সৌমেন রায়
টেক স্যাভি
মধ্যবয়সী সুতনু বরাবর টেক স্যাভি। নতুন প্রযুক্তির প্রয়োগ বাজারে এলে তার কেনা চাই। ড্রাইভার লেস কার বাজারে আসতেই সঙ্গে সঙ্গে বুক করে ফেলল একটা। নিষ্ফল জেনেও বাধা দিয়েছিল স্ত্রী, কাজ হয়নি। গাড়ি এনে রোববারটা এদিক ওদিক ঘুরল।কিন্তু মনে যেন ঠিক আনন্দ নেই । সোমবার অফিস থেকে ফিরেই মোবাইলে কি সব করতে লাগল।
স্ত্রী বলল, ‘ফিরেই মোবাইলে মুখ গুঁজলে যে’!
‘গাড়িটা বিক্রির বিজ্ঞাপন দিচ্ছি।‘
‘কেন কিছু সমস্যা হল?’
‘না, না, গাড়ি ওকে। স্মুথ ড্রাইভিং ।‘
‘তাহলে’?
‘না মানে, গাড়ি চালানোতে একটু আধটু ভুল হলে সুনীলকে বকতাম। এখন বকব কাকে? আমার যে ধমকানোর একটাই লোক’!
🍂
ডাহা সত্যি
সুশান্তবাবু স্ত্রীকে বললেন,’ চল, চার্চের মেলা ঘুরে আসি।‘ ঈশিকাদেবী গররাজি। বললেন, ‘আমার জিনিসপত্র কিছু দরকার নেই।‘
‘ আরে এমনি এমনি চলনা। নব দম্পতিদের দেখে আসি। পুরানো সেই দিনের কথা মনে পড়বে।‘
‘ নিজের মাথার দিকে খেয়াল আছে ?’
কাকে পটি করল নাকি? আয়নার সামনে মাথা দেখেন সুশান্তবাবু। মাথা ভর্তি পাকা চুল দেখে হো হো করে হেসে ওঠেন। কিন্তু বুড়ো ভোলার নয়। শেষমেষ বাধ্য হয়ে ইশিকাদেবীকে যেতেই হল । ঢুকেই বেলুন ফাটালেন সুশান্তবাবু। এখনও তার লক্ষ্য অব্যর্থ। তারপরে কিনলেন একটা বাঁশি। ইচ্ছে ছিল বাঁশি বাজিয়ে ঘুরবেন। কিন্তু প্রিয়া বাম। অগত্যা ভেলপুরি খেয়ে ঘুরে ফিরে বাড়ি। ফিরে ঈশিকাদেবী বললেন ‘আজ আমি আর রান্না করতে পারব না। তুমি রাঁধবে।‘
‘সে কি! আজ তোমায় ঘুরিয়ে আনলাম। আজ তো ভালো-মন্দ খাওয়াবে!’
0 Comments