Posts

Showing posts from January, 2022

আমি সূর্যের কাছে যাব /পলাশ বন্দ্যোপাধ্যায়

Image
আমি সূর্যের কাছে যাব পলাশ বন্দ্যোপাধ্যায় আমার কিছু যায় আসেনা অন্যরকম ভাবও যদি। আজ জানি, মোহনার  আশায় দিব্যি বাঁচে স্বপ্ন-নদী। যে তাপের কোনও অনুবাদ হয় না তাকে সূর্য বলে। যে বিক্রিয়ার কোনও অনুঘটক হয় না তাকে বলে সূর্যের আলো। আমি অনুবাদকের অর্থহীন অনুভূতি না হয়ে,  তাই সূর্যের কাছে যাব। যদি সে বলে, আমিই আমার অনুবাদক, তাহলে নিজেকে পোড়াবো সে তাপে। আমি আলোর কাছে যাব। আমি সূর্যের কাছে যাব। পৃথিবীর চারদিকে শ্যাওলা। শ্যাওলার চারদিকে পাঁক। পাঁকেদের চারদিকে আলেয়ার জোনাকিরা কানাঘুষো জ্যোৎস্না ছড়াক। জ্যোৎস্নাতে অশোকের বন। তাতে বসে শপথের সীতা। ভুলে গেছে রাম তার কে ছিল আদতে সে কি স্বামী, ভূস্বামী নাকি পিতা? আমাদের রোজ খাওয়া রুটি। আমাদের তৃষ্ণার জল। সূর্যের তাপ থেকে দূষিত কনাকে মেরে পুণ্য'কে মানে সম্বল। নাভিকুণ্ডের ছেঁড়া নালী। যেখানে মায়ের সেই ছোঁয়া। ঝাপসা স্মৃতির ভিড়ে বন্দিনী হয় তাতে প্রাণহীন হতাশার ধোঁয়া। এ সবের থেকে মুক্তি পেতে চাই। 'মুক্তি তোমার সহজ নয়।' তা বলে, সূর্য আমার মুক্তি খোঁজার বেলা অজ্ঞাতবাস অন্তরালে চলে। অন্তরালে অনেকগুলো ঘর। ঘরের বাইরে পরদা দেওয়া নদী। নদীর বুকে আস

কবিতা অ্যাভিনিউ/পর্ব-৫/বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায়

Image
  কবিতা অ্যাভিনিউ বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায় পর্ব -৫ “কোথাও আরম্ভ নেই, শেষ নেই।  তবু মানুষের দেশে ঢেউ মানুষেরা কুলোর বাতাস নাড়িয়ে নাড়িয়ে তোলে”  আবহমান সময়ের প্রবাহে যে ঢেউ কুলোর বাতাস দিয়ে নাড়িয়ে নাড়িয়ে তুলে যান কেউ কেউ, কতদূর তা যেতে পারে এই ক্ষণজীবনের মহিমায়? না  কি তা উত্তরকালের দুষ্প্রবেশ্যতাকে ভেদ করে রেখে যায় মহাজীবনের অনুভবরঞ্জিত জাগরুকতা? অবশ্যই রেখে যায় এবং রেখে যায় বলেই মণীন্দ্র গুপ্ত অনায়াসে বলতে পারেন – “ উৎকৃষ্ট কবিতার দুর্মর জীবনীশক্তি অনেকটা যেন বিশুষ্ক পদ্মবীজের মতো,যা হাজার হাজার  বছর পরেও অনুকূল ক্ষেত্রে পুঁতলে আবার বেঁচে ওঠে,  ফুল ফোটায়”। এই ঋজুতা নিয়েই এক গভীর প্রত্যয়ে লিখে যান প্রতিবিম্বিত পৃথিবীর ভাষা। যে ভাষায় জড়বস্তুর মধ্যেও সঞ্চারিত হয় প্রাণের স্পন্দন।ফলে তা শুধু সমকাল নয় সমকালকে অতিক্রম করে হয়ে ওঠে চিরকালের। হয়ে ওঠে আবহমানের। একজন কবি ঠিক কখন কবি হয়ে ওঠেন এর কোন  সূচনাবিন্দু নেই।নিজের কবিতা লেখা সম্পর্কেও কবি মণীন্দ্র গুপ্ত শিলীন্ধ্র ৯৪ সংখ্যায় কমল মুখোপাধ্যায়কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট এবং অভ্রান্ত অক্ষরে বলে গেছেন –“  একজন দোয়েল কবে  গান গাইতে শুরু ক

শ্রীরামকৃষ্ণের সন্ন্যাসী সন্তানেরা /পর্ব ১০/প্রীতম সেনগুপ্ত

Image
শ্রীরামকৃষ্ণের সন্ন্যাসী সন্তানেরা পর্ব ১০ প্রীতম সেনগুপ্ত  ভগবানের লীলা বোঝা দায়। ঈশ্বরাবতার শ্রীরামকৃষ্ণ ও তাঁর মানসপুত্র রাখালচন্দ্রের পারস্পরিক ব্যবহার লক্ষ্য করলে ঐহিক দৃষ্টিভঙ্গিতে কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া ভার। ঘটনাচক্রে রাখালচন্দ্রের বিবাহ হয়েছিল। যে পরিবারে হয় তা ভক্তের সংসার। তাঁর শ্বশ্রূমাতা শ্রীরামকৃষ্ণ চরণে আশ্রয় পেয়েছিলেন পূর্বেই। তিনি পুত্রকন্যা সমভিব্যাহারে প্রায়ই ঠাকুরের কাছে আসতেন। তাঁর জ্যেষ্ঠ শ্যালক মনমোহনই ঈশ্বরভক্ত ভগিনীপতিকে সঙ্গে নিয়ে শ্রীরামকৃষ্ণ সন্নিধানে উপস্থিত হন। বাকিটুকু এক অভূতপূর্ব ইতিহাস। সংসারী করে তুলতে কৈশোর অতিক্রমের পূর্বেই পুত্র রাখালচন্দ্রের বিবাহ দেন আনন্দমোহন। কোন্নগরের সুপরিচিত মিত্রগোষ্ঠীতে বিবাহ হয়। আনন্দমোহন ভুলেও ভাবতে পারেননি পুত্রকে সংসারী করার যে চেষ্টা তিনি করেছিলেন সেই সূত্রেই সে মহত্তম আদর্শের সন্ধান লাভ করে সংসার বন্ধন চিরতরে ছিন্ন করবে! রাখালচন্দ্রকে দেখেই শ্রীরামকৃষ্ণ চিনতে পেরেছিলেন এই সেই তাঁর বহু আকাঙ্ক্ষিত ত্যাগী মানসপুত্র। তাঁকে দেখে পরম বাৎসল্যে স্বহস্তে খাইয়ে দিতেন। গোবিন্দ নাম উচ্চারণ করতে করতে সমাধিস্থ হয়ে যে

অজানাকে জানুন /৫ ম পর্ব /অরিজিৎ ভট্টাচার্য্য

Image
অজানাকে জানুন  ৫ ম পর্ব অরিজিৎ ভট্টাচার্য্য  ১] কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য কে ছিলেন? ২] " মুদ্রারাক্ষস " এর রচয়িতা কে? ৩] সবচেয়ে ভারী ধাতু কি? ৪] ' টলেমি' কিসের আবিষ্কর্তা? ৫] ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম নাম কি ছিল? ৬] " জুডো " কোন দেশের প্রাচীনতম খেলা? ৭] " কালিদাস " সম্মান কোন রাজ‍্য থেকে প্রদান করা হয়? ৮] পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা প্রাচীন ভাষা কোন টি? ৯] সাহিত্যে " ডমরু " একটি বিখ্যাত চরিত্র কিন্তু এর সৃষ্টিকর্তা কে? ১০] কত সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা লাভ করে? ১১] " মহাবিষুব " কত তারিখ? ১২] " ব্রিটেন অফ দ‍্য সাউথ " কোন দেশের উপনাম? ১৩] " সাইল‍্যান্ট ভ‍্যালি " কোন রাজ‍্যে সংগঠিত হয়?  ১৪] " ডি সান্তারাম লাইফ টাইম অ‍্যাচিভম‍্যান্ট পুরস্কার " --  2016 সালে কে অর্জন করেন? ১৫] 12 এর উৎপাদন গুলি কি কি? ------------------------ অজানাকে জানুন  ৪ - র্থ পর্ব 'র উওর অরিজিৎ ভট্টাচার্য্য  ১]  কোন বাঙালি (ভারতীয় )  প্রথম গ্র‍্যাজুয়েট হন? উ: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়  ২] ন‍্যাশনাল মেটালারজিক‍্য

আল মাহমুদ / ঈশিতা ভাদুড়ী

Image
স্মৃতি ডট কম ৫ আল মাহমুদ   ঈশিতা ভাদুড়ী  ‘সোনার দিনার নেই, দেনমোহর চেয়ো না হরিণী / যদি নাও, দিতে পারি কাবিনবিহীন হাত দুটি, / আত্মবিক্রয়ের স্বর্ণ কোনোকালে সঞ্চয় করিনি / আহত বিক্ষত করে চারদিকে চতুর ভ্রুকুটি; / ভালোবাসা দাও যদি আমি দেব আমার চুম্বন, / ছলনা জানি না বলে আর কোনো ব্যবসা শিখিনি; / দেহ দিলে দেহ পাবে, দেহের অধিক মূলধন / আমার তো নেই সখী, যেই পণ্যে অলংকার কিনি। / বিবসন হও যদি দেখতে পাবে আমাকে সরল / পৌরুষ আবৃত করে জলপাইর পাতাও থাকবে না; / তুমি যদি খাও তবে আমাকেও দিয়ো সেই ফল / জ্ঞানে ও অজ্ঞানে দোঁহে পরস্পর হব চিরচেনা / পরাজিত নই নারী, পরাজিত হয় না কবিরা; / দারুণ আহত বটে আর্ত আজ শিরা-উপশিরা’ – লিখেছিলেন আল মাহমুদ ‘সোনালী কাবিন’ কাব্যগ্রন্থে, ৬০-এর দশকে লেখা এই কবিতার বই তাঁকে শ্রেষ্ঠ মহাকাব্যের মর্যাদা দিয়েছে। ‘সোনালী কাবিন’ প্রেমের কবিতা হিসেবে বিখ্যাত। সেই প্রেমকে তিনি অভিনব ভাষায় ব্যক্ত করেছেন। যদিও আমার মস্তিষ্কে প্রাথমিকভাবে আল মাহমুদের ব্যক্তিত্বের সঙ্গে প্রেমের কবিতার যোজন দূরত্ব মনে হলেও পরবর্তীতে মনে হয়েছিল তাঁর সত্তা আপাদমস্তক প্রেমিক ছিল। শুধু আমার কাছে নয় বাংলা

শ্যামলকান্তি দাশ : অননুকরণীয় আশ্চর্য ক্ষমতা /ঋত্বিক ত্রিপাঠী

Image
শ্যামলকান্তি দাশ : অননুকরণীয় আশ্চর্য ক্ষমতা ঋত্বিক ত্রিপাঠী শ্যামলকান্তি দাশ একই সঙ্গে কবি, শিশু সাহিত্যিক, সম্পাদক ও সংগঠক। শব্দ ও অর্থের অলংকার চাতুর্য ও উভয়ের মেলবন্ধনে শ্যামলকান্তি দাশের কবিতা : চমৎকার। এই চমৎকারিত্ব তখনই পাঠকের কাছে মায়াময় ও আদরণীয় হয়ে ওঠে, যখন তাঁর ভাষা শব্দচিত্র ও বাচ্যচিত্র নির্ভর হয়েও বাঙ্গ্যার্থ প্রকাশে পূর্ণমাত্রায় শক্তিশালী। আসলে মোহ কিংবা আকর্ষণের জন্য শরীর সমান গুরুত্বপূর্ণ। কার সঙ্গে সমান! মেধা ও মনন, মেজাজ ও ব্যক্তিত্বের প্রাবল্যের সঙ্গে সমান। শ্যামলকান্তির মগ্ন পাঠক দ্রুত বাইরের খোলস তথা বাচ্যকে উপেক্ষা করে ব্যঙ্গ্য তথা রস সন্ধানে যাত্রা করেন। এই যে রসের দিকে যাত্রা ও যাত্রার জন্য অনুশীলন—তার জন্য চাই আকর্ষণীয় কাব্যশরীর। প্রচলিত শব্দের নতুন প্রয়োগ ও বলবার গুণে শ্যামলকান্তির কাব্যশরীর স্বাস্থ্যবান, বিশ্বাসযোগ্য। কাব্যের আত্মা রস। আত্মাকে শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখলে শ্যামলকান্তি দাশের মনন ও দর্শন থেকে আমরা অনেক দূরে চলে যাব। আত্মার শরীর অনুভবের জন্য চাই সহৃদয়বোধ। সেই বোধেই পাঠক আবিষ্কার করেন কাব্যের অন্তর্নিহিত রূপ। শরীর ও

দূর্জ্ঞেয় সেই জিরাফ /গৌতম বাড়ই

Image
দূর্জ্ঞেয় সেই জিরাফ গৌতম বাড়ই  বাবা অসুস্থ হলে পাশ থেকে দেখতাম বুকের ধুকপুকুনি ওঠানামা  আর এইভাবে দেখতে দেখতেই একদিন  বাবা আর মায়ের নিঃসাড় দেহের দিকে  অবাক হয়ে চেয়েছিলাম  এক একদিন স্বপ্নের মৃত্যুগুলোও  কেমন যেন সত্যি হয়ে ওঠে  আর সত্যিগুলোকে মিথ্যে ভাবি আর  মিথ্যেগুলো সত্যি হয়ে ওঠে পরপর  ভাবনার সতেজে মিহি মখমল কোমল উষ্ণতা  রাকা! রাকা! রাকা! বলে ছুটে গিয়েছি  বালির প্রান্তরে যেখানে পা ভিজেছে সাগরজলে  সাগর মানেই তো নীলজল মৃত্যুর হাতছানি  আয় তবে আখড়াই ছেড়ে অনন্তসিন্ধু  সাঁজালিতে গলে পড়ছে আহ্লাদী চাঁদ  কে তুমি শিখিয়েছিলে ভৈরবী মৈথুন?  কে তুমি দিয়েছিলে অনন্ত মৃত্যুর স্বাদ?  আমি ছেড়ে গেলে তুমি, তুমি ছেড়ে গেলে  রেখে যাবে শত শত সন্তান সন্ততি নোনাজল বালিচর সহস্রাব্দের স্তম্ভ  চুপচাপ চুমু খায় আকাশের ঠোঁটে  যেখানে দাঁড়িয়ে থাকে আজও কিলিমাঞ্জারো  চাঁদেরপাহাড় ছোটোনাগপুর মালভূমি  আমি বাতাসার থেকেও ছোটো  চিনির দানার মতন মিষ্টিমানুষের গল্প শুনেছি  বৃষ্টির এক ফোঁটা জলে  গলে গলে  নিঃশেষ হয়ে গিয়েছিল উদ্বায়ীদের মতন  অনেক রাতের শেষে মুচলেকা দেওয়া  এক সুতীব্র ভোর হয় অগাধ 

পদ্মপাতায় শিমুল-৭/সীমা ব্যানার্জ্জী-রায়

Image
পদ্মপাতায় শিমুল-৭ সীমা ব্যানার্জ্জী-রায় মানুষ যেন এক অন্তহীন স্প্রিং, ছোট বাক্সে জড়ানো থাকে। সে বাইরে আসার প্রাণপন চেষ্টা চালিয়ে যায়। মনে পড়ে গেল আবার সেইদিনের কথা। বাচ্চাবেলায় স্কুল ও যেতাম না। যেতাম না মানে, মা এর আদেশ, “সিমটি বাড়ি থেকেই পড়াশুনা করবে।” তাই বাড়িতেই পড়াশুনা আর পুতুলের সংসার সামলানো। ভেতরদিকের বারান্দায় একটা জাফরির ঘরে ছিল আমার পুতুলের বাড়ি। দেখো না এখনও পুতুল দেখেই কিনে ফেলি। একটা মোমের পুতুল, চোখ পিটপিট করা পুতুল, আলুর পুতুল, ড্যান্সিং ফ্রক পরা পুতুল, চিনামাটির পুতুল- কত রকমের পুতুল ছিল। মজার ব্যাপারটা বলি, বাড়িতে থাকলেও দিদিয়া মাথায় একটা উকুন দেখেছে কি ব্যাস! বাড়িতেই নাপিত ডেকে মাথা ন্যাড়া করা হল। কোঁচকানো চুলগুলো যখন সামনে এসে পড়ত সেগুলো দেখতে পেয়েই আমার সে কী ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কান্না। মা শুনে বকতেন দিদিয়াকে, “ছেড়ে দে না। কাঁদছে দেখছিস না। রোজ রোজ ন্যাড়াই বা করে দিস কেন? তোকে নিয়ে পারা যায় না বাপু”। দিদিয়া বলতঃ “ওর চুল থেকে উকুন আমাদের এত বড় চুলেও আসবে তখন। কাজেই মা, যা করছি ভালোর জন্যই করছি।” এদিকে আমি কেঁদেই চলেছি আর মুখে বিড়বিড় করছি, “আমাকে দেখতে বাজে হ

ষষ্ঠীপূজা / ভাস্করব্রত পতি

Image
পশ্চিমবঙ্গের লৌকিক উৎসব, পর্ব - ৫ ষষ্ঠীপূজা   ভাস্করব্রত পতি পশ্চিমবাংলার গ্রামে ঘরে ষষ্ঠীপুজোর চল এখনও প্রচলিত। বাংলার সংস্কৃতির সাথে এই ষষ্ঠীপুজোর ভুমিকা এবং অবস্থান আজও রীতিমতো গবেষণার বিষয়। দিন বদলের সাথে সাথে নিতান্ত গ্রাম্য এই লৌকিক উৎসবটি ক্রমশঃ হারিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই ষষ্ঠীপুজো বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি, সমাজ ব্যবস্থা এবং লোকজীবনের সাথে জড়িত অঙ্গাঙ্গীভাবে। মূলতঃ হিন্দু সমাজের অন্যতম এক উৎসব হল এই ষষ্ঠীপূজা। নবজাতক জন্মগ্রহণের ছয় (৬) দিনের মাথায় ঐ বাড়িতেই পূজা হয় দেবী ষষ্ঠীর। তা হল 'ষেটেরা'। অর্থাৎ বংশবৃদ্ধি বা জনজীবনকে সচল রাখার যে প্রণালী তার সাথে সমানতালে জড়িত ষষ্ঠীপূজার চল। অর্থাৎ ষষ্ঠীদেবী হলেন প্রজননের দেবী। মানুষের বংশধর টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে শরণাপন্ন হতে হয় এই ষষ্ঠীদেবীর কাছে। লোকসমাজে প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে - ষষ্ঠীদেবীর কৃপায় নিঃসন্তান মহিলা সন্তানের উৎপাদন করতে সক্ষম হয়। এই ষষ্ঠীদেবীই হয়ে ওঠেন মঙ্গল এবং রক্ষার দেবী। আবার শিশু জন্মের ২১ বা ৩১ তম দিনেও এই ষষ্ঠীপূজা হয় কোথাও কোথাও। নবজাতকের জন্মের ছয় দিনের দিন মূলতঃ পুজো করা হয়। এদিন বা

ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা -৬৮

Image
সম্পাদকীয়, কবি মাইকেল মধুসূদন তার এক লেখায় বলেছিলেন, ‘জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে..’। কিন্তু হিন্দু পুরাণে একটি মন্ত্র আছে...অশ্বত্থামা বলির ব্যাসঃ হনুমন্থরঃ বিভীষণঃ।কৃপা পরশুরাম চ সপ্তৈতেয় চিরঞ্জীবীনঃ।।এই মন্ত্রে এমন সাত জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যাঁরা অমর। এছাড়াও পুরাণ মতে ঋষি মার্কন্ডেয় অষ্ট চিরঞ্জীবি, অসুর সম্রাট বলীও অমরত্বের বর পান। এখন কলিকালে নাকি অনেকে বলেন নেতাজীও চিরঞ্জীবি। পীযূষ আঙ্কেল তো তেমনই বলছেন। নেতাজীর মৃত্যু কবে কখন কোথায় হতে পারে সে নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। এই অধিক আলোচিত নেতাজীর কথা মলয় জেঠুর লেখা থেকে আরো ভালভাবে জেনে নিও, আর সেই আলোচনা পড়ে খুব গুরু গম্ভীর মনে হলে এসো ইন্দিরা আন্টির লেখা পড়ে জেনে নিই তিনি কি খেতে ভালবাসতেন, আর মুক্তি আঙ্কেলের লেখা পড়ে জেনে নিই তাঁর জীবনের মজার কথা। হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছো সম্প্রতি গেল নেতাজীর ১২৫ তম জন্মদিবস। তাই তিতির তার প্রজেক্টে নেতাজীকে আঁকবে। তিতির কে? সেটা জস্নতে পড়তে হবে তোমাদের বন্ধু শতভিষার গল্প। আর তারসঙ্গে ভুললে চলবে না, এবারের ২৬ শে জানুয়ারী ছিল দেশের ৭৩ তম সাধারণ তন্ত্র দিবস। সেই দিনটিকে স্মরণ করে, আমাদের