জ্বলদর্চির 'কেন লিখি' প্রকাশ করলেন উপাচার্য শিবাজীপ্রতিম বসু

জ্বলদর্চির 'কেন লিখি' প্রকাশ করলেন উপাচার্য শিবাজীপ্রতিম বসু


লেখকরা কেন লেখেন! তাই নিয়ে জ্বলদর্চির এবারের বিশেষ সংখ্যা। শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২) এই বিশেষ সংখ্যার আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করলেন বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শিবাজীপ্রতিম বসু। 


বিষয় যাই হোক, যা সৃষ্টিশীল রচনা-- তা-ই এখানে 'লেখা'। কিন্তু কেন লিখি? এ এক অবশ্যম্ভাবী আত্মজিজ্ঞাসা--সমস্ত সৎ লেখকের কাছে। এই স্বাস্থ্যকর প্রশ্নের উত্তরে কলম ধরেছেন এসময়ের স্বনামধন্য ৫৩ জন লেখক। তাঁরা নিরপেক্ষভাবেই জানিয়েছেন তাঁদের আত্মজ অভিমত। এইসব অভিমত জবাবদিহিও বটে, সাহিত্যের এক ভিন্ন ধারাও বটে। পত্রিকার আনুষ্ঠানিক প্রকাশ শেষে উদ্ধোধক তথা উপাচার্য তাঁর অনুভব প্রকাশ করেন। তাঁর কথায় উঠে আসে সাহিত্য সৃষ্টির আনন্দ। উঠে এলো কেন লেখকরা লেখেন তার ব্যাখ্যা।

২০১২ এবং ২০১৩ সালে জ্বলদর্চি থেকে প্রকাশ পেয়েছিল 'কেন লিখি' প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড। এবার প্রকাশ পেল তৃতীয় খণ্ড। এ সংখ্যায় পুনর্মুদ্রিত হয়েছে জীবনানন্দ দাশ, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ মোট ছ'জন কালজয়ী লেখকের লেখা। প্রচ্ছদ এঁকেছেন শ্যামল জানা। 

এই বিশেষ সংখ্যা ছাড়াও এদিন প্রকাশ পায় জ্বলদর্চির উৎসব সংখ্যা। প্রকাশ করেন অধ্যাপক সত্যজিৎ সাহা।

উৎসব সংখ্যায় স্মৃতিগদ্য লিখেছেন সমরেশ মজুমদার। জাদুকর পি সি সরকার জুনিয়রের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মৌসুমী ঘোষ। এছাড়াও রয়েছে একগুচ্ছ কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ। প্রচ্ছদ এঁকেছেন সুরজিৎ সিনহা। 

উপাচার্যের দপ্তরে এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন  স্মৃতি সাহা, সুভাষ জানা, মৌসুমী ঘোষ, সিদ্ধার্থ সাঁতরা, সুব্রত দাস, জ্যোতিপ্রকাশ সাহা, রীতা দেব বেরা, অভিজিৎ দে,  ঋত্বিক ত্রিপাঠী প্রমুখ কবি সাহিত্যিক। অনুষ্ঠানের সূত্রধর ছিলেন সঞ্জীব ভট্টাচার্য। 

উল্লেখ্য, এ বছর জ্বলদর্চি তিরিশ বছরে পড়ল। ৩০ বছর উপলক্ষ্যে চিত্রশিল্পী শ্যামল জানা করেছেন বিশেষ লোগো (ওপরের)। আর, চিত্রশিল্পী অমিত মণ্ডল করেছেন অক্ষরবিন্যাস (নিচে)। দুই শিল্পকর্মেই ধরা পড়েছে বিশেষ ব্যঞ্জনা, জ্বলদর্চির নিজস্ব মেজাজ।
 জ্বলদর্চির এই দীর্ঘ যাত্রায় জড়িয়ে আছে লিটল ম্যাগাজিনের অন্তহীন লড়াই ও সংগ্রাম। মুদ্রিত সংখ্যার পাশাপাশি জ্বলদর্চি এখন ওয়েব মাধ্যমেও। প্রতিদিন প্রকাশ পাচ্ছে নানা স্বাদের গদ্য-পদ্য। থাকছে দেশ বিদেশের সাহিত্য সংস্কৃতি ও বিজ্ঞানের ধারাবাহিক। প্রতি রবিবার প্রকাশ পাচ্ছে ছোটোদের বিভাগ 'ছোটোবেলা'।

পেজে লাইক দিন👇

 

Comments

Popular posts from this blog

মেদিনীপুরের বিজ্ঞানীদের কথা

মেদিনীপুরের চোখের মণি বিজ্ঞানী মণিলাল ভৌমিক /পূর্ণচন্দ্র ভূঞ্যা

মেদিনীপুরের রসায়ন বিজ্ঞানী ড. নন্দগোপাল সাহু : সাধারণ থেকে অসাধারণে উত্তরণের রোমহর্ষক কাহিনী /পূর্ণচন্দ্র ভূঞ্যা

মেদিনীপুরের পদার্থবিজ্ঞানী সূর্যেন্দুবিকাশ কর মহাপাত্র এবং তাঁর 'মাসস্পেকট্রোগ্রাফ' যন্ত্র /পূর্ণচন্দ্র ভূঞ্যা

ঋত্বিক ত্রিপাঠী / আত্মহত্যার সপক্ষে

রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি পরিষদ (NAAC) এর মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি: উদ্দেশ্য ও প্রস্তুতি - কলেজ ভিত্তিক অভিজ্ঞতা /সজল কুমার মাইতি

আসুন স্বীকার করি: আমরাই খুনী, আমরাই ধর্ষক /ঋত্বিক ত্রিপাঠী

শ্রেণি বৈষম্যহীন সমাজই আদর্শ সমাজ 'কালের যাত্রা' নাটকের শেষ কথা/সন্দীপ কাঞ্জিলাল

অংশুমান কর

প্রাচীন বাংলার জনপদ /প্রসূন কাঞ্জিলাল