Posts

Showing posts from June, 2021

অপেক্ষা/পলাশ বন্দ্যোপাধ্যায়

Image
অপেক্ষা পলাশ বন্দ্যোপাধ্যায় আকাশে তারার ঘর তারাদের বুকের উনানে। গোপন বিষাদ তাপ পুড়ে হয় টিমটিমে আলো। আমাদের স্মৃতিগুলো কবে ধুয়ে গেছে চোরা বানে! যদি মনে পড়ে ভালো না যদি পড়ে, তা আরো ভালো। স্মৃতিদের ডালপালা, কখনো ভীষণ ঘেঁষাঘেঁষি। হঠাৎ সেগুলো ফিকে , বৃষ্টি ছাটের মরুভূমি। কখনো বা মেঘে মেঘে বেলা যাওয়া, খেপি এলোকেশী। কখনো নিকষ বড়, আলগোছে সে আঁধারে চুমি।  যখন মাটিতে ছিলে হৃদয়ের ডানা মেলা পাখি। তখন তোমাকে আমি কোনোদিন ভাবিনি উড়ানে। যা শুধু শ্বাসের মতো অবহেলা দিয়ে বুকে রাখি। তাকে কি তেমন করি-  হেলাফেলা? মনই শুধু জানে! অথচ বোঝেনা এতো থাকে যারা ঘুমে পাশাপাশি। এও ভাবে অগোচরে নাটকে হুজুগে যারা বাঁচে, তারাই আকাশ জোড়া রামধনু চেতনা বিলাসী। বাকি যারা, শুধু শুধু  মরে মিছে উদাসীন আঁচে।   আমারই কি ভুল ছিল? নাকি ভুল ভাবনার দেশে। বিছিয়ে তোষক খানি আলুথালু প্রলাপের প্রথা। প্রমাদের ছিরিচাঁদ ভুলে সব আবেগে নিমেষে। শিশিরের ধোয়া চোখে স্থাণু হয়ে বাঁচে বোবা কথা! তারারা কখনো তাই হয়তো বা গ্রহদের মতো- উজ্জ্বল,খরতেজা হয়না রে, রূপে তেজে জ্বলা। তাদের সাধের স্বাদে মাথা নিচু করে অবিরত, নিরুপায় করজোড়ে মানে বিষাদের ছ

আবৃত্তির পাঠশালা-৩১/শুভদীপ বসু

Image
আবৃত্তির পাঠশালা-৩১ শুভদীপ বসু বিষয়: বাংলার বিশিষ্ট আবৃত্তিকার-(ষষ্ঠ পর্ব) রত্না মিত্র কবিতা মানুষের মন ও মননকে সঠিক পথে নিয়ে যেতে সাহায্য করে।কবিতা পারে মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যকে সুস্থ রাখতে।এই কবিতা দিয়ে মানুষের মনকে সুস্থ রাখার কাজ যিনি দীর্ঘদিন ধরে করে আসছেন তিনি বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ আবৃত্তিশিল্পী শ্রীমতী রত্না মিত্র। ছোটবেলা: উত্তর কলকাতায় মানিকতলায় ছোট থেকে বড় হয়েছিলেন রত্না মিত্র।বাবা স্বর্গীয় বিনয় কুমার পাল,মা ভবানী পাল।এখন আমরা যাকে এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটি বলি ঠিক সেরকমই গল্প বলা,কবিতা বলার একটা আবহ ছিল বাড়িতে।বড় ফ্ল্যাট বাড়ির মত ছিল ওনাদের বাড়ি।প্রত্যেক ফ্লোরে দুটো ভাগ।দশটা পরিবার একটা বাড়িতে কিন্তু সেই দশটা পরিবারের বাচ্চারা একটা পরিবারের বাচ্চার মতোই বড় হয়েছিল।প্রথমে জিতেন্দ্র নারায়ান নার্সারি স্কুল তারপর ব্রাহ্ম বালিকা বিদ্যালয়।বিদ্যালয়ের প্রার্থনার গান ছিল বেদ গান।ইংরেজি,বাংলা সংস্কৃত সব সমান জোর দিয়ে শেখানো হতো।স্কুলে দু'বছর অন্তর অনুষ্ঠান হত।সে সময়ে প্রায় সব অনুষ্ঠানেই অংশগ্রহণ করতেন উনি।তাই আবৃত্তি গানের বোনেদ তৈরি হয়ে গ

ভীষণ এক বন- পাহাড়ের গল্পকথা/গৌতম বাড়ই

Image
ভীষণ এক বন- পাহাড়ের গল্পকথা গৌতম বাড়ই ভেজাবারুদের গন্ধ আর একদিকে বাবলার ঝোপে  খাবারের পুঁটলিগুলো বাঁধা ছিল। এখন কারো সঙ্গে কোন আত্মীয়তা নয়, দূর দূর্গমে উপোসী দেহের সাথে একটা পাকস্থলী পড়ে আছে। তার'চে ভাল কে জানে? আমাদের গল্প করবার বর্তনগুলি কাজ গোচ্ছাছে তারপর হাঁটু মুড়ে বসে সারারাত গল্প শুনবে তলপেটে গুলির দাগে হাত বোলাতে বোলাতে  বলবে-- ক'মাসে গর্ভ পেকে টইটুম্বুর হয় গো! নিশিকুটুম্বের আজানে বিত্রস্ত হয়ে উঠে ভূমি আইসোটোপের কণায় তৃতীয় প্রহর জাগছে। মধুচন্দ্রিমার চাঁদ গোপন রহস্য নিয়ে বসে আছে টিলার মাথায়।  পাহাড়ের উপন্যাস আজ শেষ হল মনের কথায়, পাহাড় ডিঙ্গিয়ে এসে বাস্তুঘোড়াটা হাঁফ ছাড়ে। সটান শুয়ে পড়েছে পাহাড়,  হ্রদের পাশে হিমরাত্তির মাখা শান্তি, তপতীর গর্ভে ছিল চব্বিশসপ্তার সন্তান। আজ ভেজাবারুদের গন্ধে মাটিতে মিশে যাচ্ছে এই এখানে পাহাড়ের বাহুতে। কে শিখিয়েছিল এই মরণের মধ্যে বেঁচে থাকতে? কে শিখিয়েছিল গর্ভে বুলেট আর সন্তান দুটোই ধারণ করতে? আমাদের পাথরগুলো অবাক চেয়ে আছে আজ হ্রদের জলের মতন, আমাদের পাখিগুলো মৌনতা ভাঙ্গছে,  ছেঁড়া পালে ধ্বংসের কাছাকাছি এসে,

গুচ্ছ কবিতা/ ওয়াহিদা খাতুন

Image
গুচ্ছ কবিতা  ওয়াহিদা খাতুন একটা মানুষ আমার চাই      একটা মানুষ আমার চাই, তোমরা দেবে কিগো ভাই? থাকবে সদা হাসিমুখে, সময় দেবে সুখেদুঃখে ; ও তার থাকবে না বড়াই!  একটা মানুষ আমার চাই!! তোমরা দেবে কিগো ভাই? সে যে নয়কো মোটে অহংকারী,  তাকে রাখবো ধরে মনের বাড়ি ; ও যে সরল মুখের কথা দিয়ে, আমার দুঃখগুলো শুষে নিয়ে;  সোহাগ যতনে রাখবে পরাণ টাই! তারেই আমি খুঁজে যে বেড়াই! একটা মানুষ আমার চাই; তোমরা দেবে কিগো ভাই? যাহার মনটা হবে উদার আকাশ, ওরে কথায় বইবে স্নেহের বাতাস,  ও তাহার অন্তরে অন্তর মিশে, আমি বিলীন হবো এক নিমেষে; বলোনা তারে কোথায় গেলে পাই? ওরে আমার একটা মানুষ চাই!! বলোনা কেউ দেবে কিগো ভাই?   মিছে মায়া           মিছে মায়ায় ডুবে বলো থাকবে কতদিন, দম ফুরালে উঠবে বেজে চলে যাওয়ার বীণ; এটা আমার ওটা আমার করো সারাক্ষণ, তুমিও কী আদৌ তোমার ভেবে দেখো মন; সময় থাকতে ঝেড়ে ফেলো পাপের বোঝা ঋণ! দম ফুরালে উঠবে বেজে চলে যাওয়ার বীণ!! টাকাকড়ি বাড়িগাড়ি এটা নয় জীবন, ধোঁকায় ফেলে দিয়ো নাকো মিথ্যা প্রলোভন ; যাদের এতো ভাবছো আপন তারাতো কেউ নয়, দিনের মর্ম বুঝলে নাকো বয়ে যায় সময়; রোজ হাসরের হিসাব বন্ধু বড়ো যে কঠিন! 

কবিতাগুচ্ছ/প্রীতম সেনগুপ্ত

Image
কবিতাগুচ্ছ প্রীতম সেনগুপ্ত  অর্জুনপণ্ডিত যার জন্য শোক করা অনুচিত  তার জন্য শোক করলে তুমি 'অর্জুন' হয়ে যাবে!  মৃত বা জীবিতের জন্য শোক না করলে, হা হুতাশ না করলে তুমি 'পণ্ডিত ' অভিধা পাবে।  বাকিটা তোমার নির্বাচন -- 'পণ্ডিত' হবে নাকি বিষাদগ্রস্ত 'অর্জুন',  নাকি সংকর 'অর্জুনপণ্ডিত'! বেপরোয়া কৌমার,  যৌবন, জরা ও মৃত্যু পেরিয়ে আরেকটি দেহ লাভ হলেও জ্ঞানী মোহিত হন না।  সৌভাগ্যবশত আমি হই-- এই অনিন্দ্যসুন্দর দেহেই তো  ঈশ্বরের অস্তিত্ব! তাই সাহস করে স্পর্শ করি বেশ্যার হৃদয়ও! যাঁর অশ্রু  মাটিতে পড়ার আগেই মুক্তো হয়ে বাতাস ওড়ে। আমি ভগবদ্গীতা বর্ণিত অজ্ঞানী,  তবে গর্বিত। নতুন বাড়ি,পুরনো বাড়ি নতুন বাড়ির একটা আলাদা গন্ধ আছে, দেওয়ালে নতুন রং, জানালা দরজাতেও--- নতুন বাড়ির জানালাগুলো দিয়ে একটা ফুরফুরে সতেজ হাওয়া আসে, মন ভালো করা সূর্যালোক প্রবেশ করে, অথচ বাড়িটা পুরনো হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই বাতাসে ঢুকে যায় কেমন যেন বাসি পচা গন্ধ! ঘরে প্রবিষ্ট সূর্যের আলোতেও ধরে মরচে! পুরনো চাল ভাতে বাড়লেও পুরনো বাড়ি অধিকতর টাটকা বাতাস ও আলোর জোগান দিতে ব্যর্থ ! স

দূরদেশের লোকগল্প-- আফ্রিকা(শূকর কেন হাঁটু গাড়ে)/চিন্ময় দাশ

Image
দূরদেশের লোকগল্প-- আফ্রিকা চিন্ময় দাশ শূকর কেন হাঁটু গাড়ে এক বুড়ি খেঁকশিয়ালি শুয়েছে তার বাসায়। পাশে এক পাল নাতি-নাতনি। ছোট নাতিটা আবদার ধরল-- ঠাকুমা,  সেই চালাক শেয়ালের গল্পটা বলো না। ঠাকুমা পড়ল ঝামেলায়। কারণ ? কারণ হোল, অন্য নাতি-নাতনিদের বিরক্তি। তারা এই পুরানো গল্পটা আর শুনতে চায় না।  কতবার যে এই গল্পটা তাদের শুনিয়েছে, তার নাই ঠিক। শুনে শুনে কান পচে গেছে সকলের।ছোট নাতিটার আবার এই গল্পটাই পছন্দ। সব সময় এই গল্পটাই শুনতে চায় সে।     গল্পটা হল এরকম--  একবার এক সিংহের মুখ পড়ে গেছল একটা শেয়াল। শেয়াল তো ভারী চালাক জীব। প্রাণ বাঁচাতে,  একটা ফন্দি করেছিল সে। পাশেই পাহাড়টা ঝুঁকে ছিল রাস্তার দিকে। সিংহ তাকে দেখবার আগে, শেয়াল করেছিল কী,  ঝট করে সামনের দুটো পা পাহাড়ে ঠেকিয়ে দাঁড়িয়ে পড়েছিল। সিংহকে বলেছিল, এক্ষুনি পাহাড়টা পড়ে যেতে পারে।  রাজামশাই যদি দয়া করে একটু সময় এটাকে ঠেকিয়ে রাখতে পারে, তাহলে একটা সুরাহা করে ফেলতে পারবে সে। দৌড়ে   গিয়ে শক্ত দেখে একটা লগি এনে ঠেকনা দিয়ে দেবে। বেশিক্ষণ ধরে রাখতে হবে না। সে যাবে আর আসবে। তো,  সিংহ অতশত না ভেবে রাজি হয়ে গিয়েছিল। বেশ দেমাকি চালে কয়েক প

২৮ জুন ২০২১

Image
Today is the 28 June, 2021 আজকের দিন  বাংলায়--- ১৩ আষাঢ় সোমবার ১৪২৮ সুবিখ্যাত 'কল্লোল' পত্রিকার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সহকারী সম্পাদক গোকুলচন্দ্র নাগ ১৮৯৪ সালে আজকের দিনে জন্মেছিলেন। ছবি আঁকার দিকে ঝোঁক ছিল ছোটবেলা থেকে। সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তিও হয়েছিলেন। তবে চিত্র, সংগীত বা অভিনয়ের জন্য নয়, তিনি স্মরণীয় থাকবেন তাঁর প্রকাশিত ‘কল্লোল’ পত্রিকার জন্য। চিরাচরিত গণ্ডি ও অনুশাসন উপেক্ষা করে বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার প্রবেশ ঘটে কল্লোলের হাত ধরেই। তাঁর নাম সহসম্পাদক হিসেবে ছাপা হলেও তিনিই ছিলেন এর আসল কর্ণধার।   গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৪০ সালে আজকের দিনে জন্মেছিলেন।  চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েরল অর্থনীতি বিভাগের এই  শিক্ষক বাংলাদেশের প্রথম নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। তিনি ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক।তিনি বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার সহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।   ভারতে আধুনিক পরিসংখ্যানের

ভালোবাসার ভাবনারা/পলাশ বন্দ্যোপাধ্যায়

Image
ভালোবাসার ভাবনারা পলাশ বন্দ্যোপাধ্যায় ভাবনা নিজেকে যখন ভাবি, কচু পাতায় নোঙর করা জল। আমার এ আবেগ শুধু, ভালোবাসার শেষটুকু সম্বল। স্বপ্ন আগুন লেগে, পোড়ার দোষে ছাই। আমি বরবাদ হয়ে যাই। চোর যা কিছু রামায়ণে নেই। খানিক মহাভারতের। এমন ভাবে ভেবে  ভেবে কাটাই মলিনতা ঢের। ভিতর ভিতরের ধারা কখনো নীরবেই শেষ। চল হে বেপরোয়া, গড়ি সিঁধ কাটার পরিবেশ। কথা আমার দৃষ্টি এতটাও নয় অন্ধ।  যাতে তুমি হবে নিরুপায় গান্ধারী। পিঠ ঠেকে যাওয়া দেওয়ালের বুকে দাঁড়িয়ে, আপাতত শুধু এ কথা বলতে পারি। জাতে ওঠা শিকড় হয়েছি, তাই ,কই ছুঁতে পারি পাতা, ফুল? জীবনের বাঁচা মরা জলেরও তো খোঁজ করে, তাতে। কখনো যা হয় মনে পুরোটাই  ভুল হয়ে গেছে। আসলে সঠিক মানে প্রেমিক এভাবে ওঠে জাতে। কি আসে যায়? বেনো জল ভেবে যাকে দিয়েছ বালির বাঁধ, সেও- যখন বিপদে থাকো বদলিয়ে তার পরিধেয়, অকপটে বাঁচায় তোমাকে। তুঘলকি  ভাবনাতে কখনো কি কেউ টিকে থাকে? নিশ্চেষ্ট চেষ্টা করিনা কিছু, যা জোটে তা জোটে। ইদানিং বিশ্বাসে দাম নেই। লাগাতার মিছিমিছি আবেগে বিরাম নেই। তাই- ফুল, ফুটবার জন্যই ফোটে। অভিমানী কখনো, দামের কথা ভাবতে ভাবতে। যা কেনার কথা নয়, জোটে নিজে থেকে। অভিমা

আধুনিক চিত্রশিল্পের ইতিহাস -৪৭/ শ্যামল জানা

Image
আধুনিক চিত্রশিল্পের ইতিহাস -৪৭ শ্যামল জানা সাররিয়েলিজম্ (ফ্রয়েডীয় তত্ত্ব) সাররিয়েলিস্টরা তাদের সৃষ্টির ক্ষেত্রে যে দ্বান্দিকতার দর্শন(Dialectic) অনুসরণ করেছিল, তার মধ্যে প্রাথমিক অবস্থায় হেগেল ও পরবর্তীকালে কার্ল মার্কস-এর ডায়লেক্টই তাদেরকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছিল৷ এ আলোচনা আমরা করেছি৷ কিন্তু আরও দুজনের কথা না বললে তথ্য অসম্পূর্ণ থেকে যাবে৷ এঁরা হলেন— ওয়াল্টার বেঞ্জামিন(Walter Benjamin) এবং হারবার্ট মার্কাস  (Herbert Marcuse)৷   সাধারণভাবে বললে, ওয়াল্টার বেঞ্জামিন ছিলেন ইহুদি দার্শনিক, সাংস্কৃতিক সমালোচক(Cultural critic) এবং প্রাবন্ধিক৷ কিন্তু তিনি এমন একটি কাজ করেছিলেন, যে, পরবর্তীকালে দার্শনিকদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নতুন অ্যাভিনিউ খুলে দিয়েছিলেন৷ তাকে এক কথায় বলা হয়— সর্বদর্শন সমন্বয়কারী(Eclectic thinker)৷ অর্থাৎ, এতদিন যেটা চালু ছিল— প্রত্যেক বিষয়ের যে নিজস্ব দর্শন থাকে, তা একমাত্র সেই বিষয়ের ক্ষেত্রেই প্রজোয্য, অন্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রজোয্য নয়৷ যেমন, সমাজ বিষয়ক কোনো দর্শন কখনই শিল্প বিষয়ক দর্শন হিসেবে প্রজোয্য হবে না৷ ওয়াল্টার বেঞ্জামিন এসে এই এতদিনকার গে

ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা -৩৯

Image
ছোটোবেলা বিশেষ সংখ্যা -৩৯ সম্পাদকীয়, বড় বড় লরিগুলো যেগুলো এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে মাল বহন করে নিয়ে যায় তাদের কোনটার আটটা, কোনটার দশটা, কোনটার বারোটা বা তারো বেশি চাকা থাকে। সেই অনুযায়ী লরিগুলোর মাল বহন ক্ষমতা থাকে। তবে ঐযে ঋপণ আর্যের তোলা প্রচ্ছদের ছবিতে দুটো ছোটো বন্ধু কাঠের লরি টেনে নিয়ে যাচ্ছে, ওগুলোর কিন্তু চারটে করে চাকা। আরে অন্যবারতো ওরা আজকের দিনে রথ টেনে নিয়ে যায় কিন্তু এবারে কি করবে বলো কোভিডের জন্য রথের মেলা বন্ধ তাই কাঠের লরি টানছে। তাই বা মন্দ কি? তোমরা কি জানো, পুরীর রথ উৎসবে বলরাম যে রথে চাপেন তার চৌদ্দটা চাকা, সুভদ্রাকে যে রথে বসিয়ে মাসির বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয় সেটার বারোটা চাকা আর জগন্নাথের রথের ষোলোটা চাকা? শুধু কি চাকা ওদের তিন ভাই বোনের চেহারা নিয়েও কৌতূহলের শেষ নেই, সেটা জানতে পড়তে হবে মুক্তি দাশের ছড়া। রথে মাসির বাড়ি কিন্তু জগন্নাথ একা যায় না। সঙ্গী দাদা আর বোন। তবে এদের দাদা বোনের লধ্যে যেমন ভাবসাব সে কিন্তু সবার হয় না। এই যে দেখনা সুস্মিতা সাহার গল্পে তিতির আর তিতিরের দাদা পিকলুর মধ্যে নিত্য অশান্তি লেগেই আছে। তিতরের সঙ্গী এখানে চড়ুই ছানা। সঙ্গীর কথায়