মেদিনীপুরের মানুষ রতন, পর্ব -- ২১৬
অরবিন্দ মাইতি (শিক্ষক, প্রত্নসংগ্রাহক, রামনগর)
ভাস্করব্রত পতি
দু'পাশে কাজু গাছের ঘন বন। বালুময় মাটি। তারই বুক চিরে পি.এম.জি.এস.ওয়াই-এর কালো পিচের রাস্তা। মোটর সাইকেলে রামনগর থেকে দেপালবাজার হয়ে ধাড়াস গ্রামে যাওয়ার পথে প্রকৃতির অভ্যর্থনা মনে থাকবে আগতদের। ধাড়াসে পৌঁছলে সেখানে মিলতো অরবিন্দ মাইতি এবং মলয়ারানী মাইতির আন্তরিক আতিথ্য। তাঁদেরই উদ্যোগেই গড়ে উঠেছে কাঁথি মহকুমার একমাত্র সংগ্রহশালা ও গবেষণাকেন্দ্র 'রজনীকান্ত জ্ঞানমন্দির' (যাদুঘর ও গবেষণা কেন্দ্র)। আর তা দেখতেই জেলা ও জেলার বাইরে থেকে লোকজন যান অরণ্যের বুকে অরবিন্দবাবুর বাড়ি 'আরণ্যক'-এ।
রজনীকান্ত জ্ঞানমন্দিরে সংগৃহীত কাঠের মুখোশ
তখন ১৯৪২ সাল। ব্রিটিশ বিরোধী ভারত ছাড়ো আন্দোলন মাথাচাড়া দিয়েছে। ঠিক সেই বছরের ৭ ই এপ্রিল রামনগরের প্রত্যন্ত ধাড়াস গ্রামে রজনীকান্ত মাইতি এবং চারুহাসিনী মাইতির পরিবারে এলেন পুত্রসন্তান অরবিন্দ মাইতি। চার বোন মালবিকা, স্বস্তিকা, তরলিকা এবং তমালিকাদের একমাত্র দাদা। যিনি পরবর্তীতে হয়েছিলেন এতদঞ্চলের অন্যতম সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।
সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত রোমান অ্যামফোরা দেখাচ্ছেন অরবিন্দ মাইতি
কাঁথি প্রভাত কুমার কলেজ থেকে প্রি ইউনিভার্সিটি পাস করেন সায়েন্স নিয়ে। এরপর খড়গপুর কলেজ থেকে বি এ পাস করেন। ১৯৭০ সালে কানপুর গুরুপ্রসাদ বিদ্যাপীঠে শিক্ষকতায় যুক্ত হন অরবিন্দ মাইতি। শিক্ষকতার সাথে সাথে পালপাড়া বি এড কলেজ থেকে বি এড ডিগ্রি লাভ করেন। একদিকে শিক্ষকতা, অন্যদিকে রাজনীতি -- দুইই সমানভাবে এবং সততার সাথে চালিয়ে গিয়েছেন তিনি। বামপন্থী রাজনীতি পছন্দ করতেন। ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন তিনি। রামনগর - ২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ পদে আসীন ছিলেন দুবার। দ্বিতীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি ছিলেন এখানকার শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ এবং তৃতীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি ছিলেন ত্রাণ কর্মাধ্যক্ষ পদে। রীতিমতো কৃতিত্বের সাথেই টানা দশ বছর তিনি প্রশাসনিক কাজে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সেইসাথে যুক্ত ছিলেন সাক্ষরতা প্রসারের কাজেও। বটতলা আনন্দময়ী হাইস্কুলের সভাপতি পদেও কাজ করেছেন কৃতিত্বের সাথে।
এই 'রজনীকান্ত জ্ঞানমন্দির' (যাদুঘর ও গবেষণা কেন্দ্র) কেন গড়ে তুললেন তিনি? কে এই রজনীকান্ত? ১৯১০ এর ৫ ই অক্টোবর ধাড়াস গ্রামেই জন্মগ্রহণ করেন রজনীকান্ত মাইতি। ম্যাট্রিকুলেশনে ৮ টি বিষয়ের ৭ টিতেই লেটার পেয়েছিলেন। এরপর মেদিনীপুর কলেজে আই.এস.সি. পড়েন। সেসময় তাঁর নিকটতম সহপাঠী ছিলেন শহিদ প্রদ্যোত ভট্টাচার্য। ডগলাস হত্যার পর ব্রিটিশরা অবশ্য রজনীকান্ত মাইতিকেও গ্রেপ্তার করেছিল। পরে তিনি বঙ্গবাসী কলেজে অঙ্ক নিয়ে গ্র্যাজুয়েট হন। প্রথমে এগরা ঝাটুলাল হাইস্কুল এবং ১৯৫৬ তে মানিকাবসান উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধানশিক্ষকের দায়িত্ব পান। ১৯৭৫ এর আগস্ট মাসে কর্মরত অবস্থায় মৃত্যু হয় তাঁর। এহেন মহান সাহিত্যকর্মী এবং অনুসন্ধিৎসু ব্যক্তি ছিলেন অরবিন্দ মাইতির পিতৃদেব। তাঁরই স্মরণে ১৯৭৫ এর ৫ অক্টোবর রামনগরের ধাড়াস গ্রামে গড়ে তোলেন 'রজনীকান্ত জ্ঞানমন্দির' (যাদুঘর ও গবেষণা কেন্দ্র)। প্রতি বছর রজনীকান্ত মাইতির জন্মদিন ৫ অক্টোবরে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এখানে। যদিও বছরভরই বহু গবেষক, প্রত্নতত্ত্ববিদ ও পর্যটক এখানে আসেন প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে। বালিসাই বাসস্ট্যান্ড থেকে যা মাত্র ১০ কিমি দূরে অবস্থিত।
সংগ্রহশালার স্থপতি অরবিন্দ মাইতির সাথে লেখকের আত্মিক ছবি
এই সংগ্রহশালার প্রথম প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে নাম উল্লেখ করতে হয় অরবিন্দ মাইতিসহ বিশিষ্ট শিক্ষাব্রতী গোষ্ঠবিহারী জানা, অধ্যাপক অনিল দাস, কানাই আদক প্রমুখদের নাম। এঁরাই প্রথম এগিয়ে আসেন। আমৃত্যু অরবিন্দ মাইতিই ছিলেন সংগ্রহশালার সম্পাদক এবং কিউরেটর। কোনও দর্শক বা উৎসাহী ধাড়াস গ্রামের এই সংগ্রহশালায় গেলেই তাঁদের জন্য উন্মুখ হয়ে থাকতেন প্রত্নসংগ্রাহক অরবিন্দ মাইতি। নিজের আগ্রহেই তাঁদের দেখাতেন এখানকার সংগৃহীত প্রত্নতাত্ত্বিক সামগ্রী। তখন চোখের সামনে ভেসে উঠতো মেদিনীপুরের উপকুলীয় এলাকার এক অনাস্বাদিত, অনালোকিত এবং অনালোচিত ইতিহাসের স্থিরচিত্র। অবাক হতে হত সেসব দেখে।
মূলত তিনটি বিভাগের প্রত্নসামগ্রী ও উপাদান রক্ষিত হয়েছে এখানে। প্রত্নতত্ত্ব ও নৃতত্ত্ব বিভাগীয়, লোকশিল্প বিভাগীয় এবং ভূগোলের নানা বিষয় রয়েছে এই 'রজনীকান্ত জ্ঞানমন্দির' (যাদুঘর ও গবেষণা কেন্দ্র) এ। অরবিন্দ মাইতির উদ্যোগ এবং আগ্রহেই ফুলপল্লবিত হয়েছে সংগ্রহশালা। প্রথমেই আসি ভূগোলের নানা উপাদান সম্পর্কে। স্থানীয়ভাবে পাওয়া অসংখ্য প্রাণীর জীবাশ্ম রয়েছে। এছাড়া গাছের জীবাশ্মও আছে। সব মিলিয়ে তা ১০০ এর কাছাকাছি হবেই। টোপোগ্রাপিক সার্ভে ম্যাপসহ অবিভক্ত মেদিনীপুরের ম্যাপ, সেচ সংক্রান্ত সরকারি ম্যাপসহ ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত Cocanada to Basin River Map টি বিশেষ উল্লেখযোগ্য। একেবারে বার্মা থেকে দক্ষিণ ভারতের উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী এলাকার ম্যাপটির অবস্থা বেশ সঙ্গীন। অতি যত্ন করে রেখেছেন অরবিন্দবাবু। এই ম্যাপটি তৈরির সময় এর ডাইরেক্টর কমান্ডার ছিলেন এ.ডি. টেলর এবং সুপারিনটেনডেন্ট ছিলেন তৎকালীন মেরিন সার্ভে অব ইন্ডিয়ার আর.সি. ক্যারিংটন। এটি ডেভিস অ্যান্ড কোম্পানি ১৮৭৭-এর ২২ আগস্ট প্রকাশ করে। এই মানচিত্রে সেই সময় যে এলাকাগুলির নাম রয়েছে তার বানানগুলি বেশ অন্যরকম এবং তা গ্রাম নামকরণের ইতিহাসে কাজে লাগবে। সেগুলি হল - Kontai, Dharinda, Nyagaon, Sildal, Khijiri, Huldia, Amdoe, Chunderkona, Narainghur, Dantun, Ghatal, Kakrajit, Chakulia, Jambuni, Cowcolli, Ramghur, Hidulla, Nijhirchund, Fulkushma, Kassiari, Lalghur, Narajole, Dingal ইত্যাদি।
অরবিন্দ মাইতির সংগৃহীত কিছু উপাদান
আর্কিওলজি বিভাগের উপাদানগুলির তালিকায় রয়েছে প্যালিওলিথিক, মেসোলিথিক, মাইক্রোলিথিক, নিওলিথিক এবং চালকোলিথিক যুগের নানা সামগ্রী। কাঁথি মহকুমা এবং এগরা মহকুমার তথা মেদিনীপুর (অবিভক্ত) জেলার দক্ষিণাংশ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে তা। এমনকি এইসব সামগ্রীর সাথে তাম্রলিপ্ত এলাকায় প্রাপ্ত সামগ্রীর কিছু কিছু ক্ষেত্রে যথেষ্ট মিল খুঁজে পাওয়া গেছে। দক্ষিণ মৈতনা অঞ্চলের তেঁতুলতলা গ্রামের মাটির প্রায় ৩০ ফুট নিচ থেকে পাওয়া একটি বুনো মহিষের সিং সমেত (বাইসনের) মাথা এখানে সংগৃহীত রয়েছে। প্রায় সাড়ে পাঁচ ফুট চওড়া। এই ধরনের প্রাণীর অস্তিত্ব আজ আর মেলেনা। প্রত্নতাত্ত্বিকদের অনুমান এটির বয়স আনুমানিক ৩০ হাজার বছর।
এগরা মহকুমার অর্জুনী থেকে মাটি খুঁড়তে গিয়ে মিলেছে হস্তকুঠার (পাথরের)। রয়েছে কোনো জিনিস ভাঙার কাজের জন্য 'হ্যামার'। এখানে যেসব নিওলিথিক যুগের মৃৎসামগ্রী রয়েছে তার সঙ্গে যথেষ্ট মিল আছে হরপ্পা সভ্যতার সাথেও। অরবিন্দবাবুর কথায়, পাণ্ডুঢিপি খুঁড়ে পরেশ দাশগুপ্ত যে যে জিনিস পেয়েছিলেন তার সাথেও মিল আছে। ক্ষুদ্র আকারের বেশ কয়েকটি পোড়ামাটির মাতৃকা রূপের সামগ্রী সংগৃহীত এখানে। কুষাণ টেরাকোটার যক্ষিণী মূর্তি, গুপ্ত টেরাকোটা, অক্সফোর্ড যক্ষিণী বা অষ্টচূড়া যক্ষিণী বা শৃঙ্গ টেরাকোটা রয়েছে এই সংগ্রহশালায়। এই শৃঙ্গ টেরাকোটার বয়স আনুমানিক ২১০০ বছর। পূর্ব মেদিনীপুরের সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার বিশেষ ধরনের দুষ্প্রাপ্য মুখোশ বেশ কয়েকটি রয়েছে। পোড়ামাটির এই মুখোশগুলিতে পার্শিয়ান প্রভাব রয়েছে। এগুলিকে এই সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার লোকজন আগে পূজা করত।
এই সংগ্রহশালায় ঠাঁই পাওয়া অসংখ্য উপাদানের মধ্যে সবচেয়ে মূল্যবান এবং চমকপ্রদ নিদর্শনটি হল রোমান অ্যামফোরা (হাতলযুক্ত বড়ো ফুলদানির মতো)। দুটি বড় অ্যামফোরা এখানে আছে। একটির উচ্চতা ৫৮ ইঞ্চি। এটি বড়ো ঘটের মতো দেখতে। বসানো যায়। অন্যটি প্রায় ৬০ ইঞ্চি। এর গায়ে রিব যুক্ত ডোরা দাগ। কিন্তু বসানো যায় না। নিচের প্রান্ত শঙ্কুর মতো। অরবিন্দ মাইতির দাবি পূর্ব ভারতে এরকম সামগ্রী কেবল রজনীকান্ত সংগ্রহশালাতেই রয়েছে। সম্ভবত এতে করে মদ এবং অলিভ ওয়েল আনা হত সুদূর রোম থেকে। এগুলির একটি মিলেছে রামনগরের করঞ্জি হাইস্কুলের কাছে পুকুর খননের সময়। অন্যটি কালিন্দীর সুবেড়িয়া থেকে এক শিক্ষক দান করেছেন। তমলুক মিউজিয়ামেও রয়েছে 'রোমান অ্যামফোরা'। তবে তার রঙ অন্য। যদিও সেটিকে রোমান অ্যামফোরা হিসেবে মেনে নিতে গররাজি অরবিন্দবাবু। বরং তাঁর বক্তব্য, এই রজনীকান্ত জ্ঞানমন্দিরে সংগৃহীত অ্যামফোরা দুটি রোমে তৈরি হয়েছিল না কি রোমের অ্যামফোরার ধাঁচে এদেশেই তৈরি হয়েছিল কিনা, সে বিষয়ে আরও নিবিড় পরীক্ষা নিরীক্ষা প্রয়োজন।
নর্থ ব্ল্যাক পলিস বা এন.বি.পি.পটারি (মৃৎপাত্র) এর 'ক্রুড ফর্ম' এখানে সাজানো রয়েছে। তারই একটি সুন্দর নিদর্শন হল ভিক্ষাপাত্র। কালচে রঙের এই পাত্রটি মিলেছিল মারিশদার বাহিরী থেকে। সম্ভবত এটি মৌর্য যুগের নিদর্শন। খুব বিরল ধরনের পেন্টেড গ্রে পটারিও সংগৃহীত আছে। রেড স্টোনের মূর্তি সাধারণত এই বাংলাতে দেখা যায় না। অরবিন্দবাবুদের এই সংগ্রহশালায় তেমনই এক মূর্তি রয়েছে। তিনি জানান, গান্ধার শিল্পে এ ধরনের মূর্তি প্রচলিত ছিল। বারাণসীর পূর্ব দিকে সচরাচর তা দেখা যায় না। অষ্টম শতাব্দীর সূর্যের মূর্তির দেখা মিলবে। এতে বিদেশি প্রভাব সুস্পষ্ট। কেননা মূর্তিটি 'সুটেড বুটেড'। কোনারকের সূর্যমূর্তির সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। অষ্টম শতাব্দীর মহিষমর্দিনী, শৈবতন্ত্রের দেবতা অম্বিকা মূর্তি, শিখরজটা মহাবীর মূর্তি, গ্রানাইট পাথরের বেণুগোপাল মূর্তির মস্তক, অষ্টম শতাব্দীর বিষ্ণুর মস্তকহীন মূর্তি, ব্রোঞ্জের ফাইটিং বুল এখানে দেখতে পাওয়া যাবে। খুবই বিরল চতুর্দশ শতাব্দীর ত্রিবিক্রম বিষ্ণু বিরাট মূর্তিও রয়েছে এই 'রজনীকান্ত জ্ঞানমন্দির' (যাদুঘর ও গবেষণা কেন্দ্র) তে।
এর বাইরে মধ্যযুগের নারীদের ব্যবহৃত নানা জিনিসপত্র, মোঘল যুগ থেকে শুরু করে স্বাধীনতার সময়কাল পর্যন্ত নানা সামগ্রী, কাগজের ওপর হিন্দিতে লেখা প্রাচীন পটচিত্র, বেশ কিছু প্রাচীন দলিল দস্তাবেজ, কিছু প্রাচীন পুঁথিপত্র, পুঁথি রাখার নকশাদার পাটা, প্রাচীনকালের সুন্দর পেটিকা, মঙ্গলকাব্যের নাটকে ব্যবহৃত কাঠের মুখোশ, জউ পুতুল, কাঠের চিরুণি, শোলার তৈরি শীতলার পট, মনসার পট, বিষ্ণুর পট সাজানো আছে। এই ধাড়াস এবং কাদুয়া গ্রামের শোলাশিল্পীদের প্রাচীন শোলার কাজের বেশ কয়েকটি নিদর্শন ঠাঁই পেয়েছে এখানে।
সংগৃহীত সুপ্রাচীন কালের বাইসনের সিং
অরবিন্দ মাইতির এই সংগ্রহশালায় সংগৃহীত মুদ্রার কথাও বলতেই হয়। রয়েছে ৩ টি সিলভার পাঞ্চ মার্ক, ২ টি কপার পাঞ্চ মার্ক এবং ৮৩ টি ইম্পিরিয়াল কুষাণ মুদ্রা। এছাড়া মধ্যযুগের বিভিন্ন আমলের ৪০০ এর বেশি মুদ্রা রয়েছে। ওড়িশার গজসিংহ মূর্তি রয়েছে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মিউজিওলজি বিভাগের অধ্যাপক সন্তোষ কুমার বসু খুব প্রশংসা করেছেন এই সংগ্রহশালার। এখানে এসেছেন পরেশচন্দ্র দাশগুপ্ত, বিষ্ণুপদ পণ্ডা, ড. গৌতম সেনগুপ্ত, ড. কৌশিক গাঙ্গুলী, তামিলনাড়ু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ভি সিলভা, ব্রিটিশ মিউজিয়ামের অ্যাডভাইজার রবার্ট টম্বার প্রমুখ। গত ২৬ শে জুন (২০২৬) অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার অন্যতম এই প্রত্নবিশারদ তথা প্রত্নগবেষক শিক্ষক অরবিন্দ মাইতির জীবনাবসান ঘটেছে। মেদিনীপুরবাসী হারিয়েছে একজন নিবিড় অনুসন্ধানী ব্যক্তিত্বকে।
0 Comments