জ্বলদর্চি

তিনটি কবিতা /দীপঙ্কর সাঁতরা

তিনটি কবিতা 
দীপঙ্কর সাঁতরা 

হুল 

কপাল খারাপ ভেবে যে গাবান জমিতে বীজ বোনেনি কখনো 
তারই উঠোন ভরা মৌসুমি ফুলে 
না পাওয়া নিশ্চিত জেনে যার বুক ধুলো মাখামাখি 
তাতেই উটকো বিপদ জ্বালাময়ী হুলে


শিবরাত্রি 

পিঠোপিঠি বসে থাকা দুটি মানুষের মাঝখানে গাছ বাকলের দেয়াল 
নিম্নগামী চোখের তারায় মাটির প্রতিবিম্ব, 
প্রতিটি নিঃশ্বাসের আঘাতে পড়ে যাচ্ছে সরে যাচ্ছে পাতারা
পাতাখোর এক অনুপ্রবেশকারী যুবক দেখছে অতঃপর অন্য কিছু 
আঙুলে আঙুল ফনা তুলছে
স্নিগ্ধ চুম্বন উজিয়ে দিচ্ছে গোধূলি বাতাস 
ঝরা পাতা সরে সরে যাচ্ছে বৃত্তাকার পথে


কন্ঠী

বলছি, আর এক বেলা থেকে যেয়ো
উঠোন পিঁড়ি পেতে বসে আছে মাটির কলসে ভরা জল 
এ বেলাটা থেকে যাও যদি পরের প্রহরে এক মুঠো বালুচর দেব 
সুবর্ণতীরে লগি সমেত আস্ত একটা পানসি দিতে পারি 
তোমাকে কন্ঠী করে গলায় ঝোলাতে ইচ্ছা করে

🍂

Post a Comment

1 Comments

  1. কমলিকাJune 03, 2026

    এই পিঁড়ি টাইনেই বসলি বটে, ঘটি ভইরা পানি পিবক বটে।
    ঐ একমুঠো বালুচরের বড্ড শখ আচে মোর, পানসি না হয় বেক চলিবে, স্বপন দেখার সাধও ঘোর।

    কিন্তু কণ্ঠী কবে ফাঁস হয়ব, সেই কথাটাই ডর লাগে; গলার মালা হইতে গিয়া বন্ধন যদি প্রাণে জাগে।

    আজকে আসি বাবু তবে, যাওয়ার আগে কই এক কথা— তোর মতন কইরা কেহ আগে কয় লাই, “থেকে যা”।

    কণ্ঠী কবিতাটা ভালো লাগলো তাই 🙏একটা জবাব কবিতা লিখলাম।

    ReplyDelete