রঙবদল /শ্রীজিৎ জানা

রঙবদল

শ্রীজিৎ জানা



কতবার বারণ করেছে পারুল
--- ছেলে বড় হচ্ছে তার কথা তো শুনবে নাকি? আমার কথা না হয় বাদই দিলাম।
--- ছেলে বড় হয়েছে মানে? মাথা উঁচু হলেই কি লায়েক বেনে গেল? তা বাদে তোমরা নিষেধ করলে আর আমি অম্নি রাজি হয়ে গেলাম? আমাকে কি ভাবো তুমি?
---নাহ্,  কিছুই ভাবি না।  শুধু দেখি বয়েস যত বাড়ছে মেজাজটাও তত তিরিক্ষি হচ্ছে। 
 ওই পর্যন্ত বলেই পারুল চলে যায় পুকুর ঘাটের দিকে। সতীশের তখনও কথা থামেনা। পার্টি অন্ত প্রাণ তার। পারুল জানে শত বাধা দিলেও মানুষটাকে আটকানো  যাবে না। তাছাড়া পারুল ভালোমত জানে  তার স্বামী আর পাঁচজনের থেকে আলাদা। একটু একগুঁয়ে তবে মনটা জলের মতো পরিস্কার।

 ম্যাট্রিকুলেশনে দারুন রেজাল্ট ছিল সতীশের। তবে অভাব তাকে বেশিদূরএগোতে দ্যায়নি।  সংসারে বড় হলে যা হয়!ঝড়ের দাপট সবদিন  বড় গাছকেই বেশি দুলিয়ে দিয়ে যায়। কখনও ঘাড় ভেঙে মাটিতে লুটিয়ে দেয়। সতীশকে তবে টলাতে পারেনি। গায়ে গতরে খাটতে তার ক্লান্তি নেই। পারুল জানে তার সংসারে ভাত কাপড়ের অভাব নেই। বিয়ের সময় তাকে বাবা বলেছিলে,
--- পারু মা রাজরানী হবিনি জানি, তবে স্বামীকে লিয়ে তোর গব্ব হবে।
 সত্যিই গর্ব হয় তার। কত লোক মান্যিগন্যি করে সতীশকে। গ্রামের বিপদে-আপদে সবার আগে ছুটে যায় সে। কোন কিছু বললেই বলে,
--- নিজেদের ভালো থাকাটা ভালো নয়। সবাইকে নিয়ে ভালো থাকবো এমন করে ভাবতে শেখো বগ বৌ।
সতীশের মতো করে ভাবতে পারেনা পারুল। একে সে ঘরপোড়া গরু। মেয়েটাকে নিয়ে তাকে কম ঝামেলা পোহাতে হয় নি। জমিজমা কিচ্ছু ছিল না ছেলেদের। শুধু কিনা ছেলে পড়াশুনা অনেকদূর করেছে। তার চেয়েও বড় কথা ছেলের ঘরে ওই এক পার্টিই করে। কারুর বাধা কানে তোলে নি। কিনা ছেলের বাপ পার্টি মেম্বার। কী দুর্দশাই না গ্যাছে সেই সময়। এখন অনেকটা হাল ফিরেছে।
আজকাল ছেলে সুজয়কে নিয়ে পারুলের যত ভাবনা,। পড়াশোনায় যথেষ্ট চৌকস সুজয়। স্কুলের স্যারেরা প্রশংসা করে বলেন,
---বাবার মতই হাতের লেখা  বাবার মতই সয়েন্সে তুখোড় আপনার ছেলে। ওর চাকরি ছাড়ায় কে? পারুলের চোখ চকচক করে উঠে খুশিতে।  পরক্ষণেই মুষড়ে পড়ে সে। সংসারে যা অবস্থা কি করে ছেলের পড়ার খরচ যোগাবে কে জানে! সুজয়ের টিউটর টিচার শ্যামলবাবু বাড়িতে প্রায়ই আসেন। সেদিন চা খেতে খেতে বলেন,
-- এইচ.এস দেবার পর ও আগে বেসিক ট্রেনিংটা করুক। আগে পায়ের তলার মাটিটা শক্ত হোক। তারপর হায়ার এডুকেশনে যাবে।
 পারুলের মন চায় না। ছেলের স্বপ্নের কথা সে জানে। কিন্তু সংসারের কথা ভেবে নিজেকে গুটিয়ে রাখে। টুকিটাকি চাষবাসের উপর সংসার চলে। সতীশ সারাদিন মিটিং মিছিলে ডুবে থাকে। সংসারে যে দুটো প্রাণী আছে সেসব দিকে তার কোন  নজর থাকে না। শ্যামলবাবুর কথাকে মনে মনে সায় দ্যায় পারুল। কারণ যা ভাবার তাকেই ভাবতে হবে।

বেসিক ট্রেনিং এর পর খুব বেশি দিন বসে থাকতে হয়নি সুজয়কে। বি.এস.সি পার্ট ওয়ান দেবার পরেই বাড়িতে ব্রাউন খাম পৌঁছায়.।এক আকাশ ভর্তি আনন্দ উপচে পড়ে পারুলের সংসারে। প্রাইমারিতে চাকরি পেয়েছে সুজয়। পারুলের মনে কত ভাবনা জড়ো হয়। এবার সে সংসারটাকে মনের মতো করে গুছাবে। তার আধমরা ইচ্ছে গুলোকে এবার হয়তো বাঁচাতে পারবে সযত্নে। মানুষটাকে সে আর খাটতে দেবে না। ইটের দেয়াল দেওয়া একটা  ঘর হবে। বাঁধানো উঠোন। বৌমা নাতি-নাতনি-- ভাবনা যেন থামতেই চায় না তার। নদীর মত ছুটে চলে দ্রুত বেগে। এমন সময় সুজয় আসে। বরাবর মুখচোরা ছেলে তার। মায়ের পাশে দাঁড়ায়। মুখখানা তার বড্ড ভার ভার দেখাচ্ছে।
---কি রে আনন্দের দিনে মনমরা আছু কেন?
--- আমার বিএসসি পড়ার কী হবে?
--- কেন পড়বি। এখন তো শুনি পারমিশন নিয়ে পড়া যায়।
--- পড়াতো যায়। কিন্তু  অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার তো দেখনি? কোথায় পোস্টিং হয়েছে জানো?
--- কোথায়? 
---জামবনী!
দূরে দাঁড়িয়ে ছিল সতীশ। কথাটা শুনে গুম মেরে যায় কিছুক্ষণ। পারুল হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে। একমাত্র ছেলে তার। কি করে একা একা সেখানে থাকবে! বয়সেই শুধু বড় হয়েছে তার ছেলে।এদিকে বেশ কয়েক মাস ধরে ওইসব অঞ্চলে ভয়ঙ্কর  সব ঘটনা ঘটে চলেছে। খবরের শিরোনামে তখন সব দিন জঙ্গলমহল। এইতো সেদিন এক শিক্ষককে ক্লাস চলাকালীন গুলি করে মারল দুষ্কৃতীরা!, চাকরি পাওয়ার আনন্দ মুহূর্তে যেন কর্পূরের মত উড়ে গেল। পারুল সতীশের দিকে তাকায়।
--- দেখো না যদি কিছু করে ট্যানেসফার করা যায়। --- এসব কি সুড়িমড়কি।হলেও তো এক্ষনি করা যাবে না। মিনিমাম  দু'বছর তো চাকরি করুক। তারপর একটা ব্যবস্থা করা যাবে খন।
 কথাগুলো মুখ দিয়ে বেরোলেও সতীশ  জানে এই মুহূর্তে এরকম সান্ত্বনা দেওয়া ছাড়া তার কোন উপায় নেই। কয়েক মাস ধরে তার সঙ্গে পার্টির সম্পর্ক একেবারে ভালো যাচ্ছে না। যে নীতি আদর্শ নিয়ে একদিন গর্বে বুক ফুলিয়ে বলে বেড়াত, তার অন্দরে চোরাস্রোতের মতো ঘুণ ধরে গ্যাছে। স্বার্থের টানে হু হু করে বেনোজল ঢুকেছে পার্টিতে। সেই লোভের জলোচ্ছ্বাস নীতি আদর্শের বেড়াকে ভেঙে দিচ্ছে প্রতিনিয়ত।  চোখের সামনে অন্যায দেখলেও মুখ খোলা আর কোন জায়গা নেই। পার্টির অনেকের আচরণ এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে যে  তাদের জন্য কত কথা সতীশকে হজম করতে হয় আজকাল।
--আরে  স্বার্থ ছাড়া কেউ পাটি করে নি। 
---ঠিক বলেছু। যে যার নিজের কোলে ঝোল মাখাতে ব্যস্ত।
---হ্যান কোরবো তেন কোনবো,আর ভিতরে ভিতরে পঁদ মারবো।
 সতীশ এসব কথায় পাত্তা দেয় না কখনো। সময় পেলে আবার রুখেও দাঁড়ায়। 
---পার্টির সবাই খারাপ নয়। এখনো অনেক ভালো মানুষ আছে,।যারা মানুষের কথা ভাবে।
 কিন্তু সতীশ আজকাল যেন প্রতিবাদের জোর পায় না। অনেকের জীবনযাত্রার রদবদল তাকে বোবা করে দেয়। মাঝে মাঝে মনে পড়ে তার প্রথম পার্টি জীবনে গুরুদেব সুভাষদার কথা। একবার গল্প করে বলেছিলেন,
---পার্টির নেতাদের পকেটে শুধু একটা লঙ্কা আর পেঁয়াজ থাকবে। এক মুঠা ফ্যানভাত পেলেই হল। এভাবেই নিজেদেরকে তৈরি করতে হবে পার্টির কাজে। মানুষের সুখেদুখের শরীক হতে হবে।
 আর এখন পার্টির ফুলটাইমারের  মুরগির ঠ্যাং আর বোতল ছাড়া চলে না। চার প্যাকেটে চারখানা মোবাইল। বাইক ছাড়া এক পাও নট নড়নচড়ন। সেদিকে ঝিটেবেড়ার ঘর ভেঙে কবেই কংক্রিটের দেয়াল তুলে দিয়েছে।

প্রত্যেকদিন দুর্ভাবনায় কাটে পারুলের। উঠতে বসতে কথা শোনায় সতীশকে।
--অমন একটা রাক্ষসে জায়গায় ছেলেটা পড়ে থাকবে? তুমি বাপ হয়ে কিছু করবে না? বিপদের দিনে পার্টি যদি না পাশে দাঁড়ায় তবে কিসের জন্য তার পেছনে পড়ে থাকো?
সতীশের মুখ দিয়ে কথা বেরোয় না। ছুটিতে সুজয় বাড়ি আসে।রাতের খাবার সময় সব কথা বলে। বাস স্ট্যান্ড থেকে পাঁচ কিলোমিটার ভেতরে তাদের  স্কুল। সাইকেল করে শালবনের ভেতর দিয়ে যেতে যেতে গা হাত পা ঠান্ডা হয়ে যায়! বন্দুক দেখিয়ে স্কুল বন্ধ করে দেয়। বেতনের অর্ধেক টাকা মাঝেমধ্যে দিয়ে দিতে হয় মুখবুজে। পারুল ঝরঝর করে কেঁদে ফেলে।
সতীশ  সামাল দেয়ার চেষ্টা করে,
--- জানো তো কোনদিন আমি নিজের জন্য পার্টির কাছে হাত পাতি নি। আজও পাতব না হলে স্বাভাবিক নিয়মে হোক, না হলে না হবে।
সুজয় খাবার খালার দিকে মুখ নিচু করে থাকে। বাবার সাথে কোনদিন চোখে চোখ রেখে কথা বলেনি।  কিন্তু এই মুহূর্তে বাবাকে যেন নিষ্ঠুর মনে হচ্ছে তার।  গর্জে ওঠে পারুল,
---তমার নীতিকথা   শুনে শুনে আমার গা হাত পচে গেছে। ছেলের কিছু হলে আমি কিন্তু তোমাকে ছেড়ে কথা বলবো না।
সুজয় ভাতের থালা ছেড়ে উঠে যায়। পারুল বাধা দ্যায়  না।সতীশ খাবার খালার কাছে চুপ করে বসে থাকে। কিছু বলতে পারেনা। শুধু একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস তার গলা বেয়ে উপরে উঠে আসে।

 সংসারে দায়িত্ব কোনদিন সেভাবে পালন করেনি সতীশ।ছেলেটার চোখে নিজেকে যেন অপরাধী মনে হয়। আরো মনে হয় ইদানিং একটা ভয় যেন চেপে বসছে তার মনে। অগত্যা দিবাকরদার কাছে গিয়ে সব কথা খুলে বলে সতীশ। পার্টির উচ্চ নেতৃত্ব দিবাকর। কথা শুনে হো হো করে হেসে ওঠে দিবাকর,
--- এটা আবার কথা হলো সতীশ।তুমি হলে আমাদের পার্টির বর্ষীয়ান নেতা। এত কাচুমাচু করার কি আছে? তোমার ছেলে তো আমারও ছেলে। কোন চিন্তা নেই। চিঠি লিখে দিচ্ছি জেলার পার্টি অফিসে জমা দিয়ে দাও।সব কাজ হয়ে যাবে।
এত সহজে দিবাকরদা চিঠি লিখে দেবে ভাবতে পারেনি সতীশ। কত অভিযোগ তার কানে এসেছে এই দিবাকরের নামে। সতী ভাবে তাহলে এখনো সব শেষ হয়ে যায় নি। কালকেই সে মেদিনীপুর যাবে। পারুলকে দ্রুত খবরটা দিতে মন ছটপট করে। আবার অন্য ভাবনাও তাকে কিছুটা ম্রিয়মাণ করে দেয়। এই প্রথম সে ব্যাক্তিগত স্বার্থে পার্টির দারস্থ হল। কিন্তু বয়সের কারণেই বোধহয় তারও খুব ইচ্ছে একমাত্র ছেলেটা তাদের কাছেই থাকুক।

ট্রান্সফারের চিঠি ছাড়া শুরু হয়েছে দপ্তর থেকে। মাস শেষ হতে আর দশ দিন বাকি। এ মাসের মধ্যে না চিঠি এলে, আর হবে না এখন। পারুল তাগাদা দেয়,
--- কি গো একবার খোঁজখবর নাও। ছেলে যে ফোন করেছিল  দুদিন পর নাকি জঙ্গলমহলে বনধ্ ডেকেছে ওরা। পোস্টার পড়েছে হুমকি লেখা।  ----তোমার সবেতেই তাড়াতাড়ি। দিবাকরদার সঙ্গে গত পরশু এক মিটিং এ কথা হয়েছে। বলেছে নিশ্চিন্ত থাকো, একেবারে ঘরের কাছেই পাবে।
কথাগুলো পারুনকে বলল ঠিকই কিন্তু সতীশের মনেও যেন একটা খটকা হচ্ছিল। আজকাল পার্টি কখন যে কি সিদ্ধান্ত নেয় তার সামান্যটুকু আভাস টের পাওয়া যায় না। হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারেনা সতীশ। সাতসকালে বেরিয়ে পড়ে সে। এখনো অনেকে তাকে পার্টিতে সম্মান করে। তাদের মাধ্যমে জানতে চাইবে ভেতরের ব্যাপারস্যাপার। 

 হঠাৎ পথে অশোকের সঙ্গে দেখা হয় সতীশের। অশোক পার্টিতে নতুন এসেছে। তবে সতীশকে সে গুরুদেব বলে মানে। দেখা হতেই নিজস্ব ভঙ্গিমায় বলে ওঠে,
---এত সকালে কোথায় গুরুদেব? 
---একটু পার্টি অফিসে যাব। তারপর -তুমি এ পথে যে?
--আমি তো আপনার কাছেই যাচ্ছি।
---আমার কাছে? কেন?
--- আপনি যে জন্য পার্টি অফিসে যাচ্ছেন সেজন্য।
---কি জন্য যাচ্ছি তুমি জানো?
---অবশ্যই। আর তা হল ছেলের ট্রান্সফারের ব্যাপারে। কিন্তু সেটা যে হবে না তা আগেই জানতাম। ---কি করে জানলে।
----আপনাকে যে চিঠি দিয়েছিল দিবাকরবাবু তাতে কোন কালিতে সই করেছিল জানেন? 
---কেন? কালির সঙ্গে এসবের কি আসে যায়?
--- আগে আসতো না কিন্তু এখনো অনেক কিছুই আসে যায়।
লেধুস মাছের মত মুখ করে সতীশ বলে,
--- কালো কালিতে।
--- কালো মানে বাতিল। মানে পার্টির একনিষ্ঠ নয়। আর নীল কালি মানে সে পার্টির একনিষ্ঠ।তাছাড়া পার্টি ফান্ডে  সে টাকা দিয়েছে এবং পার্টির জন্য কাজও করবে।
পার্টির নবাগত যুবক পার্টির নতুন প্যাঁচ-পয়চার শোনাছেন বর্ষীয়ান নেতা সতীশকে। জীবনের অর্ধেককাল যে ঝান্ডা কাঁধে কাটিয়ে দিয়েছে। উদভ্রান্তের মত অশোকের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে সতীশ। সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না সে। আশপাশটা তার ভীষণ ফাঁকা মনে হচ্ছে। ভাবে এত পচন ধরে গ্যাছে পার্টির ভিতরে! 
চোয়াল শক্ত করে বাড়িমুখো হয় সতীশ। অস্তায়মান সূর্যের গাঢ় লাল রঙ ক্রমে ফিকে হচ্ছে পশ্চিম দিগন্তে। সতীশ জেনে যায় কালকের লাল টুকটুকে দিন আসতে পেরোতে হবে একটা মিশকাল পাপবিদ্ধ রাত। 

পেজে লাইক দিন👇

Comments

Popular posts from this blog

মেদিনীপুরের বিজ্ঞানীদের কথা

মেদিনীপুরের চোখের মণি বিজ্ঞানী মণিলাল ভৌমিক /পূর্ণচন্দ্র ভূঞ্যা

মেদিনীপুরের রসায়ন বিজ্ঞানী ড. নন্দগোপাল সাহু : সাধারণ থেকে অসাধারণে উত্তরণের রোমহর্ষক কাহিনী /পূর্ণচন্দ্র ভূঞ্যা

মেদিনীপুরের পদার্থবিজ্ঞানী সূর্যেন্দুবিকাশ কর মহাপাত্র এবং তাঁর 'মাসস্পেকট্রোগ্রাফ' যন্ত্র /পূর্ণচন্দ্র ভূঞ্যা

ঋত্বিক ত্রিপাঠী / আত্মহত্যার সপক্ষে

রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি পরিষদ (NAAC) এর মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি: উদ্দেশ্য ও প্রস্তুতি - কলেজ ভিত্তিক অভিজ্ঞতা /সজল কুমার মাইতি

আসুন স্বীকার করি: আমরাই খুনী, আমরাই ধর্ষক /ঋত্বিক ত্রিপাঠী

শ্রেণি বৈষম্যহীন সমাজই আদর্শ সমাজ 'কালের যাত্রা' নাটকের শেষ কথা/সন্দীপ কাঞ্জিলাল

অংশুমান কর

প্রাচীন বাংলার জনপদ /প্রসূন কাঞ্জিলাল