২০২১ সালে হলিউডের বানিজ্যিক সফল সেরা দশ মুভি /রাকেশ সিংহ দেব

২০২১ সালে হলিউডের বানিজ্যিক সফল সেরা দশ মুভি

 রাকেশ সিংহ দেব

প্রায় দু'বছর হতে চলল করোনাপীড়িত এই বিশ্বে প্রায় সবই থমকে আছে না হয় থমকে থমকে চলছে। আশার খবর হলো, করোনার ভ্যাকসিন আবিস্কারের পর থেকে এবং সাধারণ মানুষ টিকার আওতায় আসার পর ধীরে ধীরে সবই স্বাভাবিক হয়ে আসছে। অতমারি সময়ে প্রায় সবকিছুর মতো বন্ধ ছিল সিনেমা হল, আলো ফোটেনি হলের পর্দায়। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কিছু মুভি মুক্তি পেয়েছে ঠিকই, মাঝে কিছু সিনেমা হল খুলেছে কিন্তু উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠারও শেষ ছিল না। করোনার কারণে ২০২০ সালে অনেক সিনেমা মুক্তি দিতে পারেনি হলিউড। এদের বেশিরভাগ ২০২১ সালে মুক্তি পেয়েছে। এসব সিনেমা যেমন দর্শক মাতিয়েছে, তেমনই সত্যিকার অর্থে বিনোদনের রসদও জুগিয়েছে। সফল হয়েছে বক্স অফিসে। প্রথাগত গল্পের বাইরে কিছু ভিন্নধর্মী সিনেমা ছিল এ বছর। ২০২১ সালে হলিউডে মুক্তি পাওয়া আলোচিত দশটি সিনেমা নিয়েই আজকের আলোচনা।


১. স্পাইডারম্যান : নো ওয়ে হোম

মার্ভেল কমিক্স চরিত্র স্পাইডারম্যানের সোলো হিসেবে তৃতীয় মুভি এটি। পরিচালনা করেছেন জন ওয়াটস। এতে স্পাইডারম্যানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন টম হল্যান্ড। এ ছাড়াও অন্যান্য চরিত্রে ছিলেন যেনদায়া, জ্যাকব বাটালন, মারিসা টোমেই, জেমি ফক্স, বেনেডিক্ট কাম্বারব্যাচ এবং আলফ্রেড মোলিনা। স্পাইডারম্যান ফার ফ্রম হোম ছবির শেষে ভিলেন মিস্টিরিও সারা দুনিয়াকে জানিয়ে দেয় যে স্কুল পড়ুয়া পিটার পার্কার আসলে স্পাইডারম্যান। নিজের গোপন পরিচয় প্রকাশ হওয়ার পরে পিটার এবং তার আপনজনদের জীবনে বিপর্যয় ঘনিয়ে আসে।  আটকে যায় তাদের কলেজে ভর্তির প্রক্রিয়া। এক ‘বিশেষ’ আইনজীবীর সাহায্য নিয়ে পিটার সে যাত্রা গা বাঁচিয়ে দ্বারস্থ হয় ডক্টর স্ট্রেঞ্জের। অনুরোধ করে, সকলে যাতে স্পাইডার-ম্যানের আসল পরিচয় ভুলে যায়। স্ট্রেঞ্জের স্পেল চলাকালীন ঘটে হিতে বিপরীত। ছেলেমানুষির মাসুল দিতে হয় পিটারকে, নিজের ও সকলের বিপদ ডেকে আনে সে। কিভাবে পিটার ওরফে স্পাইডারম্যান এই বিপদ থেকে মুক্তি পায় এবং তার জন্য তাকে কি মূল্য চোকাতে হয় তা নিয়েই এই সুপারহিরো মুভি। এই ছবিতে অবশ্য আরও একটি বড় চমক রয়েছে সকল স্পাইডারম্যান ভক্তদের জন্য। জন ওয়াটস পরিচালিত স্পাইডার-ম্যান ট্রিলজির এই তৃতীয় ছবি শেষ হয় খানিকটা মনখারাপ আর আগামীর বিপুল সম্ভাবনা তৈরি করে দিয়ে।

2. দ্য ফাদার

এটি হলিউডের কমার্শিয়ালের বাইরে ভিন্নধর্মী গল্পের সিনেমা। এক ধরনের অভিজ্ঞতা এবং অস্থির জগতের যাত্রা নিয়ে গল্প বলেছে এটি। বাস্তব এবং বিশ্বাসযোগ্য করেই সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন অলিভিয়া কোলম্যান, অ্যান্টনি হপকিন্স, মার্ক গ্যাটিস, অলিভিয়া উইলিয়ামস, ইমোজেন পুটস, রুফাস সেওয়েল, আয়েশা ধরকার। আইএমডিবি রেটিংয়ে এ সিনেমার স্থান ৮.৩।


৩. ডিউন

এটি বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ভিত্তিক একটি সিনেমা। পরিচালনা করেছেন ডিনিস ভিলেনিউভ, এরিক রথ ও জন স্পাইটস। ১৯৬৫ সালের ফ্র্যাঙ্ক হার্বার্ট-এর উপন্যাস ডিউন অবলম্বনে ‘ডিউন’ সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে। অভিনয় করেছেন জেনডিয়া, টিমটি শালামে, রেবেকা ফার্গুসন, অস্কার আইজ্যাকসহ অনেকে। পুরো দু’ঘণ্টা একের পর এক নতুন চরিত্র হাজির হয় সামনে, শ্বাসরুদ্ধকর ভিজ্যুয়াল, মহাকাব্যিক যুদ্ধের দৃশ্য আর এমন কিছু দানবীয় চরিত্র, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। সেইসঙ্গে প্রেরণামূলক কথাগুলো দাগ কাটে দর্শকের মনে। 


৪. শাং-চি অ্যান্ড দ্য লেজেন্ড অব দ্য টেন রিংস

শাং-চি অ্যান্ড দ্য লেজেন্ড অব দি টেন রিংগস ২০২১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আমেরিকান সুপারহিরো মুভি। এটি মার্ভেল কমিক্স ভিত্তি করে নির্মিত একটি সিনেমা। শাং-চি চরিত্রকে কেন্দ্র করে এর গল্প। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন সিমু লিউ, আওকোয়াফিনা, মিশলে ইয়োহ, টনি চিউ ওয়ালি লিউং প্রমুখ। একটি মূল গল্প, শাং-চি এবং দশ রিংসের কিংবদন্তি ওয়েনউ (টনি লিউং) সম্পর্কে বলে, সে তার সহস্রাব্দ দীর্ঘ চিরন্তন শক্তির সন্ধানে দশটি অলৌকিক শক্তিধর  রিংয়ের আদেশ দেন এবং একটি ভয়ঙ্কর, অপরাজেয় যোদ্ধা হয়ে ওঠেন। যখন তিনি জিয়াং লি, (ফালা চেন) এর প্রেমে পড়েন, যিনি জাদুকরী ভূমি টা লো এর অভিভাবক, তখন ওয়েনউ রিংগুলি ত্যাগ করে এবং একটি পারিবারিক মানুষ হওয়ার জন্য স্থির করে, তার সন্তান শাং-চি (সিমু লিউ) এবং জিয়ালিং (মেং’র ঝাং) কে নিয়ে গর্ব এবং আনন্দ নিয়ে জীবন কাটানোর জন্য। একটি ভয়াবহ ট্র্যাজেডি দেখে ওয়েনউ আবার দশটি রিং তুলে নিয়ে নিজের ছেলে শাং-চি কে হত্যাকারী হতে প্রশিক্ষণ দেয়। প্রথম মিশনে গিয়ে শাং-চি সান ফ্রান্সিসকোতে পালিয়ে যায়, তার নাম পরিবর্তন করে শন রাখে এবং হোটেলের ভ্যালি ক্যাটির (আউকওয়াফিনা) সাথে কাজ করে। কিন্তু সময় আবার তাকে ফিরিয়ে আনে অতীত জীবনে। 

৫. এনকান্তো

চলতি বছরের সেরা অ্যানিমেটেড সিনেমা বলা যায় এটিকে। দারুণ সব চরিত্রের কমেডি ঘরানার অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছে বেশ। এতে অভিনয় করেছেন, স্টেফানি ব্রিটেজ, ডায়ান গুয়েরেরো, রেনজি ফিলিজসহ অনেকে। আইএমডিবি রেটিংয়ে এ সিনেমাটি পেয়েছে ৭.৫ পয়েন্ট।


৬. পাম স্প্রিংস

এটি একটি সায়েন্স ফিকশন রোমান্টিক কমেডি সিনেমা। পরিচালনা করেছেন বারবাকো। এতে অভিনয় করেছেন অ্যান্ডি সামবার্গ, ক্রিস্টিন মিলিওটি, জে.কে. সিমন্স, মেরেডিথ হ্যাগনার, ক্যামিলা মেন্ডেস, টাইলার হোচলিন, পিটার গ্যালাঘের। আইএমডিবি রেটিংয়ে এটি পেয়েছে ৭.৪ পয়েন্ট।


৭. নো টাইম টু ডাই

জেমস বন্ড সিরিজের সিনেমা এটি। বছরের অন্যতম আলোচিত সিনেমা। পরিচালনা করেছেন ক্যারি জোজি ফুকুনাগা ও মেট্রো গোল্ডউইন মেয়ার। এটি ড্যানিয়েল ক্রেগের বন্ড সিরিজের শেষ সিনেমা। এতে আরও অভিনয় করেছেন ক্রিস্টোফ ওয়াল্টজ, রামি মালেক, আনা ডি আরমাস, ডেভিড ডেনসিক, বিলি ম্যাগনুসেন, জেফরি রাইট, রালফ ফিয়েনস, লিয়া সিডক্স ও নাওমি হ্যারিস। আইএমডিবি রেটিং এ সিনেমা পেয়েছে ৭.৪।



৮. এ কোয়াইট প্যালেস : পার্ট টু

হরর সিনেমা এটি। ২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অ্যা কোয়াইট প্যালেস’র সিক্যুয়েল। এতে অভিনয় করেছেন সিলিয়ান মারফি, জন ক্রাসিনস্কি, এমিলি ব্লান্ট, নোয়া জুপে ও ডিজিমন। আইএমডিবি রেটিংয়ে এর অবস্থান ৭.৩।


৯. দ্য সুইসাইড স্কোয়াড

দ্য সুইসাইড স্কোয়াড(২০২১) ডিসি কমিকসের ওপর নির্মিত সিনেমাটিক জগত , ডিসিইইউ (DCEU) এর দশম মুভি। এর আগেও “সুইসাইড স্কোয়াড” নামে ডিসিইইউয়ের ২০১৬ সালে একটি মুভি রিলিজ দেওয়া হয়েছিল। যেটি বক্স অফিস , দর্শক বা ক্রিটিক্সদের মনে তেমন একটা সাড়া জাগাতে পারেনি। এরপরেও ওই মুভির ডিরেক্টর ডেভিড আইয়ারে “সুইসাইড স্কোয়াড ২” বানানোর কথা ছিল। কিন্তু ঘটনাক্রমে ডেভিড তার সিদ্ধান্ত বদলায় এবং অবশেষে মার্ভেলের “গার্ডিয়ান অব দ্য গ্যালাক্সি”র ডিরেক্টর জেমস গানকে সুইসাইড স্কোয়াডের এই প্রজেক্টির জন্য হায়ার করা হয়। “সুইসাইড স্কোয়াড” টা আসলে কি? সুইসাইড স্কোয়াডের অফিসিয়াল নাম হলো “টাস্ক ফোর্স এক্স” (Task Force X)। এই দলটির সদস্যরা হলো বিভিন্ন সুপারভিলেন বা এন্টিহিরোরা। যাদের দিয়ে গোপনে বিভিন্ন হাই রিস্ক মিশন কমপ্লিট করা হয়। মিশন কমপ্লিট করার বদলে এসব ভিলেন বা এন্টিহিরোদের মুক্তি , সাজা কমানো বা অন্য কিছুর বিনিময়ে চুক্তি করা হয়। এই দলটির সম্পূর্ণ আমান্ডা ওয়ালারের অধিনে চলে। আমান্ডার ভাষ্যমতে দক্ষিণ আমেরিকার দ্বীপ দেশ কর্টো মাল্টিজে অবস্থিত “প্রোজেক্ট স্টারফিস” পৃথিবী বা আমেরিকার জন্য পরবর্তী সময়ে ভয়ানক হতে পারে। তাই এই সুইসাইড স্কোয়াডকে পাঠানো হয় প্রোজেক্ট স্টারফিস ধংস করার জন্য। কমেডি, একশন জনরার এই মুভিতে কি নেই! কমেডি, সুপার্ব ভিএফএক্স, সিজিয়াই, সুন্দর প্লেইন স্টোরি লাইন আর একগাদা তারকায় ঠাসা সব মিলিয়ে এই মুভিটি ফুল প্যাকেজ।


১০.ফ্রি গাই

এটি সায়েন্স ফিকশন অ্যাকশন কমেডি সিনেমা। অভিনয় করেছেন জোডি কমার, রায়ান রেনল্ডস, তাইকা ওয়াইতিতি, উৎকর্ষ আম্বুদকর, লিল রিল হাওয়ারী। ফ্রি গাই' সিনেমার কাহিনি বেশ সরল। কিন্তু মূল আকর্ষণ এর সেটিং বা ঘটনা ঘটার স্থান। সিনেমার গল্প এগিয়েছে 'ফ্রি সিটি' নামে ভিডিও গেম ওপেন ওয়ার্ল্ড বা ভিডিও গেমের কাল্পনিক এক শহরে। এই শহরের একজন সাধারণ বাসিন্দা 'গাই'। 'বাডি' নামে একজন বন্ধু ও ছোট একটি বল অ্যাকুরিয়ামের গোল্ডফিশ নিয়েই তার জীবন। গাই কাজ করেন একটি ব্যাংকে। আসল দুনিয়ার ভিডিও গেমের প্লেয়ারদের দ্বারা চলা 'ফ্রি সিটি'র মানুষগুলোর জীবন নানা নাটকীয়তায় ভরা। কিন্তু অ্যান্টওয়ান নামের একজন মানুষ যিনি এই ভিডিও গেমসটির মূল পরিচালক। তিনি চান এই গেমসটি আর থাকবে না। ফলে ধ্বংস হয়ে যাবে ফ্রি সিটিও। এই গেমসটি খেলেন এমন কয়েকজন চান গেমসটি থাকুক। সে জন্য তাদের প্রয়োজন ফ্রি সিটির একজন মানুষকে। যার নেতৃত্বে শহরের মানুষ এক হয়ে রক্ষা করবে এই শহরকে। গেমসটিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে মিলি বা মলটভ গার্ল নামে আলস দুনিয়ার একটি চরিত্র। সঙ্গী হিসেবে সে বেছে নেয় এই শহরেরই 'গাই' নামে চরিত্রকে। গাই জানতই না যে সে আসলে গেমসের একটি চরিত্রমাত্র। মিলি আর গাইয়ের যৌথ অংশগ্রহণের ফলে আসে নাটকীয় পরিবর্তন। নিজেদের তৈরি করা চরিত্রগুলোই বিদ্রোহ করে বসে নির্মাতাদের বিরুদ্ধে। তারপর ঘটতে থাকে নানান ঘটনা। এই সিনেমা দর্শকদের পাশাপাশি সিনেমাবোদ্ধাদেরও বাহবা পেয়েছে। 'ফ্রি গাই' সিনেমা রিভিউ ওয়েবসাইট রটেন টমেটোর রেটিং পেয়েছে ৭ আর মেটাক্রিটিক দিয়েছে ১০০-তে ৬৪ নম্বর।

এছাড়াও আলোচনায় ছিল চারটি সিনেমা। সেগুলো হলো-

ইটার্নালজ

মার্ভেল কমিক্সভিত্তিক সুপারহিরো সিনেমা ইটার্নালজ। এটি মার্ভেল স্টুডিওজ দ্বারা প্রযোজিত। মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স-এর ২৬তম সিনেমা হিসেবে ইটার্নালজ মুক্তি পেয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন হ্যারি স্টাইলস, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, সালমা হায়েক, কিট হ্যারিংটন, রিচার্ড ম্যাডেন সহ আরও অনেকে। আইএমডিবি রেটিং ৬.৮/১০ ।


ব্ল্যাক উইডো

'ব্ল্যাক উইডো' আমেরিকান সুপারহিরো চলচ্চিত্র। যা মার্ভেল কমিক্স চরিত্রের উপর ভিত্তি করে নির্মিত। মার্ভেল স্টুডিওজ দ্বারা প্রযোজিত এবং ওয়াল্ট ডিজনি স্টুডিওজ মোশন পিকচার্স দ্বারা পরিবেশিত। সিনেমাটি মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স-এর চব্বিশতম সিনেমা। ব্ল্যাক উইডো একটি কাল্পনিক চরিত্র। যা নাতাশা রোমান অফ নামেও পরিচিত। এতে অভিনয় করেছেন স্কার্লেট জোহ্যানসন, ফ্লরেন্স পিউ, ডেভিড হারবার সহ আরও অনেকে। আইএমডিবি রেটিং ৬.৭/১০ ।


জঙ্গল ক্রুজ

জঙ্গল ক্রুজ হলো আমেরিকান ফ্যান্টাসি অ্যাডভেঞ্চার সিনেমা। এর পরিচালনায় ছিলেন-গ্লেন ফিকাররা, জন রেকুয়া এবং মাইকেল গ্রিন। সিনেমাটি জাউমে কোলেট-সেরার দ্বারা পরিচালিত। জঙ্গল ক্রুজ ডিজনিল্যান্ডের থিম পার্ক রাইডের উপর ভিত্তি করে তৈরি। যেখানে একটি ছোট নদী , বিপজ্জনক প্রাণি এবং সরীসৃপে ভরা। কিছু ভ্রমণপিপাসু মানুষের সেই জঙ্গল ভ্রমণ নিয়েই সিনেমাটি নির্মিত। এতে অভিনয় করেছেন- ডোয়াইন জনসন, এমিলি ব্লান্ট, এডগার রামিরেজ জ্যাক হোয়াইটহাল, জেমি প্লেমন্সসহ আরও অনেকে। আইএমডিবি রেটিং ৬.৬/১০।


ভেনম: লেট দেয়ার বি কার্নেজ

মার্বেল কমিকের ভেনম চরিত্রকে ভিত্তি করে নির্মিত অতিমানবিয় মার্কিন সিনেমা। মার্ভেল চরিত্র নিয়ে সনি পিকচার্স ইউনিভার্সের দ্বিতীয় সিনেমা এবং ভেনম (২০১৮)-এর সিক্যুয়াল। ভেনম পরিচালনা করেছেন অ্যান্ডি সার্কিস এবং এর চিত্রনাট্য লিখেছেন কেলি মার্সেল। এতে অভিনয় করেছেন- টম হার্ডি, টম হল্যান্ড, উডি হ্যারেলসন, মিশেল উইলিয়ামস সহ আরও অনেকে। আইএমডিবি রেটিং ৬/১০

জ্বলদর্চি পেজে লাইক দিন👇


Comments

Trending Posts

ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা -১০৯

‘পথের পাঁচালী’ এবং সত্যজিৎ রায় : একটি আলোচনা/কোয়েলিয়া বিশ্বাস

প্রাচীন বাংলার জনপদ /প্রসূন কাঞ্জিলাল

সনাতন দাস (চিত্রশিল্পী, তমলুক) /ভাস্করব্রত পতি

পুঁড়া পরব /ভাস্করব্রত পতি

পতনমনের ছবি /শতাব্দী দাশ

সর্বকালের প্রবাদপ্রতিম কবিসত্তা শক্তি চট্টোপাধ্যায় /প্রসূন কাঞ্জিলাল

বাংলা ব্যাকরণ ও বিতর্কপর্ব ১৮/অসীম ভুঁইয়া