Posts

Showing posts from November, 2020

দিনের শেষে একটু ভাবুন ৩০ নভেম্বর ২০২০

Image
৩০/১১/২০২০ ১) ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড(BPSL)-এ থাকা সমস্ত অংশীদারিত্ব বিক্রি করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার!  ২) ডিসেম্বর থেকে মার্চ মাসের মধ্যে দেশের ৬টি জায়গায় Bio-bubble তৈরী করে ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করতে চলেছে BCCI.  ৩) আবহাওয়ার বিশেষ পূর্বাভাস :- এবারে গত কয়েক বছরের মধ্যে শীতলতম মরশুমের সম্ভাবনা!  ৪) ১৯৪৬ সাল থেকে কাশীপুর উদ্যানবাটীতে পালিত হয়ে আসা " কল্পতরু উৎসব" করোনা-র প্রকোপে এই বছর স্থগিত রাখা হল!  ৫) প্রয়াত হলেন সেনেগালের ২০০২ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশগ্রহণকারী ৪২ বছর বয়স্ক ফুটবলার পাপা বৌবা দিওপ!  ৬) এখন থেকেই গরমে জ্বলছে অষ্ট্রেলিয়া,পরিবেশবিদগণের কপালে ভাঁজ!  ৭) Confederation of All India Traders(CAIT)-এর অভিযোগ, ব্যাঙ্কের সাথে ই-কমার্স সংস্থাগুলির চুক্তি অবৈধ!  ৮) মারকিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট চিফ পদে মনোনীত হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নীরা ট্যান্ডন!  ৯) ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশের লেমবাটা দ্বীপে "মাউন্ট ইলি লেওতোলোক" আগ্নেয়গিরি ভয়াবহভাবে সক্রিয়, মহাপ্রলয়ের ইঙ্গিত!  ১০) আজ হিরো আই এস এল-এ মুখোমুখি হয়েছে

বিজ্ঞানে ঈশ্বরের চিহ্ন (সম্পূর্ণ) / পূর্ণচন্দ্র ভূঞ্যা (সূচিপত্র)

Image
  বিজ্ঞানে ঈশ্বরের চিহ্ন  পর্ব - ১ :  https://www.jaladarchi.com/2020/06/blog-post_68.html   বিজ্ঞানে ঈশ্বরের চিহ্ন  পর্ব - ২ :  https://www.jaladarchi.com/2020/07/blog-post_12.html   বিজ্ঞানে ঈশ্বরের চিহ্ন  পর্ব - ৩ :  https://www.jaladarchi.com/2020/07/blog-post_66.html   বিজ্ঞানে ঈশ্বরের চিহ্ন  পর্ব - ৪ :  https://www.jaladarchi.com/2020/07/sign-of-lord-in-science.html   বিজ্ঞানে ঈশ্বরের চিহ্ন  পর্ব - ৫ :  https://www.jaladarchi.com/2020/07/sign-of-lord-in-science-vol-.html   বিজ্ঞানে ঈশ্বরের চিহ্ন  পর্ব - ৬ :  https://www.jaladarchi.com/2020/08/sign-of-lord-in-science-vol-6.html   বিজ্ঞানে ঈশ্বরের চিহ্ন  পর্ব - ৭ :  https://www.jaladarchi.com/2020/08/sign-of-lord-in-science-vol-7.html   বিজ্ঞানে ঈশ্বরের চিহ্ন  পর্ব - ৮ :  https://www.jaladarchi.com/2020/08/sign-of-lord-in-science-vol-7_16.html   বিজ্ঞানে ঈশ্বরের চিহ্ন  পর্ব - ৯ :  https://www.jaladarchi.com/2020/08/sign-of-lord-in-science-vol-9.html   বিজ্ঞানে ঈশ্বরের চিহ্ন  পর্ব - ১০ :  https://www.jaladarchi.com/2020/

চের্নোবিল (Chernobyl) : ইতিহাসকে বাস্তবায়িত করার দুরন্ত প্রয়াস/অনিমেষ দত্ত

Image
চের্নোবিল (Chernobyl) : ইতিহাসকে বাস্তবায়িত করার দুরন্ত প্রয়াস অনিমেষ দত্ত চের্নোবিল (Chernobyl)এইচবিও মিনি সিরিজ পরিচালক : জোহান রেংক অভিনয় : জ্যারেড হ্যারিস, স্টালিন স্কারসগার্ড,এমিলি ওয়াটসন,পল রিটার প্রমুখ। মুক্তি – 6 May 2019 (এইচবিও) IMDb রেটিং : 9.4/10 ১৯৮৬ সালের ২৬ মে, চেরনোবিল, সোভিয়েত রাশিয়া, সময় রাত ১টা ২৩ মিনিট ৪০ সেকেন্ড। হঠাৎ একটা কানফাটানো শব্দে সব লন্ড ভন্ড হয়ে গেল। হঠাৎ কি বলা যায়? না হঠাৎ বলা যায় না।কারণ একটা পরীক্ষার জন্য এই বিস্ফোরণ আর এই দুর্ঘটনা ঘটে।  যখন চের্নোবিল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অপারেটররা বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যাকআপ বন্ধ হয়ে গেলে সে অবস্থায় কীভাবে পারমাণবিক চুল্লী চালানো যায় তা পরীক্ষার জন্য একটি  টেস্ট করছিলেন, তখন। কোনো সিস্টেমের মধ্যে কৃত্রিম জরুরি অবস্থা তৈরি করে ভবিষ্যতে তা কীভাবে মোকাবেলা করা হবে সেটা পরীক্ষা করা। পরীক্ষা শুরুর সময়ে কিছু যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কিছুক্ষণের মধ্যেই কেন্দ্রের চারটি পারমাণবিক চুল্লীর মধ্যে একটি চুল্লীতে অনিয়ন্ত্রিত বিক্রিয়া শুরু হয় যার কারণে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই সময়ের সোভিয়েত কমিউনি

বুদ্ধদেব বসু/ঋত্বিক ত্রিপাঠী

Image
বুদ্ধদেব বসু ঋত্বিক ত্রিপাঠী  আধুনিক বাংলা কবিতার প্রাণপুরুষ বুদ্ধদেব বসু। সাহিত্যের প্রায় সব শাখাতেই তাঁর অবাধ বিচরণ। সার্থক ভাবেই। সম্পাদনা করেছেন 'কবিতা' পত্রিকা। রবীন্দ্রনাথের পাশাপাশি লরেন্স- ব্রাউনিং-সুইনবার্ণ প্রমুখের প্রেরণা তাঁকে ঋদ্ধ করেছিল। শরীরী প্রেম যথেষ্ট সাহস অবলম্বন করে নানা মাত্রায় আলােকিত হয়েছে। কামনার তীব্রতা যেখানে নির্মম, সেখানে সুন্দরের চিরায়ত স্বপ্ন রূপবদলে সচেষ্ট। স্বাভাবিক কারণেই তিনি রবীন্দ্র-অনুসারী এবং রবীন্দ্র-বিরােধী। অবশ্য এই দুই ধর্ম কখনও উচ্চকিত নয়। তাঁর অধিকাংশ গল্পের বিষয়ও প্রেম। উপন্যাস কাব্যধর্মী ও অভিনব। বহু ভাষাজ্ঞান তাঁর আয়ত্তে ছিল। তাঁর অনুবাদ তাই সৃজনশীল। শিশুসাহিত্য চর্চাও উল্লেখযোগ্য। শিশু সাহিত্যে বুদ্ধদেবের ছিল সুগভীর মনস্তত্ত্ব-সহানুভূতি। ভারতীয় ও গ্রীক পুরাণ প্রসঙ্গে তাঁর আগ্রহ ছিল। 'অনাম্নী অঙ্গনা', 'সংক্রান্তি', 'তপস্বী ও তরঙ্গিণী' ইত্যাদি নাটকে রয়েছে ভারতীয় পুরাণ। 'কলকাতার ইলেকট্রা’-য় ব্যবহৃত হয়েছে গ্রীক পুরাণের ইলেকট্রা-কাহিনি। প্রথম দিকের অতি রােমান্টিক মনােভাব মিথ-আশ্রয়ী

বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু / পূর্ণচন্দ্র ভূঞ্যা

Image
বিজ্ঞানের অন্তরালে বিজ্ঞান -১ পূর্ণ চন্দ্র ভূঞ্যা বিজ্ঞানী স্যার জগদীশচন্দ্র বসু সে-দিনটা ছিল ৭-ই ফেব্রুয়ারি, ১৯২৪ সাল। বৃহষ্পতিবার। লন্ডনের ইন্ডিয়া হাইজের বক্তৃতা কক্ষে থিকথিকে ভীড়। সাংবাদিক, বিজ্ঞানী, দর্শকে ঠাসা। সকলের নজর একটি স্বয়ংলেখ যন্ত্রের ওপর। সেটি বক্তৃতা কক্ষের জানলার কাছে উঁচু টেবিলের ওপর বসানো। যন্ত্রটির একটি নির্দিষ্ট স্থানে বিশেষ ভাবে তৈরি কাচের শিশিতে পরীক্ষাধীন জলজ উদ্ভিদ রাখা আছে। শিশি'র মুখে বসানো রাবারের ছিপিতে ফানেলের মতো ইউ-টিউব লাগানো। ফানেলের মধ্যে নির্দিষ্ট ওজনের পারদ ঢালা হল। পারদ সঙ্গে সঙ্গে ইউ-টিউবে চলে যায়। পারদ বিন্দু এখানে ভালবের কাজ করে। শিশিটির ওপর সরাসরি সূর্যের আলো এসে পড়ছে। আলোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়া চালু হবার সঙ্গে সঙ্গে কক্ষের ভেতর হঠাৎই ঘণ্টা বেজে উঠল। একবার নয়, পর পর দু'বার। এ বার বক্তা তার নিজের হাতে তৈরি যন্ত্রটির সামনে এগিয়ে গেলেন। উৎসাহী দর্শকদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলতে শুরু করলেন, 'শিশি'র ওপর আলো পড়লে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ অক্সিজেন উৎপন্ন করে। সেই অক্সিজেন শিশি থেকে সোজা ইউ-টিউব দিয়ে বাইরে বেরনোর চেষ্টা করে

বাংলা ব্যাকরণ ও বিতর্কপর্ব -৫/অসীম ভুঁইয়া

Image
Bengali grammar and debate বাংলা ব্যাকরণ ও বিতর্ক ||  পর্ব- ৫ অলংকরণ - শ্রেয়সী ভট্টাচার্য্য  অসীম ভুঁইয়া বাক্যের গঠনগত আড়াই প্যাঁচ  বাক্য ও বাক্যের "ঢং ও অর্থগত শ্রেণি" সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেওয়ার চেষ্টা আগের পর্বেই করা হয়েছে। তবে কতদূর সফল তা পাঠকের সদর্থক চিন্তায় বিচার্য...     এবার বাক্যের গঠনগত প্রকাশের স্টাইল সম্পর্কে আলোচনা করতে চাই। প্রথমেই আমরা চারটি বাক্য নেব।  ১.  মৃত্যুকূপের উঁচু প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ওকে দেখলাম। 2. মৃত্যুকূপের উঁচু প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ালাম এবং ওকে দেখলাম  ৩. যখন মৃত্যুকূপের উঁচু প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ালাম তখনই ওকে দেখলাম। এবং ৪. মৃত্যুকূপের উঁচু প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ালাম এবং যখন দাঁড়ালাম তখন ওকে দেখলাম।     যে চারটি বাক্য উদাহরণ হিসেবে নেওয়া হল, তাদের মূল বিষয়ে কিন্তু কোনো পার্থক্য নেই। পার্থক্য শুধু প্রকাশভঙ্গিতে।     এই একই বিষয় সম্বলিত বাক্যগুলির স্টাইল পরিবর্তনের জন্য গঠনের দিক থেকে এদের চারটি ভাগে ভাগ করা হয়। এরা সরলবাক্য, যৌগিকবাক্য, জটিলবাক্য ও মিশ্রবাক্য।          প্রথমেই আসি সরল বাক্যের প্রসঙ্গে। কয়েকটি উদাহরণ নেওয়া যাক। ১

৩০ নভেম্বর ২০২০

Image
Today is the 30 November, 2020 আজকের দিন  বাংলায় --১৪ অগ্রহায়ণ সোমবার ১৪২৭ আজ, বিশ শতকের বাঙালি কবি বুদ্ধদেব বসুর জন্মদিন। ইনি একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, গল্পকার, অনুবাদক, সম্পাদক ও সাহিত্য-সমালোচক ছিলেন। 'কবিতা' পত্রিকার প্রকাশ ও সম্পাদনার জন্য তিনি বিশেষভাবে সম্মাননীয়। এই লেখক রবীন্দ্রনাথের  জীবদ্দশাতেই তাঁর প্রভাবের বাইরে সরে দাঁড়াবার দুঃসাহস দেখিয়েছিলেন। তাঁর প্রথম যৌবনের উপন্যাস 'সাড়া'এবং প্রাক-প্রৌঢ় বয়সের তিথিডোর উপন্যাস দু'টি দুই ধরনের এক্সপেরিমেন্ট।রচনার অজস্রতা এবং অভিনব লিখনভঙ্গীর দিক দিয়ে তিনি নিজস্ব পথের পথিকৃৎ।  আজ, বিশ শতকের আর এক কবি রাধারাণী দেবীর জন্মদিন। অপরাজিতা দেবী নামে লিখতেন। নরেন্দ্র দেব স্বামী ও কন্যা নবনীতা দেবসেন। এক সান্ধ্য চায়ের আড্ডায় প্রমথবাবুর বক্তব্য , ‘...আজ পর্যন্ত কোনও মেয়ের লেখায় তার স্বকীয়তার ছাপ ফুটে উঠলো না।’ ----বক্তব্যটিকে  রাধারাণী দেবী চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিলেন। শ্রীমতী অপরাজিতা দেবী নামে প্রকাশিত হল কাব্যগ্রন্থ ‘বুকের বীণা’। উৎসর্গ নরেন্দ্র দেব ও রাধারাণী দেবীর করকমলে। প্রমথবাবু কবিতাগুলি সম্পর্কে

দিনের শেষে একটু ভাবুন ২৯ নভেম্বর ২০২০

Image
 ২৯/১১/২০২০ ১) বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীগণের তালিকায় স্থান পেলেন নদীয়ার কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজের গণিতের অধ্যাপক কালিদাস দাস!  ২) আজ হিরো আই এস এল-এ দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে চেন্নাই এফ সি এবং কেরালা ব্লাস্টার্স! ৩) আফগানিস্তানে ভয়াবহ গাড়ি-বোমা বিস্ফোরণ! নিমেষে ছিন্নভিন্ন ২৬ জওয়ানের শরীর!  ৪) ডিসেম্বর মাসেও রাজ্যের কোন স্কুল, কলেজ খুলবে না!  ৫) দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে পরাজিত হয়ে অষ্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজ হারল ভারত!  ৬) গা ঘেঁষে বেরিয়ে গেল রুশ উপগ্রহ Kanopus-V, অল্পের জন্য রক্ষা পেল ISRO-র ৭০০ কেজি ওজনের উপগ্রহ Cartosat-2F.  ৭) বিশ্বকাপ ফুটবলে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দিয়াগো মারাদোনা-র সেই Hand of God এবং তার চার মিনিট পর শতাব্দীর সেরা গোলের জার্সি নিলামে ওঠার প্রস্তাব! অনুমান করা হচ্ছে যে নিলামে এই জার্সির দাম উঠতে পারে ভারতীয় মুদ্রায় ১৪ কোটি ৭৯ লক্ষ টাকা!  ৮) নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত বোর্নো প্রদেশের গারিন কায়াসহেবে গ্রামে ধানজমিতে কর্মরত অবস্থায় থাকা কমপক্ষে চুয়াল্লিশ কৃষকের একসাথে শিরশ্ছেদ করল বোকা হারাম জঙ্গীবাহিনী ! (বিঃদ্রঃ - দিকে দিকে আওয়াজ উঠুক &

অনুসন্ধানী র ডায়েরি -২ (শিব সমাদ্দার, আই এ এস)/ সন্তু জানা

Image
অনুসন্ধানী র ডায়েরি  সন্তু জানা  অখণ্ড মেদিনীপুর পর্ব : ২ শিব সমাদ্দার, আই এ এস ১৯৬৪ সাল। দেশ স্বাধীন হয়েছে মাত্র ১৭ বছর। প্রাক স্বাধীনতাকালের অখণ্ড মেদিনীপুর জেলার প্রতাপশালী ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটদের কথা ও কাহিনী তখন ইতিহাসের পাতায় সামিল হয়েছে। স্বাধীন  মেদিনীপুরের জেলাশাসকগণ নতুন ভাবে প্রিয় জেলাকে সাজিয়ে তোলার কথা ভাবছেন। দিকে দিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রন্থাগার গড়ে উঠছে। কিন্তু, তা বলে ব্যায়ামাগার! তা বলে এত বৃহৎ ব্যায়ামাগার !  হ্যাঁ, ১৯৬৪ সালে খোদ মেদিনীপুরের প্রাণকেন্দ্র কলেজমাঠ পার্শ্ববতী স্থানে সুউচ্চ প্রাচীর বিশিষ্ট বিশাল ব্যায়ামাগার তৈরি হল। দেশের খ্যাতনামা জাতীয়তাবাদী ব্যারিস্টার 'দেশপ্রিয়' যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্তকে উৎসর্গ করে নাম দেওয়া হল 'দেশপ্রিয় ব্যায়ামাগার'। তবে কেবল শিক্ষা নয়, চাই সুস্বাস্থ্য। তাই বোধ হয় মনের কোণে উঁকি দিয়েছিল বিবেক-বাণী  "গীতা পাঠ অপেক্ষা ফুটবল খেলা ভালো"। কিন্তু এত বৃহৎ প্রাঙ্গণ, তৎকালীন সময়ের বিচারে অকল্পনীয় সব শরীরচর্চার সরঞ্জাম, রঙিন উদ্যান-এত সব আয়োজন সম্পন্ন করার

নেই তাই খাচ্ছ, থাকলে কী খেতে? কহেন কবি কালিদাস পথে যেতে-যেতে / গৌতম বাড়ই

Image
নেই তাই খাচ্ছ, থাকলে কী খেতে? কহেন কবি কালিদাস পথে যেতে-যেতে গৌতম বাড়ই যদি কবিতার কথায় বলি তো এই সময়টা বড্ডো ঝুরঝুরে। সব কেমন যেন ঝর্ঝর করে ভেঙ্গে পড়ছে।দেশ ভাঙ্গছে মনেমনে। জাতপাত। লেখাপড়া। ধর্ম। স্বাস্থ্য। সম্পর্ক। রাজনীতি। দল-উপদল। ঘরে-বাইরে তার রোজ অবাধ যাতায়াত। আমরা যেন এক ভাঙ্গনের মুখোমুখি। আগন্তুককে জিগ্গেস করি তুমি এলে কোন ভাঙ্গনের পথ বেয়ে? একটা হেঁয়ালি মনে পড়ছে। আগের সেই জনপ্রিয় কালিদাসের হেঁয়ালি। বলছি এখানে। কহেন কবি কালিদাস পথে যেতে যেতে, নেই তাই খাচ্ছ, থাকলে কী খেতে? সবচেয়ে করুণ রস এখানে। হেঁয়ালির গোরুর থেকেও বাজে অবস্থা আমাদের। আমাদের আছে বলেই তাই বেঁচে আছি। না থাকলে অক্কা পেতাম। কি পরিষ্কার হল না তো? গোরুর মুখের ঠোনা আর আমাদের অতিমারি থেকে বাঁচবার মুখের মাস্ক। সেই চতুষ্পদ একটা জীবন নিয়ে বেঁচে আছি।তারচেয়েও খারাপ।আমাদের খাবার ভাঁড়ারে শূন্য। আর বেঁচে থাকাটা মুখোশধারী হয়ে ঐ মহাশূন্যে তাকিয়ে থেকে একটা শূন্য অবিরত রচনা করা। একটা দৈন্যতা সৃজন শিল্পে, সাহিত্যে, জীবনের প্রতিটি সুকুমার ভাগে। রাজনীতির দৈন্যতা আরও বেশি প্রকট। সাহিত্যের ক্ষুধায়

প্রচলিত গল্প ও আজকালকার শিশুদের মনে তাদের প্রভাব/ অগ্নিমিত্র

Image
প্রচলিত গল্প ও আজকালকার শিশুদের মনে তাদের প্রভাব  অগ্নিমিত্র  বাংলার প্রচলিত গল্পগুলি দারুণ। আমাদের ছোটবেলার অনেকটা জায়গা জুড়ে রয়েছে এই লোককথা, রূপকথা ইত্যাদি। এগুলি এক ভাবে দেখলে বাংলার কৃষ্টি ও সংস্কৃতির সাথে শিশুমনের পরিচয় করিয়ে দেয়। তবে  বর্তমান সময়ের শিশুমনে আর প্রচলিত কথাকাহিনীগুলি তেমন একটা প্রভাব ফেলে বলে আমার তো মনে হয় না। অন্তত শহরাঞ্চলের শিশুদের ক্ষেত্রে তাদের তেমন কোনই প্রভাব নেই। তার কারণ শহুরে শিশুরাও যে আজকাল খুব ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাদেরও যে এ সব গল্প শোনার বা গল্পের বই পড়ার একেবারে সময়ই নেই। মুঠোফোন, অনলাইন অফলাইন ক্লাস, পোকেমন, নোবিতা, মোটু- পাৎলু, ছোটা ভীম ইত্যাদিতে তাদের সময় কেটে যায়। দৈবাৎ সময় পেলে তারা একটু ফেলুদা বা পান্ডব গোয়েন্দা পড়ে হয়তো। তাও সেই সংখ্যাটা খুবই নগণ্য ও দিনকে দিন কমে আসছে। গল্পের বই পড়ার অভ্যাসটা বলা যায় চলেই গিয়েছে । বাংলা বই বা রূপকথা আর কে পড়ে ? সবাই ভাবে যে বাংলা বই বা ছড়া বা রূপকথা পড়ে কী হবে ? কাজে তো লাগবেই না।..  হয়তো এর জন্য আমরাও কিছুটা দোষী। আমরা তাদের বাংলা গল্প বা কবিতা বা রূপকথা পড়তে উৎসাহ দিই না মোটেই। আগে জন

কন্যাভ্রূণ হত্যা /সুমিত্রা ঘোষ

Image
কন্যাভ্রূণ হত্যা  সুমিত্রা ঘোষ  বিপাশা আর কুনাল কলেজে পড়ার সময় থেকে একে অপরকে ভালোবাসে। উভয়ের ভালোবাসার পর্ব একসময় গভীর পর্যায়ে পৌঁছে যায়। বিপাশা ধনী পিতা-মাতার একমাত্র সন্তান। মেয়েকে নিয়ে মা-বাবা অনেক স্বপ্ন দেখতে থাকেন। কথায় বলে দৈব নির্বন্ধ কেউ খণ্ডাতে পারে না। বিপাশার জীবনে বিনা মেঘে বজ্রপাতের মত এক ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে গেল। কুণালের চাপে পড়ে বিপাশা মা বাবার অমতে কাগজে-কলমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে নতুন জীবনে প্রবেশ করে। বিপাশার শাশুড়ি মা ভাবলেন আজ হোক বা কাল হোক বিপাশার বাবার সব সম্পত্তি আমাদের হস্তগত হবেই। তিনি বিয়ে মেনে নিলেন।  প্রকৃতির নিয়মে বিয়ের এক বছরের মধ্যেই বিপাশা সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়ে। বিপাশার স্বামী কুনাল এবং শাশুড়ি মা খুশি হয়। শাশুড়ি মা আভাসে ইঙ্গিতে বিপাশাকে বলে দেন বংশের প্রদীপ স্বরূপ তিনি অতি অবশ্য পুত্র সন্তান প্রত্যাশা করেন। এই কথা শুনে বিপাশা আতঙ্কিত হয়ে স্বামীকে বলে, মায়ের মন থেকে ভ্রান্ত ধারণা স্বরূপ কুসংস্কার মুছে ফেলতে বলো। সন্তান ছেলের হাতের মোয়া নয় যে চাইলেই মা সন্তানের হাতে ধরিয়ে দেবে। কুনাল স্ত্রীকে বলে মায়ের সিদ্ধান্ত মেনে না

ছোটোবেলা নবম সংখ্যা

Image
ছোটোবেলা || নবম সংখ্যা  প্রকাশিত হল নবম সংখ্যা। স্বনামধন্য ফোটোগ্রাফার রাকেশ সিংহ দেবের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে হস্তশিল্পীর জাদুমহিমা। এ সংখ্যায় আমাদের আমন্ত্রণে গল্প লিখেছেন বিশিষ্ট গল্পকার মৌসুমী ঘোষ।   রাকেশ সিংহ দেব ও মৌসুমী ঘোষকে ধন্যবাদ জানাই। মেল মাধ্যমে লেখা ও ছবি পাঠানোর আবেদন জানাই। মেল - jaladarchi@yahoo.in সিঙ্গারা ও নিমকির গল্প   শ্রীপর্ণা ঘোষ  (জওহর নবোদয় বিদ্যালয়,  মেদিনীপুর, শ্রেণি - ষষ্ঠ)  দুই ভাই ছিল। তাদের নাম ছিল -  সিঙ্গারা ও নিমকি। দু'জনে খুব দুষ্টু ছিল। কিন্তু তাদের দুষ্টুমির ধরনটা আলাদা ছিল। সিঙ্গারা খালি নিরীহ পশুদের মানে না-মানুষদের সাথে দুষ্টুমি করত। যেমন, দু'টো বেড়ালের লেজ বেঁধে দিত। কুকুরের বাচ্চা গাছে তুলে দিত। বেড়াল কুকুরের কানে ঘাস দিয়ে সুড়সুড়ি দিত। বেড়ালের গায়ে রঙ ঢেলে দিত। এরকম নানা দুষ্টুমি করত। আর নিমকি বাড়ির সবার ইমপর্টেন্ট জিনিস নষ্ট করে দিত। যেমন, ওদের মা যেই টেবিলে একটা জরুরী কাগজ রেখেছে সে তখনি সেটা কুচি কুচি করে ডাস্টবিনে ফেলে দিত। বাবা টিভি দেখতে ভালোবাসে বলে সে টিভির পেছনে জল ঢেলে দিত। মায়ের মোবাইলের ভেতরের সব কিছু খুলে নষ্ট ক