করম পূজা /সূর্যকান্ত মাহাতো

জঙ্গলমহলের জীবন ও প্রকৃতি

পর্ব - ৩৫

করম পূজা

সূর্যকান্ত মাহাতো

"আজ রে করম ঠাকুর ঘরে দুয়ারে
কাল রে, করম ঠাকুর শাঁখ নদীর পাড়ে।"

আজ করম। করমের দিন তাই সাত সকালেই উপবাসী ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা উচ্চস্বরে এই সুর আওড়ে থাকে। অনেকটা কবিতা ও গানের সংমিশ্রিত সুরে। গানে উল্লিখিত "শাঁখ" নদীর কথা এর আগে অরণ্যর জানা ছিল না। ভাবল, এমন নদী কি আদৌ আছে! 

অনুসন্ধানের জন্য অরণ্য মা কে বলল, "মা, সবাই যে সুর করে "শাঁখ" নদীর কথা বলছে, তেমন কোনও নদী কি আদৌ আছে?"

মা হেসে বললেন, "নেই কেন। অবশ্যই আছে। না হলে এমন একটা নাম উঠে আসবে কেন! "শঙ্খ নদী" নামে একটি নদী সত্যিই আছে। তবে সেটা অধুনা বাংলাদেশে। মায়ানমার সীমান্তে অবস্থিত মাদক পাহাড় হল "শঙ্খ নদী"-র উৎপত্তিস্থল। তারপর নানান পাহাড়ের পাদদেশ, গভীর বন জঙ্গল, পাহাড়ি জনপদ অতিক্রম করে দীর্ঘ ২৭০ কিলোমিটার পথ এঁকেবেঁকে পাড়ি দিয়ে চট্টগ্রাম জেলার সীমানা ঘেঁসে এই নদী বঙ্গোপসাগরে মিশেছে। ব্রিটিশ আমলারা এই নদীর নাম রেখেছিলেন সাঙ্গু নদী(sangu river)। আর বাঙালি আমলারা গেজেটিয়ারে সেই  "সাঙ্গু" নদীকেই আদর করে নাম রেখেছিলেন "শঙ্খ নদী"। এই "শঙ্খ নদী"ই হল 'শাঁখ নদী'।"

অরণ্য সঙ্গে সঙ্গে বলল, "কিন্তু বাংলাদেশের নদীটার সঙ্গে জঙ্গলমহলে পালিত "করম" পরবের যোগসূত্র কী?"

মা বললেন, "যোগসূত্র হল চাষবাস। তখন কুড়মিরাও ভালো চাষ বাসের সঠিক স্থান অনুসন্ধানে রত ছিল। তাই বিভিন্ন নদীর অববাহিকা অঞ্চলকেই বাসস্থান হিসাবে বেছে নিত। এভাবেই একদা সেই 'শাঁখ' নদীর তীরে "কুড়মি গড়" স্থাপিতও হয়েছিল। পরে ক্ষমতাশালী 'গোন্ডো' ও 'চেরো' রাজাদের আক্রমণে সেখান থেকে কুড়মিরা সরে চলে আসে পালামৌ জেলার দামোদর অববাহিকাতে। তাই শাঁখ নদীর সঙ্গে আমাদের পূর্ব পুরুষের যোগ। এখনও বাংলাদেশের একাধিক জেলায় মাহাতোরা বিচ্ছিন্ন ভাবে বসবাস করছে।"

মা আবারও বললেন, "এই যে তুই করমের ব্রত রেখেছিস। এই "করম" ঠাকুর কোনও অলৌকিক দেবতা নন। আমার যতটুকু মনে হয়, তিনি ছিলেন লৌকিক রাজা। এই জন্য তাঁকে "করম রাজা" নামেও ডাকা হয়। কেবল করম রাজা নন, তিনি 'করম গোঁসাই' নামেও পরিচিত। তাই তিনি লৌকিক দেবতা। চাষের কাজে সমস্ত প্রজাদের হয় তো তিনি অকুন্ঠ সহযোগিতা করতেন।" 

অরণ্য বলল, "করমের দিন কী কী আচার পালন করতে হয়? ভাদ্র মাসের যে কোনও একাদশীর দিনই কী করম উৎসব পালিত হয়?

অরণ্যর মা একটু হেসে বললেন, "না। ভাদ্র মাসের পার্শ্ব একাদশীর দিন করমের ব্রত পালন করা হয়। বাড়ির বড়রা উপোস করে না। একেবারেই ছোট ছোট কচি কাচাদের দল এই একাদশী পালন করে। কাকভোরেই উঠে পড়ে তারা। সারাদিন উপোস দিতে হয় বলে ঘুম থেকে উঠেই সকলে কিছু না কিছু খেয়ে নেয়। তারপর সারা দিন হেসে খেলে উপোস করে সময় কাটায়। মুখে মুখে করমের দিন সবাই ছড়া কাটে---"আমার করম ভাইয়ের ধরম।" কখনো বা সুর করে বলে,
আজ রে করম ঠাকুর ঘরে দুয়ারে
কাল রে করম ঠাকুর শাঁখ নদীর পাড়ে।

"আমার করম ভাইয়ের ধরম, বলে কেন!" অরণ্য কিছুটা অবাক হয়ে মাকে জিজ্ঞেস করল।

মা বললেন, "এটা খুবই তাত্বিক একটা ব্যাখ্যা। আমাদের ভাইয়ে ভাইয়ে জীবনযাত্রা ও আচার আচরণ কেমন হবে তার কথাই বলা হয়েছে। অর্থাৎ তুমি সর্বদাই সঠিক ভাবে "কর্ম" করে চলবে। আর ভাই সর্বদাই যথাযথ ভাবে "ধর্ম" রক্ষা পালন করে চলবে। "গীতা"-তে তো সে কথায় বলা হয়েছে। ভ্রাতৃত্ব বোধের মধ্য দিয়ে ধর্মে ও কর্মে শ্রেষ্ঠ বা মহান হওয়ার শিক্ষা তাই করমের গল্পেও প্রতিফলিত।" 
 
অরণ্য বলল, "তারপর..."

মা বললেন, "করমের দিন বাড়ির বাইরে গ্রামের সকল "পরবতী"(উপোসি ছেলে মেয়ে) একত্র হয়। আনন্দ ও উচ্ছ্বাসে সারাদিনটা তারা কাটায়। নাচ, গান, খেলাধুলা করে সময় পার করে। এরপর নিকটবর্তী বন থেকে তুলে আনে শাল পাতা। ভেঙে আনে শালের দাঁতন কাঠি। বনের কিছু রঙিন পাতাও সংগ্রহ করে আনে। শাল পাতা ও রঙিন পাতাগুলো দিয়ে বেশ নকশা করে করে খালা বানায়। সংগ্রহ করে ঝিঙা পাতা। করমে হরীতকী ফল লাগে। তাই অনেকে এই ফলও সংগ্রহ করে জঙ্গল থেকে।"

অরণ্যও এবার প্রথম করম করেছে। তাই সেও উপবাসী। বেশ খিদাও পাচ্ছে তার। তাই মাকে বলল, "কী ধরণের উপবাস দিতে হয় মা। কোনও কিছুই কি খেতে নেই?"

মা অরণ্যের শুকনো মুখটা দেখে বললেন, "নিয়ম তো নির্জলা উপবাস। তবে অনেকে পারে না বলে ঘোল জাতীয় কিছু তরল পান করে। আসলে কী জানিস, উপবাস ঈশ্বর উপাসনার কোনও অঙ্গই নয়। এটা শরীর গঠনের একটা অন্যতম পদ্ধতি। এর অনেক উপকার আছে। তবে হ্যাঁ, এর বাড়াবাড়ি করলে শরীরের ক্ষতি তো হবেই।"

অরণ্য কষ্ট করেই মায়ের কথা শুনতে লাগল।


মা বলে চললেন, "দিনভর এই সব টুকিটাকি জিনিস সংগ্রহ করে পড়ন্ত বিকেল বেলায় সমস্ত 'পরবতী'-রা স্নান করতে বেরোয়। কাছের নদী, বাঁধ কিংবা পুকুরে যায় তারা স্নান করতে। স্নান করতে যাওয়ার সময় সকলের মুখেই থাকে শালের দাঁতন কাঠি। দাঁতন কাঠি চিবিয়ে চিবিয়ে  তারা স্নানের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে। কখনো সুর করে ছড়া কাটে। কখনো বা ধরে গান। স্নানের পর তিনটি ঝিঙা পাতা পাশাপাশি বিছিয়ে দেয়। তাতে দেয় হলুদ বাটা আর একটি শালের দাঁতন কাঠি। প্রকৃতি বা সূর্যকে তারা প্রণাম করে। এটা অনেকটা পূজা করার মতোই। কোনও মন্ত্র নয়, বরং বলে, "লে রে তেল নেহরি"। 

অরণ্য এর অর্থ বুঝতে না পেরে বলল, তার মানে!

মা বললেন, "'নেহর' কথার অর্থ হল দন্ডবৎ। অর্থাৎ প্রকৃতিকে দন্ডবৎ জানাচ্ছে। স্নানের পর প্রকৃতিকে দন্ডবৎ জানাতে হয়। সেই শিক্ষা করমের মধ্য দিয়ে শিশুমনে ঢোকানো হয়। এরপর নকশা কাটা খালায় বালি কুড়িয়ে সকলে বাড়ি ফেরে।" 

অরণ্য অবাক। "বালি কেন?"

মা বললেন, "'জাওয়া' বসানোর জন্য। কুমারী মেয়েরা সাত, নয় কিংবা এগারো দিন আগেই যদিও জাওয়া রাখে। তবে অনেকে সেদিনও জাওয়া রাখে। এটা অনেকটাই প্রতীকী। বিরি, কুতথি প্রভৃতির দানা ফেলে অঙ্কুরোদগম ঘটানো হয়। হলুদ জল ছিটিয়ে অঙ্কুরোদগমকে ত্বরান্বিত করার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি কুড়মিরা কত প্রাচীন কালেই আবিষ্কার করেছিল।"

একটু থেমে মা ফের শুরু করলেন, "বড়োরা বিকেল বেলা করম গাছের দুটি ডাল কেটে আনে। কুড়মি মাহাতোরা এই করম গাছকে আদি গাছ রূপে মানে। কারণ এই বৃক্ষ নাকি সব থেকে প্রাচীন। কুড়মি মাহাতোরা চিরকাল প্রকৃতির পূজা করে আসছে। কোনও অলৌকিক মূর্তি পূজা কুড়মিরা করে না।
বৃক্ষ পূজা হল তার মধ্যে অন্যতম। সুতরাং করম পূজাও তাই একরকম বৃক্ষ পূজাই। করম গাছের শাখা প্রশাখার পূজা। করম গাছের ডাল দুটো কেটে লাল শালু কিংবা হলুদ কাপড়ে মুড়ে আনা হয়। করম গাছের ডাল কাটতে যাওয়ার সময় সকলেই গান ধরে---

'করম ডাল কাইটতে গেলি
করম ছলমল
রাজার বেটা বাহিরাঁঞছে
টাঙ্গি ঝলমল
সরু সুতায় বাঁধব নেহরি রে
মটা সুতায় বাঁধব পানডোরি রে'

"এবার ডাল দুটিকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে গাড়া হয়। একে 'ডালতল' বা ডাল গাড়ার স্থান বলে। পাড়ার মধ্যে আটচালা, কিংবা কোন ফাঁকা উপযুক্ত স্থানে এই ডাল গাড়া হয়। যাতে সকলে উপস্থিত হতে পারে।"

অরণ্য মা কে জিজ্ঞেস করল, "দুটো ডাল গাড়া হয় কেন?"

মা বললেন, "করমে দুটো ডাল কেন গাড়া হয় সে সম্পর্কে কিছু লেখক ও গবেষক তার ব্যাখ্যা দেয়ারও চেষ্টা করেছেন। দুটো ডালের একটিকে পুরুষ শক্তি, অন্যটিকে নারী শক্তির প্রতীক রূপে গ্রহণ করা হয়। পুরুষ শক্তি ও নারী শক্তি ছাড়া যেমন জীবের সৃষ্টি সম্ভব নয়, তেমনি সূর্য ও পৃথিবীর মিলন ছাড়া যথার্থ ফসল উৎপন্নও সম্ভব নয়। তাই একটি ডালকে সূর্য(পুরুষ) ও অন্য ডালকে পৃথিবী(স্ত্রী) রূপে পূজা করা হয়। এই দুই শক্তির মিলন উৎসব তাই "করম পূজা"। কারণ এই দুই শক্তির মিলনেই ফসল হবে যথার্থ ও সমৃদ্ধশালী।

"পশ্চিম আকাশে সন্ধ্যা নামলেই সব ছেলেমেয়েরা থালায় পুজোর অর্ঘ্য সাজিয়ে ডালগাড়া স্থানে উপস্থিত হয়। থালায় হরীতকী, জলন্ত প্রদীপ, শশা, মধু, ঘী, সিঁদুর ইত্যাদি রাখা হয়। বাড়ি থেকে যাওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হয়। প্রদীপ যেন নিভে না যায়। প্রদীপ নিভে যাওয়া মানে, ব্রতকারী নিশ্চয়ই সঠিক উপবাস পালন করতে পারেনি। এমনটাই  মনে করা হয়। তাই কারও প্রদীপ নিভে গেলে সকলে মজা করে তখন বলে ও নিশ্চয়ই জল খেয়েছে। যদিও ব্যাপারটা সেরকম নয়।"

মা কিছুটা উৎসাহ হয়ে বললেন, "করমে শসা ফলের ভূমিকা বিরাট। কেন জানিস?"

অরণ্য বলল, কেন?

মা বললেন, করমে শসাকে "ব্যাটা" হিসাবে মানা হয়। কুমারী মেয়েরা সন্তানবতী হওয়ার কামনাতেই শসাকে ব্যাটার প্রতীক রূপে গ্রহণ করে। 

পূজা শেষে করমু ও ধরমুর গল্প কথা বা কহনি শোনানো হয়। ধর্ম ও কর্মের মাহাত্ম্য কথাই হল সেই গল্পের বিষয়। সেই গল্প তো তোকে শুনিয়েছি। এরপর শরৎ আকাশের নিচে একফালি চাঁদের আলোয় সকলে মেতে ওঠে খুশির আনন্দে। করম গানে, পাঁতা গানে নেচে নেচে উঠে। কৃষি উৎসব বলে করম গানের নাচে যে শরীরের বিভঙ্গ প্রকাশিত হয় সেসব কৃষি কাজেরই এক একটি মুদ্রা। যেমন মাটি কাদা করা, ধান লাগানো, ধান কাটা ইত্যাদি। বেজে ওঠে মাদলের ধিতাং ধিতাং সুর। রাতভর চলে নাচ আর গান।  সমাজের কথা, পরিবারের দৈনন্দিন জীবন যাত্রার কথা, ভাই বোনের মধুর সম্পর্কের কথা, নারীর হৃদয় যন্ত্রণার কথা প্রভৃতি সব কিছুই সেই গানে গানে ফুটে উঠে।"

অরণ্য সে গল্প মায়ের কাছে কতবার শুনেছে। আজ করমের সন্ধ্যায় আরও একবার শুনবে। করমুর কষ্ট ও মুক্তির গল্প। তার দারুণ ভালো লাগে।

মা বলে চলেছেন, "গল্প কথা শুনে সকল 'পরবতী'রা বাড়ি ফিরে। এরপর ওরা কিছু খাবার খায়। যেমন রুটি, সুজি ইত্যাদি। খাবার খেয়ে ওরা শুয়ে পড়ে। পরদিন হল পান্না। সকালে ঘুম থেকে উঠে শাল কাঠির দাঁতন চিবিয়ে চিবিয়ে স্নান করতে যায়। আরও একবার স্নানের পর ঝিঙা পাতা বিছিয়ে তার ওপর দাঁতন কাঠি ও হলুদ বাঁটা রেখে প্রকৃতি ও সূর্যের পুজো করে। পূজার পর একটি ধান গাছকে গোড়া সহ উপড়ে নিয়ে আসে। এনে দেওয়ালের একটা নির্দিষ্ট অংশে দাঁড় করানো হয়। সেখানে সুন্দর করে অলপনা আঁকা হয়। এই ধান গাছকে পুজো করে তারপর ব্রত ভাঙতে হয়। তেল নুন ছাড়াই সবজির তরকারি ও বাসি ভাত খেয়ে ব্রত ভাঙার নিয়ম। এই নিয়ম ভাঙা যাবে না। গল্পের করমু এই নিয়ম ভেঙেছিল বলেই না তার কপাল পুড়েছিল!"

অরণ্য বলল, "পূজা শেষ হলেই কি সব শেষ?"

মা বললেন, "না। পুজো শেষে সেই উপড়ে আনা ধান গাছকে আবার যথাস্থানে পুঁতে দিয়ে আসতে হয়। ধান গাছের পূজাও একরকম বৃক্ষ পূজা। করম পূজা কৃষি মূলক হলেও করম ডাল ও ধানগাছের পূজার মধ্য দিয়ে বৃক্ষ পূজাকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। কারণ কুড়মি মাহাতো সহ সকল মুলবাসী মানুষেরা চিরকাল প্রকৃতি পূজারী। করম ছাড়াও অন্যান্য পুজোতে বৃক্ষকেই প্রতীক রূপে পূজা করে থাকে। এভাবেই হেসে খেলে, নেচে গেয়ে "করম পূজার" সমাপন ঘটে।

তথ্যসূত্র: ১) জঙ্গলমহল ও ঝাড়খন্ডী লোকদর্শন/ পশুপতি প্রসাদ মাহাতো
২) 
কুরমালি ভাষা ও সংস্কৃতি/কিরীটি মাহাত, বিশ্বনাথ মাহাত(সম্পাদনা)

পেজে লাইক দিন👇

Comments

Popular posts from this blog

মেদিনীপুরের বিজ্ঞানীদের কথা

মেদিনীপুরের চোখের মণি বিজ্ঞানী মণিলাল ভৌমিক /পূর্ণচন্দ্র ভূঞ্যা

মেদিনীপুরের রসায়ন বিজ্ঞানী ড. নন্দগোপাল সাহু : সাধারণ থেকে অসাধারণে উত্তরণের রোমহর্ষক কাহিনী /পূর্ণচন্দ্র ভূঞ্যা

মেদিনীপুরের পদার্থবিজ্ঞানী সূর্যেন্দুবিকাশ কর মহাপাত্র এবং তাঁর 'মাসস্পেকট্রোগ্রাফ' যন্ত্র /পূর্ণচন্দ্র ভূঞ্যা

ঋত্বিক ত্রিপাঠী / আত্মহত্যার সপক্ষে

রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি পরিষদ (NAAC) এর মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি: উদ্দেশ্য ও প্রস্তুতি - কলেজ ভিত্তিক অভিজ্ঞতা /সজল কুমার মাইতি

আসুন স্বীকার করি: আমরাই খুনী, আমরাই ধর্ষক /ঋত্বিক ত্রিপাঠী

শ্রেণি বৈষম্যহীন সমাজই আদর্শ সমাজ 'কালের যাত্রা' নাটকের শেষ কথা/সন্দীপ কাঞ্জিলাল

অংশুমান কর

প্রাচীন বাংলার জনপদ /প্রসূন কাঞ্জিলাল