Posts

Showing posts from 2022

বিমান কুমার মৈত্র-র দুটি কবিতা

Image
বিমান কুমার মৈত্র-র দুটি কবিতা  খুঁটি পূজা এক হৃদয় বিষন্নতা নিয়ে ছেঁড়াখোঁড়া বাতাস প্রায়ই আমার অপটু হাতের  অক্ষর বিক্রিয়া কে নষ্ট করে  অক্ষরের আকন্ঠ পিপাসা সকালে ফুল ফোঁটার শব্দের প্রতি দায়বদ্ধতা আমার দিকে  ক্ষুদার্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে কলম চোখের জল ফেলে অথচ সূর্য সংসারের দায়বদ্ধতা নিয়ে মেঘ আর প্রতিকূল বাতাসের বিপরীতে আকাশগঙ্গায় সাঁতার কেটে চলেছে কাল বাদ পরশুই তো  নতুন বছর।  উৎকৃষ্ট উপাদান উৎকৃষ্ট মানের কবিতা লিখতে গেলে -- একজন প্রথিতযশা আমায় বললেন আগে কবিতাকে পথে বসাতে হবে গবেষণা করে দেখা গেল প্রেম দেহতত্ব সৃষ্টিতত্ত্ব আর রিপু আদিই মানবজীবনে কাব্যাদি সাহিত্যের অন্যতম উৎকৃষ্ট উপাদান  সুতরাং আমি কবিতা বিষয়ক কিছু প্রখ্যাত উক্তির সচিত্রিত সারাৎসার বাল্মিকীর ক্রৌঞ্চ মিথুন থেকে দ্বাপরে কৃষ্ণ বাসুদেবের মহাভারত  পর্য্যন্ত একটি উঁচু প্যাঁচালো দ্বিমুখী সিঁড়ির মাথা থেকে মূলাধার পর্য্যন্ত  হিমালয়ের পাদদেশে টাঙিয়ে দিলাম  আপনি অবশ্য দেবাদিদেবের স্থান মাহাত্ম্য সমৃদ্ধ যে কোন স্থানই নির্বাচন করতে পারেন এ ব্যাপারে তাঁর সাধনাস্থলগুলিতে স্বর্গ মর্ত্যের সমস্ত ধরনের ঋদ্ধ পাঠক পাবেন

যেতে যেতে পথে -৫২/রোশেনারা খান

Image
যেতে যেতে পথে রোশেনারা খান পর্ব ৫২ মেয়েরা তো অনেক দূরে থাকে, চাইলেও দেখা করতে পারি না। তাই বকুল বাড়ি এলে ছাড়তে ইচ্ছে করে না। ওর পছন্দমত খাবার বানানোর চেষ্টা করি।সবার হাতের রান্না শুধু নয়, খেতে দেওয়াও পছন্দ হয় না। মায়ের ছাড়া নানি আর মাসির খেতে দেওয়া পছন্দ করে। খাওয়ার সময় কোন কথা বলা চলবে না।  একবারেই বেশি করে খাবার দিতে হবে। কিছু নেবে কিনা ,বা এটা খাসনি কেন? জিজ্ঞেস করা যাবে না। টেবিল চেয়ারে নয়,  মেঝেতে বসে খেতে  খেতে বই পড়ার অভ্যাসটা ছোটবেলা থেকেই। ওর সব কথা মায়ের সঙ্গে। একসাথে খাওয়া, গল্প করা, ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা, এসবে বাপিকে নিত না। তাঁকে বরাবরই এড়িয়ে চলে। দুজনের মধ্যে খুব কম কথা হয়। আমার তো মনে হয় প্রায় সব পরিবারেই ছেলেরা এরকমই হয়। মেয়েরা ঠিক এর উল্টো, তারা বাবার ভক্ত হয়। তার মানে এই নয়, যে বাবারা ছেলেকে কম ভাল বাসেন। কাঁথিতে থাকাকালে একটি বেশ সুখি পরিবারকে দেখেছিলাম, আলাপও হয়েছিল। ওঁদের বাড়ি মেদিনীপুর শহরে। কাঁথিতে একটি খেলার সরঞ্জামের দোকান চালাতেন। দোকানে খুব একটা বসতেন না, বিভিন্ন স্কুল-কলেজে খেলার জিনিসপত্র সাপ্লাই দিতে। স্বামী-স্ত্রী ও এক ছেলেকে নিয়ে সুখের সংসার। ও

আমি আমার মতো /পর্ব ৭ /সুকন্যা সাহা

Image
আমি আমার মতো পর্ব ৭ সুকন্যা সাহা  দিদার আলো "বাবু মশাই জিন্দেগী লম্বী নেহী বড়ী হোনী চাহিয়ে..."কোথা থেকে যে শুরু করব দিদার কথা জানি না ... সম্পর্কে ছিলেন মায়ের কাকিমা; কখন যে দিদা থেকে মা হয়ে  গেছেন  বুঝতেও পারি নি ... অসম্ভব ভালো একজন মানুষ, মানুষকে ভালোবাসা আর যত্ন যে কি হতে পারে তার প্রথম পাঠ শিখেছি দিদার কাছে ...মানুষকে ভালোবাসার ক্ষেত্রে কোনোদিন আত্ম -পর  জ্ঞান করেননি। অপত্য স্নেহে  ভালোবেসেছেন সবাইকে ; নিজে অসুস্থ তাও ফোনে রেখেছেন যোগা্যোগ ... বার বার খোঁজ নিতেন কে  কেমন আছে ... নিজে  গিয়ে   দেখতে না পারার আক্ষেপ ঝরে পড়ত ফোনে ... কখনও বড় করে দেখেন নি নিজের কষ্ট ... নিজের শত অসুবিধাতেও কেউ বঞ্চিত হয় নিতার স্নেহচ্ছায়া থেকে ...  দাদু দিদার আদর ভালোবাসা যত্ন আত্তিতে   ছোটোবেলাটা আলো হয়েছিল , সল্টলেকের  ওই বাড়ি আর দাদু দিদা আমার কাছে ছিলেন সমার্থক ।কখনও দাদু দিদাকে  আলাদা সত্তা বলে ভাবিনি ... মা যতদিন ছিলেন  দিদাকে  এক রকম ভাবে   দেখেছি মা চলে যাওয়ার  পর  দিদা যেন আরো কাছাকাছি এসে গিয়েছিল , তিন বছর  আগে  এক জন্মদিনে  যখন জানালাম যাব তোমায় প্রণাম করতে ; তখনও ভাবি ন

শেখ আবু জাফর (ছড়া কাটা ফকির, ভিক্ষাজীবী, ডঙ্গলসা, পশ্চিম মেদিনীপুর)/ ভাস্করব্রত পতি

Image
মেদিনীপুরের মানুষ রতন, পর্ব -- ৩৪ শেখ আবু জাফর (ছড়া কাটা ফকির, ভিক্ষাজীবী, ডঙ্গলসা, পশ্চিম মেদিনীপুর) ভাস্করব্রত পতি "বাপ হল আজ গরুর রাখাল, বাড়ির কর্তা বউ ব্যাটা! শিশুর মতো শুনতে হবে, আদেশ তারা করবে যেটা"!! সমাজের অতিবাস্তব বিষয়কেই স্থান দিয়েছেন নিজের ছড়ায়। চলতে ফিরতে নিজের চোখে দেখা এমন হাজার বিষয় মনের মাধুরিমা মিশিয়ে যিনি ছড়া কাটেন তিনি 'ছড়া ফকির'। আসল নাম শেখ আবু জাফর। কিন্তু কেউই জানেনা সেই আসল পরিচয়। মেদিনীপুরের গ্রাম গ্রামান্তরে ঘুরে ঘুরে তিনি ছড়া শোনান। লোকজনের মনোরঞ্জন করেন। আসলে তিনি পেশায় একজন ভিক্ষাজীবী মানুষ। নিতান্ত গরিব এই ভিখিরির সম্বল বলতে মুখের অবিশ্রান্ত ছড়া। কতকগুলো 'ইসলামিয়া বাগিচার ফুল', 'ফুলবাগিচা' বই থেকে নেওয়া। বেশিরভাগই অবশ্য নিজের মনের অন্দরমহল থেকে তুলে আনা। আপন মনের মাধুরী মিশিয়ে অসংখ্য ছড়ার জন্ম দেওয়াই তাঁর জলভাত ব্যাপার। ভিক্ষাই তাঁর পেশা। কিন্তু সেই ভিক্ষাজীবী মানুষটি কখন নিজের অজান্তেই হয়ে উঠেছেন লোকশিল্পী তাঁর খোঁজ রাখার জন্য কেউই নেই। পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলা থানার ডঙ্গলসা গ্রামে বাড়ি।

টুসু পরব: জঙ্গলমহলের জাতীয় উৎসব /সূর্যকান্ত মাহাতো

Image
জঙ্গলমহলের জীবন ও প্রকৃতি পর্ব - ৫১ টুসু পরব: জঙ্গলমহলের জাতীয় উৎসব সূর্যকান্ত মাহাতো "টুসু উৎসব বা মকরের কাছে শারদ উৎসবের প্রাণচাঞ্চল্যও অনেকখানি ম্লান। এমনটাই মনে করেন "ঝাড়খণ্ডের লোকসাহিত্য" গ্রন্থের লেখক বঙ্কিমচন্দ্র মাহাত। তিনি এই উৎসবকে "জাতীয় উৎসব" বলেও উল্লেখ করেছেন। বঙ্কিমবাবুর কথা যে কতখানি সত্য সেটা সন্তোষ রাণার কথা থেকেই স্পষ্ট হওয়া যায়।" শিক্ষক মশাই বললেন, "কোন সন্তোষ রাণা? নকশাল বাড়ি গণ অভ্যুত্থানের কর্মী সেই সন্তোষ রাণা? ২০১৮ সালে যিনি 'আনন্দ পুরস্কার' পেয়েছিলেন!" বললাম, "হ্যাঁ। উনি এই জঙ্গলমহলেরই ভূমিপুত্র। "রাজনীতির এক জীবন" গ্রন্থ লিখে ২০১৮ সালে 'আনন্দ পুরস্কার' লাভ করেন। জঙ্গলমহলে মকরের উন্মাদনা যে কতখানি সেই প্রসঙ্গে ঐ গ্রন্থে তিনি বলেছেন, "কলকাতায় দুর্গাপূজায় যেমন ষষ্ঠীর দিন থেকে শুরু করে একাদশী দ্বাদশী পর্যন্ত লোকেরা সব কাজকর্ম ছেড়ে পূজা ও উৎসব নিয়ে মেতে থাকেন, তেমনি এই এলাকার (ধরমপুর) লোকজন মকরের সময় সাত দিন মকর স্নান, মাংস খাওয়া, পিঠে পুলি খাওয়া, নতুন কাপড় পরা, ম

দূর দেশের লোক গল্প – ইউরোপ (শ্লোভাকিয়া)অন্যায়ের চেয়ে ন্যায় অনেক বড় /চিন্ময় দাশ

Image
দূর দেশের লোক গল্প – ইউরোপ (শ্লোভাকিয়া) অন্যায়ের চেয়ে ন্যায় অনেক বড় চিন্ময় দাশ এক ধনী লোকের দুই ছেলে। বড়ছেলেটি   যেমন বদমেজাজী, তেমনি লোভী। স্বভাবেও ভারি অসৎ ছেলেটা। অন্যের জিনিষ হাতিয়ে নেওয়া ছাড়া, মাথায় আর কিছু ভাবনা নাই তার। ছোট ছেলেটি কিন্তু একেবারেই বিপরীত চরিত্রের। যেমন সাধাসিধে, তেমনি দয়ালু। অন্যকে ঠকিয়ে বা চুরি করে নেওয়া তার স্বভাবে নাই। সেজন্য বড়ভাইটা তাকে বোকার বেহদ্দ বলে টিটকিরি দেয়। দেখতে দেখতে ছেলে দুটো বড় হোল। তাদের বাবাও মারা গেল একদিন। মরবার আগে বলে গেল—যা কিছু ধন-সম্পত্তি রইল, দুই ছেলেই ভাগ-বাঁটোয়ারা করে নেবে। সমান সমান ভাগ হবে দুজনের।  যত্তোসব বেয়াক্কেলে ব্যাপার! বড় ছেলেটা বলল—সব সম্পত্তি তো দুদিনেই উড়িয়ে দেবে এই হতভাগা। দুনিয়ার যেখানে যত ভিখিরি আছে, সব এসে হাজির হবে। আর মুঠো মুঠো টাকা বিলাতে থাকবে বোকাটা। চোখের পলক না ফেলতে, লোপাট হয়ে যাবে বাবার সব সম্পত্তি। এটা হতে দেওয়া যাবে না। কোন মতেই না। নিজেই ঠিক করে নিল বড়ছেলেটা-- ওকে আমি একটা ঘোড়া আর তিনটে সোনার মোহর দেব কেবল। তার বেশি একটা কানাকড়িও পাবে না আমার কাছ থেকে। দিয়ে বলব, বেরিয়ে যা এখান থেকে। ব্যাস। আর য

ক্যুইজ-৩১/ সাগর মাহাত

Image
ক্যুইজ-৩১/ সাগর মাহাত ১. ইন্ডাস্ট্রিয়াল পেপার অন্য যে নামে পরিচিত— বাণিজ্যিকপত্র কর্পোরেট ফিনান্স পেপার সবকটি ২. বন্ধন ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়— ২০১৫ খ্রি. ২০১৩ খ্রি. ২০১৪ খ্রি. ২০১২ খ্রি. ৩. ভারতে T-Bill ইস্যু যত প্রকার— ৩ প্রকার ৪ প্রকার ৬ প্রকার ৭ প্রকার ৪. টোলকর আর জলকর আদায় করে— পঞ্চায়েত Bank BDO পৌরসভা ৫. Broad Money বলতে বোঝায়— N1 S4 M3 O2 ৬. ব্যাংকের সাথে যুক্ত কমিটি হল— নরসিমহার কমিটি গ্রামীন কমিটি নরসিংহ কমিটি S কমিটি ৭. নিম্মলিখিত যে ব্যাঙ্কের নামের মধ্যে একটি নদীর নাম লুকিয়ে আছে— SBI VCG PNB PB ৮. 'Prudential' শব্দটি যার সঙ্গে যুক্ত— শিল্পের সাথে Amount এর সাথে চলচ্চিত্রের সঙ্গে Bank এর সাথে ৯. 'Credit Card' কীসের উদাহরণ— WB para banking activities para banking সবকটি ১০. এম.এস. স্বামীনাথন যে বিপ্লবের সঙ্গে যুক্ত ছিল— সবুজ লাল নীল শান্তি ১১. পাট উৎপাদনে ভারতের প্রথম স্থানে থাকা রাজ্যটি হল— গুজরাট মুম্বাই পশ্চিমবঙ্গ ত্রিপুরা ১২. নিম্মলিখিত যে কৃষি খাদ্য উৎপাদনে ভারতের প্রথম স্থান অধিকার করেছে— ধান গম সরিষা ভুট্টা ১৩. মৎস উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত— লাল বিপ্ল

শ্রীরামকৃষ্ণের সন্ন্যাসী সন্তানেরা-৫৬ / প্রীতম সেনগুপ্ত

Image
পর্ব ৫৬ শ্রীরামকৃষ্ণের সন্ন্যাসী সন্তানেরা প্রীতম সেনগুপ্ত বিজ্ঞানানন্দজী বেলুড় মঠকে অতীব পবিত্র স্থান বলে বিবেচনা করতেন। শ্রীশ্রীমা ও ঠাকুরের ষোলজন অন্তরঙ্গ সন্ন্যাসী পার্ষদদের পূতস্পর্শে ধন্য এই মঠ। একবার তিনি বলেন -- “মা অন্নপূর্ণা বেলুড় মঠে চির বিরাজমানা। এটি ভিক্ষু সন্ন্যাসীদের আবাসস্থল যাদের কাছে কোনও অর্থ সম্পদ নেই। কিন্তু মানুষ খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সব জিনিসই এখানে নিয়ে আসেন। মায়ের কৃপায় মঠের ভাণ্ডার সবসময়ই পরিপূর্ণ থাকে। বেলুড় মঠে অবস্থান করে কেউ যদি আন্তরিকভাবে জপ ও ধ্যানাভ্যাসের ভিতর দিয়ে সময় অতিবাহিত করে তবে নিশ্চিতভাবে সে অমূল্য আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা অর্জন করবে।” ১৯৩৭ সালে রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের তৃতীয় সঙ্ঘাধ্যক্ষ স্বামী অখণ্ডানন্দ দেহত্যাগ করেন, চতুর্থ সঙ্ঘগুরুর পদে আসীন হন বিজ্ঞানানন্দজী মহারাজ।  স্বামী বিবেকানন্দের একান্ত বাসনা ছিল বেলুড় মঠে মন্দির নির্মাণান্তে সেখানে শ্রীরামকৃষ্ণের মূর্তি স্থাপন। সেই মন্দির হবে স্থাপত্য ও ভাবে অনন্য, যা যুগ যুগ ধরে মানবমনে বিস্ময় ও অনুপ্রেরণার উদ্রেক করবে। স্বামীজী প্রকল্পিত এই মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন দ্বিতীয় সঙ্ঘগুরু

ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা ১১৪

Image
ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা ১১৪ সম্পাদকীয়, আজ বড়োদিন। আজ চড়ুইভাতির দিন। তোমাদের বন্ধু শতভিষা বলেছে ডিসেম্বর বনভোজনের মাস। ঠিকই তো, যাহাই চড়ুইভাতি, আর এক অর্থে তাহাই বনভোজন। শুধু কি তুমি আমি ঐদেখ গাছে বসে পাখিটাও আমাদের মতো তার বাসায় বসে ছানাদের সঙ্গে খাওয়া দাওয়া করছে। সেই ছবি উপহার দিয়েছে নীলাব্জ আঙ্কেল। বড়োদিন শুধু চড়ুইভাতির দিন নয়, বড়োদিনের সকাল হতেই তোমরা নিশ্চয়ই সান্টাক্লজের দেওয়া উপহার নিয়েও মেতে উঠেছো? বড়োদিন মানে আরো আরো আরো মজার দিন। রূপা আন্টির ছড়ায় তোমরা আজকের দিনের মজা পড়ে নাও। উপহারের কথায় মনে পড়ে গেল, মিনুর কথা। মিনুর চাই রঙীন ছাতা। মিনু কে? জানতে হলে পড়ে নাও জয়ন্তী পিসির গল্প। জয়াবতীর খবরাখবর নিতে হলে ধারাবাহিক উপন্যাসটি পড়তে হবেই। বড়োদিনের উপহার স্বরূপ তিন খুদে বন্ধুর আঁকা রইল। বড়োদিনের কথাবড়ো সুন্দর করে বলেছে বানীয়া দিদি। আর তোমাদের পাঠ প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রইলাম।   - মৌসুমী ঘোষ। ধারাবাহিক উপন্যাস জয়াবতীর জয়যাত্রা পর্ব ৩৯ তৃষ্ণা বসাক ৪৩ পুজোর দিনগুলো স্বপ্নের মতো কেটে যাচ্ছিল। মায়েরও খুব ফুরফুরে লাগছিল নিশ্চয়। কারণ সপ্তমী থেকে দশমী- সারা গাঁয়েরই জমিদা

খ্রিষ্টোৎসব /ভাস্করব্রত পতি

Image
পশ্চিমবঙ্গের লৌকিক উৎসব, পর্ব - ৫২ খ্রিষ্টোৎসব ভাস্করব্রত পতি  বাঙালির নিজস্ব ঘরানাকে মিশ্রিত করে প্রভু যীশুকে নিয়ে পৃথক এক লৌকিক উৎসবে মেতে ওঠে বিশ্বকাপের নায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোদের দেশের বংশধরগণ। সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপের গন্ধ এখনও যায়নি এঁদের মন থেকে। মেসি, মার্টিনেজ, এমবাপে, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোদের লড়াই শেষ হলো সবেমাত্র। এতোদিন রোনাল্ডোদের হয়ে গলা কাঁপানো সেই বাঙালি পর্তুগীজরা আজ গাইবে প্রভু যীশুর বন্দনা গান। যে উৎসবে খ্রীষ্টান লোকাচারের পাশাপাশি মিশে গিয়েছে বাংলার লৌকিকতা। বাঙালির আবেগ, সৌন্দর্য এবং দিনযাপনের খুঁটিনাটি। এক অনন্য লৌকিক উৎসব খ্রীষ্টোৎসবে মেতে ওঠেন পূর্ব মেদিনীপুরের মীরপুরের বাঙালি পর্তুগীজ মানুষজন। মীরপুরের খ্রীষ্টোৎসবে উত্তাল হয় বড়দিনের দিন। উৎসব চলে ১ লা জানুয়ারি পর্যন্ত। সাড়ম্বরে পালিত হয় প্রভু যীশুর জন্মদিন। সেদিন এখানকার প্রতিটি খ্রীষ্টান পরিবারে যীশুর মূর্তি সেজে ওঠে। আর উৎসবের ৮ দিনই এখানকার খ্রীষ্টানরা খোল নিয়ে নগর কীর্তন করতে বের হন। প্রতি বাড়ি বাড়ি যাওয়া হয়। যিনি প্রথম এই কীর্তন দল চালু করেন তাঁর নাম হল রবিনসন তেসরা। তাই বড়দ