জ্বলদর্চি

পিছুটান ― হৃদয়ের অক্ষরে সময়ের উপাখ্যান/অন্তরা ঘোষ

পিছুটান ― হৃদয়ের অক্ষরে সময়ের উপাখ্যান

অন্তরা ঘোষ

স্মৃতির ঝাঁপিকে উপুড় করার নস্টালজিক পরিকল্পনার ফসল 'পিছুটান'। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পুনর্মিলন উৎসব। এই উৎসবের প্রথম নামকরণ করেছিলেন শ্রদ্ধেয় বীতশোক ভট্টাচার্য মহাশয়। আজ ফিরে দেখার সেই মাহেন্দ্রক্ষণের প্রাকমুহূর্তে বাংলাবিভাগের উত্তরসূরিদের মননে, চিন্তনে 'পিছুটান'। পঁয়ত্রিশ বছর—সময়ের এক বিশাল অধ্যায়।সেই অধ্যায়ে জড়িয়ে থাকা অনুভবকে মনের ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে দেখে নেওয়ার টানেই আগামী ২৯ শে মার্চ, রবিবার মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছে। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের স্মৃতির ফেরিওয়ালারা এক বিশাল প্যালেটে সেই মিলনমেলার নকশা এঁকে চলেছেন নিরন্তর। এদিক ওদিক থেকে সংগৃহীত হচ্ছে ভালোবাসার রং। সেই রঙে বাংলা বিভাগের প্রাক্তনীদের জীবনের আনাচে কানাচে জমে থাকা বিষাদ মুছে গিয়ে বসন্তের ফুল ফুটছে তার অপার সৌন্দর্য নিয়ে।

একদিন যে প্রাঙ্গণে স্বপ্ন বোনা হয়েছিল, সেই চেনা উঠোনে দাঁড়িয়েই প্রস্তুত হচ্ছে প্রাক্তনীরা। অসংখ্য হাসি, নির্ঘুম রাতের আড্ডা, পরীক্ষার আগের উৎকণ্ঠা, ফলাফল প্রকাশের উল্লাস, ভাঙতে ভাঙতেও গড়ে নেওয়া, পড়তে পড়তেও উঠে দাঁড়ানো আর নিঃশব্দে জমে থাকা কিছু না-বলা অনুভূতি―সবকিছুকে পাথেয় করে বাংলা বিভাগ ফিরতে চাইছে উৎসমূলে। জীবনের ব্যস্ততার ভিড়ে প্রাক্তনীরা ছড়িয়ে পড়েছে নানা  জায়গায়, নানা পেশায়, নানা দায়িত্বে। কিন্তু স্মৃতির ভেতর লুকিয়ে আছে একটাই পরিচয়―সকলেই একই আকাশের নিচে স্বপ্ন দেখা মানুষ। একই শেকড়ের টান তাঁদের হৃদয়ের গভীরে। সেই টানেই এই পুনর্মিলনের আবহে ভিন্ন ভিন্ন মানুষের মনে সমপ্রাণতার অভিব্যক্তি। 
সেই সমপ্রাণতায় বেশকিছু প্রাক্তনী দিনরাত এক করে শুরু করেছেন, প্রদীপ জ্বালানোর আগে সলতে পাকানোর কর্মসূচি।

বাংলা বিভাগের শ্রদ্ধেয় স্যার, ম্যামদের তত্ত্বাবধানে সেই কর্মসূচি সফলভাবে এগিয়ে চলেছে। নির্ঘুম রাতের ফসল হিসেবে মাননীয় গোবিন্দপ্রসাদ বর্মন-দার কাছ থেকে এসেছে, সমগ্র অনুষ্ঠানের খসড়া পরিকল্পনা। সেই পরিকল্পনার সাথে যুক্ত হয়েছে আরও অনেকের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংযোজন। আর সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করতে শত শত প্রাক্তনী বহু ব্যস্ততার মাঝেও এগিয়ে এসেছেন। প্রাক্তন ও বর্তমানের মিলিত প্রচেষ্টায় বিন্দু বিন্দু মিলে সিন্ধুতে পরিণত হতে চলেছে সমগ্র পরিকল্পনাটি।
সেটিকে আরও বেশি কার্যকর করে তুলতে কয়েকটি পর্বে বিভাজন করে দায়িত্ব বন্টন করে নিয়েছে প্রাক্তনী ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। প্রতিদিন নিজেদের মধ্যে আলোচনা, পর্যালোচনা করে পিছুটানের গতিপথ তৈরি করা হচ্ছে। কত যে তার সংযোজন বিয়োজন। কত মত।কত পথ। সেই পথের দিশারীদের নিয়ে গর্বের শেষ নেই,বাংলা বিভাগের সেই মানুষটির,যিনি বিভাগের প্রথম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন।সেই শ্রদ্ধেয় মলয় কুমার জানা মহাশয়ের কথায়― "বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বিভাগের একদল উদ্যমী প্রাক্তনী ও একগুচ্ছ উচ্ছ্বসিত বর্তমান বিভাগের পুনর্মিলনীর আয়োজন করেছে। এমন উদ্যোগী উত্তরসূরিদের জন্য গর্ববোধ করি। আমরা, যারা কাছে পিঠে আছি, মাঝে মাঝে গিয়ে সেই পুনর্মিলনীর মঞ্চ বাঁধায় হাত লাগাই, যারা দূরে আছো(প্রবীনতম প্রাক্তনী,  তাই "তুমি " সম্বোধনেই স্বচ্ছন্দ বোধ করি),তারা মনের বাঁধনটা আর একটু কষে বেঁধে নিয়ে ২৯ শে আসার জন্য উন্মুখ হয়ে আছো জানি। আমরা যখন পড়েছি, তখন রুক্ষ প্রান্তরে কয়েকটি লিকলিকে গাছ আর তার মাঝে মাথা তুলে দাঁড়াতে চাওয়া ইঁট কাঠ পাথরের কাঠামো। আর এখন,  সবুজের স্নেহে লালিত একটি তপোবন যেন!! আফসোস হয়, আক্ষেপ হয়, কেন পেলাম না এই পরিবেশ!! আক্ষেপ আরো অনেক " না পাওয়া" নিয়ে। নিজেকে প্রশ্ন করি, "সমাজ পরিবারের কথা ছেড়েই দিলাম, নিজে ব্যক্তিজীবনে যা পেতে চেয়েছি, সব কি পেয়েছি? না পাওয়াগুলোকে আড়ালে রেখে, পাওয়াগুলোকে নিয়েই কি আনন্দে মেতে উঠিনি?" আমরা তো অঘোরী সম্প্রদায়ের নই, তাই অপ্রাপ্তির কষ্ট আমাদের থাকবেই। তা বলে সেই কষ্টকে বড় করে দেখে প্রাপ্তির ঘন আনন্দটুকু মাটি করব কেন? প্রতিটি মানুষ একটি একটি স্বতন্ত্র ভাবের আধার।তাই মানুষে মানুষে মতান্তর স্বাভাবিক। নিজেদের শিক্ষিত বলে ভাবি, তাই মতান্তরকে পুষে রেখে মনান্তর না ঘটানোই শ্রেয়।  আয়োজন "আমাদের মিলনের উৎসব।" 
"আমি" প্রবল হয়ে যেন "আমাদের" বাঁধনকে আলগা না করে।  অপ্রাপ্তি, বিরহ যেন মিলনের আনন্দকে নষ্ট না করে। উৎসব, তাই তা যেন আনন্দমুখর হয়। আমরা সবাই মিলে ২৯ শে এমন ভাবে,এমন কয়েক ঘন্টা কাটাতে চাই,যে সময়টি আমাদের পরের একটি বছর প্রতীক্ষায় ব্যাকুল রাখে। 

এসো,  "আমি" কে একটু ঘুম পাড়িয়ে "আমাদের" প্রয়াসকে সম্মান করি। সম্মানহানি করার জন্য শিক্ষা লাগে না, সম্মান করার জন্য একটি "গোটা' মানুষ লাগে 
প্রত্যেকের সানন্দ উপস্থিতির অপেক্ষায় আমরা সবাই।"

পঁয়ত্রিশ বছর আগে যিনি ছেড়ে গেছেন বাংলা বিভাগের উঠোন,তাঁর মননে, চিন্তনে এই যে পিছুটান,অন্তরমহলে এই যে এত তোলপাড় করা বোধ,এই বোধের আলোতে আরও কতশত অন্ধকার দূর হয়ে যায়। বেঁধে বেঁধে থাকার প্রচেষ্টায় হাতের ওপর নেমে আসে হাত আর হাত।
🍂

 অতিথি হিসেবে এই ৩৫ বছরে বাংলা বিভাগের সঙ্গে বিভিন্নভাবে যুক্ত অধ্যাপক অধ্যাপিকাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে পিছুটানের উপলব্ধিকে যেন অন্য এক মাত্রা দেওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বাংলা বিভাগ।
বাংলা বিভাগের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল চিরকাল সেরার সেরা দাবিদার।তারই শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে পিছুটানের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
 একই সাথে বুক স্টল, পত্রিকা স্টল, স্মৃতিবৃক্ষ, মনের জানালা,সহায়তা কেন্দ্র,রেজিস্ট্রেশন টেবিল, 
 লাইভ পারফরম্যান্স স্টেজ, সেলফি জোন সমস্ত কিছুর মিশেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গনে উৎসবের ছোঁয়া।
পোড়ামাটির মেমেন্টো,চারাগাছ,বীজকলম সহযোগে সেই উৎসব যেন মহোৎসবের চেহারা নিতে চলেছে।
আর এই বিরাট যজ্ঞের হোতা হয়ে বহুজন এগিয়ে এসেছেন দায়ভার নিজের কাঁধে তুলে নেওয়ার জন্য।
সবার কাছে খবর পৌঁছানোর জন্য ডিজিটাল মাধ্যমকে তাঁরা
 ব্যবহার করছেন নানাভাবে।'ফিরে দেখা' Whats app গ্রূপ বানানো। “পথ রেখা ( VU বাংলা বিভাগ) ২০২৬”ফেসবুক পেজ খোলা।এছাড়াও সংবাদপত্রে প্রচার, মেদিনীপুর শহরে তোরণ বানানো,হ্যান্ডবিল বিলি,
পত্রিকায় প্রতিবেদন দেওয়ার কাজও চলছে।
একটি মহতী অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য শুধুমাত্র সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে যথার্থতা লাভ করে না।চার দেওয়ালের বাইরেও থাকে তার  সামাজিক দায়বদ্ধতা। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ সেই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে বেশ কয়েকটি গঠনমূলক পরিকল্পনা করেছে,যেমন―
 প্রকৃতির কোলে থাকা কোন একটি রাস্তার কিছুটা অংশকে দত্তক হিসেবে নেওয়া
( আরণ্যক উপন্যাসের অনুপ্রেরণায় ),
 শিক্ষার আলো থেকে দূরে থাকা কোন একটি প্রত্যন্ত গ্রামকে বাংলা বিভাগ থেকে দত্তক হিসেবে নেওয়া,
 রক্তদান শিবির, হাসপাতালে ফল বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কোনো গ্রামীন বা স্কুলের লাইব্রেরীর জন্য কিছু বইপ্রদান,বছরে একবার “বাংলার হাট” এর আয়োজন করা, বেশ কয়েকটি জেলা জুড়ে বাংলা বিষয়ে মেধা” অন্বেষণ” নামক একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার আয়োজন করা।

এছাড়াও প্রাক্তন এবং বর্তমান সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্য থেকে বেশ কিছু ভালো লেখা সংগ্রহ করে একটি স্মারক পত্রিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।যে পত্রিকার বিষয়―"রাতের পদাবলী।"একইসাথে সাল অনুযায়ী প্রত্যেক প্রাক্তনীদের নাম,ঠিকানা, ফোন নাম্বার,  ব্লাড গ্ৰুপ এবং বর্তমান কর্মরত স্থান উল্লেখসহ একটা ডাইরেক্টরি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রাক্তন,বর্তমান অধ্যাপক, অধ্যাপিক, এবং প্রাক্তনীদের প্রকাশিত বইয়ের একটি স্টল দেওয়া হবে। বই বিক্রির জন্য। প্রাক্তন এবং বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের নিজস্ব হাতের কাজ ( নানান শিল্প সামগ্রী ) সম্বলিত একটি স্টল থাকবে।যেখানে  প্রদর্শনী এবং বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা হবে।
 
এছাড়াও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন―একটি লোগো বানানো,থিম সং বেছে নেওয়া, বিগত বছরগুলিতে নানান জনের কাছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং মুহূর্তগুলোর ছবি দিয়ে কোলাজ বানানো, ব্যাচ–ওয়াইজ কর্নার করা, “বাংলা বিভাগের গর্ব” সম্মাননা—৩/৪ জন বিশিষ্ট প্রাক্তনীকে সংবর্ধনা দেওয়া,
“বাংলা বিভাগ সামাজিক তহবিল” গঠন করা।

এছাড়াও বছরে অন্তত একটি নির্দিষ্ট প্রকল্প গ্রহণ। যেমন, ISBN সম্বলিত পত্রিকা প্রকাশ, বিভাগের লাইব্রেরির কিছু দায়িত্ব গ্রহণ,বছরে একটি বিশেষ দিনে একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন করা ইত্যাদি।প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ ‘ফিরে দেখা’র জন্য। ( প্রত্যেক বছর মহালয়ার দিন বাংলা বিভাগের পুনর্মিলন উৎসব এর আয়োজন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই বছরের অনুষ্ঠানের শেষে আগামী বছরের জন্য দিন ঘোষিত হবে।) সমস্ত খসড়া পরিকল্পনাকে আলাদা আলাদা মিটিংয়ের মাধ্যমে পারস্পরিক মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত  করেই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
 
এই বিরাট যজ্ঞের অন্যতম কান্ডারী শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক গোবিন্দ প্রসাদ বর্মন বাবুর কথায়,―
"আজ এই পুনর্মিলনের আবহে দাঁড়িয়ে মনে হচ্ছে, সময় আমাদের চেহারায় কিছু রেখা এঁকেছে ঠিকই, কিন্তু হৃদয়ের ভেতর সেই তারুণ্য আজও অমলিন। কারও চুলে রুপোলি ছোঁয়া, কারও চোখে জীবনের গভীরতা—তবু হাসির শব্দে ভেসে আসবে সেই চেনা উচ্ছ্বাস।
এই পঁয়ত্রিশ বছরে আমরা অনেক কিছু পেয়েছি, অনেক কিছু হারিয়েছি। কেউ হয়তো সাফল্যের শিখরে উঠেছে, কেউ সংগ্রামের পথে হেঁটেছে, কেউ নিভৃতে নিজের দায়িত্ব পালন করেছে। কিন্তু কয়েক দিন পর এই মিলনবেলা আমাদের মনে করিয়ে দেবে —আমাদের শুরুটা একসঙ্গে ছিল। আমাদের বন্ধুত্ব, আমাদের যৌথ স্মৃতি, আমাদের সেই অদম্য স্বপ্ন—এসবই আমাদের অমূল্য সম্পদ।

পুনর্মিলন মানে শুধু পুরোনো মুখ দেখা নয়; পুনর্মিলন মানে নিজের শেকড়ের কাছে ফিরে যাওয়া। যে দিনগুলো আমাদের গড়ে তুলেছিল, যে সম্পর্কগুলো আমাদের মানুষ হতে শিখিয়েছিল—আজ তাদের প্রতিই এক গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন। হয়তো "ফিরে দেখার" পর আবার আমরা ফিরে যাব নিজ নিজ জীবনের ব্যস্ত স্রোতে। কিন্তু ঐ কয়েকটি মুহূর্ত আমাদের হৃদয়ে থেকে যাবে আলোকবর্তিকার মতো। যখনই ক্লান্তি আসবে, যখনই মন একা হবে, তখন ঐ দিনের হাসি, ঐ দিনের আলিঙ্গন, ঐ দিনের অশ্রুসজল আনন্দ আমাদের শক্তি দেবে।

পঁয়ত্রিশ পরে আবার দেখা—এ যেন সময়ের কাছে আমাদের এক নীরব জয়। দূরত্বকে হার মানিয়ে, ব্যস্ততাকে উপেক্ষা করে, আমরা আবার একত্রিত হবো —বন্ধুত্বের অটুট বন্ধনে। আজ তাই বলতেই ইচ্ছে করে, সময় আমাদের বদলেছে, কিন্তু আমাদের সম্পর্কের শিকড় আজও অম্লান। তাই এতদিন পরেও এই মিলন শুধু স্মৃতি নয়—এ আমাদের অস্তিত্বের পুনরাবিষ্কার।"

একজন প্রাক্তনীর এই উচ্চারণ সত্যিই আমাদের বিশ্বাস করায় যে, পুনর্মিলন মানে নিজের উৎসমূলে যাওয়া।সত্যিই সময় বদলে যায়, কিন্তু সম্পর্কের শিকড় গভীরে গিয়ে প্রোথিত হয়,ডালপালা ছড়ায়। বিগত পঁয়ত্রিশ বছরের সেই সম্পর্কের যত্ন নিতে ভিন্ন ভিন্ন মানুষের এক হয়ে বেঁধে বেঁধে থাকার পরিকল্পনার সফল প্রয়াস 'পিছুটান'।

🍂
প্রকাশিতব্য 

Post a Comment

0 Comments