Posts

Showing posts from September, 2020

দিনের শেষে একটু হাসুন ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

Image
দিনের শেষে  ৩০/৯/২০২০ ১) চলচ্চিত্রায়িত হতে চলেছে রবিঠাকুরের জীবনের শেষ ৩টি উপন্যাসের একটি "দুই বোন"!(পরিচালক : শুভজিৎ মিত্র, চলচ্চিত্র: মায়া মৃগয়া!)  ২) আজ আই পি এল-এর ১২-তম ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্স এবং রাজস্থান রয়ালস, দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।  ৩) উত্তরপ্রদেশের হাথরাসে গণধর্ষণের শিকার ১৯ বছরের  দলিত যুবতী মনীষা বাল্মীকি-র টানা ১৪ দিন লড়াই-এর পর মৃত্যুর প্রতিবাদে গোটা দেশ সোচ্চার!  ৪) ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বরের বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায় - ৩২ জন অভিযুক্তই বেকসুর খালাস!  ৫) শূকর ও কিউলেক্স প্রজাতির থেকে আর্থোপডবাহিত ভাইরাস "ক্যাট কিউ" উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে, জানাল Indian Council of Medical Research(ICMR)! বর্তমানে সংক্রমণ ঘটেছে চীন ও ভিয়েতনামে, ভারতেও সংক্রমণের সম্ভাবনা আছে।  ৬) সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে যে UPSC-র সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় স্থগিতাদেশ নয় , নির্ধারিত দিনেই হবে!  ৭) লকডাউন পর্বে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য  সমাজসেবী তথা অভিনেতা সোনু সুদ-কে "এস ডি জি স্পেশাল হিউম্যানেটারিয়ান একশন্ এওয়ার্ড"-সম্মানে ভূষিত করল United Nations De

সম্পাদক: ত্যাগ ও ধৈর্যের সংগ্রামী

Image
Editor: Struggling for sacrifice and patience সম্পাদক: ত্যাগ ও ধৈর্যের সংগ্রামী সূর্যকান্ত মাহাত যদি সম্পাদককে একটি মুদ্রা ধরে নেওয়া যায়, তাহলে ওই মুদ্রার দুই পিঠ হলেন, যথাক্রমে লেখক ও পাঠক। পাঠক কেবল পাঠ করেন। কিন্তু কী পাঠ করবেন? না, সেটিই পাঠ করবেন, যে পাঠটি সম্পাদক তার কাছে সুন্দর ভাবে সম্পাদিত করে উপস্থাপন করবেন। সুতরাং লেখক ও পাঠকের থেকেও সম্পাদকের দায়বদ্ধতা অনেক বেশি। উনি স্বপ্ন দেখেন একটা বড় প্রাসাদ বানানোর, লেখক হলেন সেই প্রাসাদের ইঁট, কাঠ, বালি, সিমেন্ট। আর পাঠক হলেন, সেই বাড়ির আশ্রিত। লেখক তাঁর সৃজনী শক্তির জল হাওয়ায় যে ফসল উৎপাদন করেন, সম্পাদক সেটাই সযত্নে পাঠকের দরবারে সুচারু রূপে পৌঁছে দেন। একজন সম্পাদকের দুই অনুসন্ধিৎসু দৃষ্টি শিকারীর মতোই সর্বদায় প্রদক্ষিণ করে চলে আমাদের চারিপাশ। এভাবেই তিনি একটি ভালো লেখাকে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মতোই আবিষ্কার করেন। অনেকটা "যেখানে দেখিবে ছাই, খুঁজিবে সেখানে তাই, পাইলেও পাইতে পার অমূল্য রতন"-- এর মতোই। সুতরাং সম্পাদক একজন ভালো লেখা ও লেখকের আবিষ্কারকও বটেন। শুধু কি তাই? সম্পাদক হলেন, লেখকের প্রথম পাঠক ও সমালোচক। উনিই ত

জালালুদ্দিন মুহাম্মদ রুমি ও তাঁর কবিতা-২ (Muhammad Rumi and his Poetry- 2)

Image
Jalal-ad-Din Muhammad Rumi and his Poetry- 2 কবি জালালুদ্দিন মুহাম্মদ রুমি ও তাঁর  কবিতা-২ তৌ ফি ক  হো সে ন    রুমি বা মৌলানা জালালুদ্দিন রুমি বা জালালুদ্দিন বাল্খি ছিলেন অন‍্যতম শ্রেষ্ঠ ও কিংবদন্তিসম পার্সি সুফি কবি। সেই সময়ের পারস‍্য সাম্রাজ্যের আফগানিস্তানের বালখে 1207 খ্রিষ্টাব্দের 30 সেপ্টেম্বর তিনি জন্মেছিলেন। তাঁর পিতা বাহাউদ্দিন ওয়ালাদ ছিলেন একজন অতীন্দ্রিয় সাধক, তত্ত্বজ্ঞানী ও ধর্মীয় গুরু। বিভিন্ন দেশ ঘুরে তাঁরা স্থিতু হন তুরস্কের কোনিয়ায়। পিতার মৃত্যুর পর তিনি সেখানকার দরবেশ সম্প্রদায়ের দ্বায়িত্ব নেন। তাঁর অভিন্ন -হৃদয় বন্ধু শামস্-ই-তবরিজ তাঁর জীবন ঔ দর্শনকে সম্পূর্ণ বদলে দেন। শামস্-এর প্রভাবেই বিশ্ববাসী রুমির মতো একজন বিশ্বকবিকে পেয়েছেন। 'মসনবি' তাঁর শ্রেষ্ঠ তথা বিশ্ব সাহিত‍্যের অন‍্যতম শ্রেষ্ঠ কাব‍্যগ্রন্থ। এই 'মসনবি'কে পার্সি ভাষার কোরান বলা হয়।যাপন, দর্শন ও কাব‍্যে তিনি যাবতীয় প্রতিষ্ঠিত বেড়াজাল ভেঙে দিয়েছিলেন। তাঁর সৃষ্টি ও সুফি মতাদর্শের উত্তরাধিকার সমগ্র মানবজাতির আদরের সম্পদ।   তিনি প্রয়াত হয়েছিলেন 12 ডিসেম্বর,1273। রুমির শেষ যাত্রায় পাঁচ ধ

স্মৃতি থেকে যায় / সমরেশ মজুমদার

Image
The memory remains Samaresh Majumdar স্মৃতি থেকে যায়   সমরেশ মজুমদার  আমরা তখন বিমল করের কার্জন পার্কের আড্ডায় নিয়মিত ঢুঁ মারছি। এর দুটো কারণ ছিল। বাংলা সাহিত্যের ছােটগল্প, নতুন রীতির জনক ছিলেন বিমল কর। কল্লোল গােষ্ঠীর আমল থেকে যে ধরনের ছােটগল্প লেখা হয়ে আসছিল তা থেকে বেরিয়ে এসে অতি আধুনিক ফর্মে ছােটগল্প লিখেছেন বিমল কর।  লেখার ব্যাপারে অমন খুঁতখুতে লেখক আমি কখনও দেখিনি। লাইনের পর লাইন যত্ন নিয়ে লেখার পরেও ছিঁড়ে ফেলতেন। ঘটনার ঘনঘটার বদলে মানুষের মন নিয়ে তাঁর লেখায় অপূর্ব সমীক্ষা থাকত যা আমরা মুগ্ধ হয়ে পড়তাম। পাশাপাশি, যে কথা কেউ মুখে উচ্চারণ করত না, আড্ডায় যাওয়ার পেছনে সেটাও একটা কারণ ছিল। বিমল কর 'দেশ' পত্রিকার গল্প নির্বাচন করতেন। তরুণ গল্পকাররা ভাবত নিত্য দেখাশােনা হলে নির্বাচিত হতে সুবিধে হবে। কিন্তু এই ব্যাপারে বিমল কর কখনই আপস করেননি। গল্প পছন্দ না হলে তৎক্ষণাৎ ফেরৎ পাঠিয়ে দিতেন।  একটা ঘটনার কথা মনে পড়ছে।  দীর্ঘকাল ছােটগল্প লিখে পরিচিত একজন প্রবীণ লেখক, যিনি আড্ডায় আসতেন, 'দেশ'-এ গিয়ে গল্প জমা দিয়েছেন। সেই গল্প পড়ে বিমলদা ফেরৎ নিয়ে য

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

Image
Today is the 30 September, 2020 আজকের দিন  বাংলায় ----- ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ বুধবার  আজ, পারস্যের কবি জালালউদ্দিন রুমির জন্মদিন। জালালউদ্দিন মহম্মদ রুমি ১৩ শতকের একজন কবি ও সুফি সাধক। বেশিরভাগ সাহিত্য কর্ম ফার্সি ভাষাতে করেছেন। তাঁর লেখা 'মসনবী' ফার্সি ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। আজ, বাঙালি নাট্যকার ও অভিনেতা অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন । প্রথম জীবনে গণনাট্য সংঘের সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে নিজে প্রতিষ্ঠা করেন নান্দীকার। নান্দীকারের প্রযোজনায় প্রায় ৪০ টার মত নাটকে তিনি অংশ নেন। তাঁর অভিনীত তিন পয়সার পালা নাটকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়। আজ, সমাজ ও শিক্ষাসংস্কারক প্যারীচরণ সরকারের প্রয়াণ দিবস । উনিশ শতকে কিংবদন্তি  পাঠ্যপুস্তক  'ফার্স্টবুক' প্রণেতা। যে বই পড়ে  রবীন্দ্রনাথেরও ইংরেজিতে হাতেখড়ি। ইনি বাংলায় নারী শিক্ষার অগ্রদূত ছিলেন। এজন্য বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেছিলেন। তাই তাঁকে 'প্রাচ্যের আর্নল্ড' বলা হয়। আজ,আরও এক সমাজসংস্কারক ও শিক্ষাবিদ শিবনাথ শাস্ত্রীর প্রয়াণ দিবস । পারিবারিক পদবী ভট্টাচার্য। সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যের  এম.এ পরীক্ষায় ভাল ফলের জন্য শাস্

দিনের শেষে একটু হাসুন ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

Image
দিনের শেষে একটু হাসুন সংকলক - বিশ্বজিৎ কর         কার্টুন - সুদেষ্ণা রায়চৌধুরী     ২৯/৯/২০২০ ১) ব্রিটেনের " স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাঙ্ক"- এর বিশ্বব্যাপী এক সমীক্ষা মারফত জানা গেছে যে ৯০ শতাংশ ভারতীয়কে এই মহামারী আর্থিক খরচের ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছে!  ২) আজ আই পি এল-এর ১১-তম ম্যাচে মুখোমুখি দিল্লি ক্যাপিটলস এবং সানরাইজার্স হায়দরাবাদ,আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে।  ৩) Nature Index Ranking অনুযায়ী বিশ্বের সেরা ১০০ বিজ্ঞান শহরের তালিকায় স্থান পেয়েছে ব্যাঙ্গালোর(৯৭-তম) এবং কলকাতা(৯৯-তম)!তালিকায় প্রথম ৫টি শহর:- বেইজিং,নিউ ইয়র্ক,বোস্টন,সান ফ্রান্সিসকো,সাংহাই! ৪) ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের দুই নক্ষত্র রাজকাপুর ও দিলীপকুমারের পেশোয়ারের পৈতৃক ভিটে কিনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল পাকিস্তানের খাইবার পাখতুন খাওয়া প্রশাসন!  ৫) ভারতীয় রেল এবার খুব শীঘ্রই যাত্রীদের থেকে User Charges নিতে চলেছে!  ৬) প্রেমের বিভিন্ন ভাঁজের কথা ছোট ছোট ৬টি গল্প, মুক্তির পথে সায়ন বসু চৌধুরীর " গল্পে মোড়া চুপকথা"! ৭) চলতি আই পি এল-এর ফেরার রাস্তা বন্ধ, সুরেশ রায়নার নাম ওয়েবসাইট থেকে বাদ দিল

পার্থপ্রতিম কাঞ্জিলাল শ্রদ্ধা ও স্মরণে / বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায়

Image
পার্থপ্রতিম কাঞ্জিলাল শ্রদ্ধা ও স্মরণে   I n honor and remembrance of Parthapratim Kanjilal   (জন্ম ২৩ ডিসেম্বর ১৯৪৯ -- মৃত্যু ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০) বি প্ল ব  গ ঙ্গো পা ধ্যা য়  শাদা পাথরের গোলাপগুচ্ছ  এবং শব্দের সৌরভ  প্রিয় কবি পার্থপ্রতিম কাঞ্জিলাল  চলে গেলেন  না ফেরার দেশে।  ফেসবুকে একটার পর একটা পোস্ট পড়ছি আর মন  ভারি হয়ে যাচ্ছে ক্রমেই। যেন শক্ত পাথর জমাট বেঁধে আছে  বুকে। একটির পর একটি  মৃত্যু সংবাদ এভাবেই  তছনছ  দিচ্ছে আমাদের সমস্ত চেতনা।  কোন কিছু  লেখার  মতো অবস্থায় নেই এই বিধ্বস্ত  মন। বস্তুত গুছিয়ে  লিখতেও পারব না তেমন কিছু। যতখানি নৈকট্য থাকলে পার্থদা বলে ডাকা যায় তেমন সম্পর্ক ছিল না ব্যক্তি পার্থপ্রতিম কাঞ্জিলালের সাথে। কিন্তু তাঁর কবিতা যা তাঁকে ব্যক্তিগত সমীকরণের চেয়েও গভীর  সম্পর্কে বেঁধে রেখেছে দীর্ঘ সময় ধরে। যা তাঁকে প্রাণের কাছাকাছি নিয়ে এসেছে, স্পর্শের অধিক এক আত্মীয়তা দিয়েছে। সেই অনুভূতি যদি আলোড়িত করে আমার সত্তাকে তাহলে সেই আলোড়নচিহ্ন তো লিখতেই হবে হোক না তা  বেদনাগ্রস্ত অগোছালো ভাষায় ।  সত্তরের দশকে গ্রাম  দিয়ে  শহর ঘিরে ফেলার  অগ্নিবর্ণ  আহ্বানের ভেতর দিয়

এনরিকো ফার্মি ( Enrico Fermi) আজ তাঁর শুভ জন্মদিন /পূর্ণচন্দ্র ভূঞ্যা

Image
Enrico Fermi এনরিকো ফার্মি,  আজ তাঁর শুভ জন্মদিন It is good to try to stop knowledge from going forward.Ignorance is never better than knowledge. -- Enrico Fermi পূর্ণচন্দ্র ভূঞ্যা লর্ড অব ফার্মিয়ন দু'জাতের কণা আছে ব্রম্ভাণ্ডে― বোসন ও ফার্মিয়ন। প্রথম জাতের কণা বোসনের সঙ্গে বাঙালির নাড়ির যোগ দীর্ঘদিনের। সৌজন্যে মহান বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বোস। কারণ শ্রী বোসের নামাঙ্কিত কণিকাই আজ বোসন নামে খ্যাত। কিন্তু ফার্মিয়ন কণিকা? বাঙালির কাছে কী তার গুরুত্ব? আসলে শুধু বাঙালি নয়, আপামর পৃথিবীবাসীর নিকট তার গুরুত্ব অপরিসীম। কেবল মানুষ বললেও ভুল বলা হবে; এই ব্রম্ভাণ্ডের যেখানে যত পদার্থ আছে, সব-ই ঋণী এ হেন কণিকার কাছে। কারণ সে কণিকা না থাকলে না-কি তৈরি হত না গাছপালা, জীবজন্তু, মানুষ, পাহাড়, পর্বত, গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র ইত্যাদি। কেন? কারণ পদার্থ (মৌল ও যৌগ) গঠনের পিছনে মুখ্য অবদান যে তিন মৌলিক কণিকার (ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন), তারা সকলেই এক জাতের কণিকা― ফার্মিয়ন। তাই ফার্মিয়ন ব্যতীত পদার্থ তথা দৃশ্যমান জগতের অস্তিত্ব নেই বললেই হয়। এ হেন কণিকার আবিষ্কারক একজন ইতালিয়ান পদার্থবিজ

বীরাঙ্গনা মাতঙ্গিনী হাজরা/ অতীন সাউ

Image
Freedom fighter Matangini Hajra বীরাঙ্গনা মাতঙ্গিনী হাজরা অ তী ন  সা উ ভারতীয় বিপ্লবী, স্বাধীনতা আন্দোলনের শহিদ মাতঙ্গিনী হাজরা (১৮৬৯–১৯৪২) ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী এক মহান বিপ্লবী নেত্রী। ১৯৪২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর তদনীন্তন মেদিনীপুর জেলার তমলুক থানার সামনে ব্রিটিশ ভারতীয় পুলিশের গুলিতে তিনি শহিদ হয়েছিলেন। তিনি "গান্ধীবুড়ি" নামে পরিচিত ছিলেন। মাতঙ্গিনী হাজরার প্রাথমিক জীবন সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায় না। শুধু এটুকুই জানা যায় যে, ১৮৬৯ সালে তমলুকের অদূরে হোগলা নামে একটি ছোটো গ্রামে এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে তাঁর জন্ম হয়েছিল। দারিদ্র্যের কারণে বাল্যকালে প্রথাগত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন মাতঙ্গিনী। অতি অল্প বয়সেই তাঁর বিয়ে হয়ে গিয়েছিল। তিনি মাত্র আঠারো বছর বয়সেই নিঃসন্তান অবস্থায় বিধবা হয়েছিলেন। মেদিনীপুর জেলার স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল নারীদের এই আন্দোলনে যোগদান। ১৯০৫ সালে প্রত্যক্ষভাবে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন মাতঙ্গিনী হাজরা। মতাদর্শগতভাবে তিনি ছিলেন একজন গান্ধীবাদী। ১৯৩২ সালে

আয়ারল্যান্ডের লোকগল্প (Folk-tale of Ireland)

Image
Folk-tale of Ireland দূর দেশের লোকগল্প (আয়ারল্যাণ্ড) চি  ন্ম য়  দা শ রাজার চোখে ঘুম নাই সারা রাজবাড়ি জুড়ে সে এক হুলুস্থল কাণ্ড। আর হবে নাই বা কেন ? রাজকুমারের অভিষেক বলে কথা। হাজার রকম কাজ। হাজার রকম আয়ােজন সেসবের। কাজের যেন শেষ নাই। দিন কেটে রাত হােল। খাওয়া-দাওয়ার পাট চুকিয়ে শােবার জোগাড় চলছে। রানিমার খুব দৌড়ঝাপ গেছে আজ। এমনকি একবার কেনাকাটা করতেও বেরিয়েছিলেন নিজে। আসলে, নিজে বেছে না আনলে, সহজে কিছুই পছন্দ হয় না তাঁর। যাইহােক, এখন টেনে ঘুম দিতে হবে একটা। এক বাটি মাখন  নিয়ে সারা মুখে মেখে নিল রানি। বিছানায় ঢুকে, রাজাকে বলল-- “কিগাে, ঘুমােবে না? আমি বাপু শুয়ে পড়লাম।” রাজার কোনও তাড়া নাই। বেশ তরিবত করে ঘূরে ঘুরে দাঁত মাজল। জমকালাে শােবার পােষাক পরল ধীরেসুস্থে। তারপর ধীরে সুস্থে গিয়ে শুয়ে পড়ল বিছানায়। রাজার পালঙ্ক বলে কথা। যেমন তার রাজহাঁসের পালকের মত ধবধবে রঙ, তেমনই মাখনের মত তুলতুলে নরম। কিন্তু কী যে হােল, ঘুমপরী এসে বসলই না রাজার চোখে। একবার এপাশ, একবার ওপাশ করতে লাগল রাজা। কিন্তু ঘুমের দেখা নাই।  ছটফট করতে করতে কত সময় গেল। রাতের তখন শেষ প্রহর। কী আর করে

এমিল এডওয়ার্ড চার্লস এন্টোনি জোলা(Emile Edward Charles Antoine Zola)/ সন্দীপ কাঞ্জিলাল

Image
Emile Edward Charles Antoine Zola "If you ask me what I came into this life todo, I will tell you : I will came to live out loud."  এমিল এডওয়ার্ড চার্লস এন্টোনি জোলা (০২/০৪/১৮৪০ - ২৯/০৯/১৯০২) স ন্দী প  কা ঞ্জি লা ল ভোরের আলো তখনো মাটি ছেড়ে দাঁড়ায়নি। সবেমাত্র হামাগুড়ি দিচ্ছে। প্যারিসের একটি মর্গ। সেখানে একজন খুঁজে বেড়াচ্ছে একটা লাশ। যাকে সে নিজের হাতে খুন করেছে। কারণ তার প্রেমিকার স্বামী সে। তাকে না সরালে সে তাঁর প্রেমিকাকে আপন করে পাবে না। সে তাকে নদীতে স্নানের ছলে জলে ডুবিয়ে মেরেছে। মরেছে, কি না? --তাই নিশ্চিত হওয়ার জন্য সে গেছে মর্গে, দেখতে। সেখানে গিয়ে সে দেখতে পায় ঐ লাশের পাশে শোয়ানো আর একটি যুবতী মেয়ের লাশ। মারা গেছে প্রেমের কারণে গলায় ফাঁস দিয়ে। মৃত মেয়েটির শরীর উলঙ্গ। লোকটি তার অনাবৃত বক্ষযুগল আর শরীর দেখে কামনার আগুনে অনেকক্ষণ ধরে মেয়েটির সর্বাঙ্গ চোখ দিয়ে লেহন করছে।  না, এটা বাস্তবে নয়! এটি একটি উপন্যাস। নাম- 'তেরেসা রেকুইন' (Theresa Rquin)- 1867. লেখক 'এমিল জোলা'। পুরো নাম - এমিল এডওয়ার্ড চার্লস এন্টোনি জোলা' (Emile Edward Charles Ant

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

Image
আজকের দিন  Today is the 29 September 2020 বাংলায় -- ১২ আশ্বিন ১৪২৭ মঙ্গলবার  আজ, মেদিনীপুরের বীরাঙ্গনা মাতঙ্গিনী হাজরার প্রয়াণ দিবস । গান্ধীর ভাবাদর্শে দীক্ষিত ছিলেন বলে গান্ধীবুড়ি নামেও পরিচিত ছিলেন। ১৯৪২ এ গান্ধীজির ডাকে ভারত ছাড়ো  আন্দোলনে দেশ উত্তাল হয়। তার প্রভাবে মেদিনীপুরে তমলুকের সরকারি  আদালত ও থানা দখলের জন্য গান্ধীবুড়ির নেতৃত্বে প্রায় কুড়ি হাজার স্বেচ্ছাসেবক এগিয়ে গেলে পুলিশ গুলি চালায়। সেই গুলির আঘাতে প্রাণ যাওয়ার আগে পর্যন্ত তিনি জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষা করেছিলেন। আজ, ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানীর সেনাপতি লর্ড ক্লাইভের জন্মদিন। ইনি ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের সূচনা করেছিলেন। নবাব সিরাজদ্দৌলার সিংহাসন আরোহন থেকে শুরু করে ১৭৭০ খিষ্টাব্দের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ পর্যন্ত ভারতে বণিকের মানদণ্ডকে রাজদণ্ডে পরিণত করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ভারত ইতিহাস চিরকাল মনে রাখবে। আজ, ফরাসী কথাসাহিত্যিক এমিল জোলার প্রয়াণ দিবস। পুরো  নাম Emile Edouard Charles Antoine zola। উনিশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক। ইনি  ‘Naturalism(প্রকৃতিবাদ) নামের একটি আধুনিক আন্তর্জাতিক সাহিত্য আন্দোলনের প্রবক্তা।

দিনের শেষে একটু হাসুন ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

Image
দিনের শেষে একটু হাসুন    ২৮/৯/২০২০ ১) রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব হচ্ছেন আলাপন বন্দোপাধ্যায়!  ২) ১৯৮২ সাল থেকে গয়ার ব্রাহ্মণী পাহাড়ে প্রায় এক লাখ গাছ রোপণ করেছেন বিহারের দিলীপ কুমার সিকান্দার, যেন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের "আরণ্যক"- উপন্যাসের সেই যুগলপ্রসাদ!  ৩) আজ আই পি এল-এর ১০ম ম্যাচে দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলা চলছে মুম্বই ইন্ডিয়ানস এবং রয়াল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের মধ্যে!   ৪) ঘন্টায় ২৫ মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ১৮৪০ টাকা)! সুইৎজারল্যান্ডের জেনেভার ভোটারগণ এই সর্বনিম্ন মজুরিতে সম্মতি জানালেন, কার্যকর হলে এটাই  হবে বিশ্বের সর্বাধিক সর্বনিম্ন মজুরি!  ৫) দূরপাল্লার ট্রেনে একা যাত্রা করা মহিলাদের সুরক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনায় " Broadcast Group" চালু করল ভারতীয় রেল!  ৬) এলাকার দখল নিয়ে প্রবল  যুদ্ধ চলছে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে!  ৭) সরকারিভাবে আসন্ন দুর্গাপুজোর গাইডলাইন প্রকাশিত হল আজ! খোলামেলা মণ্ডপ,অনলাইনে অনুমতি, প্রবেশ-প্রস্থানের পৃথক ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা বাধ্যতামূলক!  ৮) এবার রবিবারেও চালু থাকবে মেট্রো, ৫৮টি ট্রেন চলবে!  (বি

মণিপুরের মা /সুবোধ সরকার

Image
  সেমিকোলনের আত্মজীবনী -১১ "INDIAN ARMY RAPE US"  সা য় ন নগ্ন অপমানের ইতিহাস লেখেন 'মণিপুরের মা' অন্তর্গত জগৎটা পর্দা কিংবা পার্লামেন্ট খোলার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সামনে উঠে আসে। আমার তোমার আপনার জগৎটা কেমন - তার রূপ ও আঙ্গিকের বস্তুবাদী অবয়বের রূপকথাময় চেতনা সেখান থেকে যুক্তির চেতনায় উত্তরণ ঘটবে - এক একটি চরিত্রের চাওয়া পাওয়ার মাধ্যমে। ভাষা কিভাবে দেহের আকার নেবে, দেহ হয়ে উঠবে একটা গোটা দেশ।  দেশ কিভাবে গঠিত হয়? হ্যাঁ, আপনাকেই বলছি বলুন।  কিভাবে মানুষের ব্যবহারিক বিন্যাস কাঠামোকে নতুন করে চিনিয়ে দিতে পারে? এক ব্যক্তির মধ্যেও কী লুকিয়ে থাকতে পারে গোষ্ঠীর সামগ্রিক চেতনা? এই ভিত্তির উপর দিয়ে একজন মানব শিল্পী ও বিপ্লবীর মন কিংবা মীমাংসা খুঁজবো  সত্তার মানবিকী চিন্তা বিকিরণের মধ্যে দিয়ে - এরই নাম দিলাম কবিতা।   বাক্ কিংবা বাক্যের উপর দিয়ে যখন বিস্তর কাপড় ঢাকা থাকে ভবিষ্যতের জন্য তখন হৃদয়কে নামিয়ে আনতে হয় রাস্তায়।  পৃথিবীর চিন্তা ক্ষেত্রে যখন পচন আর পানায় ভরে যাচ্ছে , সমাজ ভূমি যখন জ্বলে উঠছে আগুন আর রক্তের মেলবন্ধনে তখন এমন কিছু মানু

হলদে গোধূলির বাইপাসে পদশব্দ এতই নির্জন/ মনোতোষ আচার্য

Image
হলদে গোধূলির বাইপাসে পদশব্দ এতই নির্জন ম নো তো ষ  আ চা র্য গোধূলির অস্তরাগ ও কবির অকৃতার্থতা যখন আবেগ-মধুর সম্পর্কের জন্ম দেয় তখনই প্রবল হয়ে ওঠে অস্তিত্ব চেতনা। প্রকৃতিগত ও আত্মগত দুটি আয়নাকে মুখোমুখি রেখে কবিতার চলনে এক অদ্ভুত মায়াময়তা অনেক ক্ষণ পাঠককে জারিয়ে রাখে। আর তখনই সন্ধ্যার ভেতর জেগে থাকা মৃত অক্ষরেরা সূর্য ছিঁড়ে খাবার বাসনায় উদগ্রীব হয়। তিন পঙক্তির আশ্চর্য সঙ্গমে চিড় ধরা চাঁদের আলোয় জেগে ওঠে চরাচর। সময় ও সমাজের বর্ণময় বাইপাসে খুঁজে পাই জন্মনিরোধক ও রাতের অন্তঃসার। অকপট আত্মকথনের সাংকেতিকতায় কায়ার হাত ধরে হেঁটে যায় ছায়ার আলিম্পন । হলদে গোধূলির বাইপাস জুড়ে 'হারানো কথারা কালো দাগে ভরা।'    কথার নির্যাস যদি কবিতার ছায়াপথ তৈরি করে তবে সেই গোধূলির অস্তরাগে মিশে যায় কামনার রজস্বলা নদী। তিন পঙক্তির কবিতার শরীরে দুলে ওঠে তারুণ্যের নস্টালজিয়া। আসলে কবিতার মতো করে কিছু স্পর্শ 'নাভি ভরা শুকতারা'র আলো খুঁজতে চায়। শব্দ ব্যবহারে পরিমিতিবোধ ও ছন্দ-অলংকার-রূপকল্পের কারুকাজে কবিতাগুলি জাদু বিকিরণ করে চলেছে। পরিণতমনস্ক পাঠক খুঁজে পাবেন স্মৃতি-মেদুর নৈঃশব্দ্যের ভিটে।

বিজ্ঞানে ঈশ্বরের চিহ্ন -১৪ /পূর্ণচন্দ্র ভূঞ্যা

Image
Sign of Lord in Science বিজ্ঞানে ঈশ্বরের চিহ্ন   পূ র্ণ চ ন্দ্র  ভূ ঞ্যা   পর্ব ― ১৪ কালো দৈত্যের ক্ষমতা : এ হেন সমীকরণটি বিখ্যাত একটি বিকিরণের সমীকরণ হিসাবে। স্রষ্টার শেষ ইচ্ছা অনুসারে তাঁর সমাধির ওপর স্বর্ণাক্ষরে এখনও জ্বল জ্বল করছে লেখাটি। শুধু এই সমীকরণ নয়, জীবনের পর তাঁর "এপিটাফ" (সমাধিস্তম্ভ-লিপি) যেন মৃত্যুর চোখে চোখ রেখে সদর্পে ঘোষণা করছে, "অবশেষে তুমি আমাকে অধিকার করেছ, হারাতে পারনি!" তাঁর এ হেন ঘোষণায় স্পষ্ট, মৃত্যু তাকে এখনও গ্রাস করতে পারেনি। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, "বিগত ৪৯ বছর ধরে আমি অকালমৃত্যুর সম্ভাবনা নিয়ে বেঁচে আছি। আমি মৃত্যু ভয়ে ভীত নই।" তিনি আরও বলেন, "আবার মৃত্যুর ব্যাপারে আমার কোনও তাড়া নেই। আমার আরও অনেক কাজ আছে যেগুলো আমি করতে চাই।" তাই মৃত্যু নয়, আসলে মানুষটি যেন 'কৃষ্ণগহ্বর' নামক গোপন জায়গায় এখন আত্মগোপন করে আছেন।  জীবনের অধিকাংশ সময় সে-স্থানের ভাবনায় আচ্ছন্ন থেকে শেষমেশ হয়তো সশরীরে তার কেতা ঘটনা সরেজমিনে অনুসন্ধানহেতু সেখানে গমন করেছেন ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ তারিখে। মৃত্য