জ্বলদর্চি

দুটি কবিতা /গৌতম মাহাতো

দুটি কবিতা 
গৌতম মাহাতো

ফিরফিরি : এক


অথবা তারা ছড়ানো রাত
জলসর্পের মত নদী
এই যে

মনখারাপ ভাঁজ করতে করতে দেখি দুটো প্রজাপতি উড়ে যাচ্ছে
দিগন্তের ডালে। পড়শির জানালা আলো মেলতে এলে কভু কভু 
বাঁশি বাজে, আর বৃষ্টি নামে কোনও অলিখিত শরীরে। 
সে বৃষ্টির নাম কখনও দিয়েছি গুটিপোকা কখনও রেখেছি কচ্ছপ।
তুমি চিনবে না তাকে, কারণ পরিচয় চেনার উদ্বায়ু সেতু। কোথাও 
কোথাও যখন অঝোরে কথা সাঁতরে ওঠে ঠোঁটে তুমি তাকাও নির্নিমেষ।
কাদের উদাস বারান্দায় সন্ধে চলকে পড়লে বেহাগ বাজে শরীরে। বাঁশিতে...
এ শরীর অজস্র বাঁশির, অজস্র হাওয়ার অজস্র আঁধারের। মিথ্যের।
যে বাঁশি অনন্ত বাজে- বেজে যায়

আর কত মিথ্যে বললে কবি হওয়া যায়, সাঁই!
🍂

                    
ফিরফিরি : দুই

চেনা মুখগুলো পালটে যাচ্ছে ক্রমশ…

সুনন্দা।

ঝুমনিদের ঝুকে পড়া এ্যান্টেনা থেকে 
কিছু কাক উড়ে যায় রোজ…। আর আমি 
বেমালুম গুণে ফেলি আমার স্তব্ধতা…

আজ কাল কিছু আর ভাবা হয়ে ওঠে না, সুনন্দা।
শুধু মনে হয় সব প্রয়োজন বাসি হয়ে গেলে 
এভাবেই একদিন ফুরিয়ে যাবে সব।

Post a Comment

1 Comments

  1. অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়লাম।ভালো লাগলো।

    ReplyDelete