মেঘেদের ফন্দি
সারাদিন ঘ্যান ঘ্যান
ঝরছে তো ঝরছেই
মুখখানা প্যাঁচানির
কালি মেখে ঝুলছেই।
প্যাঁচ প্যাঁচ চারিধার
ছপ ছপ শব্দ
জলে জলে জলোময়
একেবারে জব্দ।
ভাঙে ঘর ভাঙে পাড়
দুদ্দাড় হুড়হাড়
ঝুলকালি মাখামুখ
রাগভারী ভাব তার।
চক্ চাক্ ঝক্ ঝাক্
বিজলির ঝলকা
চোখ থেকে ঠিকরে
আগুনের ফলকা।
রক্ষে তো নেই আর
ভেঙ্গে চুরে ছারখার
ঐ শোনো মেঘেদের
গর্জন গুড়গাড়।
তাধিন তাধিন ধিনতা
তাধিন তাধিন ধিনতা
আছি সুখে দেখুক লোকে
নেইতো কোনো চিন্তা।
ধাগেনা নাতিনা ধাগেনা
জাগে না চিত্ত জাগে না আমার
কোনো ভাবনাই জাগে না।
চিৎকার করে ফুৎকারে সব
উড়িয়ে দিয়েছি ঘেন্না।
ঘিটি গিনিচা ঘিনিচা
গড়াগড়ি খাই, হামাগুড়ি দিই
যেমন খুশি ভেংচা।
তাধেটে নাধিনা তাধেটে
মেরুদণ্ডটা সোজা রেখে চলি
কারো চটি আমি না চেটে।
তেলা মেরে আমি করি না কর্ম
মরি দস্তুর মতো খেটে।
দ্রিমতা দ্রিমতা দ্রিম
হাট্টিমাটিম টিম।
তোরা যে যাই বলিস ঘন্টা নাড়িস
আমার ঘোড়ার ডিম।
মন্দ হলে মন্দ না
গা গতরে খেটেই বাঁচি
কষ্ট বলে ভাবিই না
তারিপ টারিপ চাই না কোনও
ভেংচি কেটে দুষিস না।
ধুত্তোরি সব বেয়াক্কেলে
কে কার ঢাক পেটায় জোরে
প্রশংসাতে গা-টা গুলোয়
কাতুকুতু হয় মনের ঘরে।
কানা চোখে ফর্সা দেখে
আসল মানুষ পোড়ে
চোর পুলিশের জমছে খেলা
গো বেচারাই মরে।
ভালো সাজার জোর জুলুমে
যে যার ভাঁড়ের টান
কার বাহাদুরি জানা কদ্দুর
বাঁচলে বাপের নাম।
দেখে শুনে মরছি ভেবে
মন্দ হলে ক্ষতি না
বেবাক লোকে যা খুশি বকুক
মন্দ হতে মন্দ না।
🍂
0 Comments