ব্যস্ততা
রেবা সরকার

চোখের পাতা ছুঁয়ে দেখো কেমন করে চক্ষু মেলি। 

দূরে ওই আঁকাবাঁকা পাথুরিয়া পথ। 
চারচাকা যান গলি পথে চলে কখনও সখনো 
জোছনা রাতে হেঁটে যায় আমার প্রিয়তম। 
তুমি ছাড়া চোখ মেলে দেখিনি কখনও
চোখের বায়না বুঝতে পারোনি। 
আবদারের ভালোলাগা আর ভালোবাসা বুঝি রূপসী পাখি! 
ভ্রান্ত অবুঝ মন হারায়। 
দুপুর হতে বুকে জমতে থাকে অবেলা। 

চোখের পাতায় নিজের হাত রেখেছি 
 দেখব কেমন করে! 


ভালোবাসা হারালে বুকের পাঁজরে অসুখ করে। 

সংসার বাঁধন রেখে চলে
দেখো বাঁধনের মূল্য 
আধপোড়া বুকেও আলো জ্বলে। 

 জলের কাছে কথা বলতে বলতে--
                                          খরা দুপুর।  গ্রীষ্মকালে আলো ফোটে বেশি।
হঠাৎ উড়ন্ত মেঘের বৃষ্টি এলে ভিজিয়ে দেয়  কাচের জানলা। 

পুরনো মেঘের বৃষ্টিতে ছিল কাব্যের ভাষা লেখায় ছিল টইটম্বুর উঠোন ঘর। 

সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে লিখতে হয় 
লিখতে হয় যখন তখন, এবং... 

🍂


আমাদের কোনও বাড়িঘর ছিল না। 
এই যে দুপুর, বিকেলভর বিশ্রাম। 
স্বপ্নের শিহরণে ডুবে যেতে হয় ফুলের ভিতর
আকাশ নেমেছে যেখানে 

ফিরে দেখা স্বপ্ন সাজাতে সাজাতে 
পায়ের কাছে মাথা নিচু হয়
কথার বার্ধক্য নামে।