Posts

Showing posts from April, 2021

মে দিবস শপথ নেওয়ার দিন/সন্দীপ কাঞ্জিলাল

Image
মে দিবস শপথ নেওয়ার দিন সন্দীপ কাঞ্জিলাল সোভিয়েত রাশিয়া পতনের পর নানা মহলে সেই ঘটনার অবমূল্যায়ন যতই হোক না কেন, তবু তার যুগান্তকারী মহিমা যারা অস্বীকার করে তাদের মূর্খ বলা ছাড়া উপায় নেই। মাও জেদং একবার বলেছিলেন, "কখনো শ্রেণি সংঘাত ব্যাপারটাকে যেন ভুলে না যাওয়া হয়"( never forget the class struggle)। আর এই শ্রেণি সংঘাত থেকে জন্ম নেয় 'মে দিবস'। ইতিহাস তাঁর স্মৃতি থেকে যতটুকু বলে,  তাতেই জেনেছি মানুষ যবে থেকে সমাজবদ্ধ জীব হল, তবে থেকে সমাজে চলে এসেছে শোষণ। মুষ্টিমেয় কিছু লোক সমাজপতি হিসেবে তৎপর থেকেছে, আর বাকি বৃহৎ অংশের জনগণ তাদের তাঁবেদারী করতে বাধ্য হয়েছে। জীবনের সব দিক থেকে তারা বঞ্চিত থেকেছে। আমি আপনি কিংবা সে, সবাই স্বপ্ন দেখি শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তি। কিন্তু তা নিছক কল্পনা। কিন্তু যেদিন কল্পনা থেকে মানুষ নেমে এলো রাস্তায়, তার নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করতে, সেই দিনটির নাম 'মে দিবস'।    সৃষ্টির আদি লগ্নে আদিম সমাজব্যবস্থা প্রচলিত ছিল। এই ব্যবস্থায় মানুষের ওপর মানুষের শোষণ ছিল না। যা পাওয়া যেত, তা সবাই মিলে ভাগ করে খেয়ে পরে বাঁচতো। সে

এক পুনর্জন্ম ও ফল্গুনদীর কথা/শ্যামাশ্রী চৌধুরী মজুমদার

Image
এক পুনর্জন্ম ও ফল্গুনদীর কথা শ্যামাশ্রী চৌধুরী মজুমদার  ১৯১৩ সাল বাঙালি জীবনকে আন্তর্জাতিকতার আলোয় নিয়ে এল কবিগুরুর নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির সংবাদে আর এই বছরেরই মে মাসে উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর হাতে বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য ভিত্তি স্থাপিত হল "সন্দেশ" পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমে। ইতিমধ্যে তাঁর সুযোগ্য পুত্র সুকুমার রায় গুরুপ্রসন্ন  বৃত্তি লাভ করে বিলেত গেছেন ফটোগ্রাফি ও প্রিন্টিং টেকনোলজি নিয়ে উচ্চতর শিক্ষা লাভ করতে। যে পিতামহ লেখালেখির সূচনা কাল থেকেই ক্রমাগত ভেবেছেন উন্নততর শিশুসাহিত্যের কথা, তাদের চিত্তাকর্ষনের জন্য ছবি আঁকার কথা আর যে পিতা স্বল্প জীবনকালে শিশুসাহিত্যেকে যা দিয়ে গেছেন তা আপামর পাঠকের হৃদয় জুড়ে আছে শুধু নয় সমঝদার পাঠককে রীতিমত ভরিয়ে রেখেছে আপাত হাস্যরসের অন্তরালে জীবনের নানা খামতি,সীমা আর ভ্রান্তির আশ্চর্য রূপায়নে তাদের পরিবারেই যে আসবে অসীম প্রতিভাধর বিস্ময় শিশু তা যেন পূর্ব নির্ধারিত। ঠিক যেমন এই মে মাস। ১৯২১ সালের ২রা মে সত্যজিৎ রায়ের জন্ম। উপেন্দ্রকিশোরের মৃত্যুর পর সুকুমার রায় তখন "সন্দেশ" এর দায়িত্বে। তবে পুত্রের মাত্র

সত্যজিৎ রায়: একটি বিস্ময়ের নাম/সূর্যকান্ত মাহাতো

Image
সত্যজিৎ রায়: একটি বিস্ময়ের নাম সূর্যকান্ত মাহাতো অত্যন্ত ছোটবেলা থেকেই পাশ্চাত্য ধ্রুপদী সংগীতের প্রতি একটা  নিদারুন অনুরাগ ছিল তাঁর। একরকম নেশার মতো বলা যেতে পারে। এতটাই মন্ত্রমুগ্ধের মতো মনোযোগ সহকারে সেই সুরের মূর্ছনায় মূর্ছিত হতেন যে পরবর্তীকালে সেই সুরের একটু টুং-টাং ধ্বনি শোনামাত্রই বলে দিতে পারতেন এটার কম্পোজার কে, এবং কোন সিম্ফনী, তার নাম। আর এভাবেই সুরটা শুনে সেটার কম্পোজার কে এবং কোন সিম্ফনী সেটা কে কত তাড়াতাড়ি বলতে পারে তা নিয়ে একটা বেশ মজার খেলাও খেলতেন। কখনও বন্ধুদের সঙ্গে কখনও বা পরিবারের সঙ্গে। আর পাশ্চাত্য সংগীতে অসাধারণ পান্ডিত্যের কারণে বেশিরভাগ সময় তিনিই বিজয়ী হতেন। আরও একটি খেলা খেলতে তিনি ভীষণ পছন্দ করতেন। সেটা হল ওয়ার্ড গেম। স্ক্র‍্যাবল, প্রোব, বগল এসব খেলায় ক্ষুরধার বুদ্ধির কারণে তার সঙ্গে কেউ সহজে পেরে উঠত না। হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন। এতক্ষন যার কথা বলছিলাম তিনি  আর কেউ নন, তিনি হলেন বিরল প্রতিভার অধিকারী স্বনামধন্য সত্যজিৎ রায়(জন্ম ২মে১৯২১-মৃত্যু ২৩এপ্রিল১৯৯২)।  ঠাকুর পরিবারের পরই বিখ্যাত যে রায় বংশ সেখানেই তার জন্ম। ঠাকুরদা ছিলেন বিখ্যাত মানুষ,লেখক উপেন্

‘পথের পাঁচালী’ এবং সত্যজিৎ রায় : একটি আলোচনা/কোয়েলিয়া বিশ্বাস

Image
‘ পথের পাঁচালী’ এবং সত্যজিৎ রায় : একটি আলোচনা কোয়েলিয়া বিশ্বাস ‘পথের পাঁচালী’ – এই নামটি শুনলেই আপামর বাঙালির চোখে ভেসে ওঠে দুটি পরিচিত মুখ- একজন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, অপরজন সত্যজিৎ রায়। একজন অসাধারণ শব্দ বিন্যাসে মনের মাধুরী মিশিয়ে গড়ে তুলেছেন অপূর্ব এক গ্রাম্য কাহিনীচিত্র, আর অপরজন তাকে অপূর্ব সিনেমাটিক মুন্সিয়ানায় নিয়ে গিয়েছেন বিশ্বের দরবারে। দুজনের কৃতিত্বই এতো বেশি যে ‘পথের পাঁচালী' নামটি শুনলেই আজও মনে পড়ে যায় কিভাবে স্কুলজীবনে পড়াশুনার সঙ্গে সমান্তরাল ভাবে মনের ভিতর খেলা করত অপু আর দুর্গা। কোনো এক নির্জন দুপুরে যখন সবাই দিবানিদ্রায় মগ্ন থাকত, আমার নিজস্ব ‘অপু’ তখন রেলগাড়ি দেখার বাসনায় পুকুর পাড় ছাড়িয়ে, নীলমনি রায়ের ভিটে ছাড়িয়ে, কাশবন ছাড়িয়ে দে দৌড়। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী এই সৃষ্টির মধ্য দিয়ে আমরা কমবেশি সবাই খুঁজে পাই আমাদের ফেলে আসা ছোট্টবেলাকে। খুঁজে পাই যান্ত্রিক জীবন-স্তূপে চাপা পড়ে যাওয়া সহজ সরল সেই ছোট্ট ‘আমি’টাকে। আর সত্যজিৎ রায় তাকেই চিরকালীন করে রাখলেন তাঁর সিনেমায়।   ‘পথের পাঁচালী' বইটি প্রথম প্রকাশ

চলচ্চিত্রে মানবিক সত্যজিৎ : শতবর্ষের আলোয়/ চিত্রলেখা দত্ত

Image
চলচ্চিত্রে মানবিক সত্যজিৎ : শতবর্ষের আলোয় চিত্রলেখা দত্ত "শ্রীরায়ের ছবি না দেখা আর পৃথিবীতে চাঁদ আর সূর্য না দেখে বেঁচে থাকা একই ব্যাপার।"                        -----  আকিরা কুরোসাওয়া পৃথিবীর সেরা ব্যক্তিদের অন্যতম এক অসামান্য মানবিক ব্যক্তিত্ব শ্রদ্ধেয় সত্যজিৎ রায়। বাংলা ও ভারতের চৌহদ্দি ছাড়িয়ে বিশ্বের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের কাছে তিনি বীক্ষণের আলোক বাতি। তাঁর অপূর্ব সৃষ্টির ছত্রে ছত্রে বিভিন্ন সামাজিক ,অর্থনৈতিক সমস্যার চিত্রায়ণ তাঁর প্রতিবাদী মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির স্বাক্ষর রাখে। ফরাসি চলচ্চিত্র নির্মাতা জঁ রেনোয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎকার তাঁর কর্মধারায় আমূল পরিবর্তন আনে। লন্ডনে ইটালিয়ান চলচ্চিত্র "Ladri di biciclette"(বাইসাইকেল চোর) দেখার পর তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণে ব্রতী হন। আঠাশটি ফিচার ও পাঁচটি তথ্যচিত্রে তাঁর রুচিশীল নান্দনিক সৌন্দর্য শোভিত ভাবনা ভারতের একমাত্র অস্কার জয়ীর শিরোপা পায়। তাঁর বিচিত্র পরিচিতির মাঝে প্রধান পরিচিতি তিনি একজন মানবদরদী চিত্রপরিচালক যার ক্যানভাসে ভাসছে বিশ্ব মানবতার মুক্তির গান। অপু ট্রিলজির প্রথম ছবি পথের পাঁচালী(১৯৫৫

সত‍্যজিৎ রায় : যেমন দেখেছি, যেমন পড়েছি /শীর্ষেন্দু পাল

Image
সত‍্যজিৎ রায় : যেমন দেখেছি, যেমন পড়েছি    শীর্ষেন্দু পাল সত‍্যজিৎ রায়ের লেখার সঙ্গে আমার আলাপ কৈশোরে। বাড়িতে নিয়মিত আসতো সন্দেশ পত্রিকা। এখনকার মত উন্নত প্রযুক্তিবিদ‍্যার সাহায্য পেলে কি করতেন জানি না কিন্তু সেই সময়ের ছাপার পদ্ধতিতে অবলম্বন করেই সত‍্যজিৎ রায় পত্রিকার ব‍্যাপারে যে যথেষ্ট খুঁতখুঁতে ছিলেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। লেখা নির্বাচন যথাযথ তো ছিলই, সময়োপযোগী বিষয়ের উপস্থাপন এবং ঠিক কাদের জন্য এই পত্রিকা সেটা মাথায় রেখেই পত্রিকা করতেন। তবে এসবের উপরে ছিল পূর্ণাঙ্গতা, ইংরেজিতে যাকে আমরা বলি পারফেকশন - সেটার দিকে তাঁর কড়া নজর। বেশ মনে আছে, ' পুরোনতুন ' নামে একটা বিভাগ থাকত সেই সময়। সেই পাতায় পুরোনো ও নতুন লেখক লেখিকাদের এবং বিষয়ের লেখা থাকত। এই পুরোনতুন কথাটার মধ্যেই 'পুরোনো' ও 'নতুন' কথাদুটোকে যাতে খুঁজে পাওয়া যায়, তার জন্য শব্দের মাঝের ' ন ' এর আধখানা পর্যন্ত কালো ও বাকি অংশ সাদা - এইভাবে ছাপা হত। উদ্ভাবনী ক্ষমতা ও অভিনবত্বের চমৎকার মিশেল ঘটিয়ে বরাবরই পাঠক ও দর্শকদের এভাবেই ভাবতে বাধ্য করতেন তিনি।  নিজে ভালো চিত্রশিল্পী হওয়া

একটি বাইসিকল, একটি নদী ও একটি গ্রাম: তরুণ সত্যজিতের প্রেরণারা/অনমিত্র বিশ্বাস

Image
একটি বাইসিকল, একটি নদী ও একটি গ্রাম: তরুণ সত্যজিতের প্রেরণারা অনমিত্র বিশ্বাস চিত্রনাট্য: সিজার জাভাত্তিনি, পরিচালনা: ভিত্তোরিও দি সিকা। গত কয়েক বছরে ইতালিতে যে neo-realism জন্ম নিচ্ছিলো, তাকে পূর্ণতম মাত্রা দেয় ১৯৪৮ সালের ‘দ্য বাইসিকল্‌ থীফ’। একটি চুরি যাওয়া বাইসিকল নিয়ে ছবি, যেটি না পাওয়া মানে সেটির মালিক অ্যান্টনিও ও তার পরিবারের নিশ্চিত অনাহার। বাইসিকলটি খোঁজার মরিয়া চেষ্টা অ্যান্টনিওর, আর তার সমান্তরালে তার অসহায়তা, আর ছেলে ব্রুনোর সাথে তার সম্পর্কের কারুণ্যের মধ্যে দিয়ে ছবিটি পৌঁছোয় এক মর্মান্তিক উপসংহারে, চ্যাপলিনের Monsieur Verdouxএর মতো। ছবিটির শুটিং স্টুডিও চত্বরের ত্রিসীমানায় হয় নি, হয়েছে রোমের রাস্তায় রাস্তায়। কোনও একটি চরিত্রেও পরিচালক কোনও পেশাদারী অভিনেতাকে রাখেন নি (প্রধান ভূমিকায় ল্যামবার্তো ম্যাগিয়ারানি যেমন পেশায় ছিলেন কারখানার কর্মচারী)। এই ছবিটি যখন প্রবল জনপ্রিয়তায় ইংল্যান্ডে চলছিলো, তখন একদিন দর্শকের আসনে বসে ছিলেন এক তরুণ বাঙালী চলচ্চিত্রপ্রেমী। ৬ মাস ইংল্যান্ডে থাকাকালীন তিনি যে ৯৯টি ছবি দেখেছিলেন, তার মধ্যে এটিই তাঁর মনে সবচেয়ে বেশী দাগ কেটেছিলো। এ

কথা-সাহিত্য নির্ভর সত্যজিৎ/রাজর্ষি রায়

Image
কথা-সাহিত্য নির্ভর সত্যজিৎ রাজর্ষি রায় বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসে ভারতীয় সিনেমা বিশ্বে যে বিশিষ্ট স্থান করে নিয়েছিল, যে সমস্ত ভারতীয় চিত্র-পরিচালকের মাধ্যমে সত্যজিৎ রায় তাঁদের অন্যতম পুরোধা। তিনি জন্মেছিলেন এমন এক পরিবারে এবং এমন এক সময়ে, যে কারণে আমরা যেমন তাঁর মধ্যে পেয়েছি শিল্প-সাহিত্যের সাহচর্য অন্যদিকে তেমনি পেয়েছি বর্তমান শিল্পমাধ্যমের চূড়ান্ত রূপ- চলচ্চিত্র। ১৯২১ সালের ২রা মে তাঁর জন্ম। এই বছর তাঁর শতবর্ষ পূর্ণ হতে চলেছে। এই একশ বছরে ভারতীয় চলচ্চিত্রের যে বিবর্তন ধারা লক্ষ্য করা যায় তার প্রায় সত্তর বছর জুড়ে আছে সত্যজিতের প্রভাব। বাংলার নবজাগরণের অন্তিম রেশ যে কয়েকজন বাঙালিকে ভারতীয় তথা বিশ্বের করে তুলেছিল সত্যজিৎ তাঁদের মধ্যে অগ্রগণ্য পথিক। তিনি তাঁর জীবনের পথ চলা শুরু করেছিলেন একজন গ্রাফিক্স শিল্পী হিসেবে ডি জে কিমারে'র সিগনেট প্রেসে। কিন্তু উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর নাতি ও সুকুমার রায়ের সন্তান হিসেবে স্কুলজীবন থেকেই তাঁকে আকৃষ্ট করেছিল বিংশ শতাব্দীর এই শিল্পসমৃদ্ধ নব-মাধ্যমটি অর্থাৎ চলচ্চিত্র।              চলচ্চিত্র দেখা শুরু সেই ছোটবেলা থেকেই, যেহেতু

জন্ম শতবর্ষে সত্যজিৎ রায় / সিদ্ধার্থ সাঁতরা

Image
জন্ম শতবর্ষে সত্যজিৎ রায়      সিদ্ধার্থ সাঁতরা    ( “ভালো বই পড়া , ভালো ছবির প্রদর্শনীতে যাওয়া , বা গানের আসরে বসে ভালো গান শোনা – এ সবের  তাগিদ তাঁরাই বোধ করেন , যাঁরা ভালো ছবি , ভালো বই বা ভালো গানের কদর করেন , বা করার চেষ্টা করেন ।  কিন্তু সিনেমার  ব্যাপারে দেখি যাঁরা ‘সংগম’ দেখছেন তাঁরাই আবার ‘লা দোলচে ভিতা’তেও উঁকি দিচ্ছেন । এতে অবিশ্যি বলবার কিছু নেই—কারণ পকেটে পাঁচসিকা পয়সা এবং হাতে ঘণ্টা তিনেক সময়  থাকলে যে কেউ যে কোন ছবিই দেখতে পারেন এবং তা নিয়ে মন্তব্য করতে পারেন । মন্তব্য যদি কফি হাউসে বা পাড়ার রকে নিবদ্ধ থাকে তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু রাম-শ্যাম-যদু সকলেই যদি পত্র-পত্রিকায় তাঁদের ভয়ংকরী বিদ্যার পরিচয় দিতে শুরু করেন তবে আশঙ্কা হয় যে যখন সবে বাংলা দেশের দর্শকের  মধ্যে সিনেমার বিষয় জানবার ও শেখবার একটা আগ্রহ দেখা যাচ্ছে , ভালো-মন্দ বিচার করার ক্ষমতারও  কিছুটা ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে , তখন এসব লেখা অন্তত কিছুসংখ্যক পাঠক তথা দর্শকের মনে একটা বিভ্রান্তির  সৃষ্টি করবে না কি ?”                         -----সত্যজিৎ রায় )                     জন্ম ২ মে ১৯২১ , মৃত্যু ২৩ এপ্রিল ১৯৯২