দূর দেশের লোকগল্প – এশিয়া (ইউক্রেন) খড়ের মহিষ /চিন্ময় দাশ


দূরদেশের লোকগল্প – এশিয়া (ইউক্রেন) 

খড়ের মহিষ

চিন্ময় দাশ


গ্রামের একেবারে একটেরে একটা কুঁড়েঘর। এক বুড়ো আর তার বুড়ি বাস করে সেখানে। ভারি অভাবেই দিন কাটে দুজনের। অভাব তাদের সারা জীবনের সঙ্গী। 

এখন তো আবার বুড়ো হয়েছে দুজনেই। তাতে দুর্দশা বেড়েছে আরও। সারাদিন ভালো করে পেটের দানাই জোটে না তাদের। 

বাড়ির পেছন থেকেই শুরু হয়েছে বন আর পাহাড়। সকাল হলেই বনে চলে যায় বুড়ো। কতকালের প্রাচীন সব পাইন গাছ সেখানে। পাইনের আঠা থেকে রজন আর আলকাতরা বানায় বুড়োটা। আর, বাড়িতে বসে শনের সূতো কাটে বুড়ি। এই করেই দুটো পেট চালাতে হয় কোন মতে। কানাকড়িটিও সঞ্চয় নাই তাদের ঘরে।

একদিন সকাল বেলা। কুড়ুল কাঁধে ফেলে বের হচ্ছে বুড়ো। বুড়ি ডেকে বলল— একটা কথা বলি, শোন। একটা খড়ের মহিষ বানিয়ে দাও আমাকে। তাতে আলকাতরার প্রলেপ দিয়ে দেবে ওপরে।

--খড়ের মহিষ? তার গায়ে আবার আলকাতরার প্রলেপ? বুড়ো অবাক গলায় বলল—আমার তো মাথায় ঢুকছে না কিছুই। একটা খড়ের মহিষ তোমার কোন উপকারে লাগবে শুনি। 

বুড়ি কিছু ভাঙল না। বলল—তোমাকে কিছু শুনতে হবে না। সেসব তুমি আমার উপর ছেড়ে দাও। তুমি কেবল মহিষটা বানিয়ে দাও আমাকে। তার পরে কী করতে হবে, সেসবের ভার আমার। বয়স বেড়ে যাচ্ছে। গতর কি আর বেশিদিন চলবে? আগেভাগেই একটা ব্যবস্থা করে রাখতে হবে। 

বুড়ো বেচারা কী আর করে? সারাটা দিন এক আঁটি খড় নিয়ে লেগে থেকে, সুন্দর একটা মহিষ বানিয়ে ফেলল। একেবারে প্রমাণ আকারের অবয়ব। খড়ের উপর যত্ন করে আলকাতরা লেপে দিয়েছে। তাতে বেশ খোলতাই হয়েছে মহিষের চেহারাটা। আদপে যে এটা মহিষই নয়, বুঝবার উপায় নাই কোন।

রাত কেটে সকাল হোল।  বুড়ি এক গোছা শন আর তকলি নিয়ে বেরোল ঘর থেকে। সেই সাথে মহিষটাকেও নিয়েছে সাথে। খানিক দূর গিয়ে, মহিষটাকে মাঠে ছেড়ে দিল। পাশেই ছিল একটা টিলা। তার আড়ালে বসে সূতো কাটতে লাগল বুড়ি।

তকলিতে সূতো কাটছে, আর ছড়া কাটছে বিড়বিড় করে— আমি বসে কাটছি সূতো। মহিষ চরুক ঘাসের ছুতোয়।। 

সামনে খোলা প্রান্তর। হাওয়া বইছে হু-হু করে। বিড়বিড় করতে করতে ঢুলুনি এসে গেল বুড়ির। ঘুমের ভারে ঝুঁকে ঝুঁকে পড়তে লাগল বুড়ির মাথা। 

পিছনে ছিল পাইনের ঘণ বন। একটা ভালুক বেরিয়েছে শিকারে। মহিষটাকে দেখে একটু থমকে গেল সে। সামনে গিয়ে বলল— আরে, কে তুই? আগে তো দেখিনি কখনো! 

--কেন গো, দেখতে পাচ্ছো না, আমি একটা বকনা মহিষ। তিন বছর বয়স হোল সবে। তবে কিনা, শরীরটা আমার খড় দিয়ে বানানো। আলকাতরা মাখানো তার উপর।

শুনে তো ভালুকের ভারি ফূর্তি। বলল— বলিস কীরে? খড়ের মহিষ? ভালোই হোল। খানিকটা খড় আর আলকাতরা দে আমাকে। আমার ফারের কম্বলটায় তাপ্পি লাগিয়ে নেব ভালো করে। 

মহিষ বলল— অসুবিধার কী আছে এতে? নিয়ে নাও না খানিকটা দরকার মতো। 

মহা আনন্দে লাফিয়ে পড়ল ভালুক। প্রথমে সামনের দুটো থাবা বসিয়ে দিল মহিষের পিঠে। লম্বা লম্বা নখ ভালুকের। হোল কী, জমাট আলকাতরায় গেঁথে বসে গেল নখগুলো। তখন দাঁত দিয়ে খড় ছিঁড়বে ভেবে, বিশাল এক কামড় বসাল ভালুক। এবার তার দাঁতও গেল আটকে। 

অনেক টানা-হেঁচড়া করেও লাভ হোল না কিছুই। আলকাতরায় পুরোপুরি আটকে গেছে বেচারা।

এবার মহিষের পালা। টানতে টানতে ভালুককে নিয়ে সরে পড়ল মহিষ। কোথায় গেল? সে ভগবান ছাড়া কেউ জানে না আর। 

তন্দ্রা ভাঙল যখন,  আকাশ ভেঙে পড়ল বুড়ির মাথায়। তার সাধের মহিষ গায়েব হয়ে গেছে ততক্ষণে। নিজেকেই নিজে গাল পাড়তে লাগল বুড়ি—আচ্ছা বেকুব তো আমি। ফাঁকা মাঠে মহিষ ছেড়ে দিয়ে, ঘুমিয়ে গেলাম!

এবার তার মন বলল, কোথায় আর যাবে? ঘরে ফিরে গেছে হয়তো। চটপট শনের গোলা আর তকলি গুছিয়ে নিয়ে, বাড়িমুখো রওণা দিল বুড়ি। 

ঘরে ফিরে, বুড়ির চোখ মুখ ঝলমলে। একেবারে বেড়ার গায়ে ভালুককে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মহিষটা। বুড়ি চিতকার করে বুড়োকে ডাকতে লাগল—তাড়াতাড়ি বেরিয়ে এসো। দ্যাখো, কী কাণ্ড। আস্ত একটা ভালুক ধরে এনেছে আমাদের মহিষ।

বাইরে এসে, বুড়োও অবাক। নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছে না সে। এক মূহুর্তও দেরি নয় আর। ভালুকটাকে আলকাতরা থেকে ছাড়িয়ে, ঘরের উঠোনে বেঁধে রেখে দিল। 

পরদিন। সকাল হয়েছে, কী হয়নি। আলো ফোটার আগেই শনের গোছা, তকলি আর মহিষ নিয়ে, বুড়ি মাঠে এসে হাজির। মহিষটাকে ছেড়ে দিয়ে, নিজে সেই ঢিবিটার আড়ালে লুকিয়ে বসে রইল। 

তকলিতে সূতো কাটছে, ছড়া কাটছে বিড়বিড় করে— আমি বসে কাটছি সূতো। মহিষ চরুক ঘাসের ছুতোয়।। 

একটু বাদেই ঢুলুনি এসে গেল বুড়ির। 

আজ একটা নেকড়ে এসে হাজির। সে বলল—কেরে তুই? আগে তো দেখিনি। 

মহিষ বলল— আমি হোলাম গিয়ে তিন বছরের বকনা মহিষ। পুরোটা খড় দিয়ে বানানো। উপরে মোটা করে আলকাতরা লেপে দেওয়া। 

--বলিস কী? নেকড়েটা গদগদ হয়ে বলল—আলকাতরা? ভালোই হোল। খানিকটা নিয়ে যাই। বুনো কুকুরগুলো ভারি শয়তান। শরীরের দু’দিকে মাখিয়ে নিলে, কুকুরগুলো কামড় বসাতে পারবে না আর। 

মহিষ বলল— কাজে যদি লাগে তোমার, নিতে পারো। নিজেই নিয়ে নাও না, দরকার মতো। 

আনন্দ ধরে না নেকড়ের। লাফিয়ে এসে এক কামড়। তাতে দু’পাটি দাঁতই গেল আলকাতরায় আটকে। প্রথমে একটু ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেল নেকড়েটা। সাত সিক্কার দুই থাবা বসিয়ে দিল মহিষের গায়ে। মুঠো ভর্তি করে আলকাতরা নিয়ে নেবে, এই ভেবে। 

কিন্তু তাতে হাত দুটোও আটকে গেল বেচারার। মহিষের ভারি মজা। নেকড়েটাকে টানতে টানতে বুড়ির বাড়িতে ফিরে চলে গেল।

ঘুম ভাঙল বুড়ির। মহিষ নাই মাঠে। আজ আর অবাক হোল না বুড়ি। নিশ্চয় কালকের মত ঘরে ফিরে গেছে, এই ভেবে বুড়িও বাড়ির পথ ধরল। 

ঘরে এসে তো বুড়ির আনন্দ ধরে না। বেড়ার আগড়ের কাছেই দাঁড়িয়ে আছে মহিষটা। ইয়াব্বড় এক জ্যান্ত নেকড়েকে ধরে এনেছে আজ। 

বুড়ির হাঁকাহাঁকি শুনে, বুড়ো বেরিয়ে এল বাইরে। নেকড়ে দেখে বুড়োও খুশি। নতুন শিকারকেও গোয়ালঘরে ঢুকিয়ে রেখে দিল।

তৃতীয় দিন। মহিষকে মাঠে ছেড়ে দিয়ে, বুড়ি বসে বসে ঢুলছে। একটা শেয়াল এসে হাজির। সে বলল—আরে, তুমি এখানে আমদানি হলে কোথা থেকে? কে বলো তো তুমি? 

মহিষ বলল—দেখতে পাচ্ছো না,আমি একটা খড়ের মহিষ। পুরু করে আলকাতরা মাখানো আছে আমার গায়ে।

--বলো কী হে? আলকাতরা মাখানো? তা, দাও তো খানিকটা আলকাতরা। বড্ড জ্বালাতন করে বুনো কুকুরগুলো। গায়ে আলকাতরা মেখে রাখলে, জব্দ হয়ে যাবে বাছাধনেরা। 

শেয়ালের কথা শুনে, মহিষও খুশি। বলল—তা নাও না। যতটা দরকার, নিজেই নিয়ে নাও। 

সেদিনও একইভাবে শেয়ালও আটকে গেল। তাকে টানতে টানতে ঘরে ফিরে গেল মহিষ। বুড়ি চিতকার করে, বুড়োকে বের করে আনল ভেতর থেকে। শেয়ালকেও গোয়ালে ভরে দিল বুড়ো। 

চতুর্থ দিন একইভাবে একটা খরগোশ পেল বুড়োবুড়ি।

পরদিন সকাল হয়েছে। একটা ছুরি বের করে, শান দিতে বসেছে বুড়ো। ভালুক দেখতে পেয়ে, বলল—ছুরি শানাচ্ছো কেন গো?

--কেন আবার। তোমার চামড়া ছাড়াব। দিন কয় মাংস খাবো পেট ভরে। তারপর আমার একটা কোট, আর বুড়ির জন্য একটা বোরখা বানাব চামড়া দিয়ে। চামড়ার জিনিষ গায়ে দেওয়া, বহু দিনের সখ আমাদের। 

বুড়োর কথা শুনে, ভালুকের তো বুক ঢিবঢিব। কাতর গলায় বলে উঠল—দোহাই তোমার। কেটো না আমাকে। তার বদলে, প্রচুর টাটকা মধু এনে দেব তোমাদের। বুড়ো বয়সে দুজনে শক্তি পাবে শরীরে। 

কথাটা মন্দ লাগল না বুড়োর। তবু, একটু বাজিয়ে নেওয়া দরকার। বলল—আমাকে ধোঁকা দিয়ে, পালাবার ফন্দি আঁটছিস?

ভালুক জবাবে বলল—দ্যাখোই না একবার বিশ্বাস করে। কী এমন যাবে আসবে তোমার?

--ঠিক আছে, যা তাহলে। মধু নিয়ে ফিরে আসবি কিন্তু।

ভালুক বেরিয়ে গেলে, আবার ছুরিতে শান দিতে শুরু করল বুড়ো। নেকড়ে দেখতে পেয়ে বলল—ছুরিতে শান দিচ্ছ কেন? 

--কেন আবার? য়াগে মাংস খাবো। পরে তোর চামড়া ছাড়িয়ে মাথার টুপি আর হাতের দস্তানা বানাব দুজনের জন্য। বুড়ির বহুদিনের সখ, চামড়ার দস্তানা পরবে বলে।

নেকড়ে বলে উঠল—দোহাই, মালিক! আমাকে মেরো না। আমি তোমাকে এক পাল ভেড়া এনে দিচ্ছি। রেহাই দাও আমাকে।

--ঠিক আছে, যা। পালিয়ে যাবি না যেন। ভেড়ার কথাটাও ভুলবি না কিন্তু।

--দ্যাখোই না একবার বিশ্বাস করে। বলতে বলতে নেকড়ে বেরিয়ে গেল। 

আবার ছুরি শান দিচ্ছে, শেয়াল বুড়োকে বলল—ছুরি শান দিচ্ছো কেন গো?

বুড়ো বলল—কেন আবার? চামড়া ছাড়াব তোর। সামনে শীত কাল আসছে। দু’জোড়া মোজা বানাব দুজনের জন্য।

শেয়াল তো পণ্ডিত জীব। ভড়কে না গিয়ে, বলল—দু’জোড়া মোজা? সে আর কতটুকু জিনিষ। কী এমন লাভ হবে তোমার? আমাকে যদি ছেড়ে দাও, অনেক হাঁস-মুরগি এনে দেব তোমাকে। ঘর ভর্তি হয়ে যাবে তোমার।

বুড়ো ভাবল, মন্দ কী। বরং ভালোই হবে। ডিম আর মাংসের অভাব হবে না কোনদিন। শেয়ালকেও যেতে দিল বুড়ো। 

এখন খরগোশটাই আছে কেবল। বুড়োকে ছুরি শান দিতে দেখে, সে বলল—ছুরি শানাচ্ছো কেন গো? 

--কেন আবার? তোকে কাটব বলে। বুড়ো বলল—সবাইকে তো ছেড়ে দিয়েছি। কেবল তুই বাকি আছিস। কেটে ঝোল রেঁধে খাওয়া হবে। 

খরগোশ বলল—এইটুকুন শরীর আমার। এক বেলার বেশি দু’বেলার মাংসও পাবে না আমাকে মেরে। তার চেয়ে ছেড়ে দাও আমাকে—

বুড়ো তাকে থামিয়ে দিয়ে বলল—তার বদলে, তুই কী এনে দিবি আমাকে।

খরগোশ বলল—ফুলকপি-বাঁধাকপি, গাজর-মূলো, পালং-আলু কী চাই তোমার। ঝুড়ি ঝুড়ি শাকসব্জিতে হেঁসেল ভরিয়ে দেব তোমার। খেয়ে শেষ করতে পারবে দুজনে। যত দিন বাঁচবে, তত দিন দিয়ে যাব বাড়ি বয়ে।

খুশি মনে খরগোশকেও ছেড়ে দিল বুড়ো। দেখাই যাক বিশ্বাস করে।  

পর দিন। সকাল হয়নি তখনও ভালো করে। একটা কু-উ-র কু-উ-র শব্দ। শব্দ শুনে, বুড়ির ঘুম ভেঙে গেল। বুড়োকে ঠেলা দিয়ে বলল—দ্যাখো তো, কেউ বোধ হয় দরজা আঁচড়াচ্ছে আমাদের। 

ঘরের দরজা খুলে, বুড়ো বুড়ি দুজনেই অবাক। দাওয়াতেই উঠে এসেছে ভালুকটা। বিশাল আকারের কতকগুলো আস্ত মৌচাক ডাঁই করা তার পাশটিতে।  ফোঁটা ফোঁটা মধু গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ছে টইটুম্বুর চাকগুলো থেকে। 

ভালুকের পেছনে দাঁড়িয়ে আছে নেকড়েটা। সারা উঠোন জুড়ে এক পাল ভেড়া। ঠিক সেগুলোর পেছনে গাদা গাদা হাঁস আর মুরগি নিয়ে, শেয়াল হাজির। সবার পিছনে ছোট্ট খরগোশটা। ঝুড়ি ঝুড়ি শাকসব্জি নিয়ে এসেছে পুঁচকেটা।

বুড়োবুড়ির আনন্দে কথা সরছে না মুখে।   

ফিরে যাবার সময় নেকড়ে চুপ করে আছে। বাকি তিন জনে বকবক করতে লাগল বুড়োর সাথে-- নিজেদের বোকামিতেই ধরা পড়েছিলাম আমরা। তোমার কোন দোষ নাই। বরং তুমি বেশ ভালোমানুষই। বিশ্বাস করে ছেড়ে দিয়েছিলে আমাদের। আমরা তো নাও আসতে পারতাম। জীবন ফিরে পেয়েছি আমরা তোমার জন্য।

নেকড়ে এতক্ষণ চুপ করে ছিল। এবার বলল—অনেক বলেছিস। এবার তোরা চুপ কর। 

তিন জনকে থামিয়ে, নেকড়ে বুড়োকে বলল—আমরা যাচ্ছি। তবে একেবারে যাচ্ছি, ভেবো না। যখনই কিছু দরকার পড়বে, বনের ধারে গিয়ে একবার হাঁক পাড়বে শুধু। এসে হাজির হয়ে যাব আমরা।

চারজনে এসব কথা বলে গেল বটে, বুড়ো কোন দিন ডাক পাঠায়নি তাদের। বলবেই বা কেন? কেবল ভেড়া বিক্রি করে, অনেক টাকাপেয়েছিল তারা। তাই দিয়েই নতুন ঘরবাড়ি, জমিজমা সব হয়ে গেছে তাদের। কোন কিছুরই অভাব নাই আর দুজনের। 

আর, সেই খড়ের মহিষ? সেটার কথা আর মনেই ছিল না বুড়োবুড়ির। বেড়ার কাছে পড়ে থেকে থেকে, রোদে আর জলে, কখন খসে খসে পড়ে গিয়েছে, খেয়ালই করেনি তারা।


পেজে লাইক দিন👇

Comments

Trending Posts

‘পথের পাঁচালী’ এবং সত্যজিৎ রায় : একটি আলোচনা/কোয়েলিয়া বিশ্বাস

সনাতন দাস (চিত্রশিল্পী, তমলুক) /ভাস্করব্রত পতি

প্রাচীন বাংলার জনপদ /প্রসূন কাঞ্জিলাল

সর্বকালের প্রবাদপ্রতিম কবিসত্তা শক্তি চট্টোপাধ্যায় /প্রসূন কাঞ্জিলাল

শঙ্কুর ‘মিরাকিউরল’ বড়িই কি তবে করোনার ওষুধ!/মৌসুমী ঘোষ

বাংলা ব্যাকরণ ও বিতর্কপর্ব ১৮/অসীম ভুঁইয়া

মহাভারতের স্বল্পখ্যাত চার চরিত্র /প্রসূন কাঞ্জিলাল

ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা -১০৯