জ্বলদর্চি

জঙ্গলমহলের লোকগল্প/ দজ্জাল বউ/সংগ্ৰাহক- পূর্ণিমা দাস/ কথক- শম্ভু দাস

জঙ্গলমহলের লোকগল্প 

দজ্জাল বউ

সংগ্ৰাহক- পূর্ণিমা দাস 

কথক- শম্ভু দাস, গ্ৰাম- যুগীশোল, থানা- নয়াগ্ৰাম, জেলা- ঝাড়গ্ৰাম 

কুসুমপুরের সাদামাটা চাষি মোহন তার বউ সরলার সঙ্গে একটি ছোট্ট কুঁড়েঘরে বসবাস করত। সরলা অত্যন্ত কু্ঁড়ে প্রকৃতির হওয়ায় ঘরের প্রায় সব কাজ মোহনকেই করতে হত।

তেমনই একদিন হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে মোহন ঘরে এসে যখন তার বউকে সামান্য জলটা দিতে বলে, তখন তার বউ তাকে বলে-“উঠানে কলসিতে জল রাখা আছে। নিজে গড়িয়ে খেয়ে নাও। আমার খুব মাথা ব্যথা করছে গো। আমি উঠতে পারছি না।” 

এই শুনে সাদাসিধে মোহন বউয়ের কথায় বিশ্বাস করে কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও নিজের খাওয়ার জল নিজে গড়িয়ে খেয়ে নেয়।

এইভাবেই তাদের দিন কাটতে থাকে। একদিন মোহন মাঠ থেকে এসে দেখে সরলা খাটে শুয়ে আছে। তখন মোহন সরলাকে বলে-“কী গো, এখন শুয়ে আছ কেন, রান্না-বান্না কিছু করবে না নাকি? আমার যে খুব খিদে পেয়েছে।”

তখন সরলা বলে-“আমার না খুব পায়ে ব্যথা করছে। উঠে রান্নাঘরে যাওয়ার মতো শক্তি নেই। আর তুমি বলছ রান্না করতে।”

মোহন বলে-“ও হো, সেদিন বললে মাথা ব্যথা, কাল বললে হাতে ব্যথা, আর আজ বলছ পায়ে ব্যথা। আচ্ছা ঠিক আছে, তুমি তাহলে শুয়ে থাকো আমি রান্না করে দিচ্ছি। আজ তাহলে আলুভাতে ভাত করে দিলাম। আমি খেয়ে মাঠে চলে যাব, আর তোমার জন্য বেড়ে রাখব। পায়ের ব্যথা একটু কমলে উঠে খেয়ে নিও।”

এই বলে মোহন রান্না করতে চলে যায়। মোহন চলে যেতেই সরলা বলে-“দূর, দূর দিন দিন ওই আলুসেদ্ধ ভাত আর  ভালো লাগে না।”

কিন্তু নিজে কিছু করবে না বলে ওই আলুসেদ্ধ ভাত সে খেয়ে নেয়। এর থেকে বোঝা যায় সে কতটা কুঁড়ে।

এরপর খাওয়াদাওয়া শেষ করেই সরলা বসে যায় গ্ৰামের কয়েকটি বউকে নিয়ে কুটকাচালির আসরে। কে কীভাবে সংসার চালায়, কে কীভাবে বরদের হাতের মুঠোয় রেখেছে এই নিয়ে তাদের আলোচনা শুরু হয়।

সরলা তার চালাকির কথা সবাইকে বলে। সে বলে যে সে কীভাবে প্রতিদিন মিথ্যা অসুস্থতার বাহানা করে বরকে দিয়ে সব কাজ করায়। 
🍂

এই শুনে তাদের মধ্যে একজন বলে-“ও মা তাই নাকি! তারপর তারপর কী হল?”

সরলা বলে-“তারপর আর কী। বললাম আমার পায়ে ব্যথা ব্যস, তাতেই হয়ে গেল, হা হা হা।”

তখন আর একজন বলে-“খুব জব্দ হয়েছে বল?”

সরলা বলে-“জব্দ মানে, একেবারে যাঁতাকলে ফেলে দিয়েছি।”

তখন আর একজন বলে-“এই আজকের দিনটা তো যাইহোক করে কাটিয়ে দিলি। কিন্তু কাল কী করবি শুনি?”

সরলা তখন বলে-“কেন, কাল আর একটা নতুন বাহানা বানাবো।”

এই কথা বলতেই সবাই হাসতে থাকে, আর তাদের সঙ্গে সরলাও হাসতে থাকে।

ওইদিন রাত্রিবেলা মোহন সরলাকে বলে-“কী গো, তোমার পায়ে ব্যথা একটু কমল।”

সরলা বলে-“হ্যাঁ, ওই একটু আর কী।”

তখন মোহন বলে-“বলছি কী, সারাদিন খেটেখুটে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। তারপর বাজারে চালও পৌঁছাতে হয়েছে।”

সরলা বলে-“তো।”

মোহন বলে-“না মানে বলছি কী আমি বাসনগুলো পুকুরপাড়ে রেখে দিয়ে আসছি। তুমি যদি বসে বসে একটু ধুয়ে দিতে তাহলে আমি একটু আরাম করতাম এই আর কী। তুমি বলছ যখন তোমার পায়ে ব্যথা একটু কমেছে, তাহলে….”

সরলা বলে-“না না আমি ওইসব পারব না। ওসব করলে আমার পায়ে ব্যথাটা যদি আবার বেড়ে যায় তাহলে?”

তখন মোহন বলে-“ও, তাহলে আমিই যাই।”

এই বলে মোহন সেখান থেকে বাসন মাজতে চলে যায়। আর এদিকে সরলা নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়ে। 

পরেরদিন সকালে সরলার আবার এক নতুন নাটক শুরু হয়। সে বিছানায় শুয়ে শুয়ে কাঁদতে থাকে।

তখন মোহন বলে-“তোমার আবার কী হলো বউ?”

সরলা বলে-“উঃ বাবা রে বাবা, খুব পেটে ব্যথা করছে গো। সারারাত এই পেট ব্যথার জন্য একটুও ঘুমাতে পারিনি‌‌। আঃ হাহা আঃ মরে গেলাম গো মরে গেলাম।”

তখন মোহন বলে-“আচ্ছা ঠিক আছে ঠিক আছে, তুমি তাহলে এখন একটু আরাম করো। আর শোন, আজ দুপুরে আমি কলাইপুর হাটে যাব। দুপুরে বাড়িতে খাব না, তোমার জন্য আলুসেদ্ধ ভাত করে রেখে দিয়ে গেলাম‌। শরীর ভালো লাগলে উঠে খেয়ে নিও কেমন।”

এরপর মোহন সেখান থেকে চলে যায়।

মোহন চলে যেতেই সরলা বলে-“উমমম আলুসেদ্ধ ভাত রেখে গেলাম শরীর ভালো হলে উঠে খেয়ে নিও। না না আজ আমি নিজের জন্য কষা কষা আলুর তরকারি রান্না করব।”

এদিকে মোহন হাটে যাওয়ার পথে মোড়লমশাইয়ের সঙ্গে তার দেখা হয়। মোহনকে দেখে মোড়ল বলে-“কী রে মোহন, কোথায় যাচ্ছিস?”

মোহন বলে-“আজ্ঞে মোড়লমশাই, ওই কলাইপুর হাটে যাচ্ছি বীজ ধান আনতে।”

তখন মোড়লমশাই বলে-“কষ্ট করে এত দূর যাওয়ার দরকার কী। আজ বিকেলবেলা আমার কাছে আসিস আমি তোকে বেশ ভালো জাতের বীজ ধান দেব হে হে হে। আর শোন শোন, আজ আমাদের বাড়িতে পুজো। বিকেলে তুই আর তোর বউ মিলে আমার বাড়িতে আসিস পুজোর প্রসাদ খেয়ে যাবি কেমন।”

মোহন বলে-“আজ্ঞে মোড়লমশাই। এখন তাহলে আমি বাড়ি যাই। বিকেলে বউকে নিয়ে আমি ঠিক পৌঁছে যাব।”

এরপর মোহন বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। 

আর এদিকে সরলা মনের আনন্দে কষা আলুর তরকারি রান্না করতে থাকে, আর বলে-“আঃ কী সুন্দর গন্ধ বের হচ্ছে। রান্না করতে করতেই জিভে জল চলে আসছে।”

অন্যদিকে মোহনও বাড়ির ঠিক কাছে পৌঁছাতেই তার নাকে একটা গন্ধ লাগে। সে বলে-“বাঃ কী সুন্দর কষা আলুর গন্ধ। কিন্তু এই গন্ধ আসছে কোথা থেকে? এ কী এ তো আমাদের রান্নাঘর থেকেই আসছে।”

এই বলে সে রান্নাঘরের জানালা দিয়ে দেখে তার বউ কষা আলুর তরকারি রান্না করছে। এই দেখে মোহন মনে মনে ভাবে-“এই একটু আগে যে বলছিল তার পেটে ব্যথা করছে রান্না করতে পারবে না, আর সে এখন রান্না করছে। ও… বুঝেছি তার মানে আমার বউ কাজ না করার জন্য আমাকে মিথ্যে কথা বলেছে। বেশ বেশ আমিও দেখছি এবার তোমাকে দিয়ে কীভাবে কাজ করানো যায়।”

এরপর মোহন তখন আর বাড়িতে না ঢুকে চলে যায়, ফিরে ঠিক সেই সন্ধ্যেবেলা। ফিরে এসে তার বউকে বলে-“হাট থেকে ফিরতে অনেক দেরি হয়ে গেল গো।”

তখন সরলা বলে-“এত দেরি করে ফিরলে, এখন রান্না কখন করবে শুনি?”

মোহন বলে-“ও হো তোমাকে তো বলতে ভুলেই গেছি। আজ মোড়লের বাড়িতে পুজো ছিল আমি সেখান থেকে খিচুরী, পায়েস, তরকারি, মিষ্টি সব খেয়ে এসেছি।”

এই শুনে সরলা বলে-“কী! তা আমার জন্য কিছু আনোনি?”

মোহন বলে-“ওমা, তুমি তো সকালে বললে তোমার পেটে ব্যথা। তাই তো কিছু আনলাম না। ওইসব খেলে যদি তোমার পেটে ব্যথা আরও বেড়ে যায়?”

সরলা বলে-“পেটে ব্যথা তো সকালে ছিল।”

মোহন বলে-“সকালে পেটে ব্যথা ছিল তাই রাতে মুড়ি ভিজিয়ে খেয়ে নাও। তাহলে আর পেটে ব্যথা বাড়বে না। আআ.. আমার খুব ঘুম পাচ্ছে, এখন আমি তাহলে শুয়ে পড়ি। আর হ্যাঁ তুমিও খাওয়া দাওয়া করে শুয়ে পড়।”

এই বলে মোহন শুয়ে পড়ে। 

এরপর সরলা নিজেই নিজেকে বলে-“হায় হায় হায় খিচুরী, পায়েস, তরকারি, মিষ্টি সব সব হাতছাড়া হয়ে গেল রে সব হাতছাড়া হয়ে গেল। এখন খা এই শুকনো মুড়ি আর কী।”

পরেরদিন সকালে সরলা উঠতে না উঠতেই মোহন তার সামনে এক গ্লাস নিমপাতার রস এনে হাজির করে। 

তাই দেখে সরলা মোহনকে জিজ্ঞাসা করে-“এটা কী গো? এই সকাল সকাল আবার কী নিয়ে এলে?”

তখন মোহন বলে-“ও কিছু না, ওই একটু নিমপাতার রস। আসলে কাল তুমি বলছিলে না তোমার পেটে ব্যথা। তাই তোমার পেট ভালো করার জন্য এই নিমপাতার রস এনেছি। এটা খেলে তোমার পেট একেবারে ভালো হয়ে যাবে। আর কোনোদিন পেটের সমস্যাও হবে না।”

সরলা বলে-“এ মা ছি ছি ছি, আমি এসব কিছু খাব না। এটা খুব তেতো।”

মোহন বলে-“সে কী বউ, তা বললে তো হয় না। শরীরটা তো ভালো রাখতে হবে। এই নাও খাও খাও।”

এই বলে সে সরলাকে জোর করে নিমপাতার রস খাইয়ে দেয়। আর এদিকে নিমপাতার রস খেতেই সরলা বমি করে সব রস বের করে দেয়। আর বলে-“ওরে বাবা রে কী তেতো। থু থু থু, ইস্ গা পিত্তি একেবারে তেতো হয়ে গেল। ওয়াক্ থু থু থু।”

এরপর দুপুর হতেই মোহন মাঠে চলে যায়। আর যাওয়ার আগে সরলাকে বলে যায়-“শোন, আমি আজ দুপুরে বাড়িতে খাব না। নিমাইয়ের বাড়িতে আমার নেমন্তন্ন আছে। আজ ওর ছেলের মুখেভাত। তোমাকেও নেমন্তন্ন করেছিল কিন্তু আমি না করে দিয়েছি। বলেছি তোমার পেটে ব্যথা তাই যেতে পারবে না। আমি বলেছি শুধু আমি একাই যাব। আর হ্যাঁ তোমার জন্য গেঁড়ির ঝোল আর ভাত রেঁধে রেখেছি উঠে খেয়ে নিও। আর একটা কথা, যতদিন না তোমার পেটে ব্যথা ভালো হচ্ছে ততদিন তুমি এই গেঁড়ির ঝোলই খাবে।”

এই বলে মোহন মাঠে চলে যায়। 

তখন সরলা বলে-“কিন্তু আমার তো…… উম্, আমি গেঁড়ির ঝোল খাব আর উনি নেমন্তন্ন বাড়ি গিয়ে ভালোমন্দ খাবার খাবেন বললেই হল।”

এরপর সে গেঁড়ির ঝোল জানালা দিয়ে বাড়ির বাইরে ফেলে দেয়। আর বলে-“আমি এখন নিজেই কিছু রান্না করে খাব। এখন রান্নাঘরে গিয়ে দেখি কিছু আনাজপাতি আছে কী না?”

এরপর সরলা রান্নাঘরে গিয়ে দেখে আনাজের ঝুড়িতে কোনো আনাজই নেই। 

এই দেখে সরলা অবাক হয়ে যায়। সে বলে-“এ কী, ঝুড়িতে তো কোনো আনাজই নেই। এবার আমি কী করব? আমার যে খুব খিদে পেয়েছে। গেঁড়ির ঝোলটাও যে ফেলে দিলাম। এবার আমার কী হবে হায় হায় হায়।”

এই বলে সে কাঁদতে থাকে। 

রাত্রিবেলা মোহন নেমন্তন্ন বাড়ি থেকে ফিরে আসে হাতে কিছু খাবার নিয়ে। যা দেখে সরলা বলল-“এই এই তোমার হাতে ওটা কী গো?”

মোহন বলে-“নিমাইয়ের বাড়ি থেকে খাবার এনেছি। অনেক খাবার বেশি হয়ে গিয়েছিল তো তাই।”

সরলা তখন আনন্দে গদগদ হয়ে বলে-“কী বলছ কী তুমি! তুমি আমার জন্য খাবার এনেছ?”

মোহন বলে-“না না আমার জন্য এনেছি। কাল সকালে খেয়ে মাঠে যাব। তোমাকে এইসব খাবার খেতে হবে না। তোমার না পেটে ব্যথা। এছাড়া তোমার তো গেঁড়ির ঝোল করা আছে। আমি এখনি তোমার জন্য ভাত বসিয়ে দিচ্ছি। যাই খাবারগুলো রান্নাঘরে রেখে দিয়ে আসি।”

এরপর মোহন রান্নাঘরে চলে যায়। আর এদিকে সরলা বসে বসে কাঁদতে থাকে। 

সেদিন রাত্রিবেলা খাওয়া দাওয়ার পর মোহন ঘুমিয়ে পড়লেও সরলার ঘুম আসে না। মোহন ঘুমিয়ে পড়তেই সরলা চুপি চুপি রান্নাঘরে গিয়ে নেমন্তন্ন বাড়ি থেকে আনা খাবারগুলো খেতে থাকে। 

ঠিক সেইসময় মোহন সেখানে চলে আসে। আর বলে-“এ কী এ কী, এ তুমি কী করছ বউ? তোমার শরীরটা ভালো নেই তুমি ওসব খেও না।”

তখন সরলা বলে-“ওগো আমার কোনো শরীর খারাপ হয়নি গো। সব মিথ্যে সব মিথ্যে। আমি কোনো কাজ করব না বলে মিথ্যে শরীর খারাপের নাটক করছিলাম।  আমাকে তুমি ক্ষমা করে দাও। আমি আর ওই নিমপাতার রস, গেঁড়ির ঝোল খেতে পারছি না গো খেতে পারছি না, হুঁ হুঁ হুঁ।”

মোহন বলে-“তার মানে, তুমি এতদিন শুধু কাজ করবার ভয়ে এইসব নাটক করছিলে?”

সরলা কাঁদতে কাঁদতে বলে-“হ্যাঁ গো হ্যাঁ, আমি ভুল করেছি। তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। আমি আর কোনোদিন এরকম করব না। কাল থেকে তোমাকে ঘরের আর কোনো কাজ করতে হবে না আমি সব করে দেব তুমি দেখ।”

মোহন বলে-“সত্যি বলছ?”

সরলা বলে-“সত্যি মানে, তিন সত্যি করছি। এখন দয়া করে আমাকে এগুলো খেতে দাও।”

মোহন তখন হাসতে হাসতে বলে-“হা হা হা বেশ বেশ খাও খাও। এগুলো আমি তোমার জন্যই এনেছিলাম।”

এই শুনে সরলা বলে-“হেঁ আমার জন্য মানে?”

মোহন বলে-“আমি অনেক আগে থেকেই জানতাম তোমার কিছু হয়নি। কাজের ভয়ে তুমি মিথ্যে কথা বলছিলে।”

সরলা বলে-“তুমি জানতে?”

মোহন বলে-“ওই যে সেদিন আমি হাটে যাব বলে বেরিয়েছিলাম। কিন্তু আমি হাটে যাইনি। মোড়লমশাই বীজ ধান দেবে বলেছিল বলে বাড়ি ফিরে এসেছিলাম। সেদিন বাড়ি এসে দেখি তুমি কষা আলুর তরকারি রান্না করছিলে। আমি জানালা দিয়ে সব কিছু দেখেছি। আর ওই দিনই আমি সব বুঝে গেছি, যে তুমি নাটক করছিলে।”

সরলা তখন বলে-“তাহলে ওই নিমপাতার রস, গেঁড়ির ঝোল, ওসব কী ছিল?”

মোহন বলে-“ও তো তোমাকে একটু জব্দ করার জন্য করেছি, হা হা হা।”

এই বলে মোহনের সঙ্গে সঙ্গে সরলাও হাসতে থাকে।

Post a Comment

0 Comments