১২ মার্চ ২০২১

Today is the  12 March, 2021
আজকের দিন 
বাংলায়---২৭ ফাল্গুন শুক্রবার ১৪২৭

প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক সমরেশ বসু ১৯৮৮ সালে আজকের দিনে প্রয়াত হয়েছিলেন। কালকূট ও ভ্রমর তাঁর ছদ্মনাম। তাঁর রচনায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, শ্রমজীবী মানুষের জীবন এবং যৌনতাসহ বিভিন্ন অভিজ্ঞতার সুনিপুণ বর্ণনা ফুটে ওঠে। কালকূট ’ছদ্মনামে লেখা শাম্ব উপন্যাসের জন্য ১৯৮০ সালে তিনি সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। এই ছদ্মনামে অমৃত কুম্ভের সন্ধানে, কোথায় পাব তারে সহ অনেক উপন্যাস তিনি  লিখেছেন।

  বাঙালি সাহিত্যিক অতুলচন্দ্র গুপ্ত ১৮৮৪ সালে আজকের দিনে জন্মেছিলেন। ইনি  বিশিষ্ট আইনজীবীও ছিলেন। তিনি ভারতীয় কংগ্রেস দলের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। গদ্যলেখক হিসেবে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ কাব্যজিজ্ঞাসা, শিক্ষা ও সভ্যতা, নদী পথে, জমির মালিকসমাজ ও বিবাহ, ইতিহাসের মুক্তি ইত্যাদি।

  বিংশ শতাব্দী বাংলা গানের অন্যতম প্রধান গায়িকা উৎপলা সেন ১৯২৪ সালে আজকের দিনে জন্মেছিলেন। তাঁর  সঙ্গীতের প্রথম দীক্ষা হয় মা হিরণবালা দেবীর কাছে। বাঙলা গানের সোনালী যুগে তাঁর গানে প্রেম এবং বিরহের একটি বিশিষ্ট বিষাদের সুর তিনি ধরেছেন। স্বামী সতীনাথ মুখোপাধ্যায়, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এবং অন্য গায়কদের সাথে অনেক জনপ্রিয় ডুয়েটও গেয়েছেন।

  প্রজাতন্ত্রী চীনের প্রথম রাষ্ট্রপতি সান ইয়াৎ ১৯২৫ সালে আজকের দিনে প্রয়াত হয়েছিলেন। চীন দেশের এই নেতা সেদেশের মানচু রাজবংশের বিরুদ্ধে লড়ে ছিলেন।
  বাঙালি চিত্রশিল্পী ও নকশাকার গণেশ পাইন  ২০১৩ সালে আজকের দিনে প্রয়াত হয়েছিলেন। বেঙ্গল স্কুল অফ আর্টের অন্যতম  উল্লেখযোগ্য  শিল্পীদের একজন।যিনি বাংলার লোককাহিনী এবং পৌরাণিক কাহিনির থিমগুলি সম্পর্কে ফ্যান্টাসি এবং গাঢ় চিত্রকল্পের নিজস্ব শৈলী গড়ে তুলেছেন। তিনি painter of darkness(অন্ধকারের চিত্রশিল্পী) নামেও পরিচিত ছিলেন কারণ তিনি গাঢ় রং ব্যবহার করতেন যেমন কালো এবং নীল।

  বাঙালি গবেষক, সংগ্রাহক এবং শিক্ষক ক্ষিতিমোহন সেন ১৯৬০ সালে আজকের দিনে প্রয়াত হয়েছিলেন।১৯০৮ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে শান্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্যাশ্রমের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদানের আহ্বান জানালে তিনি এতে সাড়া দিয়ে অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। মধ্যযুগের সন্তদের বাণী, বাউল সঙ্গীত এবং সাধনতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা ও সংগ্রহে তাঁর কৃতিত্ব উল্লেখযোগ্য।
  মার্কিন ঔপন্যাসিক হাওয়ার্ড মেলভিন ফাস্ট ২০০৩ সালে আজকের দিনে প্রয়াত হয়েছিলেন। তিনি ই. ভি. কানিংহ্যাম এবং ওয়াল্টার এরিকসন ছদ্মনামেও লিখেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ স্পার্টাকাস, দি লাস্ট ফ্রণ্টিয়ার, প্লেস ইন দ্য সিটি ইত্যাদি।

  প্রতিভাময়ী অপেশাদার ভারতীয় মঞ্চশিল্পী কেয়া চক্রবর্তী ১৯৭৭ সালে আজকের দিনে প্রয়াত হয়েছিলেন। বাংলা রঙ্গমঞ্চে নান্দীকার গোষ্ঠীর প্রযোজিত নাটকগুলিতে অভিনয়ের মাধ্যমে কিংবদন্তি অভিনেত্রী হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন। প্রথম অভিনয় ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে চার অধ্যায় নাটকে। এরপর ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দ হতে নিয়মিত অভিনয়। তিন পয়সার পালা অভিনয়ের পর তাঁর সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে।

মনীষী উবাচ :
মানুষের চাইবার অন্তহীন শক্তি যখন সংকীর্ণ পথে আপন ধারাকে প্রবাহিত করতে থাকে তখনই কূল ভাঙে, তখনই বিনাশের বন্যা দুর্দাম হয়ে ওঠে। (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
------------------------------------
সংকলক- রুম্পা প্রতিহার 
------------------------------------
পেজ-এ লাইক দিন👇

Comments

Trending Posts

‘পথের পাঁচালী’ এবং সত্যজিৎ রায় : একটি আলোচনা/কোয়েলিয়া বিশ্বাস

সনাতন দাস (চিত্রশিল্পী, তমলুক) /ভাস্করব্রত পতি

ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা ১১০

সর্বকালের প্রবাদপ্রতিম কবিসত্তা শক্তি চট্টোপাধ্যায় /প্রসূন কাঞ্জিলাল

শঙ্কুর ‘মিরাকিউরল’ বড়িই কি তবে করোনার ওষুধ!/মৌসুমী ঘোষ

প্রাচীন বাংলার জনপদ /প্রসূন কাঞ্জিলাল

বাংলা ব্যাকরণ ও বিতর্কপর্ব ১৮/অসীম ভুঁইয়া

রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি পরিষদ (NAAC) এর মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি: উদ্দেশ্য ও প্রস্তুতি - কলেজ ভিত্তিক অভিজ্ঞতা /সজল কুমার মাইতি