কৃষ্ণা গায়েন
যুদ্ধ
মানুষ এখন যুদ্ধে ব্যস্ত কে কত শক্তি ধরে,বোমা মিসাইল ছুঁড়ে দিয়ে বলে মেরেছি ওদের ঘরে।
আমাদের আর ওদের পর্ব চলছে
জগৎ জুড়ে, সমষ্টি ছেড়ে ব্যষ্টি এসেছে জীবন দিয়েছে মুড়ে।
জীবনের দাম নেইকো কোথাও
শুধু স্বার্থের ব্যবসা, রাজনীতি জানে
গোছাতে আখের কূটচুক্তি ই ভরসা।
প্রাণ নেয় বোমা,প্রশ্ন করেনা কোন
দেশের এই অস্ত্র, হিসাবের কড়ি বুঝে নিতে চায়, প্রাণঘাতী এই শস্ত্র।
ডায়েরী
খবর ছড়িয়ে গেছে মৃত এক লিখে গেছে জীবনের কথা -
আইন ভেঙেছে তার ঘর-
নিঃস্ব আজ কানুনের ফেরে।
বিচারের বাণী পথ বদলেছে।
প্রভাবের হাত ধরে
প্রশ্নে আকুতি -ব্যর্থতা কার এই জীবনের পারে?
অনুসন্ধানে মরণ ভীষণ বরণ
করেছে তারে।
অনুগত
প্রতিদিন সকালে আমি কাজে বেরোই দু কাঁধে দুটো বোঝা নিয়ে,
একটায় থাকে আনুগত্য অন্যটায়-
আত্মবিশ্বাস, আদর্শ আর ভালোবাসা ।
ঘর থেকে বেরোই,কিছুটা খরচ হয়
গৃহিণীর জন্য,তারপর অফিসের বস্ ,রাজনৈতিক দাদা, আত্মীয় স্বজন - আনুগত্যের ব্যাগটা উজাড়
হয়ে যায়।
অন্য ব্যাগটা খুলতে পারিনি কোনোদিন।অথচ রোজ ভাবি- এবার মনের জোরে পৃথিবী কাঁপিয়ে
দেব।সকলের মুখে শুনবো আমার জয়গান।
তখনি বীরদর্পে অন্য ব্যাগ টা খুলতে গিয়ে বস্ কে সামনে দেখি, হাঁটু দুটো কেঁপে যায় ,আবার সেঁধিয়ে পড়ি ব্যাগের ভিতর।
খালি হয়ে যাওয়া আনূগত্যের ঝোলা আমাকে বিগলিত দেঁতো
হাসিতে ডেকে নেয়।
মূর্তিমান আমি নিজেই ঝোলা ভর্তি
আনুগত্য হয়ে যাই।
কবিতা তুমি
তোমার মাঝেই জীবনের কল্লোল,
তোমার মাঝেই প্রেমের গোপন কথা।
তোমার ছন্দে গভীর বেদনা আঁকা,
লিখেছি অনেক দুঃখের কথকতা।
যে কথা বলতে বেধেছে সলাজ নয়নে,
তোমার মাঝেই লিখেছি অশেষ যতনে।
সুধাময়ী তুমি তোমার পরশ চেয়ে
জীবনের পথে চলব কবিতা নিয়ে।
0 Comments