়ির উঠান, খেলার মাঠকে
উঁচু উঁচু অট্টালিকার ব্যালকনিতে বন্দী করতে,
আমার আদি শহর তখনও জেগে থাকতো
একটা ল্যাম্প পোস্টে আর
জোনাকিরা ভিড় করতো অন্ধকার রাতে ;
বদ্ধ খাঁচায় বন্দী পাখি এখন খুঁজে বেড়ায়
শস্য ছড়ানো ছিটানো উঠোন আর
0 Comments