দূরদেশের লোকগল্প—আফ্রিকা (নাইজেরিয়া) /চিতার বিচার /চিন্ময় দাশ

দূরদেশের লোকগল্প—আফ্রিকা (নাইজেরিয়া) 

চিতার বিচার 

চিন্ময় দাশ

দেশে এক বছর ভয়ানক খরা। সবাই খুব কষ্টে আছে। খেতের ফসল খেতেই জ্বলে গেছে। সবুজের চিহ্নটুকুও নাই কোথাও। পিপুল বলো, বা গোলমরিচ—গাছের ফল গাছেই শুকিয়ে গেছে। মাটি ফুটিফাটা। শুকিয়ে গেছে মাটির নীচের বাদাম বা মিষ্টিআলুও। বনের সবাই পড়েছে মহা  মুশকিলে। 
ভাবনা নাই মাত্র একজনেরই। সে হোল চিতা। কেন না, সে তো আর শাক-সব্জি খায় না। অনাবৃষ্টি হোক বা অতিবৃষ্টি, তার কিছু আসে যায় না। খরা বা বন্যা নিয়ে মাথা ঘামাতে হয় না তাকে। 
বনের আর সবাই হা-হুতাশ করছে সারাটা ক্ষণ। হা-হুতাশ, অভিযোগ, কপাল চাপড়ানো চলছেই সব সময়। কেবল চিতারই কোন হেলদোল নাই। মাংসের অভাব নাই তার। বলতে কী, বনে যতদিন একটা প্রাণীও টিকে থাকবে, পেটের চিন্তা চিতার হবে না।
একদিন একটা সভা ডাকল চিতা। বনের সব্বাইকে হাজিরও করেছে সভায়। হেঁড়ে গলায় চিতা বলল— এই ভয়ানক খরায়, আমার যে কোন অসুবিধা হয়নি, দেখতেই পাচ্ছিস তোরা। এই বনে আমি রাজা, সেটাও তোরা জানিস সব্বাই। আমার গায়ে কত শক্তি, পায়ে কত জোর ভালোমতই জানা আছে তোদের। দৌড়ে আমার সাথে হরিণও যে পারে না, তাও কারও অজানা নয়। 
অনেকেই হাজির আছে জমায়েতে। সবাই শুনছে। চুপ করে আছে সকলে। এসব কথা তো সকলেরই জানা। এর জন্য সভা ডাকবার কী দরকার ছিল, সেটাই বুঝতে পারছে না কেউ। কিন্তু মুখও খুলছে না। 
চিতা নিজেই বলল কথাটা—রাজা মানেই তার গায়ে শক্তি থাকতে হবে। শক্তি মানেই খাদ্য চাই পেটে। শিকার ধরবার জন্য, দৌড়াদৌড়ি করা মানেই অকারণ শক্তি নষ্ট করা। সেজন্য আমি একটা নিয়ম ঠিক করেছি। এখানে যারা হাজির আছিস, একটা ভালো কথা বলছি তাদের। কেউ যদি আমার হাতে বেঘোরে মরতে না চাস, তাহলে বাড়িতে বুড়ি ঠাকুরমা যারা আছে, তাদের পাঠিয়ে দিবি আমার কাছে।
একেবারে নতুন একটা নিয়ম। কেউ শোনেনি কোনদিন। সবাই মুখ চাওয়া-চাওয়ি করতে লাগল। চিতা বলল—এতে তো দু’তরফেরই ভালো হোল। তোরা যুবকরা বেঁচে বর্তে রইলি। আমাকেও ছোটাদৌড়া করে হয়রাণ হতে হোল না পেট ভরাবার জন্য।
প্রস্তাবটা মন্দ নয়। সবাই রাজি হয়ে গেল। চিতা মনে করিয়ে দিল—শোন সকলে। এক একদিন এক একজনের পালা। বনে যেহেতু অনেকেই আছে, একবার পালার পর, দ্বিতীয় পালায় তোদের মায়েদের সময় আসতে অনেক দেরি। হয়তো খরাও কেটে যাবে ততদিনে।
নিয়মটা খুব যে পছন্দ হোল, তা নয়। তবে, নিজেদের প্রাণ বাঁচাবার জন্য, কম বয়েসিরা রাজি হয়ে গেল। 
প্রথম দিন একটা কাঠবেড়ালি এলো তার বুড়ি ঠাকুরমাকে নিয়ে। চিতার তো চিবোতেই হোল না পুঁচকেটাকে। কপ করে গিলে ফেলল।
তাতে কি আর পেট ভরে? চিতা গর্জন করে বলল—মস্করা হচ্ছে আমার সাথে। এক্ষুনি আর কাউকে পাঠা।
তখন একটা বনবেড়াল তার ঠাকুরমাকে ঠেলে দিল চিতার সামনে। হাড্ডীসার একটা ঘেয়ো বুড়ি। চিতা নাক সিঁটকে বলল—তাড়াতাড়ি আমার সামনে থেকে নিয়ে যা এটাকে। তাকাতেও ঘেন্না হচ্ছে আমার।
এবার এলো একটা বক। লিকলিকে একটা প্রাণী। কী আর করে, সেটাকেই পেটে পুরে, চিতা বলল—ঠিক আছে। আজকে আর নয়।
এইভাবে পালা করে খাদ্য নিজেরাই হেঁটে হেঁটে এসে হাজির হয়ে যাচ্ছে চিতার সামনে। বেশ আয়েস করে দিন কাটছে রাজার। 
এইভাবে কচ্ছপের পালা এলো একদিন। কিন্তু কচ্ছপ এলো একলা। সাথে কেউ নাই। অনেক সাক্ষীসাবুদ দিয়ে সে চিতাকে বোঝাতে পারল, যে তার ঠাকুরমা বেঁচে নাই। অনেক দিন আগেই মারা গেছে বুড়িটা। 
এভাবেই চলতে লাগল। দেখতে দেখতে ঠাকুরমারা উজাড় হয়ে গেল একদিন। হুকুমমত এবার মায়েদের পাঠাবার কথা। এবার বেঁকে বসল অনেকেই। অনেকেই রাজি নয় তার মাকে চিতার মুখে তুলে দিতে। সবচেয়ে আপত্তি যে দুজনের, তারা হোল কাঠবেড়ালি আর কচ্ছপ। কচ্ছপ এটাও ভালো জানে যে, এবার “আমার মা-ও মারা গেছে” একথা বলে, চিতার কাছে পার পাওয়া যাবে না। 
অনেক ভেবেচিন্তে, চিতার হাত থেকে মাকে বাঁচাবার একটা ফন্দি আঁটল কচ্ছপ। চিতা গাছে চড়তে ওস্তাদ, সবাই জানে। কিন্তু এদেশে অনেক পাম গাছ। সরল লম্বা গাছগুলোতে নিশ্চয় চড়তে পারবে না চিতা। এই ভেবে, বসে বসে একটা ছোট্ট ঝুড়ি বানালো কচ্ছপ।। শক্ত দেখে একটা লতা জোগাড় করল দড়ি হিসাবে। এবার হাঁচোড়-পাঁচোড় করে কোনও রকমে মাকে তুলে দিল একটা পাম গাছে। লতার দড়িতে ঝুড়িটাকে ঝুলিয়ে দিল গাছ থেকে। মা থাকবে ওপরেই। ঝুড়িতে করে প্রতিদিন খাবার পৌঁছে দেবে কচ্ছপ। 
সকাল সকাল মায়ের খাবার নিয়ে চলে আসে। মা ওপর থেকে ঝুড়ি নামিয়ে রাখে। খাবার ভরে দিলে, একটা টান দেয় দড়িতে। সেই ঝাঁকুনি দেখেই, ঝুড়িটা উপরে তুলে নেয় মা। হেলতে দুলতে কচ্ছপ চলে আসে সেখান থেকে। মায়ের মন খারাপ হলে, কোনদিন সে নিজেও মায়ের কাছে উঠে যায়। এভাবেই চলতে লাগল।  
একদিন কাঠবেড়ালির পালা এসে গেল মাকে চিতার কাছে পাঠাবার। তার কাছে মা ভারি প্রিয়জন। কিছুতেই ছাড়তে প্রাণ চাইছে না। কিন্তু তার মত ছোট্ট আর দুর্বল একটা জীবের করারই বা কী আছে? চোখের জল ফেলতে ফেলতে পাঠিয়ে দিতেই হোল মাকে। 
এবার কাঠবেড়ালির মনে পড়ল, কচ্ছপ তার ঠাকুরমাকে পাঠায়নি। এবারও ফাঁকি দেওয়ার কোন ফন্দি আঁটছে কি না, সেটা নজর রাখা দরকার।
পরের দিনের সকাল। সেদিন কচ্ছপের পালা। কাঠবেড়ালি বাদাম খাচ্ছিল গাছের ডালে চড়ে, চোখে পড়ে গেল, ঝোপঝাড়ের ভিতর দিয়ে কচ্ছপ যাচ্ছে। সাথে আবার কিছু খাবার দাবার। ভারি কৌতুহল হোল কাঠবেড়ালির। খাবার নিয়ে কোথায় যাচ্ছে ও? দেখতে হয় তো ব্যাপারটা! 
কচ্ছপ চলেছে এদিক ওদিক তাকাতে তাকাতে। কেউ যাতে তাকে দেখে না ফেলে, সতর্ক থাকে সে।  কিন্তু গাছের মাথায় বসে, কাঠবেড়ালি যে তাকে দেখে ফেলেছে, বুঝতেই পারেনি বেচারা। 
থপ থপ করে কচ্ছপ চলেছে তালগাছের দিকে। এ ডাল থেকে ও ডাল, এ গাছ থেকে ও গাছ লাফিয়ে লাফিয়ে কাঠবেড়ালিও চলেছে তার মাথার উপর দিয়ে।
কচ্ছপ একটা পামগাছের নীচে গিয়ে থামল। সেখানে অবাক কাণ্ড! কাঠবেড়ালি দেখে, একটা ঝুড়ি ঝুলে আছে ওপর থেকে। কচ্ছপ তার পিঠের খাবারগুলো ভরে দিতেই, ঝুড়িটা সোজা গাছের মাথায় উঠে গেল তরতরিয়ে। খানিক বাদে, নেমেও এল ঝুড়িটা। বেমালুম খালি। 
কাঠবেড়ালির তো ভিরমি খাওয়ার জোগাড়। এত ধূর্ত বুদ্ধি কচ্ছপের মাথায়। সরসর করে মাটিতে নেমে এল কাঠবেড়ালি। তাকে সামনে দেখে, কচ্ছপের তো ভিরমি খাওয়ার জোগাড়। কাঠবেড়ালি বলল—এতো ধূর্তামি তোমার? ঠাকুরমাকে তো পাঠাওইনি। এখন আবার মাকেও গাছের মাথায় তুলে লুকিয়ে রেখেছ? রাজার সাথে চালাকি? সাহস তো কম নয়? দাঁড়াও, দেখাচ্ছি মজা। 
কাঠবেড়ালি ছুট লাগালো চোঁ-চোঁ করে। লাফাতে লাফাতে সোজা রাজার বাড়ি। চিতা তখন বসে আছে খাবারের অপেক্ষায়। কাঠবেড়ালি সেখানে পৌঁছে বলল—বসে থাকাই সার হবে আজ। কচ্ছপ আসছে না আজ তার মাকে নিয়ে। সে সরে পড়েছে। 
--কী বললি? সরে পড়ছে? মানেটা কী এ কথার? গরগর করে উঠল চিতা। কচ্ছপের ফন্দিটা সাতকাহন করে বলতে লাগল কাঠবেড়ালি। 
চিতা তো লাফিয়ে উঠল শুনে। --চল তো আমাকে নিয়ে। মজা দেখাচ্ছি ব্যাটাকে।
--এখন গেলে কেবল তার মাকে পাওয়া যাবে। সে নিজে আসে একেবারে সক্কাল বেলায়। তার চেয়ে কালকে যাওয়াই ভালো। মা ব্যাটা দুজনকেই পাকড়াও করা যাবে।
চিতারও মনে ধরল কথাটা।  বলল—ঠিক বলেছিস। সেই ভালো। 
পরদিন সকাল সকাল রওনা দিয়েছে দুজনে। চিতাকে পথ দেখিয়ে গাছের তলায় এনেছে কাঠবেড়ালি। ফাঁকা ঝুড়িটা ঝুলছে গাছ থেকে। কাঠবেড়ালি বলল—এইবার আসবে কচ্ছপ। একটু আড়ালে না থাকলে, চোখে পড়ে যাব আমরা। সরে পড়বে ধূর্তটা। 
দুজনে লুকিয়ে রইল আড়ালে। কিন্তু সেদিন কচ্ছপের দেখা নাই। হোলটা কী? আসছে না কেন? এদিকে খিদে লেগেছে চিতার। সে বলল—ওরে হতভাগা, তুই চালাকি করছিস না তো আমার সাথে? 
ভয়ে থরথর করে কেঁপে উঠল কাঠবেড়ালি। তোতলাতে লাগল--সে সাহস আমার আছে? তাছাড়া তাতে আমার লাভটা কী? কালই ত আমার নিজের মাকে পৌঁছে দিয়েছি আমি।
চিতা ভেবে দেখল, কথাটা সত্যি বটে। কিন্তু তার আর দেরি সইছে না। চিতা বলল—নিশ্চয় কোনভাবে মালুম করে নিয়েছে কচ্ছপ, আমি এখানে আসছি। আসবেই না এদিকে। আর দেরি করে লাভ হবে না কিছু। মাটাকেই খেয়ে ফেলি। 
কাঠবেড়ালি বলল—কিন্তু তালগাছে চড়া কি সোজা কথা। পা ফসকে যায় যদি? 
চিতা ব্যাঙ্গের হাসি হেসে বলল—ঘটে একটু যদি বুদ্ধি থাকে তোর। কষ্ট করে গাছে চড়তে যাব কেন রে? ঝুড়িতে চেপেই ওপরে চলে যাব। ওর মা ভাববে, খাবার চাপিয়েছে ছেলে। টেনে তুলে নেবে ওপরে। তখন আর কী? কেল্লা ফতে। 
যেমন কথা, তেমন কাজ। চিতা ঝুড়িতে চেপে বসল। একটু বাদেই সর সর করে ওপরে উঠে যেতে লাগল  ঝুড়িটা। কাঠবেড়ালি কিন্তু একটু অবাকই হোল। চিতাকে অত সহজে কী করে তুলে নিতে পারল বুড়ি? তবে, একটু ফূর্তিও হতে লাগল তার। কচ্ছপের মায়ের ভবলীলাও সাঙ্গ হবে একটু বাদেই। চালাকির ফল পেয়ে যাবে হাতেনাতেই। 
কিন্তু অবাক হতে অনেক বাকি ছিল কাঠবেড়ালির। না রাজা, না সে নিজে আন্দাজ করতেই পারেনি, কচ্ছপ কতো বড় ফন্দি আঁটতে পারে। 
হয়েছে কী, গতকাল কাঠবেড়ালি তাকে হুমকি দিয়ে যাওয়ার পরই বুঝে নিয়ে নিয়েছে কচ্ছপ। নিশ্চয় রাজাকে ডেকে আনবে হতভাগা। তখনই ফন্দি এঁটে নিয়েছে কচ্ছপ। মরতে তো হবেই। তার আগে একটা উচিত শিক্ষা দিয়ে যেতে হবে চিতাকে। যতই  হোক না সে বনের রাজা। 

পরদিন ভোর না হতেই চলে এসেছে গাছের কাছে। একটু বেশি করেই খাবার এনেছে আজ। গাছে পৌঁছে খাওয়া সেরে নিয়েছে মায়ে-পোয়ে। ফাঁকা ঝুড়িটা আবার ঝুলিয়ে দিয়ে, গাছের মাথায় বসে আছে ঘাপটি মেরে।
চিতা ঝুড়িতে চাপতেই দুজনে মিলে টেনে তুলছে ওপরে। মা বলল—করছিসটা কী তুই? শত্রুকে ঘরে ডেকে আনছিস কেন?
কচ্ছপ ফিসফিস করে বলল—কোন কথা বোল না। দড়ি টেনে যাও। 
ঝুড়িতে চেপে, তাল গাছে চড়ছে। ভারি মজা চিতার মনে। ওপরে চোখ তুলে হাঁ করে আছে কাঠবেড়ালি। কখন চিতার পেটে যায় কচ্ছপ দুটো। মজা তার মনেও কম নয়। 

উঠতে উঠতে ঝুড়িটা যখন তালগাছের পাতা ছুঁয়ে ফেলল বলে, কচ্ছপ চেঁচিয়ে উঠল—মা, হাত আলগা।
আর যায় কোথা? মা ছেলে দুজনেই হাত আলগা করে দিয়েছে। উপরের ঝুড়ি, পলক না ফেলতে, ধপাস করে এসে আছড়ে পড়ল মাটিতে। সে আছাড়ে, চিতার তো হাড়গোড় ভেঙে যাওয়ার যোগাড়। ককাতে ককাতে লেজ তুলে সেই যে ছুট লাগাল, তার আর টিকির দেখা নাই। 
আর কাঠবেড়ালি? রাজার দুর্দশা দেখে, সেও এক লাফে উধাও। 
মাকে নিয়ে ধীরে সুস্থে গাছ থেকে নেমে এলো কচ্ছপ। মাকে বলল—অনেক হয়েছে, মা। এই বনেজঙ্গলে আর নয়। এখানে কেউ ভালো নয়। সবাই দুষ্টু। চলো, আমরা নদীর দিকে চলে যাই। 
সেদিন থেকে জলা জায়গাতেই থাকে কচ্ছপেরা। ডাঙার প্রানীদের সাথে মেলামেশা করেই না তারা। কাঠবেড়ালিও বড় একটা যায় না জলা জায়গার দিকে। 
আর চিতা? অনেক বড় শিক্ষা হয়েছে তার। তাকে একেবারে ঘোল খাইয়ে ছেড়ছে ব্যাটা। ছোট্ট প্রাণী হলে কী হবে, সেদিন থেকে কচ্ছপকে কক্ষনো ঘাঁটাতে যায় না রাজামশাই।

পেজে লাইক দিন👇

Comments

Trending Posts

‘পথের পাঁচালী’ এবং সত্যজিৎ রায় : একটি আলোচনা/কোয়েলিয়া বিশ্বাস

সনাতন দাস (চিত্রশিল্পী, তমলুক) /ভাস্করব্রত পতি

প্রাচীন বাংলার জনপদ /প্রসূন কাঞ্জিলাল

সর্বকালের প্রবাদপ্রতিম কবিসত্তা শক্তি চট্টোপাধ্যায় /প্রসূন কাঞ্জিলাল

শঙ্কুর ‘মিরাকিউরল’ বড়িই কি তবে করোনার ওষুধ!/মৌসুমী ঘোষ

বাংলা ব্যাকরণ ও বিতর্কপর্ব ১৮/অসীম ভুঁইয়া

মহাভারতের স্বল্পখ্যাত চার চরিত্র /প্রসূন কাঞ্জিলাল

ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা -১০৯