নোবেল ও অস্কার বিজয়ী জর্জ বার্নার্ড শ


স ন্দী প  কা ঞ্জি লা ল  

"Do not try to live forever. You will not succeed."--Bernard Shaw.
"পরিবর্তন ছাড়া উন্নতি সম্ভব নয় এবং যারা নিজেদের মনকে পাল্টাতে পারে না, তারা কোনো কিছুই বদলাতে পারে না"।--বার্নার্ড শ।


নোবেল ও অস্কার বিজয়ী জর্জ বার্নার্ড শ
(২৬/০৭/১৮৫৬--০২/১১/১৯৫০)
                              
মানুষ প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল! মানুষের বেঁচে থাকার যা কিছু মৌলিক উপাদান দরকার, তা সব কিছু নিচ্ছে প্রকৃতি থেকে। স্বাভাবিকভাবে এই নেওয়ার দায় থেকে জন্মায় কিছু ফিরিয়ে দেওয়ার। আর এই প্রত্যর্পণের ভিতর দিয়ে মানুষের প্রকাশ! কেউ কবিতা লেখে, ছবি আঁকে, গান বাঁধে, আবার কেউ তার নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতাকে ধারণায় আকার দিয়ে, পৃথিবীর সঙ্গে এক চিরকালীন সেতু নির্মাণ করেন। আর এই নির্মাণের মধ্য দিয়ে মানুষ পায়  মৃত্যুকে অতিক্রম করবার অনুভূতি। 
১৯২৫ সাল সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার ঘোষণা। প্রাপক পুরষ্কারের অর্থ গ্রহণ করতে রাজী নন। তিনি বলেন, আমি ডিনামাইট তৈরির জন্য আলফ্রেড নোবেলকে ক্ষমা করতে পারি, কিন্তু নোবেল পুরষ্কারের প্রবর্তনকারীকে ক্ষমা করতে পারি না, কারণ একমাত্র মানুষরুপী শয়তানই এমন পুরষ্কার প্রবর্তন করতে পারে। সুইডিশ রসায়ন বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল ডিনামাইট আবিষ্কারের পর "মৃত্যুর  সওদাগর" হিসেবে নিন্দিত হয়েছিলেন। 
এই কথাটা যিনি বললেন, তিনি বিশ্ববন্দিত নোবেল (১৯২৫) ও অস্কার (১৯৩৮) বিজেতা নাট্যকার "জর্জ বার্নার্ড শ"। নামটি মনে পড়লে, আজও কানে বাজে সেই বিখ্যাত 'Man and superman' নাটকের সংলাপ, "Beware of the man whose God is in the skies."। 'জর্জ বার্নার্ড শ' জন্মেছিলেন ২৬শে জুলাই ১৮৫৬। ডাবলিনের এক শিক্ষিত মধ্যবিত্ত পরিবারে। তাঁর পিতার নাম 'জর্জ কার শ' এবং মায়ের নাম 'লুসিন্ডা এলিজাবেথ শ'। এই দম্পতির আরও দুটি কন্যা সন্তান ছিল। মেথোডিস্ট চার্চ পরিচালিত ডাবলিনের একটি গ্রামার স্কুলে তার পড়াশোনা শুরু হয়। ১৮৬৫-৭১ এর মধ্যে 'শ' চারটি স্কুলে পড়াশোনা করেন এবং প্রত্যেকটি  তাকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রতি বিরূপ করে তোলে। ডাবলিন ইংলিশ সায়েন্টিফিক এ্যন্ড কমার্শিয়াল ডে স্কুলে তার প্রাতিষ্ঠানিক পড়ার সমাপ্তি ঘটে। পরবর্তীকালে তিনি তাঁর লেখায় বলেছেন, স্কুলকে কারগার এবং স্কুল শিক্ষককে কারাপরিদর্শক। এ প্রসঙ্গে এক ব্রিটিশ সাংবাদিক তাকে প্রশ্ন করেছিলেন, "প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না নিলে চাকরী পাবেন কোথায়? " উত্তরে 'শ' বলেন," কেরানী যারা হতে চায় তারা পড়বে, আমি চাই জীবনকে আবিষ্কার করতে"। তুমি জন্মালে, আর কিছুদিন কাটিয়ে গেলে এই পৃথিবীর বুকে, তা হবে না। এই ভেবে বোধ হয় 'শ' এর মন ছোটবেলা থেকে ইস্পাত-কঠিন হয়ে ওঠে। কারণ তিনি তো পরবর্তী কালে লিখবেন ব্রিটিশ সেনার অত্যাচারের বিরুদ্ধে নাটক "দি ডেভিল'স ডিসাইপল"।
স্বশিক্ষিত 'শ' সমকালীন সমাজকে প্রচণ্ডভাবে প্রভাবিত করেছিল। তাঁকে তুলনা করা হয় মহান-চিন্তানায়ক ভলতেয়ারের সঙ্গে। 'জর্জ বার্নার্ড শ' সামাজিক বিভিন্ন ধরনের সমস্যাগুলোকে হাস্যরসের মাধ্যমে অত্যন্ত দক্ষ শিল্পীর মতো সাহিত্যে ফুটিয়ে তুলতে পারতেন। শিক্ষা, বিয়ে, ধর্ম, সরকার, স্বাস্থ্যসেবা সহ সব শ্রেণি সুবিধাই ছিল তাঁর লেখার বিষয়বস্তু। অধিকাংশ লেখাতেই শ্রমজীবী মানুষের শোষণের বিপক্ষে তাঁর অবস্থান ছিল সুস্পষ্ট। একজন কট্টর সমাজতান্ত্রিক হিসেবে "ফ্যাবিয়ান সোসাইটির" পক্ষে তিনি অনেক বক্তৃতা দেন। লেখার মাধ্যমে একদিকে যেমন আদর্শবাদের ধ্বজা ওপরে তুলে ধরেছেন, তেমনটি মানবিকতারও জয়গান গেয়েছেন।  অসাধারণ কৌতুকের মাধ্যমে সবার হৃদয়কে আন্দোলিত করেছেন। লেখার মধ্যে থাকতো অসাধারণ কাব্যিক সৌন্দর্য। সাহিত্য সমালোচকদের মতে, 'উইলিয়াম শেক্সপিয়ার' এর পর 'জর্জ বার্নার্ড শ'-ই হলেন সেরা ব্রিটিশ নাট্যকার। তাঁর  মতো সাহিত্য সমালোচক বিশ্ব সাহিত্যে দুর্লভ। সুকৌশলে তিনি তাঁর  লেখার মাধ্যমে নিজের জীবন দর্শনের পরিচয় দেন আর পচাগলা সমাজ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করেন। 
জীবনে অনেক প্রেম করেছেন 'শ'। তবে সিরিয়াস প্রেমে পড়েন তার স্ত্রীর সঙ্গে। বিয়ে করার আগে, 'চারলডি টাউনসিনেড'কে বলেছিলেন, "প্রেম কিন্তু শুরু হয় সিগারেটে আগুন জ্বালানোর মতো। শেষ হয় ছাই হয়ে"। একথা শুনে 'টাউনসিনেড' বলেছিল, "অন্য নারী শরীরের প্রতি ঝুঁকবে না। যদি আমাকে প্রতিদিন নতুনভাবে আবিষ্কার করার চোখ থাকে তোমার"। বিয়ের পরেও মহিলাদের সাথে সম্পর্ক ছিল অব্যাহত। তাঁদের মধ্যে একজনের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যিনি তাঁর নাটকে অভিনয় করতেন, "মিসেস প্যাট্রিক কাম্পবেল"। 
১৮৯৭ সালে পার্লামেন্ট মেম্বার হিসাবে নির্বাচিত হলেও, পরে স্থানীয় কাউন্সিলর হিসাবে কর্মতৎপর ছিলেন। ১৮৯০ সালে তাঁর প্রথম নাটক মঞ্চস্থ হয়। ১৮৯৫ সালে তিনি লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিকস এন্ড পলিটিক্যাল সায়েন্স প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়াও তিনি বিখ্যাত সংবাদপত্র 'নিউ স্টেটসম্যানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। 
জীবনের সাথে যার সম্পর্ক আছে, তা-ই সাহিত্য। স্বাভাবিকভাবেই কোনো দেশের সৎ-সাহিত্য সে দেশের মাটিও মানুষকে বাদ দিয়ে রচনা হতে পারে না। যে দেশের সাহিত্য, লেখার মধ্যে যদি সেই দেশকে না খুঁজে পাওয়া যায়, রাজনৈতিক কিংবা মিডিয়ার কারণে বিখ্যাত হলেও, পরে আস্তে আস্তে মুছে যান জাতির স্মৃতির পৃষ্ঠা থেকে। 
'শ' ছিলেন একজন কট্টরপন্থী আধুনিকমনা লেখক। তবুও তিনি কখনো ভুলে যাননি তাঁর স্বদেশ ও সংস্কৃতির কথা। তিনি যাঁদেরকে নিয়ে নাটক রচনা করেন, তাঁদের জীবনের সুখ দুঃখকে কখনো তিনি অবজ্ঞা করেননি। কারণ তিনি জানেন, সাহিত্য বাস্তবিকই বাস্তব জীবনের উপরে দাঁড়িয়ে, বাস্তব জীবন থেকে চ্যুত হলে সাহিত্য মূলত সত্য থেকে চ্যুত হয়। 'শ' কম্যুনিট মনোভাবাপন্ন হয়েও তার "আর্মস এন্ড দ্য ম্যান" নাটকে নায়িকা রায়নার বেডরুম সাজালেন, হাতির দাঁতের তৈরি যীশুখৃষ্ট মূর্তি দিয়ে। তা বলে যীশুকে নিয়ে তিনি বিদ্রুপ করেননি, বরং রায়নার সরল ধর্ম বিশ্বাসকে শ্রদ্ধার সাথে উপস্থাপন করেছেন। সাহিত্যের প্রখ্যাত গবেষক 'ডেভিড ক্লেয়ার' বলেন, "বার্নার্ড শ-র নাটক ও সাহিত্য গভীরভাবে পাঠ করে আমি বুঝেছি যে, 'শ' সবসময়ই তাঁর প্রায় সমস্ত নাটকে আইরিশ, বিদেশে বসবাসকারী আইরিশ ব্যক্তিদের উপস্থাপনা করেছেন, এটা এজন্য যে, যাতে খাঁটি আইরিশ চরিত্র সাহিত্যে তুলে ধরা যায়। 'শ' বলতেন, " সাহিত্য; কল্পনার সৃজন বটে, কিন্তু এ সৃজন বাস্তবের মধ্য দিয়ে হয়"।
তার বিখ্যাত নাটক সমূহের মধ্যে "আর্মস এন্ড দ্য ম্যান" (১৮৯৮), "ক্যানডিডা" (১৮৯৪), "সিজার এন্ড ক্লিওপেট্রা" (১৮৯৮), "ম্যান এন্ড সুপারম্যান" (১৯০১) উল্লেখযোগ্য। তাকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দেয়, 'ম্যান এন্ড সুপারম্যান' নাটক। এই নাটকে চিরন্তন নারী ও পুরুষের ভালোবাসা, বিবাহ পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত দিকে আলোকপাত করেছেন।  অর্থাৎ যৌন ক্রিয়াই হল প্রকৃত জীবনী শক্তি (Sexual nature is actual nature force.)। নারী ও পুরুষের এই সম্পর্ক প্রয়োজন, পরবর্তী প্রজন্মকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।তিনি পুরুষদের মেয়েদের উপকরণ এই ধারণা প্রতিষ্ঠিত করেছেন। একজন 'সুপারম্যান' ব্যক্তি পরবর্তী প্রজন্মের মধ্য দিয়ে নিজের ধারা বজায় রাখবেন। তিনি এই নাটকে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন, প্রত্যেকটি মানসিক ঘটনার পেছনে একটা কারণ থাকতে বাধ্য। এই নাটকে ফ্রয়েডীয় চিন্তাভাবনার সুস্পষ্ট ছাপ দেখতে পাই। তাই বিদ্রোহী কবি 'কাজী নজরুল ইসলাম' বলেন, "নিজের সন্তানকে গর্ভে ধারণ এবং জন্ম দিয়ে পৃথিবীর আলো দেখানোর মাধ্যমে একজন 'মা' নারী হিসেবে জীবনের সার্থকতা লাভ করে"। উপনিবেশ আমেরিকার উপর ব্রিটিশ সেনার অত্যাচার ও আমেরিকানদের আত্মত্যাগের কাহিনী নিয়ে 'জর্জ বার্নার্ড শ'র আর একটি বিখ্যাত নাটক -" দ্য ডেভিল'স ডিসাইপল"। ১৮৯৬ সালে অভিনীত নাটক, বাংলা দেশের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে "শয়তানের ছাওয়াল" নামে অভিনীত হয়। যা আজও বাংলাদেশে সমান জনপ্রিয়। 
'শ' খুব মজার মানুষ ছিলেন। একবার এক মহিলা 'বার্নার্ড শ' এর বাড়িতে বেড়াতে এসে বলেন, মিস্টার 'শ' আপনার বাগানে এত ফুল, অথচ আপনার ঘরে একটাও ফুলদানি নেই। 'শ' হাসতে হাসতে বলেছিলেন,  "ম্যাডাম আমি বাচ্চা ছেলেমেয়েদের ভালোবাসি, তাই বলে তাদের মাথা কেটে ঘরে ঝুলিয়ে রাখবো"। বিশ্ববিখ্যাত চিত্র পরিচালক 'হিচকক' মোটা এবং বিশাল ভুঁড়ির মালিক। একবার 'শ' কে ঠাট্টা করে বলেছিলেন, " তোমাকে দেখলে মনে হয় ইংল্যান্ডে দুর্ভিক্ষ চলছে"। হাসতে হাসতে 'শ' বলেছিলেন, "তোমাকে দেখলে বোঝা যায় দুর্ভিক্ষের কারণটা কি"। জীবনে  দাড়ি কাটতেন না। সময়ের অপচয় হবে বলে।'বার্নার্ড শ" জীবনে কাউকে কোন বই উপহার দেননি, তবে বিশ্বখ্যাত বাঙালি 'জগদীশচন্দ্র বসু'র ১৯২৮ সালে ইংল্যান্ডে ভাষণ শুনে, 'শ' জগদীশচন্দ্রে'র বাসায় যান। তিনি একটি বই উপহার হিসাবে রেখে আসেন। তাতে লেখেন, জীববিজ্ঞানে পণ্ডিত এক ব্যক্তিকে জীববিজ্ঞান সম্পর্কে অজ্ঞ এক ব্যক্তির উপহার। তিনি নোবেল প্রাইজ পান ১৯২৫ সালে। নোবেল প্রাইজ গ্রহণ করতে চাইছিলেন না। স্ত্রীর পীড়াপীড়িতে যদিও নেন, তবে তার অর্থ গ্রহণ করেননি। ১৯৩৮ সালে পান 'অস্কার'। 
নাটকের জনক "ইবসেন' সম্পর্কে 'শ' বলেন, "তিনটি বিপ্লব, ছ' টি ক্রসেড, দুটি বিদেশি আক্রমণ, একটি ভূমিকম্প, সমান হেনরিক ইবসেন"। 'Arms and The Man'  এর নায়ক 'ব্লানশলি' যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে এসেছিলেন, বন্দুকের গুলি ছিল না। কিন্তু তার স্রষ্টা এই পৃথিবী থেকে চলে যাবেন এক নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য। '৯৪' বছরের পরিপূর্ণ জীবন ভোগ করেন। কারণ তিনি বুঝে গেছেন এখানে থাকার আর তার প্রয়োজন নেই। যখন তিনি মূত্রাশয় এবং কিডনি সহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত, তখন  'ইয়েলিন' ও 'সেসি' নামে দুজন অভিনেত্রী দেখতে আসেন। তিনি তাঁদের বলেন, "ওয়েল, যাই হোক না কেন, এটা নতুন অভিজ্ঞতা হবে"। এটা বলতে তিনি মৃত্যুকে বুঝিয়েছেন। ২রা নভেম্বর ১৯৫০ সিঁড়ির পর সিঁড়ি টপকে ওপরে উঠে যাচ্ছেন 'বার্নার্ড শ'। তখন কানে বাজছে, তাঁরই বলা কথা, "নতুন অভিজ্ঞতা ও নতুন কিছু করাই তরুণের ধর্ম"।
---

Comments

Post a Comment

Popular posts from this blog

মেদিনীপুরের বিজ্ঞানীদের কথা

মেদিনীপুরের চোখের মণি বিজ্ঞানী মণিলাল ভৌমিক /পূর্ণচন্দ্র ভূঞ্যা

মেদিনীপুরের রসায়ন বিজ্ঞানী ড. নন্দগোপাল সাহু : সাধারণ থেকে অসাধারণে উত্তরণের রোমহর্ষক কাহিনী /পূর্ণচন্দ্র ভূঞ্যা

মেদিনীপুরের পদার্থবিজ্ঞানী সূর্যেন্দুবিকাশ কর মহাপাত্র এবং তাঁর 'মাসস্পেকট্রোগ্রাফ' যন্ত্র /পূর্ণচন্দ্র ভূঞ্যা

ঋত্বিক ত্রিপাঠী / আত্মহত্যার সপক্ষে

রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি পরিষদ (NAAC) এর মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি: উদ্দেশ্য ও প্রস্তুতি - কলেজ ভিত্তিক অভিজ্ঞতা /সজল কুমার মাইতি

আসুন স্বীকার করি: আমরাই খুনী, আমরাই ধর্ষক /ঋত্বিক ত্রিপাঠী

শ্রেণি বৈষম্যহীন সমাজই আদর্শ সমাজ 'কালের যাত্রা' নাটকের শেষ কথা/সন্দীপ কাঞ্জিলাল

অংশুমান কর

প্রাচীন বাংলার জনপদ /প্রসূন কাঞ্জিলাল