Posts

Showing posts from August, 2022

করমের ব্রতকথা : করমু ও ধরমুর গল্প /সূর্যকান্ত মাহাতো

Image
জঙ্গলমহলের জীবন ও প্রকৃতি পর্ব - ৩৪ করমের ব্রতকথা : করমু ও ধরমুর গল্প সূর্যকান্ত মাহাতো বর্ষায় চারা রোপণের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। এবার সেগুলোকে সযত্নে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। কোনও অপদেবতার কু - দৃষ্টি কিংবা কোনও অশুভ শক্তির ছায়া যেন ফসলের উপর না পড়ে। সে কারণেই অশুভ শক্তির হাত থেকে ফসলকে সুরক্ষিত রাখতে জঙ্গলমহলের কুড়মি, মাহাতো, খেড়িয়া, ভুমিজ, সহ একাধিক সম্প্রদায়ের মানুষ বেশ মহা সমারোহে "করম" ঠাকুরের পূজা করে। ব্রত রেখে একাদশী পালন করে। আর অদ্ভুত ব্যাপার হল এই ব্রত রাখে একেবারেই ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা। দিনভর তারা নানান  উপচার ও অনুষ্ঠানের পালন করে থাকে। দিন শেষে সন্ধ্যা নামলেই সকলে ফুল, পাতা, প্রদীপ সহ পুজোর নৈবেদ্য নিয়ে "করম থানে" উপস্থিত হয়। পুজো হয়। পূজা শেষে ব্রতচারীদের "করম" দেবতার মাহাত্ম্য কথা শোনানো হয়। একেবারে গল্পের আকারে। বক্তার গল্পের প্রতিটি বাক্যের শেষে ব্রতচারীরা 'হুঁ' দেয়। গল্প শুরুর পর, মধ্যিখানে এবং গল্পের শেষে দেবতার উদ্দেশ্যে ফুল ছোঁড়া হয়। গল্পে ব্রত পালনে নিয়মভঙ্গের কী করুণ পরিণতি হতে পারে, এবং দানের মাহাত্ম্য কথাই ব্যক্ত হয়েছে। এই

খর্জুর বীথির ধারে--১১/মলয় সরকার

Image
খর্জুর বীথির ধারে মলয় সরকার (১১শ পর্ব ) একাদশ পর্ব চলেছি মরুভূমির মাঝখান দিয়ে । এপাশ ওপাশ যেদিকেই তাকাই ধূ ধূ লাল বালির মরুভূমি, বিচ্ছিন্ন ভাবে কিছু ছোট ছোট ক্ষয়ে যাওয়া পাহাড় , কিছু ছোট ঝোপ আর কিছু পর্যটক। আকাশে রোদ ঝলসাচ্ছে। তাতে মরুভূমির রুক্ষ সৌন্দর্য্য আরও যেন বেশি করে হৃদয়ে গেঁথে যাচ্ছে। লাল মরুভূমির পথে যেতে যেতে আমাদের গাড়ী থামল এক জায়গায়। দেখি আশে পাশে শুকনো কাঠির মত অনেক ঝোপ হয়ে আছে। এরকম অবশ্য ছোটখাট ঝোপ রাস্তায় আগেও দেখেছি। ওরা একটা ঝোপের কাছে নিয়ে গিয়ে, হাত দিয়ে কাঠির মত  কয়েকটা ডাল ভেঙ্গে দেখাল, তার থেকে আঠাল দুধের মত রস বের হচ্ছে। গাইড বলল, এটার রস আমরা সাবান হিসাবে ব্যবহার করি। আমার হাতেও দিল । আমি ঘসে দেখি সাবানের মত ফেনা হচ্ছে। ও বলল, এই গাছ ও অন্য ঝোপ ঝাড় যা দেখছেন, সেগুলির মধ্যে কিছু গাছ উটেরা খায়, কিছু ওষুধ হিসাবে আমরা ব্যবহার করি । তবে এই গাছগুলো মরুভূমির সম্পদ। কারণ এগুলো মরুভূমির বালিকে আটকে রাখে ঝড়ের থেকে। এদেরই মরুভূমির প্রাণ বলতে পারেন, যেমন সমতল ভূমিতে ঘাস অনেক ভূমিক্ষয় রোধ করে। এগুলো আমাদের উটের খাবার হিসাবে ব্যবহার ছাড়াও, মরে গেলে আমাদের জ্বালান

উর্বশীর অভিশাপ /বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়

Image
উর্বশীর অভিশাপ বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় (অস্ত্র শিক্ষা গ্রহন এবং স্বর্গরাজ্যের ভয়ঙ্কর অস্ত্র শস্ত্র সংগ্রহের জন্য তৃতীয় প্যান্ডব অর্জুন অমরাবতীতে এসে ছিলেন। সেখানে সুপুরুষ ধনঞ্জয়ের রূপ দর্শনে অনন্ত যৌবনা স্বর্গের বারবধূ রূপসী উর্বশী তাঁর প্রতি আকৃষ্টা হন।কামাতুরা উর্বশী অর্জুনের আসঙ্গ লিপ্সায় তাঁর কাছে আসেন এবং তাঁর সঙ্গ কামনা করেন।অর্জুন যখন জানতে পারলেন উর্বশী তাঁর প্রপিতামহেরও প্রপিতামহী তখন তিনি উর্বশীকে প্রত্যাখ্যান করেন। কুপিতা উর্বশী তখন তাঁকে ক্লীবত্বের অভিশাপ দেন) অর্জুন:  পাণ্ডু পুত্র অর্জুন আমি গাণ্ডিবী গুড়াকেশ, অমর্ত্যলোকে এসেছি এখন ধরেছি ছদ্মবেশ। অস্ত্র শিক্ষা ,সমর বিদ্যা এখানে শিখবো আমি, স্বর্গ আয়ুধে সজ্জিত হয়ে হবো মর্ত্যের স্বামী।। দিনটা কেটেছে শিক্ষণে আর শস্ত্র অভ্যসনে, হয়েছি এখন সুপ্তি মগ্ন,অবসাদ প্রশমনে, কেগো রূপবতী,সুরূপা শ্রীমতি দাঁড়ালে সুমুখে এসে আছি সুষুপ্ত,চেতনা লুপ্ত, অবিন্যস্ত বেশে।। তুমি তো শ্রীময়ী,লাবণ্যময়ী, চিত্ত হারিণী বামা রূপগর্বিনী,উত্তম ধনি, যৌবনবতী রামা, বলো সুবদনী, প্রয়োজন শুনি,অসুর এসেছে হেথা? খুঁজি শরাসন, অসি প্রহরণ, সত্ত্বর যাই সেথা ।। উ

দূরদেশের লোকগল্প— আরব (ওমান)/তিন রাজপুত্তুরের জামাই আদর /চিন্ময় দাশ

Image
দূরদেশের লোকগল্প— আরব (ওমান) তিন রাজপুত্তুরের জামাই আদর চিন্ময় দাশ অনেক কাল আগের কথা। আরব সাগরের কোলের দেশ ওমান। সেখানে বড় বড় মরুভূমি পার হয়ে, ওমানের উপর দিয়ে একটা রাস্তা এসে ছুঁয়েছে  সাগরকে। উটের পিঠে মশলাপাতি, খেজুর, বাদাম, আখরোট নানান জিনিষ চাপিয়ে, সেই রাস্তা ধরে দূর দূর দেশে যাওয়া-আসা করত বণিকের দল। বাণিজ্য থেকে ধনী হয়ে উঠেছিল কতো লোক। তাদের হাতে ছোট বড় কত শহর নগর গড়ে উঠেছিল সেই রাস্তার দু’ধারে।  তেমনই একটি নগরে বাস করত এক রাজা। একটিই মেয়ে সেই রাজার। দেখতে দেখতে বিয়ের বয়স হয়েছে সুন্দরী মেয়েটির। আসা যাওয়া শুরু হয়েছে ঘটকের। রাজার ছেলেরাও চলে আসে কখনওবা।  একদিন হয়েছে কী, তিন-তিন রাজার ছেলে একসাথে এসে হাজির। দেউড়ির ঘন্টা বাজিয়েছে ছেলেরা। সেপাই গিয়ে দ্যাখে, এক সাথে তিন মূর্তি।  রাজার হুকুমে ভিতরে আনা হোল তাদের। রাজার পাশে বসে আছে তাঁর সুন্দরী মেয়েটিও। দুটি খর চোখ মেলে, ছেলেগুলোকে জরীপ করছে মেয়েটি।  জরীপ শেষ হলে, মেয়েটি ফিসফিস করে বলল—দোহাই তোমার বাবা, এদের কাউকে বিয়ে করতে বোল না আমাকে।  --কেন রে,মা? কী হোল? মেয়ে বলল—প্রথম জনকে দ্যাখ, কেমন দেমাকি? মাঝের জনের পোশাকটা দেখেছো খে

আর কবে ভাবব! ( পর্ব ৩ )/সংস্কার সু না কু ? /মিলি ঘোষ

Image
আর কবে ভাবব! ( পর্ব ৩ ) সংস্কার সু না কু ?  মিলি ঘোষ  কেন জানি না, সংস্কার শব্দটির আগে 'কু'টাই ম্যাচ করে। তাই সরাসরি কু-সংস্কারেই চলে যাই। তবে যাকে আমরা কু-সংস্কার বলি, সব ক্ষেত্রে তা কু হয় না।  যেমন ধরুন, পোশাক পরিহিত অবস্থায় সেলাই করতে নেই। হয়তো খুব সামান্য একটু ছিঁড়ে গেছে, তবুও না। একটা 'নেই' জুড়ে দেওয়া মানেই কিন্তু তা কু-সংস্কার এর আওতায় চলে গেল। কারণ, যিনি বলছেন তিনি কোনো যুক্তি দেখাতে পারলেন না। অথচ এর আসল কারণ ওই সূচের মধ্যেই নিহিত। জামাকাপড় গায় দেওয়া অবস্থায় সেলাই করতে গেলে গায় সূচ ফুঁটে যাবার সম্ভবনা থাকে। বারণ সে'জন্যই করা হয়। মুশকিল হলো যিনি বারণ করছেন, তিনি নিজেও কারণটা জানেন না। তাই পাল্টা চ্যালেঞ্জ করলে, তিনি উত্তর দিতে পারেন না। শুধু 'নেই'তে আটকে থাকেন।   মানুষের সহজাত ধর্ম হলো নিষেধ না মানা। তাকে বুঝিয়ে বললে, সে শুনবে না। তাই একটা 'নেই' বসিয়ে ভয় ধরানোর চেষ্টা। 'নেই'-এর মাহাত্ম্য বিশাল। এই 'নেই'তে যারা একবার ডুব দিয়েছেন, তাঁরা এর থেকে বেরোতে পারেন না। বংশ পরম্পরায় তাঁরা 'নেই'কে লালন করে চলেছেন। কা

কবিতা অ্যাভিনিউ-২১/ বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায়

Image
কবিতা অ্যাভিনিউ  বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায়    পর্ব -২১  ‘নিজের মুখ আমি প্রথম দেখেছি ভেসে যেতে যেতে জলের ভিতর এই ব্যথিত মুখ                অপমৃত্যুর মতো স্থির হয়ে আছে স্রোতের ধাক্কায় এক এক করে খসে যাচ্ছে আমার মিথ্যে সাজপোশাক মিথ্যে অহংকার মিথ্যে প্রতিশ্রুতি’  কবি অমিতেশ মাইতি সম্পর্কে আগের পর্বে অনেক কথাই বলেছি। কীভাবে কবিতা ও জীবন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে তাঁর সৃষ্টির ভেতর। বৃষ্টি থেকে তিনি খুঁজে নিয়েছিলেন বর্ণমালা।নদী থেকে চিনেছিলেন পঙক্তির বিন্যাস। তাঁর কবিতার অন্তঃস্থলে আমরা দেখতে পাই তারই উজ্জ্বল প্রকাশ। ‘বৃষ্টি থেকে তুমি একদিন অক্ষর খুঁজে পেয়েছিলে নদী থেকে চিনেছিলে পঙক্তির বিন্যাস। আমাদের অপমান বেদনার কাছাকাছি এসে থমকে আছে যে সমুদ্র সেখান থেকে আর কিছুই শুরু করা যায় না, সেই অতলান্তে আমাদের খণ্ডিত বহু মুখ ভাঙা জাহাজের টুকরোর মতো ছড়িয়ে আছে এখন আত্মহনন ছাড়া শেখা যায় না কিছুই।  অথবা তিনি যখন বলেন-  আজ বৃষ্টি কিংবা নদী কেউ আমার সঙ্গে  একপা হাঁটে না শরীর বেয়ে  ঘাম নামে, পথশ্রমের ক্লান্তি আকাশে আকাশে ডেকে যায় বিরহী মেঘ।’  তাঁর কবিতার শুরু হচ্ছে বৃষ্টি দিয়ে, বারবার সেখানে ফিরে এসেছে

ক্যুইজ-১৪ / সাগর মাহাত

Image
ক্যুইজ-১৪ / সাগর মাহাত ১. ২০২০ সালে বিশ্ব বৌদ্ধিক সম্পত্তি দিবস যে পা লিত হয়েছিল তার থিম ছিল— Innovate for a Green Diversity Unity World the me ২. মহারানা প্রতাপ সিংহের জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়— ৮ সেপ্টেম্বর ৯ মে ১৫ জানুয়ারি ২০ ফেব্রুয়ারি ৩. কোন ভারতীয় বিখ্যাত ক্রিকেটার বিদেশী কোম্পানি 'Puma Motorsports' এর ব্র্যান্ড এম্বাসেডর হয়েছেন (২০২১)— শচীন টেন্ডুলকর সৌরভ গাঙ্গুলি যুবরাজ সিং হরভজন সিং ৪. মিলখা সিংয়ের আত্মজীবনী 'দ্য রেস অফ মাই লাইফ' প্রকাশিত হয়— ২০১১ সালে ২০১২ সালে ২০১৩ সালে ২০১৫ সালে ৫. শশাঙ্ক তার মুদ্রায় কার মূর্তি খোদাই করেছেন— মহেশ্বর বিষ্ণু সূর্য ব্রহ্মা  ৬. 'আর্য' শব্দের সংস্কৃত অর্থ— জাতি গোষ্ঠী রাজা সদবংশজাত ব্যক্তি ৭. 'বেদ' কথাটি সংস্কৃত যে শব্দটি থেকে এসেছে— বিদ্   রিদ্ বিদ্যা বিদ্যান ৮. ঋগবেদের যুগে পরিবারের প্রধানকে বলা হয়— কুলপতি কুলপা কুলরক্ষক কুলপতি ও কুলপা উভয়ই ৯. জৈনধর্মে 'তীর্থকর'-রা যে নামে পরিচিত— প্রভু ভগবান গুরু জিন ১০. যশোবন রাজা ছিলেন— কনৌজ কৌশলা গুজরাট পঞ্জাব ১১. চাণক্য কোথা থেকে মগধে এসে চন্দ্রগুপ্তের মন

শ্রীরামকৃষ্ণের সন্ন্যাসী সন্তানেরা--৪০/প্রীতম সেনগুপ্ত

Image
পর্ব ৪০ শ্রীরামকৃষ্ণের সন্ন্যাসী সন্তানেরা প্রীতম সেনগুপ্ত এই সময় কাশীর কতিপয় যুবক শ্রীযুক্ত কেদারনাথ মৌলিকের ( পরবর্তী কালে স্বামী অচলানন্দ ) বাড়িতে সমবেত হয়ে শ্রীশ্রীঠাকুরের বিষয়ে আলোচনা করতেন। নিরঞ্জন মহারাজ এঁদের আলোচনা সভায় একদিন উপস্থিত হন। শ্রীযুক্ত চারু ( দত্ত ) বাবুর ( উত্তরকালে স্বামী শুভানন্দ ) মাধ্যমে এই যোগাযোগ হয়েছিল। নিরঞ্জনানন্দজী সহজ সরল ভাষায় ঠাকুরের কথা বলেন। উপস্থিত ভক্তেরা সেইসব কথার ভাবমাধুর্যে মুগ্ধ হন। এর কিছুদিন পরে শ্রীরামকৃষ্ণদেবের জন্মতিথিতে তিনি কেদারনাথের বাড়িতে পুনরায় পদার্পণ করেন। শ্রীরামকৃষ্ণের এক অন্তরঙ্গ পার্ষদের উপস্থিতি উপস্থিত ভক্তজনেদের মাঝে উদ্দীপনা বয়ে আনে। সেদিন নিরঞ্জনানন্দজী স্বয়ং শ্রীশ্রীঠাকুরের বিশেষ পূজাদি সম্পন্ন করেন। আয়োজন স্বল্প হলেও ভক্তদের মধ্যে উৎসাহ ছিল প্রভূত। ভক্তরা কিঞ্চিৎ প্রসাদও পেয়েছিলেন। এইভাবেই নিরঞ্জনানন্দজীর উদ্যোগে ও অনুপ্রেরণায় কাশীধামে শ্রীরামকৃষ্ণ জন্মোৎসবের সূচনা হয়। কাশীতে আরও কিছু কাল অতিবাহিত করার পর তিনি হরিদ্বার চলে যান। এই পর্যায়ে কেদারনাথ ও নিরঞ্জনানন্দজীর মধ্যে এমন একটি সম্পর্কের বাতাবরণ তৈরি হয় য

কয়েকটি রম্য কবিতা /শুভশ্রী রায়

Image
কয়েকটি রম্য কবিতা শুভশ্রী রায় রাত-জাদু কত কী যে ব্যাপার মজার ঘটে রাতবিরেতে সামনেই স্পষ্ট হয়ে খেলা করে ভূতপেরেতে! মোটা মতো বেড়ালটা সেই বড্ড চেনা জানত কে তারও এমন জাদু জানা! নিজের শরীরটাকে দশ ফুট শূন্যে ভাসায় দেখে বিস্ময়ে তো আমার শ্বাস আটকে যায়! মেঘের হাত ছাড়িয়ে চাঁদ সুখের মুখ বাড়ায় কিরণ দিয়ে খানিক খানিক আঁধার তাড়ায়। বেড়ালের ভেতর থেকে বার হয় দশটা আরো এ সব দেখেও তুমি না লিখে থাকত পারো? ছিঁচকে চোর পালাচ্ছে কী চুরি করে নিয়েছে কার যেন মন ঝোলায় ভরে! এক সময়ে রাত্রি-জাদুর ঘনঘটা সীমা ছাড়ায় সে সব অনুভবেই থাকে, কলমে এলেই হারায়। রাতবিরেতে কত কী যে জাদুঠাসা ব্যাপার ঘটে, বলতে পারি দিব্যি করে, ঘটনার কমই রটে! কিপ্টের সেরা   লোক তো খারাপ নন তবে বাড়াবাড়ি কিপ্টে টাকা বাঁচানোর উপায় তাঁর কাছে হয় শিখতে ছ' মাসে এক বার আনেন তিনশো কাটাপোনা সর্বদা চিন্তিত মুখে বসে টাকাকেই হয় গোনা। বছরে একটি দিন চিনি দিয়ে খান চা সেটুকুর জন্যও আপসোস কত না! অতিথি পড়লে ঢুকে দেন না তো জল পাছে সাথে দিতে হয় মিষ্টি বা ফল! লাখ লাখ টাকা আছে তবু পোষাকটি ছিন্ন সব্জিটব্জি কেনেন কই রোজ দু'টি আলু ভিন্ন? এই পন্থায় বানালেন বা

ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা -৯৮

Image
ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা -৯৮ সম্পাদকীয়, বর্ষাকালে ব্যাঙের ডাক শোনোনি এমন কেউ আছো নাকি? ব্যাঙের ডাক তো শুনেছো কিন্তু জানোকি,  ব্যাঙের ডাককে এককথায় কি বলে?  মক-মক। কি শুনেই হাসি পেল তো? আমি বলিনি কিন্তু। রাকেশ আঙ্কেলের তোলা প্রচ্ছদের ব্যাঙটা বলল। বর্ষাকালে ব্যাঙেরা শুধু ডাকেই না, গ্যাঙর গ্যাঙ করে এক ঘেয়ে আলাপ করে। আরে শুধু কি ব্যাঙ, তারাপ্রসাদ জেঠু বলল, শিয়ালেরাও নাকি সুরালাপ করে। হ্যাঁ গো। সেই গায়ক শিয়ালের নাম সুরদাস পন্ডিত। হাসি যে থামেই না। তবে তোমরা যে যাই বলো, আদৃতা কিন্তু খুব বুদ্ধিমান। বুদ্ধিমান বলেই না পাখি হতে চেয়েছিল। আদৃতা কে? পারমিতা আন্টির গল্প পড়লেই ওর সঙ্গে তোমাদের আলাপ হয়ে যাবে। আরে এ আলাপ মানে কিন্তু গানের আলাপ নয়। এই আলাপ মানে চেনা জানা। এই যে জয়াবতীর সঙ্গে তোমাদের কেমন আলাপ পরিচয় হয়ে গেছে বলো। এদিকে জয়াবতী তো সেই পালকি যুগের মেয়ে। তাও তৃষ্ণা আন্টি জয়াবতীর গল্প বলে বলে আমাদের চেনা জানা করিয়ে দিয়েছে। হ্যাঁ গো গল্প। গল্প বলাও যায় আবার গল্প লেখাও হয়। যেমন অঙ্কিতের দাদু গল্প বলেন আর সেই গল্প লেখে অঙ্কিতের বন্ধু অনুষ্কা। কি গল্পে গল্পে হল কিনা নতুন বন্ধুদের সঙ্গে আল