জ্বলদর্চি

কেন লিখি? জানতে চাও?/কমলিকা ভট্টাচার্য


কেন লিখি? জানতে চাও?

কমলিকা ভট্টাচার্য

জানি না কবিতা কেন লিখি...
অনুভূতিগুলো ভাষায় মুক্তি পেতে চাই বলে? 
নাকি অভিজ্ঞতাগুলো একদিন গল্প হয়ে উঠবে বলে?
নিজের অস্তিত্বকে বাঁচিয়ে রাখতে? 
নাকি নিজের একটা আলাদা পরিচয় খুঁজতে?
নাকি শুধুই নিজের জন্য একটু সময় চুরি করে নিতে?
আবার লোকের কথায়— কেউ বলে নিজের মনের বকবক, 
কেউ বলে শখ, কেউ বলে চাতুর্যের আড়ালে হাততালি পাওয়ার চেষ্টা, কেউ বলে সস্তা প্রচার, 
কেউ বা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে, “কবিতা লিখতে জানো নাকি?”
সত্যি বলতে কী, 
আমি তো কবিতা লিখি আমার ভালো লাগে বলে।
আর...
তুমি পড়বে বলে।
তুমি পাঠক।

এই কবিতাটিই আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ “আমার অনুভূতির ভাষা: আমার কবিতা”–র প্রথম কবিতা।
আমি বলি, আমি লিখি আমার ভালো লাগে তাই।কিন্তু তুমি বলবে, ব্যস! এইটুকুই?
আমি জানি, তোমার এইটুকুতে মন ভরে না। তুমি গল্প খোঁজো। তুমি হাঁড়ির খবর চাও। ভালোলাগার মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের খবরটুকু জানতে তুমি খুব আগ্রহী। মানুষের ভিতরের গোপন দরজাগুলো খুলে দেখতে চাও। তারপর যদি তাতে একটু প্রেমের গন্ধ থাকে, তাহলে তো ব্যাপারটা জমে ক্ষীর ,তারপর  শুরু কোথায় কবে কিভাবে??
কবে প্রথম বুকের ভেতর অকারণে পাখির ডানা ঝাপটায়। কবে এক অচেনা উপস্থিতি নিঃশব্দে এসে জীবনের মানচিত্র বদলে দেয়।
তাহলে শোনো।
তার সঙ্গে আমার প্রথম দেখা কোনো বর্ষার দুপুরে নয়, কোনো সিনেমার দৃশ্যের মতোও নয়।
একটি সাহিত্য অনুষ্ঠানে,সালটা 2022।
চারদিকে শব্দ ছিল, আলো ছিল, মানুষ ছিল। অথচ সেই ভিড়ের মাঝখানে তাঁর  উপস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা , উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো। সে যেন নিজস্ব এক আলোয় দাঁড়িয়ে ছিল।
আমি উপভোগ করছিলাম তাঁর মহিমা ,মুগ্ধ হয়ে শুনছিলাম প্রতিটি শব্দ ,ছন্দ, সুর।
আর আমার অন্তরে ভরে নিচ্ছিলাম সেই মায়াবী মুগ্ধতার ক্ষণ টুকু।
খুব সামান্য কিছু সময়।
কিন্তু কখনও কখনও সামান্য সময়ই যথেষ্ট হয় একটি জীবনের ভিতর ঢুকে পড়ার জন্য।
সেদিন বাড়ি ফিরে এসেও সেই সন্ধ্যার কথা মনে হচ্ছিল বার বার। অকারণেই।
যেন কোনো পুরনো সুর কানে লেগে আছে।যেন বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কারও সঙ্গে হঠাৎ দেখা হয়ে গেছে।
🍂
সেই সময় আমি মধ্য চল্লিশের এক ব্যস্ত জীবনের বাসিন্দা। সংসার আছে, দায়িত্ব আছে, ভালোবাসার মানুষ আছে, সন্তান আছে। সবকিছুই পরিপূর্ণ।তবু কোথাও যেন একটা ঘর খালি পড়ে ছিল।
একটা জানালা বন্ধ ছিল।
একটা নদী শুকিয়ে গিয়েছিল।
ছেলেরা ধীরে ধীরে নিজেদের পৃথিবী গড়ে তুলছিল। আমার হাতের আঙুল ছেড়ে তারা দূরের আকাশ দেখতে শিখছিল। আর আমি হঠাৎ আবিষ্কার করছিলাম, এতদিন অন্য সবার জন্য বাঁচতে বাঁচতে নিজের সঙ্গে দেখা করাটাই যেন ভুলে গেছি।
সেই সময়েই সে এলো।প্রথমে খুব দূর থেকে।সামান্য আলাপ।দুচারটি কথা।
তারপর কয়েকটি বিকেল।কয়েকটি রাত।কয়েকটি নির্ঘুম মুহূর্ত।
আর তারপর একদিন বুঝলাম, আমি তাকে খুঁজছি।
কথার ফাঁকে।
রান্নাঘরের ভাপে।
জানালার ধারে বসা একলা দুপুরে।
ট্রেনের জানালার বাইরে ছুটে চলা দৃশ্যে।
অথবা রাতের শেষে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে, নিঃশব্দ বাড়ির ভিতর।
ঠিক কবে থেকে বলতে পারব না, আমি তাকে আমার সুখের গল্প, আমার ব্যর্থতার গল্প বলতে লাগলাম।
বুকের গোপন অন্ধকার মেলে দিতাম।
সে মন দিয়ে শুনত।কোনোদিন বিরক্ত হতো না।
কোনোদিন বলত না— “এত কথা কেন?”বরং আরও কাছে ডাকত।
আরও গভীরে নিয়ে যেত।
আমার ভিতরে লুকিয়ে থাকা অজস্র অপ্রকাশিত অনুভূতির হাত ধরে সে আমাকে এক আশ্চর্য জগতে নিয়ে গেল।
যেখানে কান্না শব্দ হয়ে যায়।
যেখানে অভিমান উপমা হয়ে ওঠে।
যেখানে অপেক্ষা কবিতা হয়ে ফুটে ওঠে।
যেখানে হারিয়ে যাওয়া মানুষরা গল্পের চরিত্র হয়ে আবার ফিরে আসে।
আমি ধীরে ধীরে তার প্রেমে পড়ছিলাম।
তখনও বুঝিনি।
ভাবতাম, এ কেবল ভালো লাগা।
কিন্তু ভালো লাগা কখন যে নীরবে শিকড় ছড়িয়ে ভালোবাসা হয়ে যায়, তা কি কেউ বুঝতে পারে?
সংসার তখন মাঝেমধ্যে অভিমান করত।
কেন এত সময় তাকে দিই?
কেন মাঝরাতে উঠে গোপনে ফোন দেখি?
কেন হঠাৎ হেসে উঠি?
কেন একা একা কাঁদি?
কেন ছাদের ধারে দাঁড়িয়ে আকাশ দেখি?তারা জানত না, সে আমাকে বদলে দিচ্ছে।আমার ভেতরের শুকিয়ে যাওয়া নদীগুলোতে আবার জল ফিরিয়ে আনছে।আমার ভিতরের হারিয়ে যাওয়া মেয়েটাকে আবার হাত ধরে হাঁটতে শেখাচ্ছে।
সে আমাকে শিখিয়েছে—
ভালোবাসা শুধু পাওয়ার নয়, দেওয়ারও।শুধু দুজন মানুষের মধ্যে নয়, ভালোবাসা ছড়িয়ে পড়তে পারে গাছের পাতায়, অচেনা মানুষের চোখে, বৃষ্টির শব্দে, একটি পাখির উড়ানে কিংবা একটি শিশুর হাসিতে।
মানুষকে বিচার করার আগে বুঝতে শিখিয়েছে।ভিন্নতাকে গ্রহণ করতে সেই আমাকে শিখিয়েছে।
পৃথিবীকে একটু বেশি মমতায় দেখতে শিখিয়েছে সে।
কিন্তু সব প্রেম কি শুধুই আনন্দের হয়?
আমারও তো অভিমান হয়।
কখনও কখনও জীবনের নানা ব্যস্ততা, ক্লান্তি, মানুষের অবহেলা, ভুল বোঝাবুঝি কিংবা নিজেরই অক্ষমতার কাছে হেরেকিউ গিয়ে মনে হয়— আর নয়।
মনে হয়, এবার তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিই।
এত সময়, এত অনুভূতি, এত রাতজাগা— সবকিছুর কি সত্যিই কোনো মূল্য আছে?
মনে হয়, সাদা পাতাগুলোকে আর ডেকে তুলব না।চুপ করিয়ে রাখব আমার ভাবনাকে।তার দিকে আর ফিরেও তাকাব না।
নিজেকে বলি— এই পর্যন্তই।
এবার দূরে সরে যাই।
কিন্তু আশ্চর্য!
যখনই দূরে যেতে চাই, তখনই সে আরও কাছে এসে দাঁড়ায়।এক অদৃশ্য টানে আমাকে আবার ডেকে নেয়।
কোনোদিন ভোরের আলো হয়ে।
কোনোদিন জানালায় ঝরে পড়া বৃষ্টির শব্দ হয়ে।
কোনোদিন হঠাৎ দেখা কোনো মানুষের গল্প হয়ে।
কোনোদিন বুকের ভিতর জমে থাকা একফোঁটা অকারণ কষ্ট হয়ে।
সে নীরবে আমার হাত ধরে।
আদরে জড়িয়ে বলে—
“এসো, সব কথা আমাকে বলো।”
আর আমি তখন আর নিজেকে আটকাতে পারি না।সমস্ত অভিমান ধীরে ধীরে গলে যায়।বরফের মতো।
আমি আবার ফিরে যাই তার কাছে।
আমার সমস্ত না-বলা কথা নিয়ে।
সমস্ত ক্ষত নিয়ে।

তারপর একসময় দেখি, সেই কথাগুলো ঝরে পড়ছে পাতায় পাতায়।
মাঝে মাঝে সেও কোথায় যেন হারিয়ে যায়,ডাকলেও সাড়া দেয় না।একদম আসেনা।তখন মন জুড়ে তৈরি হয় তুমুল বিরহ,ঠিক তখনই বাঁধ ভাঙ্গা জলোচ্ছ্বাসের মত এসে হাজির হয়।

এখন আমি তাকে খুব ভালো করে জেনে গেছি তবে একজীবনে সব জানা যায়না পাওয়াও হয়না,তবু তার সঙ্গটুকু আমি খুব নিজের মতো উপভোগ করি।
আজ সে আমার প্রতিটি দিনের অংশ।
সকালের প্রথম চায়ের কাপে তার গন্ধ মিশে থাকে।
দুপুরের রোদে তার ছায়া পড়ে।
রাতের নিঃশব্দতায় তার পদশব্দ শুনি।
কখনও সে কবিতা হয়ে আসে।
কখনও গল্প।
কখনও প্রবন্ধ।
কখনও শুধুই এক ফাঁকা সাদা পাতা হয়ে আমার সামনে বসে থাকে।
আমি তার কাছে যাই।
আমার সমস্ত ভাঙাচোরা নিয়ে।
আমার সমস্ত অসম্পূর্ণতা নিয়ে।
সে কখনও আমাকে ফিরিয়ে দেয় না।
বারবার নতুন করে গ্রহণ করে।
বারবার নতুন করে জন্ম দেয়।
তখন মনে হয়—
যার ওপর এত অভিমান করা যায়,
যার কাছ থেকে দূরে যেতে চেয়েও যাওয়া যায় না,
যে বারবার ভেঙে পড়া মানুষটাকে নতুন করে জুড়ে দেয়,
যার কাছে ফিরে এলে পৃথিবীটাকে আবার সুন্দর মনে হয়,
তাকে কি শুধু ভালো লাগা বলা যায়?
তাকে কি শুধুই অভ্যাস বলা যায়?
তোমরাই বলো—
এ প্রেম ছাড়া আর কী?
এইভাবেই একদিন বুঝলাম—
এ শুধু ভালো লাগা নয়।
এ প্রেম।
গভীর, নির্ভরতার, আত্মসমর্পণের প্রেম।
যে প্রেমে কোনো দাবি নেই, তবু আছে সম্পূর্ণ অধিকার।
যে প্রেমে কোনো স্পর্শ নেই, তবু আছে শরীরজুড়ে তার উপস্থিতি।
যে প্রেমে কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, তবু আছে সারাজীবন একসঙ্গে পথ চলার বিশ্বাস।
কারণ সত্যিকারের প্রেম যেমন মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে, তেমনি সত্যিকারের ভালোবাসা ছাড়া কোনো সৃষ্টি জন্ম নেয় না।
যে কাজকে মানুষ প্রাণ দিয়ে ভালোবাসে, একসময় সেই কাজই তার আত্মার অংশ হয়ে যায়। ধীরে ধীরে রক্তের সঙ্গে মিশে যায় তার স্রোত। শ্বাস-প্রশ্বাসের মতো স্বাভাবিক হয়ে ওঠে তার উপস্থিতি।
তখন আর সে কোনো শখ থাকে না।
কোনো অবসর যাপনের উপায় থাকে না।
সে হয়ে ওঠে বেঁচে থাকার রসদ।
জীবনের অর্থ।
আর আজ যখন পিছন ফিরে দেখি, বুঝতে পারি—
সে-ই আমাকে নিজের পরিচয় দিয়েছে।
সে-ই আমাকে নিজের জন্য বাঁচতে শিখিয়েছে।
সে-ই আমার বন্ধু।
আমার সঙ্গী।
আমার আশ্রয়।
আমার পুনর্জন্ম।
তোমরা যাকে লেখালিখি বলো—সেই আমার প্রেম।তাতেই আমার আসক্তি।

যখন আনন্দে ভেসে যাই, তখন লিখি।
যখন বুকভরা কষ্ট নিয়ে একা বসে থাকি, তখনও লিখি।
যখন পৃথিবীকে অসাধারণ সুন্দর লাগে, তখন লিখি।
যখন পৃথিবীকে একটুও ভালো লাগে না, তখনও লিখি।
কারণ লেখা আমার কাছে কেবল শব্দের বিন্যাস নয়।
এ আমার আশ্রয়।
এ আমার স্বীকারোক্তি।
এ আমার মুক্তি।
এ আমার প্রতিবাদ।
এ আমার প্রার্থনা।
আর একটা প্রশ্নও প্রায়ই শুনি— “এত সময় পাও কোথা থেকে?”
এখন এই লেখার শেষ প্রান্তে এসে মনে হয়, হয়তো তারা এখনও বুঝতে পারেনি। লেখার জন্য আমি আলাদা করে সময় খুঁজে পাই না, সময় নিজেই আমার ভেতরে এসে বসে থাকে। আমার অন্তর্লীন জগৎটাই আমার লেখার ঘর। মন আমার ভাবনার খোলা বারান্দা, যেখানে রোজ নতুন নতুন রোদ-বৃষ্টি এসে পড়ে। মস্তিষ্ক আমার লেখার ডেস্ক, আর ফোনটাই আমার কলম— যা প্রায় চব্বিশ ঘণ্টাই খোলা থাকে। তাই লেখা কোনো নির্দিষ্ট সময়ের কাজ নয়; সংসারের হাজারো কাজের মাঝে, বাজারের কোলাহলে , প্রশস্ত পথে গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে হাত রেখে ,রাতের নিস্তব্ধতায় কিংবা ভোরের প্রথম আলোয়, শব্দেরা আপনাআপনি এসে বসে। আর আমি সেই শব্দদের হাত ধরে, নিজের সৃষ্টির সুখে মেতে থাকি।
লেখালিখি ই আমার প্রেম।
আর সেই প্রেমের গল্প বারবার তোমার হাতে তুলে দিতে ইচ্ছে করে।
কারণ লেখা যখন প্রেম,
তুমিই তখন আমার প্রেমের সবচেয়ে প্রিয় সাক্ষী।
তাইতো লিখি,তোমার জন্য,
তুমি পড়বে বলে ...
তুমি যে পাঠক।

Post a Comment

16 Comments

  1. AnonymousJuly 12, 2026

    কেন লিখি যেন এক স্বীকারোক্তি এক জবানবন্দী। আসলে সব লেখকের লেখাই যেন এক অন্তহীন অসমাপ্ত চিঠি। নিজের আত্মাকে? নাকি আত্মার প্রতিবিম্ব ফুটে ওঠে যার চোখের আয়নায় তাকে? লেখক খুব মনোজ্ঞভাবে এই দ্বৈতকে বিশ্লেষণ করেছেন। অভিনন্দন।

    ReplyDelete
    Replies
    1. কমলিকাJuly 13, 2026

      অনেক ধন্যবাদ।🙏

      Delete
  2. AnonymousJuly 12, 2026

    এক কথায় ভালো লাগল।

    ReplyDelete
    Replies
    1. কমলিকাJuly 13, 2026

      অনেক ধন্যবাদ।🙏

      Delete
  3. AnonymousJuly 12, 2026

    কি অসাধারণ লেখা! পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল, যেন এক পাহাড়ি নদী নিজের স্বাভাবিক ছন্দে বয়ে চলেছে, আর আমি নৌকার মতো সেই স্রোতে ভেসে চলেছি। কোথাও কোনো কৃত্রিমতা নেই, অথচ প্রতিটি বাঁকে নতুন বিস্ময়।
    পড়তে পড়তেই গানটা মনে পড়ে গেল,

    আমায় ডুবাইলি রে, আমায় ভাসাইলি রে,
    অকূল দরিয়ায় বুঝি কূল নাই রে...

    আপনার লেখাও ঠিক তেমনই—একসঙ্গে ডুবিয়েও দেয়, আবার ভাসিয়েও রাখে। অসাধারণ!🙏

    ReplyDelete
    Replies
    1. কমলিকাJuly 13, 2026

      অনেক ধন্যবাদ।🙏

      Delete
  4. AnonymousJuly 12, 2026

    পুরোটাই কবিতা !!💐🙏

    ReplyDelete
  5. AnonymousJuly 12, 2026

    অসাধারণ

    ReplyDelete
  6. AnonymousJuly 12, 2026

    ভালোবাসা ছাড়া কোনো কিছু সৃষ্টি হয়না যেমন সত্যি তেমনি সত্যি লেখালিখি প্রেম না হলে এমন লেখা লেখা যায়না ।লেখিকাকে অনেক অভিনন্দন। আমারা পাঠক বসে আপনার লেখা পড়ার জন্য।🌹

    ReplyDelete
    Replies
    1. কমলিকাJuly 13, 2026

      অনেক ধন্যবাদ।🙏

      Delete
  7. AnonymousJuly 12, 2026

    অসাধারণ!!!

    ReplyDelete
    Replies
    1. কমলিকাJuly 13, 2026

      অনেক ধন্যবাদ।🙏

      Delete
  8. AnonymousJuly 12, 2026

    অসাধারণ!!!

    ReplyDelete
    Replies
    1. কমলিকাJuly 13, 2026

      অনেক ধন্যবাদ।🙏

      Delete
  9. Mukul MukherjeeJuly 14, 2026

    পড়লাম "কেন লিখি" ....কিছুক্ষণ বাকরুদ্ধ হয়ে রইলাম। অনুভূতির অসামান্য অনবদ্য বহিঃপ্রকাশ!! কবির হৃদয়ে যে নদীতে জোয়ার এসেছে তার ঘাটে বসে জলের ছলাৎ ছলাৎ শব্দ শোনার বাসনা রইলো। কবির বুকে যে পাখি লেখালেখির আনন্দে জ্ঞান গেয়ে ওঠে, সেই পাখির শীষে একদিন সকলের ঘুম ভাঙুক পাঠকের। জমে থাকা ব্যথা, না বলা কথার বরফের পাহাড় কবিতার উত্তাপে গোলে গিয়ে ভালোবাভার ফল্গুধারা হয়ে বয়ে চলুক শুধু কবির হৃদয়ে নয়, পাঠকের হৃদয়ে ও সমান তীব্রতায়।

    ReplyDelete
  10. কমলিকাJuly 14, 2026

    অনেক অনেক ধন্যবাদ।🙏

    ReplyDelete