সুরজিৎ গুছাইত
বিলীয়মান
তোমাকে বড় বেশী আপন করেছি
জারিত করেছি নিজের গভীরে।
তোমার লীনতাপে মুখ গুঁজে
কেটে গেছে কত সূর্যখসা নিরুত্তাপ বিকেল।
তন্দ্রাছন্ন কুসুম ভালোবাসায়
হয়ে গেছি পিচ্ছিল ও সবুজ।
তারপর ভোর রাতে.....
একফালি ঘুম জড়ানো চাঁদের ছায়ায় দেখি
আমার জলজ কোমর জড়িয়ে
এক সর্পিল শ্যাওলা।
আর ভালোবাসা-
দগ্ধতায় পোড়া এক মুঠো ছাই।
নির্বাক
পিয়নটা চিঠিটা দিয়ে গেল-
তোমার চিঠি।
তুমি লিখেছ-
"বাইশে শ্রাবণ সকালে এখানে এসো
এসো লক্ষ্মীটি-"
জায়গাটার নাম ময়নাগুড়ি।
তোমার ইচ্ছে-
তুমি আর আমি যাবো
যাবো সেইখানে যেখানে
প্রথম আলাপ আমাদের।
তোমার চিঠির কোন উত্তর দিলাম না।
কি লিখব? তুমি তো জানো না-
বাইশে শ্রাবণ সকালেই
সুমি কে নিয়ে ফিরতে হবে
ওর মা - বাবার কাছে।
ঐদিন তো 'অষ্টমঙ্গলা' ভাঙ্গার দিন।
বাবার জন্য
মায়ের জন্য সবাই বলে
বাবার হয়ে বলি,
অন্তর যার অসীম আকাশ
চাঁদখানা এক ফালি।
মেঝের ওপর ছেঁড়া চাটাই
গামছা খানাও ছেঁড়া,
তবুও চোখে স্নিগ্ধ শীতল
পাই খুঁজে আস্কারা।
নগ্ন শরীর স্তব্ধ জীবন
তবুও স্বপ্ন ফেরী,
রামধনু রঙ ছড়িয়ে আদর
ভাসায় আপন তরী।
0 Comments