রবীন্দ্রনাথের নতুন বৌঠান/রোশেনারা খান

রবীন্দ্রনাথের নতুন বৌঠান  
রোশেনারা খান
১৮৮৪ সালের ১৯ এপ্রিল কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক দিন। সেদিন সামান্য সময়ের জন্য হয়ত ঠাকুরবাড়ির বদ্ধ হাওয়া ঝড় হয়ে উঠেছিল,কেঁপে উঠেছিল বাড়ির অলিন্দ, জানালা-দরজা, কড়ি-বরগা !  আর তার  পরেই নেমে এসেছিল শ্মশানের নীরবতা। এইদিন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ষষ্ঠ পুত্রবধূ জ্যোতিন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী রবীন্দ্রনাথের নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবী আত্মহত্যা করার জন্য আফিং খেয়েছিলেন। কিন্তু কেন? তার সঠিক তথ্য জানার  কোন উপায় তাঁর শ্বশুর মহাশয় দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর রাখেননি। তবে রবীন্দ্রনাথের নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবীকে চেনা জানার চেষ্টা করা যেতেই পারে।

      কাদম্বরীর জন্ম ৫ জুলাই ১৮৫৯ সালে কলকাতার এক দরিদ্র পরিবারে। তাঁর পিতা শ্যাম গঙ্গোপাধ্যায় ছিলেন ঠাকুরবাড়ির সামান্য একজন বাজার সরকার। অপরদিকে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ছিলেন ভাইয়েদের মধ্যে শিক্ষাদীক্ষা, রূপে-গুণে শ্রেষ্ঠ। তা সত্ত্বেও এই বিয়ে হয়েছিল দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের আদেশে ও ইচ্ছায়। ঠাকুরবাড়ির প্রায় সব ছেলেদেরই বিয়ে সাধারণ পরিবারের অতি সাধারণ মেয়েদের সঙ্গেই দেওয়া হয়েছে। কারণ এঁরা পিরালি ব্রাহ্মণ হওয়ার জন্য অন্যান্য ব্রাহ্মণরা এদের হীনচোখে দেখতেন। ব্রাহ্মণ বলে মানতেন না। তাই এই পরিবারের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে রাজি হতেন না। তবে যে মেয়েদের বাড়ির বৌ করে নিয়ে আসা হত তাঁদের  বিয়ের পর ঠাকুরবাড়িতে  নিজেদের তৈরি করার সমস্তরকম সুযোগ সুব্যবস্থা করা  হত। বিয়ের সময় কাদম্বরীর বয়স ছিল ৯ বছর, আর জ্যোতিরিন্দ্রনাথের ১৯ বছর। এই বিয়েতে ঠাকুরবাড়ির কেউ খুশি ছিলেন না। বিশেষ করে দাদা সত্যেন্দ্রনাথ ও বৌদি জ্ঞানদানন্দিনী। একমাত্র ব্যতিক্রম ছিলেন রবীন্দ্রনাথ। জ্ঞানদানন্দিনী আগেই বলেছিলেন, এ বিয়েতে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ সুখী হবে না। আর সেটাই ঘটেছিল। বিয়ের পর কাদম্বরী ও জ্যোতিরিন্দ্রনাথের মধ্যে কোনোরকম ঘনিষ্ঠ ও ভালোবাসার সম্পর্ক গোড়ে ওঠেনি। শুধু তাই নয়, ঠাকুর পরিবারের অন্যান্য  সদস্যরাও বরাবর তাঁর থেকে একটা দূরত্ব বজায় রেখে চলতেন। একমাত্র রবীন্দ্রনাথ ছাড়া বাকি সবাই তাঁকে ঠাকুরবাড়ির যোগ্য বলে মনে করতেন না। সত্যিই কাদম্বরী ঠাকুরবাড়ির বৌ হওয়ার যোগ্য না অযোগ্য তা যাচাই করার  চেষ্টা না করে তাঁকে সবাই অবজ্ঞা ভরে দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন। তাই কাদম্বরী দেবী সেই অর্থে সবার কাছে অজানাই থেকে যান। তাঁর গুনের খবর কেউ জানতেন না বলে জীবনভর তাঁকে নিন্দে ও সমালোচনাই শুনতে হয়েছে।

  কাদম্বরী ঠাকুরবারিতে পা রাখার সময় থেকেই সমবয়সী রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব ও ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রবীন্দ্রনাথই ছিলেন তাঁর জীবনে একমাত্র সান্ত্বনার জায়গা। যে কোনও ধরনের সম্পর্ক গড়ে ওঠার মাধ্যম হচ্ছে পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস ও ভালোবাসা। কাদম্বরী ও রবীন্দ্রনাথ শৈশবে যার কাছে সঙ্গীতের তালিম নিতেন তিনি ছিলেন কাদম্বরীর ঠাকুরদা এবং  সেইসময়কার একজন নামী সঙ্গীত শিল্পী জগমোহন গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি দরিদ্র ছিলেন বলে ঠাকুরবাড়িতে কোনোদিন সামান্য মর্যাদাটুকু পাননি। ঠাকুরবাড়ির সব বৌরাই দরিদ্র বাড়ির মেয়ে ছিলেন, তবে শুধু কাদম্বরীকেই কেন অবজ্ঞা ,অপমান সহ্য করতে হত? তার কারণ ছিল, অন্য বউদের স্বামীরা সবসময় স্ত্রীর পাশে থাকতেন, কাদম্বরীর সেই সুখ বা সৌভাগ্য কিছুই ছিল না। জ্যোতিরিন্দ্রনাথের স্ত্রীকে সঙ্গ দেওয়ার সময় ছিল কোথায়? তিনি সারাদিন গানবাজনা নিয়েই মেতে  থাকতেন। তাঁর আড্ডা ছিল বৌদি জ্ঞানদানন্দিনী ঘরে। এ ছাড়াও কলকাতার এক নটীর সঙ্গে তাঁর বিশেষ সম্পর্ক ছিল বলেও শোনা যায়। রবীন্দ্রনাথ তাঁর নতুন বৌঠানের সবটুকু শূন্যতা ভরিয়ে রেখেছিলেন।
      রবীন্দ্রনাথ যখন দুবার বিলেত গিয়েও কিছু করতে পারলেন না, তখন কবিতা, গান ইত্যাদি রচনায় মনোনিবেশ করলেন। কিন্তু আত্মীয়স্বজনরা পিছু ছাড়লেন না, তাঁরা রবীন্দ্রনাথকে তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা প্রশ্ন করে জেরবার করতে লাগলেন। তিনি অতিষ্ঠ হয়ে উঠে  এসব এড়াতে শেষপর্যন্ত তিনিও নতুনদা ও নতুন বৌঠানের সঙ্গে চন্দননগরের বাগানবাড়িতে গিয়ে থাকতে শুরু করলেন। সেখানে গিয়ে নিশ্চিন্ত মনে নতুন বৌঠানের প্রেরণায় উদ্যমের সঙ্গে সাহিত্য রচনায় মন দিলেন। তিনি আরও উৎসাহ বোধ করে ছিলেন কাদম্বরী দেবীকে মুগ্ধ শ্রোতা হিসেবে পেয়ে।

    কাদম্বরীর জীবন ছিল ধু ধু জলহীন শুষ্ক প্রান্তরের মত। সেখানে একমাত্র  রবীন্দ্রনাথই ছিলেন বেঁচে থাকার শীতল উৎস। কাদম্বরীর শৈশবের খেলার সাথী, যৌবনের সখা রবীন্দ্রনাথই ছিলেন তাঁর জীবনের সকল দুঃখ, ব্যথা, জ্বালা- যন্ত্রণায় শান্তির প্রলেপ। কাদম্বরী যে শুধু গান শিখেছিলেন, তা কিন্তু নয়। তিনি একজন সুন্দরী রুচিশীল শিক্ষিতা মহিলা হয়ে উঠেছিলেন। তিনি সবার অগোচরে  নিজেকে তৈরি করেছলেন। কিন্তু সত্যেন্দ্রনাথ ও জ্ঞানদানন্দিনী তা মানতে চাইতেন না। এথেকে একটা বিষয় পরিস্কার যে জ্ঞানদানন্দিনী বিলেতফেরত শিক্ষিতা আধুনিকা মহিলা হলেও তিনিও মেয়েলি ঈর্ষার ঊর্ধ্বে উঠতে পারেননি।

  রবীন্দ্রনাথ কিন্তু তাঁর রচনার বিষয় নিয়ে একমাত্র কাদম্বরীর সঙ্গেই আলোচনা করতেন। এ থেকেই বোঝা যায় সাহিত্য বিষয়ে তাঁর যথেষ্ট জ্ঞান ছিল। রবি তাঁর জীবনকে আলোয় ভরিয়ে রেখেছিলেন বলে কাদম্বরী দেবী সব অবজ্ঞা-অপমান সহ্য  করে নিয়েছিলেন। নতুন বৌঠানের প্রতি রবীন্দ্রনাথের দুর্বলতার কথা বেশীদিন চাপা ছিল না। ধীরে ধীরে বাড়ির সবাই তা জেনে গিয়েছিলেন। বাবা দেবেন্দ্রনাথ ছেলের মনোভাব বুঝতে পেরে তাঁকে  মুসৌরি  ডেকে পাঠিয়ে  দ্রুত  বিবাহের নির্দেশ দেন। ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর বর্তমান বাংলাদেশের খুলনার  দক্ষিণডিহি গ্রামের বেণীমাধব রায়ের কন্যা ভবতারিণীর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের বিবাহ হয়।ভবতারিণীরও বয়স তখন ৯ বছর। ঠাকুরবাড়িতে তাঁর নাম বদলে মৃণালিনী রাখা হয়। রবীন্দ্রনাথ নিজে এই নাম রেখেছিলেন। কাদম্বরী দেবীরও ঠাকুরবাড়িতে নাম বদলে ফেলা হয়েছিল। তাঁর আগের নাম ছিল মাতঙ্গিনী। 
    রবীন্দ্রনাথ বিলেত চলে যাওয়া থেকেই কাদম্বরীর মানসিক যাতনা শুরু  হয়েছিল। অহরহ একাকীত্বের জ্বালায় জ্বলতেন। ২ বছর পর  বিলেত থেকে ফিরে এলেও কাদম্বরী আর আগের মত রবীন্দ্রনাথকে পেলেন না। কিছুদিন পরেই কোনও আনন্দ-অনুষ্ঠান ছাড়ায় অতি দ্রুত তাঁর বিবাহ দিয়ে দেওয়া হয়। স্বাভাবিক  নিয়মেই দুজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হল। মেলামেশার সুযোগ কমে গেল। আগে রবীন্দ্রনাথ প্রতিদিন সকালে নতুন বৌঠানকে কবিতা, উপন্যাস পড়ে শোনাতেন।  কাদম্বরী দেবী পড়তে ভালো বাসতেন, তার থেকেও বেশী ভালো বাসতেন  রবীন্দ্রনাথের পড়া শুনতে। এখানে একটা প্রশ্ন উঠতেই পারে, রবীন্দ্রনাথ নতুন বউঠানকে নিজের লেখা পড়ে শুনিয়ে তাঁর মতামত জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেন। কাদম্বরী দেবীর সাহিত্য বিষয়ক ও অন্যান্য গুণাবলীর কথা রবীন্দ্রনাথের লেখায় প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু তাঁর প্রতিভার প্রকাশ জনসমক্ষে এলোনা  কেন? কেনই বা তিনি তাঁকে লেখার জন্য উৎসাহ দিতেন না? অনেকে মনে  করেন রবীন্দ্রনাথের বেশকিছু লেখা আসলে কাদম্বরী দেবীর লেখা। তবে তাঁর কোন প্রমান নেই। এমন একজন বিদুষী ও সাহিত্যপ্রেমী মহিলা কেন কিছুই লিখলেন না, তার উত্তর একমাত্র কাদম্বরী দেবীই দিতে পারতেন। হয়ত দিয়েও ছিলেন তাঁর সখা, বন্ধু রবিকে লেখা শেষ চিঠিতে।

    রবীন্দ্রনাথ তাঁর নতুন বৌঠানকে নিয়ে অনেক বিরহের গান রচনা করে গেছেন। রবীন্দ্রনাথের বিবাহের পর তাঁর জীবনে অন্য নারীর আগমন এবং সেইজন্য দুজনের মেলামেশার সুযোগ কমে যাওয়া কাদম্বরী মেনে নিতে পারেননি। প্রেম ন্যায়-অন্যায় বোঝে না, আইন বোঝে না। মেয়েরা অন্য অনেক ক্ষেত্রে ত্যাগ শিকার করে থাকলেও ভালোবাসার মানুষটির ভালোবাসা ভাগ হয়ে যাওয়া মেনে নিতে পারেনা। কাদম্বরী দেবীও পারেননি। কি নিয়ে বাঁচবেন? তাঁর যে আর নিজের বলতে কিছুই রইল না। তাঁর কোনও সন্তানও জন্মায়নি। এই সবকিছু ভাবনা  তাকে শেষপর্যন্ত আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য করেছিল। রবীন্দ্রনাথের বিয়ের চার মাস পরে ১৯ এপ্রিল কাদম্বরী দেবী প্রচুর পরিমাণে আফিং খেয়ে ফেলেন, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে মারা যাননি। এর পূর্বে তিনি তাঁর সখা রবিকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। এর মধ্যেই লুকিয়ে ছিল কাদম্বরী দেবী ও রবীন্দ্রনাথের সম্পর্কের রহস্য। যা আজও রহস্যই রয়ে গেছে। সেই রহস্য সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বহু লেখক। তাঁরা যেখানে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন, সেখানে কল্পনার আশ্রয় নিয়েছেন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় পর্যন্ত। তবে সে সব লেখা গল্প-উপন্যাস হিসেবে ঠিক আছে, কিন্তু তাকে সত্যি বলে কি মানা যায়? সত্যিটা যে কি? তা রবীন্দ্রনাথই  জেনেছিলেন। তারপর চিঠিটি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হয়। কাদম্বরী দেবী নাকি এইরকমই ইচ্ছের কথা তাঁর সখাকে জানিয়ে গেছিলেন। এই চিঠিটিকে কাদম্বরী দেবীর ‘সুইসাইড নোট’ ও ভাবা হয়।

    সবটাই মানুষের ধারণা ছাড়া কিছুই নয়। কারণ সেইদিন বা সেইসময় ঠাকুরবাড়িতে কি ঘটেছিল, তা জানা গিয়েছিল সেইটুকুই, যেটুকু বাড়ির কর্তা, কাদম্বরীর শ্বশুর মহাশয় পুলিশ ডাক্তার আইনজীবী ও সাধারণ মানুষকে জানতে দিয়েছিলেন।কাদম্বরী দেবী মারা গিয়েছিলেন ২১ এপ্রিল। ১৯ থেকে ২১,এই দু’দিন যে তিনি মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েছিলেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শ্বশুর  দেবেন্দ্রনাথ মৃত্যুপথযাত্রী বৌমার চিকিৎসা ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি রাখেননি। বড় বড় ডাক্তার নিয়ে এসেছিলেন। প্রথমে এসেছিল সাহেব ডাক্তার। তাঁকে রাত্রে কাদম্বরীর ঘরে রাখা যাবে না বলে পরে সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়, নীলমাধব হালদার ও ভগবৎচন্দ্র রুদ্র নামে তিনজন বাঙালি ডাক্তারকে নিয়ে আসা হয়েছিল। তাঁদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে কাদম্বরী দেবী ২১ এপ্রিল মৃত্যুর শীতল কোলে আশ্রয় নিয়ে সব জ্বালা জুড়িয়েছিলেন।

    ঠাকুরবাড়ির এই কলঙ্কজনক ঘটনা চেপে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। কাদম্বরী দেবীর রবীন্দ্রনাথকে লেখা শেষ চিঠি বা সুইসাইড নোট তিনি পুলিশের হাতে পড়তে দেননি। আত্মহত্যার সমস্ত প্রমাণ তিনি লোপাট করে দিয়েছিলেন। ময়নাতদন্তও করতে দেননি। বাড়িতেই আদালত বসিয়েছিলেন। তার রিপোর্টে কি ছিল? তা কাউকে জানানো হয়নি। এমনকি তাঁর মৃত্যুসংবাদ কোনও সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়নি।এর জন্য মোটা টাকা খরচ করতে হয়েছিল। আর বাড়ির লোকের তো মুখখোলার সাহসই ছিল না। আর কারো না হোক, কাদম্বরীর  মৃত্যু রবীন্দ্রনাথের মনে চরম আঘাত হেনেছিল। কাদম্বরীর প্রতি তাঁর যে প্রেম, তা কোথাও তিনি স্পষ্টভাবে স্বীকার না করলেও তাঁর আচরণে ও বহু কবিতায়,গানে বারে বারে তা প্রকাশ পেয়েছে। তিনি তাঁর নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবীকে ১১ খানি বই উৎসর্গ করেছেন। কিন্তু নিজের মাকে একখানি বইও উৎসর্গ করেননি। এর থেকেও বোঝা যায় নতুন বৌঠান তাঁর জীবনের কতখানি অংশজুড়ে ছিলেন। তাই হয়ত লিখেছিলেন –
                  ‘আমি তোমার প্রেমে হব সবার কলঙ্ক ভাগি…….’ 

জ্বলদর্চি পেজে লাইক দিন👇
   আরও পড়ুন      
                                   

Comments

Trending Posts

ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা -১০৯

‘পথের পাঁচালী’ এবং সত্যজিৎ রায় : একটি আলোচনা/কোয়েলিয়া বিশ্বাস

প্রাচীন বাংলার জনপদ /প্রসূন কাঞ্জিলাল

সনাতন দাস (চিত্রশিল্পী, তমলুক) /ভাস্করব্রত পতি

পুঁড়া পরব /ভাস্করব্রত পতি

পতনমনের ছবি /শতাব্দী দাশ

সর্বকালের প্রবাদপ্রতিম কবিসত্তা শক্তি চট্টোপাধ্যায় /প্রসূন কাঞ্জিলাল

বাংলা ব্যাকরণ ও বিতর্কপর্ব ১৮/অসীম ভুঁইয়া