সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হল জ্বলদর্চি'র নববর্ষের বৈঠকি আড্ডা ১৪৩৩
প্রতিবছরের মতো এবারও জ্বলদর্চি'র নববর্ষের বৈঠকি আড্ডায় বসেছিল চাঁদের হাট। পত্রিকা-বই প্রকাশ, সম্মানজ্ঞাপন, যন্ত্রসংগীত, আবৃত্তি, স্মৃতিচারণ, আড্ডার মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে মঙ্গলবার(১৪ এপ্রিল, ২০২৬) সন্ধ্যায় মেদিনীপুর শহরের জ্বলদর্চি দপ্তরে উপস্থিত হয়েছিলেন লেখক, সম্পাদক, শিল্পী, সংস্কৃতিপ্রেমী।
অরূপ দণ্ডপাটের যন্ত্রসংগীত দিয়ে সূচনা হয় ১৪৩৩ নববর্ষের বৈঠকি আড্ডার। প্রকাশ পায়—সুমন রায়ের দুটি কবিতার বই 'বুকে ধরে তোমার রুমাল' ও 'ELF IN GREEN SALWAR', দিলীপ মহান্তীর দুটি কাব্যগ্রন্থ 'সকল মাধুরী লুকায়ে যায়' ও 'আকাশ রচনা করি', অরুণ দাসের কবিতার বই 'চূর্ণীকে লেখা চিঠি', সর্বজয়া নন্দ আচার্য-র কবিতার বই 'দিগন্তের দীর্ঘশ্বাস', ভবেশ মাহাত-র ছড়ার বই 'দিশারীদের ডায়েরি'। প্রকাশিত বইগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করেন মেদিনীপুর কলেজের অধ্যাপিকা সালেহা খাতুন।
জ্বলদর্চি'র ১৪৩৩ নববর্ষ সংখ্যা প্রকাশ করেন দোলনচাঁপা তেওয়ারি দে ও শর্মিষ্ঠা বসু তরফদার। এই সংখ্যায় রয়েছে তমলুক শহর নিয়ে বিশেষ ক্রোড়পত্র। তমলুক শহরের উল্লেখযোগ্য কিছু স্থানের স্কেচ এঁকেছেন শিল্পী চন্দন বৈতালিক আর ওই স্থানগুলোর ঐতিহাসিক গুরুত্ব নিয়ে লিখেছেন প্রদীপ্ত খাটুয়া। এছাড়া আছে একগুচ্ছ কবিতা, অণুগল্প, নববর্ষ বিষয়ক নিবন্ধ।
এদিন বৈঠকি আড্ডায় জ্বলদর্চির পক্ষ থেকে সম্মানজ্ঞাপন করা হয় প্রাবন্ধিক বিশ্বরঞ্জন ঘোড়ই, কবি সিদ্ধার্থ সাঁতরা, সম্পাদক কেশব মেট্যা, গল্পকার সন্দীপ দত্ত ও লেখক বিশ্বনাথ ঘোষ-কে। আবৃত্তি করেন স্বাতী ভৌমিক। স্মৃতিচারণ করেন আদিদেব ত্রিপাঠী। আড্ডার সূত্রধর ছিলেন সঞ্জীব ভট্টাচার্য।
বর্তমান জ্বলদর্চি মুদ্রিত আকারে ত্রৈমাসিক। তবে পত্রিকার নিজস্ব অ্যাপ প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্তে। উল্লেখ্য, জ্বলদর্চি পত্রিকা ৩৪ বছর ধরে দুই মেদিনীপুর থেকে একযোগে প্রকাশ পাচ্ছে। আগামী বছর তথা ২০২৭ সালে ৩৫ বছর উপলক্ষ্যে রয়েছে নানা পরিকল্পনা।
2 Comments
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে খুব ভালো লাগলো। আর প্রকাশিত বইগুলি পর্যালোচনা করতে গিয়ে নিজের পাঠ পরিধির বিস্তার ঘটলো।সম্পাদককে এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ১৪৩৩ নববর্ষের শুভেচ্ছা।
ReplyDeleteএমন অনুষ্ঠান বারবার ফিরে আসুক।আমরা অপেক্ষায় থাকি।প্রতিবার সমৃদ্ধ হই অনেক।
ReplyDelete