গগনজ্যোতি স্কুলের ক্রিকেট ম্যাচ : তেইশ
রতনতনু ঘাটী
খুব খিদে পেয়েছিল লোকনের। সেই কখন স্কুলে যাওয়ার সময় দু’ মুঠো ভাত খেয়ে বেরিয়েছিল। রাধাপিসি আজ পাঁচমিশেলি আনাজ দিয়ে তরকারিটা ভালই রান্না করেছিল। তারই কিছুটা পারুলমণি তুলে রাখতে বলেছিল রাধাপিসিকে।
এখন সেই তরকারি দিয়ে মুড়ি খেতে-খেতে লোকন জিজ্ঞেস করল, ‘দিদি, তুই স্কুল থেকে ফিরে কিছু খেয়েছিস তো?’
‘তোর আসার পথের দিকে চেয়ে-চেয়ে দু’ মুঠো মুড়ি খেয়ে নিয়েছি।’
লোকন পাতের শেষ গ্রাসটা মুখে পুরে জিজ্ঞেস করল, ‘দিদি, তুই নতুন কী একটা জিনিস দেখাবি বললি যে তখন? কই দেখা!’
ভাইয়ের হাত ধরে টেনে নিয়ে গিয়ে ভাইবোন দাঁড়াল অন্ধ মাছটার কাচের জারের সামনে। জারের গায়ে হাত বোলাতে বোলাতে পারুলমণি বলল, ‘ভাই, আমাদের নয়নীর জারে নতুন কিছু একটা তুই দেখতে পাচ্ছিস না?’
‘ও মা! তাই তো! ওটা কী রে? ওকে কোথা থেকে আনলি দিদি?’
পারুলমণি হেসে বলল, ‘ও হল সুনয়নী! তোর অন্ধ মাছের নাম তুই রেখেছিলি নয়নী! আমি আজ নয়নীর বন্ধু হবে বলে ওই মাছটাকে অমিতাভ সেনজেঠুর মাছঘর থেকে ভিক্ষে চেয়ে এনেছি! ওর নাম রেখেছি সুনয়নী। কেমন মিলিয়ে নামটা রেখেছি বল দেখি ভাই? আচ্ছা দ্যাখ তো ভাই, ওদের দুটো মাছের মধ্যে বেশ ভাব হয়েছে তো রে? আমি তো দেখতে পাই না! ’
‘ওদের দু’জনে খুব ভাব হয়ে গেছে রে দিদি?’
‘হবে না কেন? একজন চোখে সাগরের জলকণাও দেখতে পায় না, আরজন উত্তাল জলরাশি দেখতে পায়। কী মজা বল দেখি ভাই? আমি খুব ছোটবেলায় একটা আশ্রমের এক অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। তুই তখন খুবই ছোট। বাবা তোকে নিয়ে যায়নি। আমাকে হাতে ধরে নিয়ে গিয়েছিল বাবা। সেখানে একজন সন্ন্যাসী তাঁর নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলছিলেন মাইক্রোফোনে। তিনি বলছিলেন, ‘এরকম এক অনুষ্ঠানে আমি উপস্থিত ছিলাম। সেখানে দেখলাম, জন্মান্ধ একটি মেয়েকে হাতে ধরে নিয়ে সেই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের হলে ঢুকল একটি ছেলে। ছেলেটি কিন্তু চোখে দেখতে পায়। শুনলাম, ওরা দু’জন খুব বন্ধু। মেয়েটি তো বই পড়তে পারে না। তখন ব্রেইল আসেনি আমাদের এদিকে। মেয়েটিকে ধর্ম সম্পর্ক বক্তৃতা শোনাতে নিয়ে এসেছিল ছেলেটি। কিছুদিন পরে শুনেছি, ওরা দু’জনে বিয়েও করেছিল! ওদের সঙ্গে পরে আমার দেখা হয়েছিল। আমি ওদের বুকভরে আশীর্বাদ করেছিলাম। আসলে কোনও কিছুর জন্যে পৃথিবীতে কারও কিছু আটকে যায় না! ঈশ্বর একজনকে চোখে দৃষ্টি দেননি তো কী হয়েছে, অন্ধ মেয়েটি ছেলেটিকে তো পেয়েছে! সে-ইই তো তাকে চক্ষুষ্মান করে তুলেছে। এখন ওদেরও জীবনও ফুলে-মুকুলে ভরে উঠেছে!’ বল ভাই, কী সুন্দর না গল্পটা! কিন্তু এ তো গল্প নয় রে, সত্যি!’
লোকন মন দিয়ে দিদির মুখ থেকে শুনছিল সন্ন্যাসীর ভাষণ। লোকন ব্যাটে ছয় মারার আগে যেভাবে চোখ পিটপিট করে, এখন হঠাৎ চোখ পিটপিট করে লোকন বলল, ‘দিদি, তোকে একটা কথা বলব?’
‘কী বলবি, বল না!’
লোকন গলায় জেদ এনে বলল, ‘আমি যখন আরও খানিকটা বড় হব, তারপর একদিন চোখে দেখতে পায় এমন একটা ছেলেকে খুঁজতে বেরোব। তাকে পেয়ে গেলে বলব, ‘আমার দিদি চোখে দেখতে পায় না! কিন্তু জানো, আমার দিদিটা খুব ভাল! তুমি আমার দিদিকে বিয়ে করবে?’
ঠোঁটে টুকরো হাসি ঝরে পড়ল পারুলমণির। লোকন দিদির সেই হাসি দেখে বলল, ‘কী রে দিদি, তুই আমার কথা শুনে হাসছিস যে বড়? তুই দেখে নিস দিদি, একদিন...!’
পারুলমণির গলায় গর্বের সুর ঝিলিক দিয়ে উঠল। বলল, ‘এই না হলে তুই আমার ভাই! পৃথিবীতে সব বোনেদের এরকম একজন করে ভাই থাকলে, তাদের কোনও দুঃখ থাকে না! এই জন্যে যেসব অন্ধ মেয়েদের কিছুই থাকে না, তোর মতো তাদের একজন করে ভাই থাকতে হয়!’
তারপর একটু উদাসী হয়ে মুখ তুলে পারুলমণি বলল, ‘চল ভাই, আজ তাড়াতাড়ি খেয়ে নিয়ে শুয়ে পড়তে হবে। কাল স্কুলে তোর ক্রিকেট কোচিং আছে না? কাল তুই ক’টা ছক্কা হাঁকাস, এক ধারে বসে হাতের কর-গুনতে হবে তো!’
লোকন চোখ বড়-বড় করে শাসনের ঢঙে বলল, ‘দিদি, তোকে কাল আবার অত কষ্ট করে গগনজ্যোতি স্কুলের খেলার মাঠে ক্রিকেট কোচিং দেখতে যেতে হবে না। দেখিস, আমি অনেক ছক্কা মারব! বাড়ি ফিরে তোকে সব গল্প করব!’
সকাল হওয়ার আগে তখনও গাছপালার মাথায় রোদ এসে আদর মাখিয়ে যায়নি! পারুলমণি ঠেলা দিয়ে ঘুম থেকে তুলে দিল লোকনকে, ‘এই যে গগনজ্যোতি স্কুলের বৈভব সূর্যবংশী, এবার উঠে পড়ো! আজকের ক্রিকেট কোচিংয়ে তুমিই তো ‘সিক্সার কিং’, বেলা হল যে?’
বেলা হতে তড়িঘড়ি করে ছুটল লোকন স্কুলে। যাওয়ার সময় পিছন ফিরে লোকন দেখল, পারুলমণি দরজায় ঠায় হয়ে দাঁড়িয়ে আছে! দিদির দিকে তাকিয়ে হাত নাড়ল লোকন। তার পরেই লোকন ভাবল, দিদি তো তার হাত নাড়া দেখতে পাবে না! তক্ষুনি লোকন মনে-মনে বলল, ‘আমার দিদি যদি সুদূর আকাশের নীলে মিশে থাকা বাবাকে দেখতে পায়, তবে এখন তার হাত নাড়া ঠিকই দেখতে পাবে! আমার দিদি তো ওরকমই!’
স্কুলে পৌঁছতেই দেবোপমস্যার ক্রীড়াকৌমুদী রুমে ডেকে পাঠালেন লোকনকে ঘন্টিদাদুকে দিয়ে। লোকন ছুটল তক্ষুনি। লোকনের মনে চিন্তা উঁকি দিল, স্যার কি আজ কোচিংয়ে তাকে খেলতে নিষেধ করবেন নাকি? মুখ নিচু করে স্যারের সামনে গিয়ে দাঁড়াল লোকন, ‘স্যার, আমাকে ডেকেছেন?’
দেবোপমস্যার বললেন, ‘আমি তোমাকে ডাকলাম, তুমি তো জানো না, আজ আমাদের স্কুল মাঠে ক্রিকেট কোচিং দেখতে আসবেন আমাদের নবীনগঞ্জ জেলার ডি এম সাহেব কর্ণার্জুন পাল। হেডস্যার সকালে ফোন করে আমাকে বলেছেন। লোকন, তোমাকে দারুণ খেলে দেখিয়ে দিতে হবে যে, তুমিও পারো। তুমি শুনেছ তো, ডি এম সাহেব নবীনগঞ্জ জেলায় একটা ক্রিকেট টুর্নামেন্ট চালু করতে চলেছেন? সেদিন তাঁর অফিয়ে একটা বনসড় মিটিং করে ঘোষণা করেছেন। আমাদের মুকুলকৃষ্ণ সেনাপতিকে ডেকেছিলেন ডি এম সাহেব। হেডস্যারও সঙ্গে ছিলেন। সেদিনই হেডস্যার ডি এম সাহেবকে আমাদের স্কুলের ক্রিকেট কোচিং দেখতে আসতে ইনভাইট করেছিলেন। তাই আজ সময় বের করে তিনি আমাদের স্কুলে আসছেন কিছুক্ষণের জন্যে। আমি চাই, তোমার খেলা দেখে উনি যেন আজ থেকে তোমাকে টুর্নামেন্টের একজন সম্ভাবনাময় ক্রিকেটার বলে ভাবতে শুরু করেন। তোমার একজন বড় ফ্যান তো আছেনই, মুকুলকৃষ্ণ সেনাপতি। তাঁর অনুরোধেই তো তোমাকে এক্সট্রা এক ওভার ব্যাট করতে দিয়েছিলাম সেদিনের কোচিংয়ে। আর আমাদের হেডস্যার তো তোমার খেলায় মুগ্ধ।’
লাজুক মুখে লোকন বলল, ‘স্যার, আমি কি অত ভাল খেলতে পারব? ক্রিকেট নিয়ে আমিও স্বপ্ন দেখি স্যার! তাই যখন আমি সি-সেকশানের টিমে চান্স পেলাম না, তখন খুব ভেঙে পড়েছিলাম স্যার। বাড়িতে ফিরে দিদির কাছে খুব কেঁদেছিলাম। আমাদের দেবক সাহা দিদির বিয়েতে যদি ছুটি না নিত, তা হলে হয়তো স্যার আমার চান্সই হত না।’
দেবোপমস্যার গলায় আবেগ এনে বললেন, ‘ওসব ভাবতে হবে না! কী হয়নি বা কী হল না, সে নিয়ে পিছন ফিরে তাকাতে নেই লোকন। মানুষকে সামনের দিকে তাকিয়ে এগোতে হয়। তবেই তো সামনের দিকটা স্পষ্ট দেখা যায়। তোমাকে নিয়ে এখন আমি স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছি। আমরা তো ডি এম সাহেবের আন্তঃজেলা স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টে দুটো টিম দেব বলে ভেবেছি। হেডস্যারের সঙ্গে এখনও কথা বলা হয়নি। একটা ছেলেদের ক্রিকেট টিম, আর-একটা মেয়েদের ক্রিকেট টিম। ছেলেদের ক্রিকেট টিম যেন টুর্নামেন্টের ফাইনালে ট্রোফি জিততে পারে—এই স্বপ্নই দেখতে শুরু করেছি আমি। আর সে স্বপ্ন কিন্তু তোমাকে ঘিরে। আর মে?এদের ক্রিকেট টিম তো কম যাবে না! কেননা, ইন্ডিয়ার মেয়েদের বিশ্বকাপ ক্রিকেট টিম বিশ্বকাপ জিতে প্রমাণ করে দিয়েছে যে, মেয়েরাও পারে!’
আবেগে কোনও কথাই বলতে পারল না লোকন। এখন শুধু তার দিদির মুখটাই মনে পড়ল। দিদিও হেডস্যারের কাছে অনুরোধ করতে এসেছিল, যাতে তাকে স্কুলের ক্রিকেট টিমে নেওয়া হয়। আসলে তার দিদিও তাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখে। চুপ করে দাঁড়িয়ে থেকে ভিতরে-ভিতরে কাঁপছিল লোকন। এতজনের আশা তাকে নিয়ে। সকলের আশা তাকে পূরণ করতে হবে। সে কি পারবে? ভিতরে-ভিতরে একটা অদম্য জেদ লোকনের মধ্যে মাথাচাড়া দিয়ে মুখ তুলে দাঁড়াল। মুখটা নিচু করে লোকন বলল, ‘স্যার, আমি আসি?’
দেবোপমস্যার আশান্বিত চোখে তাকিয়ে রইলেন লোকনের দিকে। তারপর বললেন, ‘ক্লাসে যাও!’
ধীর পায়ে লোকন এইট সি-সেকশানের ক্লাস রুমে ঢুকতে দেবক কাছে এসে জিজ্ঞেস করল, ‘লোকন, দেবোপমস্যার কী বললেন রে? তুই আজ কোচিংয়ে খেলছিস তো? নাকি আমার আজ চান্স হবে? এখন ভাবছি, দিদির বাড়ি থেকে কেন যে পরেশনাথ পাহাড়ের চূড়ায় বেড়াতে গেলাম। ছুটি বাড়িয়ে নিতে হল।’
দেবকের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকল লোকন। ‘হ্যাঁ’ কথাটা মুখ ফুটে বলতে পারল না। চুপ করে নিজের সিটে গিয়ে বসে পড়ল।
শনিবার হাফ ডে। তার আগেই হেডস্যারের নির্দেশ মতো ঘন্টিদাদু সম্মতিচরণ দাস স্কুলের মাঠের একদিকে কর্পূর গাছের দিকটা ছাড়িয়ে একটা চাঁদোয়া টাঙাতে লেগেছেন। গ্রামের ছেলেরা এসে হাত লাগিয়েছে। গ্রামের লোকজনও শুনেছে আজ ডি এম সাহেব খেলা দেখতে আসবেন। গগনজ্যোতি গ্রামেরও তো একটা সুনাম আছে। ডি এম সাহেবের যেন কোনও সম্মানের ঘাটতি না হয়, সেদিকে সকলের লক্ষ!
ইতিমধ্যে হেডস্যার ক’বার ঘুরে দেখে গেছেন। সারি করে চেয়ার পেতে দেওয়া হয়েছে। স্টাফ রুমের সব চেয়ার আজ খেলার মাঠে। একটা টেবিল রাখা হয়েছে চেয়ারের গ্যালারির সামনে। সে টেবিলের উপর বাংলার গীতিকা ম্যাম স্কুলের অফিস রুম থেকে ফুলদানিটা এনে রেখেছেন। ইতিহাসের অনুলেখা ম্যাম কোত্থেকে যেন ফুল তুলে এনে সে ফুলদানিতে সাজিয়ে দিয়েছেন। আজ এখনই মাঠে চলে এসেছেন দেবারতি ম্যাম, কনকলতা ম্যাম আর লতিকা ম্যাম। গ্রাম থেকে ছোট ছোট দলে লোকজন আসছেন। লোকন সেদিকে তাকিয়ে মনে-মনে ভাবল, যেন আজই ফাইনাল ম্যাচ!
একটা মাইক বেঁধে দেওয়া হয়েছে কর্পূর গাছের নিচু ডালে। দেবোপমস্যা টেবিলে মাইক্রোফোনটা সেট করে দিয়েছেন। তিনি মাইক্রোফোনে ঘোষণা করে দিয়েছেন—‘আজ ক্লাস এইট এ-সেকশানের সঙ্গে সি-সেকশান খেলবে। যে দল টসে জিতবে, তারাই তাদের পছন্দমতো ব্যাটিং বা বোলিং বেছে নেবে। স্যার ঘোষণা করে দিলেন, এ-সেকশানের ক্যাপ্টেন রোরো মজুমদার টিমনিয়ে মাঠে চলে এসো! সি-সেকশানের ক্যাপ্টেনের নাম ঘোষণা করলেন দেবোপমস্যার, ‘সি-সেকশানের ক্যাপ্টেন লোকন দাস, তুমি তোমার টিম নিয়ে মাঠে চলে এসো!’ স্যারের ঘোষমা শুনে মাঠের সকলে অবাক!
এম সাহেবকে আনতে গিয়েছেন মুকুলকৃষ্ণ সেনাপতি। তিনি ফোন করে বললেন, আর পাঁচ মিনিটের মধ্যে ওঁরা মাঠে পৌঁছে যাবেন। সে ফোন পেয়ে হেডস্যার শশব্যস্ত হয়ে পড়লেন। দেবোপমস্যারের নির্দেশে মাইকে বেশ কম ভলিউমে গান বাজছে—‘বলো বলো বলো সবে, শতবীণা বেণু রবে...ভারত আবার জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে!’
এমন সময় ডি এম সাহেবকে নিয়ে গাড়িটা স্কুলের মাঠে ঢুকে পড়ল। ডি এম সাহেবকে অভ্যর্থনা জানাতে হেডস্যার গাড়ির কাছে ছুটে গেলেন। গাড়ি থেকে মুকুলকৃষ্ণ সেনাপতি নামলেল প্রথমে। তারপর নামলেন ডি এম সাহেব কর্ণার্জুন পাল। তক্ষুনি স্কুলের মেয়েরা তৈরিই ছিল। গীতিকা ম্যামের নির্দেশে স্কুলের মেয়েরা শাঁখ বাজিয়ে ডি এম সাহেবকে বরণ করে নিল। ডি এম সাহেব সরাসরি মাঠের ধারে চাঁদোয়ার নীচে রাখা চেয়ারে গিয়ে বসলেন। তাঁর ডান দিকের চেয়ারে বসলেন মুকুলকৃষ্ণবাবু। ডি এম সাহেবের বাঁ দিকের চেয়ারে বসলেন হেডস্যার।
আজকের আকাশটা নীলে নীল সেজে সাদা মেঘের এক-একটি ছোট-ছোট দলকে পাঠাল গগনজ্যোতি স্কুলের ক্রিকেট মাঠের মাথার উপরে। বাতাস বইছে সুদূর দক্ষিণ দিক থেকে। এবার দুটি
টিমই তৈরি টস করার জন্যে। দেবোপমস্যার কাছে এসে ডেকে নিয়ে গেলেন মুকুলকৃষ্ণ সেনাপতিকে ক্রিজের পাশে টস করার জন্যে।
( এর পর ২৪ পর্ব)
0 Comments