বে বী  সা উ 


হেমন্ত

এসব গোধূলি আলো 
স্বজন হারানো লোভে একা 

পথেই পায়ের ছাপ তারপাশে লিখে রাখা ঘাতক আলোয় 
আঁকশি ফেরানো চোখে
ফেরা যায়! বলো! 


দেহ নেই! জন্ম নেই 
মাতৃহননের সুরে 

কাকেই বা প্রিয় ডাকি, কাকে যে দেবতা !

এসব গোধূলি আলো একা...

মহাভারত
 
এভাবে ফুরায় শব্দ।  এভাবে প্রতিটি হত্যা; যেন গল্পকথা;
                                          রহস্য আখ্যান 

ততক্ষণে ঘুরে গেছে শহরের ঘড়ি।  
কাঁটা নেই তার। মোড় নেই। 
                        অথচ রক্তাক্ত। 

শুনশান হেঁটে যাওয়া আছে 

যেভাবে ডিসেম্বরের রাত হেঁটেছিল জেরুজালেমের পরিত্যক্ত পথে... 

সামান্য দেশেই আজ সেই ছায়া বয়ে আনে 
উপোসী শকুন

একান্ন শরীরে ভাঙো


অসহায়তার গল্প ফেঁদে আর কতদিন বাগানে বাগানে ঘুরবো, বলো! 

আশ্চর্যতম নীল হাঙরের ছায়া ভাসছে নদীতে 
হেমন্ত দাঁড়িয়ে পড়েছে রাস্তায় 
জানলার ওপারে বাকল ছাড়ার শব্দ 

সহজভাবে সাজাতে পারো এ চিত্রকল্প
সমগ্রের করতলে 
এই শীতগুচ্ছ 
এই বরফের যাত্রাপথ 

যার কোনও পচনক্রিয়া নেই!


সূর্যমন্দির 

ফাটল ধরেছে এই পোড়া গায়।

নির্বাক জানলা ভেঙে তবু রোদ আসে 
গতজন্ম পড়ে থাকে; ফিসফিস ওঠে রক্ত 
চোখভর্তি মরুভূমি
দূরে সরে গেছে জল,মন 

জ্যোৎস্নার ক্ষেতে নুপূরের শব্দ শোনা যায় 
সেও বুঝি দেবদাসী...সমুদ্রও তাকেই ফেরায় 


দস্তানা

শিকার নিষিদ্ধ জেনে 
পোষা ঘোড়া ঘুরে যায় জ্যোৎস্নার বনে 

সাপের ছোবলে ভেসে যাওয়া সেই 
আজন্ম তরুণ হত্যাকারী 

অন্ধ মেয়েটির চোখে এঁকে দিচ্ছে 
জাদুর পৃথিবী
-------