সত্যজিৎ রায় ও সিনেমা- যেন সমার্থক/ পার্থ সারথি চক্রবর্তী

সত্যজিৎ রায় ও সিনেমা- যেন সমার্থক 

পার্থ সারথি চক্রবর্তী 

সত্যজিৎ রায়। বাংলা সিনেমা জগতে এক মাইলফলক। চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রক্রিয়ার সব ধাপে যেমন চিত্রনাট্য, সংলাপ, রূপসজ্জা, সম্পাদনা সর্বত্রই ছিল তাঁর অবাধ গতি। তাঁর কাজ এক দীর্ঘ গবেষণার বিষয় হতে পারে। বাস্তবের সাথে সিনেমাকে একাত্ব করা ও সবার জীবনযাপনে যুক্ত করা, হয়ত তাঁর হাত দিয়েই বাংলা সিনেমায় শুরু হয়। যে কোন চিত্রনাট্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তার বৈচিত্র্য। সংলাপ ও চিত্রায়নের মাধ্যমে বিষয়কে তুলে ধরার যে অভিনব মুন্সিয়ানা তিনি বারবার দেখিয়েছেন, তা এককথায় অভূতপূর্ব এবং বিশ্ব চলচ্চিত্রের আঙ্গিনায় বিরল। সবাক চলচ্চিত্র যুগের এক অসাধারণ কাহিনীকার হিসেবে তিনি গল্পের প্রতিটি চরিত্রকে দর্শকের মনের সাথে মিলিয়ে দিয়েছেন। কখনো প্রতীকী চিত্রায়নে অনেক চরিত্রকে সেলুলয়েডে তুলে ধরেছেন, সামাজিক বার্তা দিয়েছেন এবং সমাজের কালো দিকগুলোকে তুলে ধরতে চেয়েছেন। পরিশেষে তার বিরুদ্ধে জোরালো  প্রতিবাদও সংগঠিত করেছেন। কখনো গ্রাম্য পরিবেশের সহজ সরল ভাষা উঠে এসেছে তাঁর চিত্রায়নে, যার মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে তৎকালীন সমাজব্যবস্থা। তিনি ক্যামেরার মাধ্যমে অসাধারণ নৈপুণ্যে সময়কে ধরেছিলেন। তাঁর সৃষ্টি কালজয়ী, কালোত্তীর্ণ। সৃষ্টির মাধ্যমে তিনি অনেক কাল্পনিক গল্পকে তুলে ধরেছেন যেগুলো প্রতীকী অর্থে ইতিহাসকে ব্যক্ত করে চলেছে। সিনেমা তৈরির মূল ভিত্তি- যথার্থ কাঠামো তৈরি করা এবং অভিনয়, দৃশ্য ও চরিত্র বর্ণনার মাধ্যমে তিনি সর্বাঙ্গীন সিনেমার পথ খুলে দিতেন। রাগাশ্রয়ী সঙ্গীতের প্রয়োগের ব্যপারটি তিনি পাশ্চাত্য সিনেমার ধ্যান ধারণা থেকেই গ্রহণ করেন বলে অনুমান। শোনা যায়, লন্ডনে গিয়ে তিনি ভিত্তোরিও দে সিকা'র ' লাদ্রি দি বিচিক্লেত্তে '(বাইসাইকেল থিভস) ছবিটি দেখার পরেই সিনেমা বানাতে উদ্বুদ্ধ হন। সত্যজিৎ রায় মোট ৩৬ টি ছবি পরিচালনা করেন।  এর মধ্যে ২৯টি কাহিনীচিত্র, ৫টি তথ্যচিত্র ও  ২টি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি। তাঁর নির্মিত প্রতিটি সিনেমাই নিজগুণে ভাস্বর ও স্মরণীয়। এই নাতিদীর্ঘ  আলোচনায় তাঁর নির্মাণের ওপরে সংক্ষিপ্ত আলোকপাত করা যেতে পারে।

  সত্যজিৎ রায় পরিচালিত প্রথম ছবি পথের পাঁচালী মুক্তি পায় ১৯৫৫ সালে। ছবিটির প্রযোজনা করেছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত প্রথম ছবিতেই তাঁর মুন্সিয়ানার পরিচয় রাখেন। শৈশবকে এবং শৈশবের অনুভূতি ও প্রিয়জনের প্রতি পবিত্র ও অকৃত্রিম টান ও ভালবাসাকে কেন্দ্র করে এই সিনেমা। এতে সময়কালীন বাংলার এক প্রত্যন্ত গ্রাম(নিশ্চিন্তপুর) চিত্রায়িত হয়েছে। হরিহরের দুই সন্তান,  দিদি দুর্গা ও ভাই অপু অভিন্নহৃদয় বন্ধু। দারিদ্র্যকে তুলে ধরা হয়েছে সফলভাবেই। দুই ভাইবোন  ট্রেনের বাঁশিতে রোমাঞ্চিত হত। একদিন ট্রেন দেখতে কাশের বনের ভেতর দিয়ে ছুটে অনেক দূর চলে যায়। এই দৃশ্যায়ন বস্তুত বাংলার ছোট ছোট শিশুদের রেলগাড়ির সাথে প্রথম পরিচয় করায়। গোটা সিনেমায় বাস্তবতাবাদ, মানবতা ও গুণমান অপূর্বভাবে তুলে ধরা হয়। ছবিটি ১৯৫৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ১৯৫৬ তে কান চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ঠ মানবিক দলিল ওসিআইসি পুরস্কার পায়। এছাড়াও ইতালি,জার্মানি,  স্কটল্যান্ড, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ইত্যাদি বিভিন্ন দেশ পুরস্কৃত হয়। একে ভারতের সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্রের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৯৫৮ সালে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসে চলচ্চিত্র পর্যালোচক বসলি ক্রাউদার বলেন- ' দারিদ্র্য যে সবসময় ভালবাসাকে ঠুনকো করে দেয় না- এই সিনেমা তা দেখায়'।
১৯৫৬ সালে 'অপু ত্রয়ী'র দ্বিতীয় ছবি 'অপরাজিত' মুক্তি পায়। অপুর শৈশব থেকে কৈশোরে পদার্পণ ও কলকাতায় কলেজে পড়ার সময়কে তুলে ধরা হয়েছে। ছবিটি ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের স্বর্ণ সিংহ পুরস্কার পায়।
  ১৯৫৮ সালে 'পরশপাথর' মুক্তি পায়, 'অপু ত্রয়ী' র পর এটা সত্যজিৎ রায়ের পরিচালিত প্রথম ছবি। রাজশেখর বসুর ছোটগল্প ' পরশপাথর' অবলম্বনে তৈরি এই ছবিতে হাসি, জাদু ও পরাবাস্তবতাকে তুলে ধরা হয়েছে।
  ১৯৫৮ তে মুক্তিপ্রাপ্ত 'জলসাঘর ' তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোটগল্প অবলম্বনে তৈরি। মুর্শিদাবাদের নিমতিতা রাজবাড়িতে চিত্রায়ন হয় ছবির। বিলায়েত খাঁর সুর দেওয়া এই ছবির গান কালজয়ী।
  ১৯৫৯ এ অপু ত্রয়ীর শেষ ছবি 'অপুর সংসার' মুক্তি পায়। অপুর জীবনসংগ্রাম, সংসারজীবনের নানা দিক এই ছবির উপজীব্য। এতে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও শর্মিলা ঠাকুর প্রথমবার অভিনয় করেন।
 ১৯৬০ সালে 'দেবী' মুক্তি পায়।
 ১৯৬১ সালে রবিঠাকুরের  জন্মশতবার্ষিকীতে মুক্তি পায় 'তিনকন্যা'। তিনটি ছোটগল্প থেকে তৈরি তিনটি চলচ্চিত্রের সংকলন এটি। 'পোস্টমাস্টার' এ কন্যা ৮-৯ বছরের বালিকা, দ্বিতীয় ছবি 'মণিহারা' তে কন্যা বিবাহিতা, ও শেষ ছবি 'সমাপ্তি' তে কন্যা যোড়শী। তিনটি নারী চরিত্র নিয়ে তৈরি এই সিনেমা কদর পায়।
১৯৬১ তেই সত্যজিৎ রায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও কর্মের উপর একটি ৫৪ মিনিটের তথ্যচিত্র তৈরি করেন বাংলা ও ইংরেজিতে।

 ১৯৬২ তে 'কাঞ্চনজঙ্ঘা' ছবিতে দার্জিলিংয়ের অপরূপ প্রাকৃতিক দৃশ্যকে তুলে ধরা হয়েছে। এই বছরই মুক্তিপ্রাপ্ত 'অভিযান' তৈরি হয়েছিল তারাশঙ্করের উপন্যাস অবলম্বনে। এতে মানবতার পাশাপাশি সত্যজিৎ রায়ের শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গী ছবিটিকে ধ্রুপদী মর্যাদায় নিয়ে যায়।

  ১৯৬৩ তে 'মহানগর' ছবিতে রক্ষণশীল পরিবারের বাধা ও চিরন্তন লড়াই উঠে আসে। এটি নরেন্দ্রনাথ মিত্রের ছোটগল্প 'অবতরণিকা' অবলম্বনে নির্মিত। ১৯৬৪ তে এই ছবির জন্য চতুর্দশ বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে 'সিলভার বিয়ার ফর বেস্ট ডিরেক্টর' পুরস্কার পান পরিচালক।

  ১৯৬৪ তে রবিঠাকুরের গল্প 'নষ্টনীড়' অবলম্বনে নির্মিত 'চারুলতা' ছবিটিও জনপ্রিয় হয়( 'The Lonely Wife')। চিত্রায়নের জন্য মূল কাহিনী কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছিল। দুটি আলাদা গল্প নিয়ে ১৯৬৫ সালে মুক্তি পায় 'কাপুরুষ ও মহাপুরুষ'।
১৯৬৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ' নায়ক ', ' কাঞ্চনজঙ্ঘা ' র মতোই সত্যজিৎ রায়ের নিজের লেখা কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত। পুরস্কার নিতে কলকাতা থেকে দিল্লী যাওয়া এক অভিনেতার এক সাংবাদিকের সাথে কথোপকথনের মাধ্যমে নিজের ভুল, নিরাপত্তাহীনতা ও অনুতাপবোধ উঠে আসে। উত্তমকুমার সেই নায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন। ১৯৬৭ তে 'চিড়িয়াখানা' ছবিতে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও গবেষণার বিষয় তুলে ধরা হয়।

  ১৯৬৮ সালে নির্মিত 'গুপী গাইন বাঘা বাইন' জনপ্রিয়তার শিখরে পৌছায়। উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর রূপকথার  উপর এই ছবিটি সত্যজিৎ রায় নাকি শিশুপুত্র সন্দীপের অনুরোধে বানিয়েছিলেন বলে শোনা যায়। সত্যজিৎ রায়ের লেখা ও সুরারোপিত এই ছবির গান আজো জনপ্রিয়।
১৯৬৯ সালে 'অরণ্যের দিনরাত্রি' মুক্তি পায়। ১৯৭০ সালে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মাণ করেন ' প্রতিদ্বন্দ্বী'। ১৯৭১ এ মুক্তি পায় 'সীমাবদ্ধ'।

 ১৯৭১ এ ইংরেজিতে 'সিক্কিম' ছবিটি বানান।
 ১৯৭৩ এ মুক্তি পায় 'অশনি সংকেত' , যা   বিভূতিভূষণের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত। এই ছবিতে তেতাল্লিশের মন্বন্তর ও তৎকালীন গ্রামীণ বাংলার আর্থ-সামাজিক চিত্র উঠে এসেছে। রাষ্ট্রপতি স্বর্ণপদক সহ, বার্লিনের গোল্ডেন বিয়ার ও শিকাগোর গোল্ডেন হিউগো পুরস্কার পায় ছবিটি।
১৯৭৪ এ মুক্তি পায় ফেলুদা সিরিজের প্রথম ছবি 'সোনার কেল্লা'। মুকুল নামের এক জাতিস্মর বালককে কেন্দ্র করে এর কাহিনী। 

  ১৯৭৬ এ মুক্তি পায় 'জন অরণ্য', যা প্রখ্যাত সাহিত্যিক শঙ্করের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত। এই ছবিটিকে সত্যজিৎ রায় নির্মিত কলকাতা ত্রয়ী ষিরিজের তৃতীয় ছবি ধরা হয়ে থাকে( প্রথম দুটি- 'প্রতিদ্বন্দ্বী' ও 'সীমাবদ্ধ')।
মুন্সী প্রেমচাঁদ রচিত ছোটগল্প অবলম্বনে ১৯৭৭ সালে মুক্তি পায় হিন্দি ছবি 'শতরঞ্জ কে খিলাড়ি'( উর্দুতে 'শতরঞ্জ কি বাজী' )।
'জয় বাবা ফেলুনাথ'(১৯৭৯) ফেলুদার গোয়েন্দা উপন্যাস নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র। ছবিটির প্রেক্ষাপট বেনারস শহরকে ঘিরে।

১৯৮০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত 'হীরক রাজার দেশে' জনপ্রিয়তার শিখর ছোঁয়। রূপকের মাধ্যমে নির্মিত ছবিতে শাসকের রক্তচক্ষু এবং তার থেকে পরিত্রাণ যে একমাত্র শিক্ষা দ্বারাই সম্ভব-এই ধ্রুব সত্যকে তুলে ধরা হয়। তপেন চট্টোপাধ্যায়, রবি ঘোষ, উৎপল দত্ত, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সন্তোষ দত্ত অভিনীত এই ছবি বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়। আজো বাঙালি হৃদয় গেয়ে ওঠে- 'আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে'।
১৯৮১ তে হিন্দিতে মুক্তিপ্রাপ্ত ' সদগতি' মুন্সী প্রেমচাঁদ রচিত কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত। ওম পুরী, স্মিতা পাতিলের অভিনয়ে মূর্ত হয়ে ওঠে চরিত্রগুলো।
১৯৮৪ তে নির্মিত 'ঘরে বাইরে' ছবিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস নিয়ে তৈরি।

  'গণশত্রু' সত্যজিৎ রায়ের এক অন্যঘরানার ছবি, যা মুক্তি পায় ১৯৮৯ সালে। সমাজের উচ্চবিত্ত তথা সুবিধাবাদী লোকেরা নিজস্বার্থ রক্ষার্থে কিভাবে সাধারণ মানুষের সারল্য, ধর্মবোধ ও অন্ধবিশ্বাসকে কাজে লাগায়- তা তুলে ধরা হয়েছে। 
১৯৯০ সালে এক সৎ ব্যাক্তির দুর্নীতির সাথে আপোষ না করার গল্প নিয়ে তৈরি ছবি 'শাখাপ্রশাখা'।
১৯৯১ তে নির্মিত হয় চলচ্চিত্র 'আগন্তুক', যা তাঁর লেখা ছোটগল্প 'অতিথি' অবলম্বনে নির্মিত। উৎপল দত্ত, মমতাশঙ্কর অভিনীত এটিই সত্যজিৎ রায়ের শেষ ছবি।

  ১৯৮৩ সালে 'ঘরে বাইরে' ছবিতে কাজ করার সময় তাঁর হার্ট অ্যাটাক হয়। ফিরে আসেন 'গণশত্রু' ছবিতে। 
  এছাড়াও অনেক ছবিতে তিনি সহায়তা করেছেন।

  ১৯৮৫ সালে' দাদাসাহেব ফালকে' পুরস্কার পান তিনি। ১৯৮৬ সালে ফ্রান্সের 'লেজিওঁ দনরে' উপাধি পান।১৯৯২ সালে তাঁকে সম্মাননাসূচক একাডেমী পুরস্কার 'অস্কার' প্রদান করা হয় , তখন তিনি মৃত্যুশয্যায়। মৃত্যুর কিছুদিন আগে ভারত সরকার  তাঁকে সর্বোচ্চ  ' ভারতরত্ন' উপাধিতে ভূষিত করে। মৃত্যুর পরে মরণোত্তর 'আকিরা কুরোসাওয়া পুরস্কার'ও তাঁকে প্রদান করা হয়।

  এককথায় বাংলা তথা ভারতের চলচ্চিত্র জগতে সত্যজিৎ রায়ের অবদান ও কৃতিত্ব অনস্বীকার্য ও অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে চিরকাল।

জ্বলদর্চি পেজে লাইক দিন👇

Comments

Trending Posts

ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা -১০৯

‘পথের পাঁচালী’ এবং সত্যজিৎ রায় : একটি আলোচনা/কোয়েলিয়া বিশ্বাস

প্রাচীন বাংলার জনপদ /প্রসূন কাঞ্জিলাল

সনাতন দাস (চিত্রশিল্পী, তমলুক) /ভাস্করব্রত পতি

পুঁড়া পরব /ভাস্করব্রত পতি

পতনমনের ছবি /শতাব্দী দাশ

সর্বকালের প্রবাদপ্রতিম কবিসত্তা শক্তি চট্টোপাধ্যায় /প্রসূন কাঞ্জিলাল

বাংলা ব্যাকরণ ও বিতর্কপর্ব ১৮/অসীম ভুঁইয়া